বর্তমান তারিখ:17 August, 2019

পিসির গেমিং পারফরমেন্স ইমপ্রুভ করতে এই টিপসগুলো অবশ্যই ফলো করুন!

যারা পিসিতে গেম খেলেন এবং গেম খেলতে ভালোবাসেন, তাদের অন্যতম একটি চিন্তা থাকে, তা হচ্ছে কিভাবে আপনার পিসির গেমিং পারফরমেন্সকে আরও একটু ইমপ্রুভ করা যায় যাতে আপনি গেম খেলার সময় আরেকটু বেশি স্মুথ গেমপ্লে এবং একটু বেশি এফপিএস পেতে পারেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এখানে হার্ডওয়্যার লিমিটেশন একটি বড় ব্যাপার। কারন, আপনার পিসির হার্ডওয়্যার আপনাকে যে ম্যাক্সিমাম পারফরমেন্স অফার করতে পারে, এর থেকে আরও ভালো পারফরমেন্স পেতে চাইলে আপনার হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা ছাড়া কোন উপায় নেই।

তবে অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় যে আপনি গেম খেলার সময় আপনার হার্ডওয়্যার সেই গেমে আপনাকে সেই গেমে যে ম্যাক্সিমাম পারফরমেন্স দিতে পারার কথা, সেই পারফরমেন্সটিও আপনি পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে সমস্যাটি হতে পারে আপনার পিসির হার্ডওয়্যারের, কিংবা আপনার অপারেটিং সিস্টেমের অথবা আপনি যে গেমটি খেলছেন সেই গেমটির কোন সেটিংস  কিংবা অপটিমাইজেশনের। ধরুন আপনার পিসির যে হার্ডওয়্যার সেই অনুযায়ী আপনার জিটিএ ফাইভ গেমে সলিড ৬০ এফপিএস পাওয়ার কথা সাধারনভাবেই। তবে আপনি গেমটি খেলার সময় ৪০-৫০ এফপিএস এর বেশি পাচ্ছেন না। এই ধরনের অবস্থায় আপনি গেমিং পারফরমেন্স বেটার করতে যা যা করতে পারেন সেগুলো নিয়েই মুলত আলোচনা করবো আজকে।

লেজিট গেম খেলার চেষ্টা করুন

ভালো গেমিং পারফরমেন্স পেতে চাইলে ক্র্যাক গেমস থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন

আপনি যদি টিপিক্যাল বাংলাদেশি গেমার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি নিশ্চই গেমের দরকার হলেই টরেন্ট অথবা কোনো এফটিপি সার্ভার থেকে ক্র্যাক গেমস ডাউনলোড করেন এবং ক্র্যাক গেমস খেলেই নিজেকে গেমার বলে দাবী করেন। তবে হ্যা, ক্র্যাক গেমস খেলে নিজেকে গেমার বলে দাবী করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই না। যাইহোক, কাজের কথায় আসি। আপনি বলতে পারেন যে ক্র্যাক গেমস এবং লেজিট গেমসের মধ্যে পারফরমেন্সের কোন ডিফারেন্স নেই, এই ধারনাটি অনেকক্ষেত্রেই ভুল। হ্যাঁ, আমি স্বীকার করি যে ক্র্যাক গেমস এবং লেজিট গেমের মধ্যে পার্থক্য একটাই তা হচ্ছে, ক্র্যাক গেম আপনি ফ্রি ডাউনলোড করে খেলতে পারবেন এবং লেজিট গেম আপনাকে টাকা খরচ করে কিনতে হবে। তবে আরো একটি পার্থক্য হচ্ছে, লেজিট গেমসে আপনি টাইমলি আপডেটস পাবেন যেগুলো আপনার গেমটিকে প্রত্যেক আপডেটেই আরেকটু বেশি অপটিমাইজ করবে এবং প্রত্যেক আপডেটই আপনার গেমটি যাতে আরও বেশি স্ট্যাবল হয় এবং আরও ভালোভাবে আপনার পিসিতে রান করে।

গেমিং পারফরমেন্স

তবে ক্র্যাক গেমে আপনি কোন আপডেটই পাবেন না। যার ফলে এসব অপটিমাইজেশন এবং সবধরনের ইম্রপুভমেন্ট থেকেই আপনি বঞ্চিত থাকবেন। এর ফলে আপনি ক্র্যাক গেমস খেলে হয়তো ভালো পারফরমেন্স পাবেন  ঠিকই (যদি আপনার হার্ডওয়্যার ভালো হয়), তবে লেজিট গেমাররা আপনার থেকে নিশ্চিতভাবেই আরও ভালো পারফরমেন্স পাবে। এছাড়া গেমে কোন সমস্যা হলে লেজিট গেমাররা ডেভেলপার থেকে সাপোর্টও পাবে যা আপনি ক্র্যাক গেম খেললে পাবেন না।

এছাড়া টরেন্ট থেকে ক্র্যাক গেমস ডাউনলোড করলে অনেকসময় আপনার অজান্তেই ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত হতে পারে আপনার পিসি যেটা লেজিট গেমে কখনোই হবে না। আপনি অনেকসময় খেয়াল করলে দেখবেন যে ক্র্যাক গেম ইন্সটল করার পরে আপনার পিসি কিছুটা স্লো হয়। তবে সেই একই গেম যদি আপনি স্টিম থেকে কিনে খেলেন, তাহলে আপনার পিসি স্লো হওয়ার তেমন কোন চান্স নেই। তবে তা সবক্ষেত্রে নয়। তবে ভালো পারফরমেন্স পেতে চাইলে আমি বলবো ক্র্যাক গেমস থেকে ১০০ হাত দূরে থাকতে।

সফটওয়্যার অপটিমাইজেশন

গেম খেলার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে রানিং থাকা প্রোসেসগুলো লিমিট করে রাখুন

তবে লেজিট গেমস খেললেও অনেকসময় আপনি হার্ডওয়্যারের তুলনায় আশানুরুপ পারফরমেন্স পাবেন না, যদি সমস্যা থাকে আপনার সফটওয়্যারের বা আপনার অপারেটিং সিস্টেমের। অনেকসময় আপনি কোন সিপিইউ ইন্টেনসিভ গেম লঞ্চ করার পরে যদি দেখেন যে আপনি আশানুরুপ পারফরমেন্স পাচ্ছেন না, তাহলে হতে পারে আপনার পিসিতে ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেকরকম প্রোগ্রামস এবং সফটওয়্যারের কোন প্রোসেস রানিং রয়েছে এবং সেগুলো আপনার সিপিইউ এর প্রোসেসিং পাওয়ারকে ব্যবহার করছে। তাই আপনি যে গেমটি রান করছেন সেই গেমটির জন্য খুব বেশি প্রোসেসিং পাওয়ার আপনার প্রোসেসর প্রোভাইড করতে পারছে না। এই সমস্যাটি সবথেকে বেশি দেখা যায় যদি আপনার এক্সটারনাল কোন গ্রাফিক্স কার্ড না থাকে এবং আপনি আপনার ইন্টাগ্রেটেড ইন্টেল জিপিইউ ব্যবহার করেই গেম খেলেন।

গেমিং পারফরমেন্স

আপনি গেম খেলার সময় আপনার পিসিতে কোন কোন ব্যাকগ্রাউন্ড প্রোসেস রানিং রয়েছে এবং আপনার গেমিং পারফরমেন্সকে খারাপ করে দিচ্ছে, সেসর খুঁজে বের করা খুবই সহজ। আপনি উইন্ডোজ টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করলেই সেসব প্রোসেস দেখতে পাবেন এবং যেগুলো আপনার দরকার হচ্ছেনা সেগুলো ক্লোজ করে দিতে পারবেন। যদি ইন্টাগ্রেটেড গ্রাফিক্সেই গেম খেলতে চান, তাহলে কোন সিপিইউ ইন্টেনসিভ গেম ওপেন করার আগে রানিং প্রোসেসগুলো ক্লোজ করে নেওয়া অবশ্যই বুদ্ধিমানের কাজ। তার মানে কিন্তু এই নয় যে, আপনাকে কোন র‍্যাম ক্লিনার বা এই ধরনের কোন কিছু ব্যবহার কর‍তে হবে।

এছাড়া অনেকসময় দেখা যায় যে, আপনি আপনার গেমের ফাইলসগুলো আপনার হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে সেভ করেছেন, সেই ড্রাইভটি যদি ফ্র্যাগমেন্টেড হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে তা আপনার গেমিং পারফরমেন্সের ওপরে খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আপনার সম্পূর্ণ হার্ডড্রাইভটিকে সবসময় ডিফ্র্যাগমেন্টেড রাখার চেষ্টা করুন। ডিস্ক ডিফ্র্যাগ করার জন্য থার্ড পার্টি কোন প্রোগ্রাম ব্যবহার করার কোন দরকার নেই। কারন, উইন্ডোজ ১০ এ ডিস্ক ডিফ্র্যাগ করার জন্য বিল্ট ইন ডিফ্র্যাগমেন্ট টুল আছে যা আপনি উইন্ডোজ সার্চ বারে Defrag লিখে সার্চ করেই ওপেন করতে পারবেন।

গেমিং পারফরমেন্স

আপনি যদি কোন অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি জানেন যে মডার্ন প্রায় সব অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামেই একটি ডেডিকেটেড গেমিং মোড বা এই ধরনের কিছু থাকে। এই গেমিং মোডটি সাধারনত গেম খেলার সময় আপনার পিসির ম্যাক্সিমাম রিসোর্স আপনি যে গেমটি খেলছেন ওই গেমটির জন্য অ্যালোকেট করে দেয় যাতে আপনি আরও ভালো গেমিং পারফরমেন্স পেতে পারেন। একইসাথে এই গেমিং মোড গেম খেলার সময় আপনার উইন্ডোজের ব্যাকগ্রাউন্ড প্রোসেসগুলোকে কিছুটা লিমিট করে রাখে এবং সব উইন্ডোজ আপডেট সাময়িকভাবে বন্ধ করে রাখে যাতে আপনি আরও ভালো গেমিং পারফরমেন্স পান। তাই গেম খেলার সময় আপনার অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামের এই গেমিং মোডটি এনাবল করে রাখা অবশ্যই বেটার।

গেমিং পারফরমেন্স

এছাড়া উইন্ডোজ ১০ এ নিজেরই একটি ডেডিকেটেড সেটিংস রয়েছে গেমিং এর জন্য। এখানেও একটি গেমিং মোড আছে যা আপনার গেমিং পারফরমেন্সকে অপটিমাইজ করতে সাহায্য করে। তবে উইন্ডোজ ১০ এর এই ডিফল্ট গেমিং মোডটি খুব বেশি কাজের নয়। তবুও গেম খেলার সময় এটা অন রাখলে লাভ ছাড়া ক্ষতির কিছু নেই। জাস্ট সবসময় মনে রাখবেন, আপনি যদি ইন্টাগ্রেটেড জিপিইউ এর সাহায্যে গেমিং করেন, তাহলে গেম খেলার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে যত কম প্রোসেস রানিং রাখবেন, ততই বেটার গেমিং পারফরমেন্স পাবেন।

গ্রাফিক্স ড্রাইভার আপডেটেড রাখুন

আপনি যদি ইন্টাগ্রেটেড গ্রাফিক্স ব্যবহার করেন, কিংবা এক্সটারনাল গ্রাফিক্সও ব্যবহার করেন, সবক্ষেত্রেই আপনার একটি গ্রাফিক্স ড্রাইভার থাকবে যেটি আপনাকে পিসিতে ইন্সটল করতে হবে। গেমিং এর ক্ষেত্রে সবথেকে  গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গ্রাফিক্স। তাই গেমিং এর সময় বেস্ট পারফরমেন্স নিশ্চিত করতে চাইলে অবশ্যই গ্রাফিক্স ড্রাইভার আপডেটেড রাখতে হবে আপনাকে। এছাড়া আপনি যদি এনভিডিয়ার কোন এক্সটারনাল গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করেন, তাহলে আপনাকে গ্রাফিক্স ড্রাইভারের সাথে সাথে আরেকটি এক্সট্রা সফটওয়্যার (Geforce Experience) দেওয়া হবে যেটি একটি গেমিং সুইটের মতো কাজ করে।

গেমিং পারফরমেন্স

এই সফটওয়্যারটি আপনার পিসির কনফিগ, হার্ডওয়্যার এবং গেমের ডিমান্ড অনুযায়ী আপনার পিসির প্রত্যেকটি Geforce সাপোর্টেড গেমকে বা গেমের সেটিংসগুলোকে অপটিমাইজ করবে যাতে গেমটি আপনার পিসিতে বেস্ট পারফর্ম করতে পারে। তাই ভালো গেমিং পারফরমেন্স পেতে চাইলে আপনার এনভিডিয়া গ্রাফিক্স ড্রাইভারের সাথে এই Geforce Experience সফটওয়্যারটিকেও নিয়মিত আপডেটেড রাখুন এবং প্রত্যেকটি গেমকে অপটিমাইজ করে তারপর রান করুন।

গেমের সেটিংস অপটিমাইজ করা

আমরা সাধারনত কোন গেম খেলার সময় গেমটিকে জাস্ট শর্টকাট থেকে ডাবল ক্লিক করে রান করি এবং এরপর গেমটি খেলা শুরু করি। এরপর গেমটিতে ভালো পারফরমেন্স না পেলে আমরা ধরেই নেই যে এই গেমটি এমনই অথবা আপনার পিসিতে এই গেমটি এর থেকে ভালো পারফর্ম করবে না। কিন্তু ব্যাপারটি ঠিক তেমন নয়। গেমের বেস্ট পারফরমেন্স নিশ্চিট করতে হলে আপনাকে গেমের গ্রাফিক্স সেটিংস নিয়ে কিছুটা ঘাটাঘাটি করতে হবে। আপনি যতগুলো গেম খেলবেন, প্রত্যেকটি গেমেই একটি ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স সেকশন থাকে যেখান থেকে আপনি গেমের গ্রাফিক্স সেটিং নিজের ইচ্ছামত চেঞ্জ করতে পারবেন।

গেমিং পারফরমেন্স

এখানে আপনি অনেক ধরনের সেটিংস দেখতে পাবেন যেমন View Distance, Shadows, Textures ইত্যাদি। এটা মনে রাখবেন যে, প্রত্যেকটি সেটিংস যত হাই করবেন আপনার গেমটি তত বেশি রিসোর্স চাইবে এবং যত গ্রাফিক্স সেটিংস কমাবেন গেমটি তত কম রিসোর্স হাংরি হবে। এর ফলে গ্রাফিক্স কমাবেন, গেমটি তত বেশি স্মুথ রান করবে, তাই যদি গেম ওপেন করার পরে দেখেন যে গেমটিতে আশানুরুপ পারফরমেন্স আপনি পাচ্ছেন না, তাহলে গেমটির কয়েকটি গ্রাফিক্স সেটিংস একটু কমিয়ে নেবেন। তাহলে দেখবেন গেমটি আরো বেশি স্মুথলি রান করছে। যদি এর থেকেও আরো স্মুথ চান, তাহলে কোয়ালিটি আরো একটু কমিয়ে নেবেন। এভাবে কিছুক্ষন গেমের সেটিংস নিয়ে ঘাটাঘাটি করলেই আপনি বুঝতে পারবেন যে ঠিক কোন ধরনের সেটিংসে গেমটি সবথেকে ভালো পারফর্ম করে।

তো এই ছিলো কয়েকটি টিপস যা আপনার পিসির গেমিং পারফরমেন্সকে আরেকটু ইমপ্রুভ করতে সাহায্য করতে পারে। পরবর্তীতে গেমিং করার সময় এসব টিপস ফলো করলে আপনার গেমিং এক্সপেরিয়েন্স আরেকটু বেটার হতে পারে। আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আশা করি আজকের আর্টিকেলটিও আপনাদের ভালো লেগেছে। কোনো ধরনের প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

Image Credit : gorodenkoff Via ShutterStock

অনেক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ ছিলো এবং হয়তো সেই আকর্ষণটা আরো সাধারন দশ জনের থেকে একটু বেশি। নোকিয়ার বাটন ফোন থেকে শুরু করে ইনফিনিটি ডিসপ্লের বেজেললেস স্মার্টফোন, সবই আমার প্রিয়। জীবনে টেকনোলজি আমাকে যতটা ইম্প্রেস করেছে ততোটা অন্যকিছু কখনো করতে পারেনি। আর এই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকেই লেখালেখির শুরু.....

35 Comments

  1. Bijoy Reply

    bro, my pc config is i3 7100
    gtx 1050ti 4gb ddr5
    Ram 16GB DDr4
    SSd 500gb

    tarporeo game e valo frame ret pay na. GTA 5 e matro 25-35 rate asteche. kichu bujhina. ki bottleneck korteche bolte pqrben? or what should I do now bro.?

    1. সিয়াম একান্ত Post author Reply

      আমি তো বটলনেক করার মতো তেমন কিছুই দেখছি না। ১৬ জিবি ডিডিআর৪ র‍্যাম দরকারের থেকেও বেশি। এছাড়া আমার গ্রাফিক্স কার্ডও ১০৫০ টিআই। পিসি কবে বিল্ড করেছেন? গ্রাফিক্স ড্রাইভার ঠিকমতো ইন্সটল করেছিলেন তো? গেমের সেটিং যদি সব আলট্রা করে রাখেন তাহলে ফ্রেম রেট কম পাবেন এটাই স্বাভাবিক। ১০৫০ টিআই মিড এন্ড জিপিইউ। ১০৮০ টিআই এর মতো এত বেশি পাওয়ারফুল না। আপনি আলট্রা গ্রাফিক্সে খেলে থাকলে গ্রাফিক্স কমিয়ে হাই অথবা মিডিয়াম করে দেখুন! সমস্যাটি শুধুমাত্র জিটিএ ফাইভেই হচ্ছে নাকি সব গেমে?

  2. Jian Khan Reply

    Hi Bros…>!
    PLZ Suggest me a gaming pc config about 70K in the budget.
    I will do some graphics work also… like PS and AE. Thanks in advance!

    1. সিয়াম একান্ত Post author Reply

      ৭০ হাজারের মধ্যে আপনি I5 7th বা 8th Generation নিতে পারেন। এছাড়া Ryzen 5 ও নিতে পারেন যদি এএমডি বেশি ভালো লাগে। Ryzen 5 নিলে যদিও Raw পারফরমেন্স I5 এর তুলনায় কিছুটা বেটার পাবেন। এছাড়া হার্ডড্রাইভ নিতে পারেন আপনার দরকারমতো। সাথে কম পক্ষে ৮ জিবি DDR4 র‍্যাম নেবেন। মনিটর নিতে পারেন HP 22er। যেহেতু গ্রাফিক্সের কাজ করবেন তাই এক্সটারনাল জিপিইউ অবশ্যই দরকার। সেক্ষেত্রে 1050Ti নিতে পারেন।পাওয়ার সাপ্লাই নিতে 450W এর। এছাড়া কেসিং, কুলার ইত্যাদি আপনার ইচ্ছামত বাজেট অনুযায়ী।

        1. সিয়াম একান্ত Post author Reply

          এক্সটারনাল জিপিইউ বলতে বুঝিয়েছি ডেডিকেটেড হাই পারফরমেন্স জিপিইউ যেটাকে শুধুমাত্র গেমিং অথবা ভিডিও এডিটিং এর মত গ্রাফিক্স ইন্টেন্সিভ কাজের জন্য ব্যাবহার করা হয়। যেগুলোকে সাধারনত আমরা গ্রাফিক্স কার্ড বলে থাকি। যেমন- GTX 1030, 1050, 1080 ইত্যাদি। আশা করি বোঝাতে পেরেছি যে আমি কিসের কথা বলছি। 🙂

  3. জায়েদুল ইসলাম Reply

    আমি আমি গ্রাপিক্স ডিজাইন কাজ করবো
    আমাকে বালো মনিটর সাজেস্টকরুন। বাজেট ৭-১০ হাজার। ব্র্যান্ড এবং মডেল নাম্বার দিলে অনেক ভালত।

    1. সিয়াম একান্ত Post author Reply

      আমি HP 22er মনিটর ব্যাবহার করি। গত ৮ মাস যাবত ব্যাবহার করে আসছি। আমার মতে ১০-১১ হাজারের মধ্যে এটাই বেস্ট মনিটর আমার মতে। আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমি এটাই সাজেস্ট করবো। 🙂

  4. রিয়ান সাব্বির Reply

    ভাই দেখত্যাচি ১০৮০পি গেমার। 😀 আই ভাবচিলাম ৪কে গেমার 😛

    1. সিয়াম একান্ত Post author Reply

      হাহা। হ্যা ভাইয়া। এখনো পর্যন্ত ১০৮০ পি গেমার। ৪কে গেমিং এর সৌভাগ্য হয়নি এখনো পর্যন্ত। :p

  5. পিয়াল চৌধুরী Reply

    অনেক দিন কমেন্ট করি না। বাট পোস্ট টা দারুন লাগলো। তাই কমেন্ট করলাম। আর যখন কমেন্ট করলাম তখন একটু হেল্পান ভাই। কমদামী একটা ভালো ওয়েব হোস্টিং সাজেস্ট মারেন।
    আর প্রশ্ন পোস্ট টপিকের বাইরে করার জন্য অত্যন্ত দুঃখিত। ধন্যবাদ।

    1. সিয়াম একান্ত Post author Reply

      থ্যাংকস ভাইয়া। শেয়ারড হোস্টিং নিতে চাইলে HostGator থেকে নিতে পারেন। 1and এর সার্ভিসও ভালো। আর যদি ভিপিএস নিতে চান তাহলে DigitalOcean, AWS এগুলো থেকে নিতে পারেন। 🙂

    1. সিয়াম একান্ত Post author Reply

      স্টিম উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স সবজায়গায় এভেইলেবল। তবে ম্যাক এবং লিনাক্সে গেমিং করার কোনো মানে নেই। তাই স্টিম ইন্সটল করারও কোনো মানে নেই। স্টিম ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও আরো অনেক পেমেন্ট মেথড সাপোর্ট করে। যেমন স্ক্রিল, ব্যাংক ট্রান্সফার ইত্যাদি। এছাড়া অ্যামাজন গিফট কার্ড, গুগল প্লে গিফট কার্ড এর মতো স্টিম গিফট কার্ডও আছে যেগুলো আপনি কিনে স্টিমে গেম কেনার জন্য ব্যাবহার করতে পারেন। অনেক থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট থেকে আপনি বিকাশ এর সাহায্যে স্টিম কার্ড কিনতে পারবেন যদি আপনার ক্রেডিট কার্ড না থাকে। যেমন- https://impex.com.bd

  6. তুলিন Reply

    অনেক সুন্দর ভাইয়া। ভাইয়া একটা অনুরধঃ সিপিইউ+জিপিইউ ওভারক্লকিং টিউটোরিয়াল চাই। ইউটিউব থেকে দেখলাম। বাট ইংরেজি জিনিষ দেখে অনেক কিছু কনফিউজ থেকেই যেতে হয়। বেটার হয় আপনি আর্টিকেল দিলে বা ভিডিও দিলে।
    তাহমিদ ভাইয়া বা আপনি যেকোনো একজন করে ফেলুন প্লিজ।
    ধন্যবাদ ভাইয়া।

    1. সিয়াম একান্ত Post author Reply

      ধন্যবাদ ভাইয়া। হ্যা, সিপিইউ এবং জিপিইউ ওভারক্লকিং নিয়ে খুব দ্রুতই পোস্ট পাবেন। 😀

  7. Johny Reply

    আমার পিসি অন করার পরে হার্ড ড্রাইভ থেকে কোট কোট শব্দ আসছে।
    কি করবো? ড্রাইভ কি ফেল করবে? (কম্পিউটার স্লো ইস্যু নাই)???? জানাবেন প্লিজ ,,????

  8. kuntal roy Reply

    ক্র্যাক গেমস খেলে নিজেকে গেমার বলে দাবী করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই না।
    :
    এই কথার মানে কি ভাই? গেম ক্রাক করলে কি গেমের লজিক ও চেঞ্জ হয়ে যায় নাকি?

  9. সাইমুম কবির Reply

    ভাইয়া, আমার Nvidia গ্রাফিক্স কার্ড আসে, এক্সটারনালভাবে লাগানো।কিন্তু আমি কিছু কিছু গেমস স্মুথলি খেলতে পারি না।আপনার আর্টিকেলটি পড়ে nvidia geforce experience এ অপ্টিমাইজেসন নিয়ে একটু বিস্তারিতভাবে জানতে চাই।কিভাবে এটা কাজ করে এবং কিভাবে গেমসগুলো optimise করতে হয় যদি বলতেন! খুবই উপকৃত হতাম,ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *