গেমিং

আউটলাস্ট ২ [২০১৭] | অন্তর কাঁপানো ফার্স্ট পার্সন সারভাইবাল হরর ভিডিও গেম [রিভিউ]

5
আউটলাস্ট ২

ভয়ংকর সুন্দর এক চাঁদনি রাতে, একটি গ্রাম্যঞ্চলে আপনি একা! চারিপাশে অন্ধকার, একমাত্র চাঁদের আলোতে আপনি হেঁটে চলেছেন আপনার হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর খোঁজে। হ্যাঁ এইরকমই সুন্দর এবং গাঁ ছম ছম করা একটি গেম হলো এই আউটলাস্ট ২। গেমটি ২০১৩ সালের ব্লকবাস্টার আউটলাস্ট গেমের সিকুয়্যাল হিসেবে গতবছর মানে ২০১৭ সালে বাজারে চলে এসেছে। আর আমি গেমওয়ালা চলে এলাম গেমটির একটি রিভিউ নিয়ে। সঠিক পরিবেশে আপনি গেমটি খেলতে পারলে অবশ্যই  আপনার গাঁয়ে কাটা দিয়ে উঠতে বাধ্য।

আউটলাস্ট ২ গেমটির আগের গেম আউটলাস্ট যারা যারা খেলেছেন  তারা নিশ্চয় জানেন এই সিরিজের গেমগুলো কি রকম। আর একটি চমৎকার সিকুয়্যাল কাকে বলে তা এই আউটলাস্ট ২ গেমটির দিকে তাকালেই বুঝা যায়। আগের গেমটির থেকে শুধুমাত্র গ্রাফিক্সের দিকেই গেমটি উন্নত নয়, বরং গেমপ্লে, স্টোরিলাইন এবং সবথেকে ইউনিক বিষয় “ভয়” কে খুব সুন্দর ভাবে গেমটিতে সাজানো হয়েছে। হ্যাঁ পিলে চমকে দেবার মতো ভয় রয়েছে গেমটিতে।

আউটলাস্ট ২ হচ্ছে একটি ফার্স্ট পারসন সারভাইবাল হরর ভিডিও গেম যেটি নির্মাণ করেছে এবং একই সাথে প্রকাশ করেছে Red Barrels । গেমটি ২০১৩ সালের আউলাস্ট গেমটির সিকুয়্যাল হিসেবে ২০১৭ সালের এপ্রিলের শেষে দিকে বিশ্বব্যাপী মুক্তি দেওয়া হয়। আউটলাস্ট গেমটির সাথে মিল রেখে আউটলাস্ট ২ গেমটির ইউনিভার্স ঠিক রাখা হয়েছে তবে এখানে নতুন ক্যারেক্টার এবং ভিন্ন স্টোরিলাইন দেওয়া হয়েছে। মানে আগের গেমটির মতোই এটিও একটি Found Footage স্টাইলে খেলা যাবে। হলিউডের ভৌতিক ছায়াছবির মতোই গেমটি খেলার মজা পাওয়া যাবে। আর আগের গেমটির মতোই ভূতদের সাথে ফাইটিং এর চাইতে Run and Hide হিসেবে গেমটিতে বেশির ভাগ সময়ে আপনাকে খেলতে হবে। গেমটিতে কোনো মাল্টিপ্লেয়ার ফিচার নেই যেটি সিরিজের আগের গেম Outlast এবং Outlast: Whistleblower গুলোতেও ছিলো না।

নির্মাতা এবং প্রকাশক:Red Barrels
ইঞ্জিন:Unreal Engine 3
খেলা যাবে:

মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ভিক্তিক পিসিতে,প্লেস্টেশন ৪,এক্সবক্স ওয়ান এবং নিনটেন্ডো সুইচ গেমিং কনসোলে

খেলার ধরণ:সারভাইবাল হরর
খেলার মোড:সিঙ্গেল প্লেয়ার
মুক্তি পেয়েছে:২৫ এপ্রিল, ২০১৭

সিস্টেম রিকোয়ারমেন্টস:

কমপক্ষে:

আউটলাস্ট ২ গেমটি খুবই এডভান্স গ্রাফিক্সযুক্ত একটি গেম। গেমটি খেলার জন্য কমপক্ষে যেসকল রিকোয়ারমেন্টস দরকার সেগুলো হলো:
উইন্ডোজ ৭ ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেম (৩২ বিটে হবে না)
৪র্থ প্রজন্মের কোর ২ ডুয়ো ৩.০ গিগাহার্জ প্রসেসর
৪ গিগাবাইট র‌্যাম,
২ গিগাবাইট এএমডি রাডিয়ন এইচডি ৬৫৭০ কিংবা ১ গিগাবাইট এনভিডিয়া জিটিএক্স ৪৬০ গ্রাফিক্স কার্ড
ডাইরেক্ট এক্স ১০

ভালোভাবে খেলতে হলে:

গেমটি ভালো ভাবে ১০৮০পি রেজুলেশনে ৬০ ফ্রেমরেটে খেলতে চাইলে তোমার চাই:
উইন্ডোজ ১০ (৬৪বিট) অপারেটিং সিস্টেম
কোর আই ৫-৭৬০ ২.৮ গিগাহার্জ কিংবা এএমডি FX-8100 প্রসেসর
৮ গিগাবাইট র‌্যাম
রডিয়ন আর৭ কিংবা জিফোর্স জিটিএক্স ৭৬০ গ্রাফিক্স কার্ড
ডাইরেক্স এক্স ১১
গেমটি খেলার জন্য তোমার হার্ডডিক্সের ৩০ গিগাবাইট জায়গায় প্রয়োজন হবে।

হরর গেমিংয়ের আসল মজা আমরা সিরিজের আগের গেম আউটলাস্টে যেমনটি পেয়েছি সিরিজের নতুন গেম আউটলাস্ট ২ তেও ঠিক এরকমের ভয়ের স্বাদ রয়েছে। রাত্রের বেলা কানে হেডফোন লাগিয়ে একা রুমে বসে বসে গেমটি একবার খেলে দেখুন, তাহলেই বুঝবেন কেন একে সেরা ভৌতিক গেম বলছি। বেয়ার গ্রিলসের একটি কথা এই গেমটির গেম-প্লে সাথে মিলে যায় আর তা হলো “বেঁচে থাকার লড়াই”।  হ্যাঁ গেমটিতে আপনাকে বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করতে হবে। এর জন্য আপনি গেমটিতে দৌড়াতে পারবেন, বিভিন্ন অবজেক্টের পিছনে লুকাতে পারবেন এবং সবথেকে মজার ব্যাপার গেমটিতে আপনি সরাসরি কিছু স্ক্রিপকৃত সিন ছাড়া অন্য কোথাও ভূতদের সাথে মারামরি করতে পারবেন না।

এছাড়াও একটানা বেশিক্ষণ ধরে দৌড়াতে পারবেন না আপনি। সিরিজের আগের গেমটির মতোই এখানেও আপনি হেলথ রিস্টোর করতে পারবেন ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ করে নিয়ে। তবে ব্যান্ডেজ করতে কয়েক সেকেন্ড লাগবে এবং ভুতদের আক্রমণে ব্যান্ডেজিং মাঝপথেই থেমে যেতে পারে। আর রাতের অন্ধকারে পথ খুঁজে পেতে ভিডিও ক্যামেরার নাইট ভিশন ফিচারটি ব্যবহার করতে হবে, আর নাইট ভিশনটি ব্যাটারীর সাহায্যে চলে তাই গেমটিতে বেঁচে থাকার সাথে সাথে বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকা ব্যাটারিগুলোকেও সময়মতো খুঁজে বের করে নিতে হবে আপনাকে। গেমটির আরেকটি চমৎকার ফিচার হলো Enemy AI কে প্রথম গেমটির থেকে নতুন করে বানানো হয়েছে এবং এই গেমে ভূতগুলো আলাদা আলাদা র‌্যান্ডম পথ অনুসরণ করবে যাতে আপনি অনুমান করতে না পারেন কোন দিক থেকে ভূতগুলো আসবে।

গেমটিতে রয়েছে ৫ ধরণের ডিফিকাল্টি সেটিংস। এগুলোর প্রত্যেকটিই  এক এক ধরণের চ্যালেঞ্জ আপনাকে উপহার দিবে। এগুলো হচ্ছে: Story Mode, Normal, Hard, Nightmare এবং Insane । Story Mode হচ্ছে গেমটির সবথেকে সহজ সেটিংস এর গেমপ্লে। এখানে Normal সেটিংস থেকে কম ডিফিকাল্টি থাকবে, ভূতগুলো একটু বোকাটে টাইপের হবে এবং ভূতদের আক্রমণে আপনি কম ডেমেজ খাবেন। স্টোরি মোড সেটিংসয়ে গেমটির স্টোরিলাইনের কিছু Chase Sequences এবং Chase Encounters গুলোকে মুছে দেওয়া হয়েছে এবং সহজতর করে ফেলা হয়েছে।

অন্যদিকে Hard এবং Nightmare মোডগুলোতে আপনি গেমটির ডিফিকাল্টি একটু কঠিনতর হিসেবে পাবেন। এই মোডে ব্যাটারি খুঁজে পাওয়া একটু কঠিন হবে, ভূতগুলো বেশি আক্রমণাত্বক এবং দ্রুত দৌড়ে আসতে পারবে, হাইডিং স্পটগুলোকে আরো গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করতে পারবে এবং ভূতদের ডেমেজ বেশি হবে। অনেকসময় এক হিটে আপনি মারা যেতে পারেন এমনটিও হতে পারে। আর গেমটির Insane মোডটিতে আপনাকে বাস্তবিক লাইফের মতো খেলতে হবে, মানে হলো এই মোডে আপনাকে একবারও না মরে গিয়ে সম্পূর্ণ গেমটি গেমওভার দিতে হবে, একবার মরে গেল আপনাকে আবারো গেমটির একদম শুরু থেকে খেলতে হবে। আসলেই Insane!

ফার্স্ট পারসন হরর গেমগুলোতে এই ধরণের গেমপ্লে একদমই ইউনিক ভাবে Red Barrels কোম্পানিটি আউটলাস্ট সিরিজে নিয়ে এসেছে।  আর গেমটিতে অবশ্যই আপনাকে মাথার বুদ্ধি খাটিয়ে এক একটি স্থান এক একটি লেভেল পার করতে হবে। গেমটির স্টোরিলাইন নিয়ে আমি এখানে কিছুই বলছি না কারণ স্টোরিলাইন জেনে গেলে গেমটি খেলে তেমন এক মজা পাবেন না। তবে কিছু জিনিস না বললেই নয়।

সিরিজের প্রথম গেমটিতে আপনি যেমন একজন ফ্রিল্যান্সার সাংবাদিকের ভূমিকায় খেলেছেন, একটি মানসিক হাসপাতালকে তদন্তে করতে গিয়ে বিভিন্ন ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হয়েছিলেন ঠিক একই ধরণের সেটিংস আপনি আউটলাস্ট ২ গেমটিতেও পাবেন। আউটলাস্ট ২ গেমটিতে আপনাকে একজনের রহস্যজনক মিসিং কেইসের জন্য তদন্তে যেতে হবে। আর এই জার্নিতে আপনার সঙ্গ দিচ্ছে আপনার স্ত্রী। আপনি স্বস্ত্রীক হেলিকপ্টারে করে একটি গ্রাম্য অঞ্চলে যাচ্ছেন সেই রহস্যজনক মিসিং কেইসটিকে তদন্ত করতে। হঠাৎ হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং আপনি জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফিরে পাবার পর দেখেন যে আপনার স্ত্রীও মিসিং রয়েছে এবং আপনি রয়েছেন একটি ভুতুড়ে গ্রামে।

গ্রামের বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকা চিঠি এবং গ্রামের পরিবেশ দেখেই আপনি বুঝতে পারলেন যে এটি একটি ভৌতিক গ্রাম এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখলেন যে পুরো গ্রামটিই আপনাকে হত্যার জন্য ভয়ংকর ভাবে উঠে পড়ে লেগেছে। আর এরই মধ্য দিয়ে আপনাকে বেঁচে থাকতে হবে এবং আপনার স্ত্রীকে খুঁজে বের করতে হবে আর একই সাথে সেই মিসিং কেইসটিকেও সলভ করতে হবে। বলা বাহুল্য যে, অন্ধকারের স্থানগুলোকে যেখান চাঁদের আলো পৌঁছায় না সেখানে আপনার একমাত্র সাথী হবে আপনার ভিডিও ক্যামেরার নাইট ভিশন, আর সেটিকে একটিভ রাখার জন্য চাই ব্যাটারি। গ্রামের ভয়াবহ পরিবেশ আর ভূতগুলোর হাত থেকে বেঁচে থাকার পাশপাশি বিভিন্ন স্থান থেকে সঠিক সময়ে ক্যামেরার ব্যাটারিও আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে। আর এই সকল কিছুই ঘটে যাচ্ছে ভয়ংকর সুন্দর চাঁদনি রাতে!

ভয়ংস্কর সুন্দর বলছি এ কারণে যে গেমটির গ্রাফিক্স বেশ চমৎকার এবং হাই গ্রাফিক্স সেটিংস দিয়ে গেমটি খেললে একটি ভৌতিক গ্রামের রাতের পরিবেশের আসল মজাটা আপনি পাবেন। হুহু হাওয়ায় গাছের পাতা নড়াটাও গেমটির গ্রাফিক্সে বেশ চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

গেমটির বর্ণনায় আমি ভূত বললেও গেমটিতে আসলে ভূত বলতে কিছু নেই। তবে গ্রামের মানুষজনের ব্যবহারও ভূত থেকে কম যায় না। আবার কালো জাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিকের কারবারিও রয়েছে গেমটিতে, তাই হরর গেমের আসল ফিল আনার জন্য এখানে আপনাদের সুবির্ধাতে ভূত কথাটা প্রয়োগ করেছি আমি।

তবে একটা বলতেই হবে যে, একদমই দুর্বল হৃদয়ের প্লেয়ার এবং বেশি ছোট বাচ্চাদের এই গেমটি খেলতে দেওয়া যাবে না।  আর যারা মাথা ঘাটিয়ে ভিডিও গেমস খেলা পছন্দ করেন না তারা এই গেমটি থেকে দূরে থাকবেন। কারণ গেমটির শুরু করার মাত্র ১০ মিনিটের মাথা থেকেই আপনাকে বুদ্ধি খাটিয়ে গেমের গল্পের সামনে দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আমি নিজেই গেমটির এক পর্যায়ে একটি গমক্ষেতের আশেপাশেই আধা ঘন্টা ধরে শুধু ঘুরে বেরিয়েছি কিভাবে ভূতদের হাত থেকে বেঁচে সামনে দিকে এগিয়ে যেতে হয় সেটা চিন্তা করে।

সিরিজের প্রথম গেমটির পটভূমি ছিলো একটি হাসপাতাল ঘিরে আর পরিত্যাক্ত হাসপাতাল কথাটা শুনতেই মনের মধ্যে একটি ভূতুরে পরিবেশের চিত্র চলে আসে। কিন্তু আউটলাস্ট ২ গেমটিতে গ্রাম্য ভূতের পরিবেশকে গ্রাফিক্স এবং চমৎকার সাউন্ডের ব্যবহারের সাহায্যে ফুঁটিয়ে তোলা হয়েছে যা আসলেই প্রশংসার যোগ্য।

চমৎকার গ্রাফিক্স আর অসাধারণ সাউন্ড ইফেক্টের কারণেই কিন্তু আউটলাস্ট ২ গেমটি তোমার কাছে বেশ “ভয়ংকর” মজাদার লাগবে। আর তাই গ্রাফিক্স ও সাউন্ড ইফেক্ট এর জন্য তোমার চাই একটি মিডিয়াম রেঞ্জের গেমিং পিসি আর হেডফোন। আমার কথা বলতে গেলে গত বছর যখন গেমটি খেলেছিলাম তখন আমার পিসি ছিলো ৬ষ্ঠ প্রজন্মের কোর আই ৭ প্রসেসর, ১৬ গিগাবাইট র‌্যাম, ২ গিগাবাইটের রাডিয়ন গ্রাফিক্স কার্ডযুক্ত কনফিগারেশনের। তখন বেশ ভালো করেই গেমটি উপভোগ করেছি আমি।

আশা করবো যারা যারা এখনো গেমটি খেলেননি তারা গেমটি খেলে আমার মতোই মজা পাবেন। তবে সিরিজের প্রথম গেমটি যারা এখনো খেলেনটি তারা সরাসরি আউটলাস্ট ২ দিয়েও সিরিজটি শুরু করতে পারেন কারণ আগেরটার সাথে এটা স্টোরিলাইনে কোনো সম্পর্ক নেই। তো ভয় পেতে যারা ভালোবাসেন তারা আজই খেলে নিতে পারেন চমৎকার এই গেমটি!

Img Credit: By Pe3k Via Shutterstock

ফাহাদ
যান্ত্রিক এই শহরে, ভিডিও গেমসের উপর নিজের সুখ খুঁজে পাই। যার কেউ নাই তার কম্পিউটার আছে! কম্পিউটারকে আমার মতো করে আপন করে নিন দেখবেন আপনার আর কারো সাহায্যের প্রয়োজন হবে না।

কেন লিনাক্স মিন্ট আপনার প্রথম পছন্দ হতে পারে?

Previous article

টেক রাউন্ডআপ ১ : প্রযুক্তির দুনিয়ায় ঘটে যাওয়া সবকিছু [জুন ২০১৮]

Next article

You may also like

5 Comments

  1. Thanks for this review via.
    my pc config in : i3 3110
    RAM 4GB DDR3
    1TB HDD
    No External GPU..
    Kela Possible hobe?? Via?

    1. আমারো একই কনফিগ

    2. অবশ্যই খেলতে পারবেন বরং ভালোভাবেই খেলতে পারবেন ১০৮০x৭২০ রেজুলেশনে লো সেটিংস দিয়ে। তবে উইন্ডোজ ৮.১ য়ে গেমটি সার্পোট নিয়ে বেশ কিছু বাগ রয়েছে। তাই উইন্ডোজ ৭ (৬৪ বিট) বা উইন্ডোজ ১০ (৬৪ বিট) অপারেটিং সিস্টেমে গেমটি খেলুন।

  2. “গেমওয়ালা” ভাই is here ????
    Thanks for sharing the game info

    1. পোষ্টটি পড়ার জন্য এবং কমেন্ট করার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ভাই। 🙂

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *