টেক নিউজ

৮১ হাজার ফেসবুক ইউজারের প্রাইভেট মেসেজ বিক্রি করেছে হ্যাকাররা

0

ফেসবুক নামটির সাথে একটার পর একটা প্রাইভেসি স্ক্যান্ডাল যেন লেগেই থাকে। এখনকার সময়ে এসে ইউজারের প্রাইভেট ডাটা রক্ষা করার ক্ষেত্রে ফেসবুকই সবথেকে বেশি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, যেখানে ফেসবুক নিজেই সবসময় দাবী করে এসেছে যে ইউজারের প্রাইভেট ডাটা তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা ইউজারের ডাটার নিরাপত্তা রক্ষার্থে যা যা করা সম্ভব সবকিছুই করে থাকে। তবুও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া এবং ইউজারের প্রাইভেট ডাটা লিক হওয়ার ব্যাপারটি এখন আর নতুন কিছুনা, বরং খুবই সাধারন নিউজ হয়ে  দাঁড়িয়েছে। কিছুদিন আগেও ফেসবুক থেকে ২৯ মিলিয়ন ইউজারের প্রাইভেট ডাটা লিক হওয়ার একটি নিউজ শোনা যায় যা ফেসবুক নিজেই স্বীকার করেছে।

যাইহোক, BBC News এর ভাষ্যমতে এই হ্যাকড ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে অথবা নতুন কোন ডেটা ব্রিচের শিকার হওয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে কম করে হলেও প্রায় ৮১ হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের প্রাইভেট মেসেজ বা অ্যাকাউন্টের ইনবক্সে থাকা সব মেসেজগুলো আক্ষরিক অর্থেই  বিক্রি করেছে বা করার চেষ্টা করেছে হ্যাকাররা। এই ডাটা ব্রিচটি সর্বপ্রথম জানা যায় গত সেপ্টেম্বর মাসে, যখন ডাটা ব্রিচের সাথে যুক্ত থাকা কোন একজন হ্যাকার একটি ফোরাম সাইটে এই হ্যাকড অ্যাকাউন্টগুলোর প্রাইভেট ইনবক্সের মেসেজগুলো সেল করার বিজ্ঞাপন দেয়। এই ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলোর প্রাইভেট মেসেজগুলো লিক হয় যখন ঐ ফেসবুক ইউজাররা তাদের ব্রাউজারে একটি ম্যালিশিয়াস ব্রাউজার এক্সটেনশন ইন্সটল করে এবং এই এক্সটেনশনটি  তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ইনবক্সের সকল মেসেজ এবং ইনফরমেশন স্ক্র্যাপ করে নেয়।

এই ডাটা ব্রিচের সাথে যুক্ত থাকা হ্যাকাররা এই অ্যাকাউন্টগুলোর প্রাইভেট মেসেজ ১০ সেন্ট/অ্যাকাউন্ট দামে সেল করেছে বলে জানা যায়। তবে ঠিক কতগুলো অ্যাকাউন্টের প্রাইভেট মেসেজ তারা সেল করতে পেরেছে সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। ফেসবুকের একজন এক্সিকিউটিভ জানিয়েছেন যে, আর কোন নতুন অ্যাকাউন্টের প্রাইভেট ডাটা হ্যাক হয়নি এবং তারা প্রায় সব মেজর ব্রাউজার ডেভেলপারদের সাথে যোগাযোগ করে এই সবধরনের ম্যালিশিয়াস এক্সটেনশনগুলো তাদের স্টোর থেকে ডিলিট করার ব্যাবস্থাও করেছে।

ওয়্যারবিডি নিউজ

হুয়াওয়ে রিলিজ করেছে তাদের নতুন স্মার্টফোন অনর ম্যাজিক ২

Previous article

শাওমি অ্যানাউন্স করেছে তাদের নতুন হেডফোন এয়ারডটস

Next article

You may also like

Comments