WireBD
আপনার আইএসপির ডিফল্ট ডিএনএস (DNS) কেন চেঞ্জ করা উচিত এবং যেভাবে করবেন

আপনার আইএসপির ডিফল্ট ডিএনএস (DNS) কেন চেঞ্জ করা উচিত এবং যেভাবে করবেন! [কমপ্লিট গাইড]

আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার থেকে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস করার জন্য আপনাকে যে ডিএনএসটি দেওয়া হয়েছে, সেটি কিভাবে চেঞ্জ করবেন এবং কেনই বা চেঞ্জ করতে চাইবেন, তা জানার জন্য আপনাকে প্রথমেই জানতে হবে যে ডিএনএস জিনিসটি কি, এর কাজ কি এবং কেন দরকার হয়। আপনি যদি ডিএনএস কি সেটাই না জেনে থাকেন, তাহলে এখানেই থামুন। প্রথমে নিচের আর্টিকেলটি পড়ে জেনে আসুন ডিএনএস সম্পর্কে।

→ ডিএনএস (DNS) কি এবং কেন দরকার হয়? ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব কি?

ওপরের আর্টিকেলটি যদি পড়ে থাকেন, তাহলে আপনি এতক্ষনে নিশ্চই জানেন যে ডিএনএস কি এবং কিভাবে কাজ করে। তবে ওখানে এই সম্পর্কে লেখা নেই যে, কেন আপনি আপনার আইএসপি থেকে দেওয়া ডিফল্ট ডিএনএস চেঞ্জ করে অন্য কোন ডিএনএস ব্যবহার করতে চাইবেন। অন্য কোন ডিএনএস ব্যবহার করার সুবিধা এবং অসুবিধা কি হতে পারে সেটাও বলা নেই সেখানে। এগুলো এখানে বলছি।

আগের আর্টিকেলেই বলেছিলাম, ডিএনএস আপনি যে ওয়েবসাইটটি অ্যাক্সেস করতে চাচ্ছেন সেই ওয়েবসাইটটির আইপি অ্যাড্রেস খুঁজে পেতে সাহায্য করে। কারন, আইপি অ্যাড্রেস না পেলে আপনি সেই সাইট অ্যাক্সেসই করতে পারবেন না। এটাও বলেছিলাম যে, আপনার আইএসপির ডিএনএস সার্ভার ছাড়াও আরও কিছু পাবলিক ডিএনএস আছে। যেমন- গুগল পাবলিক ডিএনএস, ক্লাউডফ্লেয়ার ডিএনএস।

ডিএনএস

এখন, এই গুগলের ডিএনএস সার্ভার বা ক্লাউডফ্লেয়ারের ডিএনএস সার্ভার আপনার আইএসপির ডিফল্ট ডিএনএস সার্ভারের থেকে অনেক দ্রুত আপডেটেড হয় এবং এই থার্ড পার্টি ডিএনএস সার্ভারগুলোর ডেটাবেসও আপনার আইএসপির ডিএনএসের থেকে অনেক বড় হয়ে থাকে। তাই এসব ডিএনএস ব্যবহার করলে আপনি কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় আরও দ্রুত ওয়েবসাইটটির আইপি অ্যাড্রেসটি পেয়ে যাবেন।

যার ফলে, আপনি সঙ্গত কারনেই আরেকটু দ্রুত ওয়েবসাইটটি অ্যাক্সেস করতে পারবেন। এর মানে এই নয় যে আপনার ইন্টারনেট স্পিড অনেক বেড়ে যাবে। তবে আপনি যখন কোন ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস লিখে সেটি অ্যাক্সেস করতে যাবেন, তখন ওয়েবসাইটটি আরেকটু দ্রুত লোড হতে পারবে (যেহেতু আইপি খুঁজে পেতে কম সময় লাগছে)। যেমন- আপনি ইতোমধ্যেই হয়তো অনেকজায়গায় শুনেছেন যে ক্লাউডফ্লেয়ারের নতুন 1.1.1.1 ডিএনএস সার্ভারটি সবথেকে ফাস্ট ডিএনএস সার্ভার।

শুধু তাই নয়, আপনি যদি কোন রিপুটেড আইএসপির কানেকশন ব্যবহার না করেন বা কোন লোকাল আইএসপির কানেকশন ব্যবহার করেন, তাহলে তাদের ডিএনএস সার্ভারটিতে ডিএনএস স্পুফিং বা ডিএনএস পয়জন করা হ্যাকারের জন্য তুলনামূলকভাবে অনেক সহজ হতে পারে গুগলের ডিএনএস বা ক্লাউডফ্লেয়ারের ডিএনএসের তুলনায়। তাই আপনি যদি থার্ড পার্টি ডিএনএস ব্যবহার করলে, আপনার আইএসপির ডিএনএস সার্ভারটি যদি স্পুফিং এর শিকারও হয়ে থাকে, তাহলেও আপনি সেফ থাকবেন। যেহেতু আপনি তাদের ডিফল্ট ডিএনএস ব্যবহার করছেন না।

এবার নিশ্চই কিছুটা হলেও ধারনা পেয়েছেন যে কেন আপনার আইএসপির ডিফল্ট ডিএনএস এর পরিবর্তে গুগল বা ক্লাউডফ্লেয়ারের থার্ড পার্টি ডিএনএস ব্যবহার করা উচিৎ। চলুন, এবার জানা যাক কিভাবে আপনার ডিভাইসগুলোতে ডিফল্ট ডিএনএস এর পরিবর্তে কাস্টম ডিএনএস ব্যবহার করবেন বা কিভাবে ডিএনএস সেটিংস চেঞ্জ করবেন-

উইন্ডোজ পিসি/ল্যাপটপ

উইন্ডোজ ১০ পিসিতে ডিএনএস সেটিংস চেঞ্জ করার জন্য আপনার ইন্টারনেট কানেক্টেড থাকা অবস্থায় আপনার উইন্ডোজের Control Panel থেকে Network and Internet অপশনে চলে যান-

ডিএনএস

এরপর স্ক্রিনের ওপরের দিকে Network and Sharing Center অপশনে ক্লিক করুন-

ডিএনএস

 

 

এবার স্ক্রিনের বামদিকে আরেকটি অপশন দেখতে পাবেন যেটার নাম Change Adapter Settings। এই অপশনটিকে ক্লিক করুন-

ডিএনএস

এবার এখানে আপনার পিসিতে কানেক্টেড থাকা সব নেটওয়ার্কগুলো দেখতে পাবেন। এখানে থেকে আপনার ওয়াইফাই নেটওয়রকটিতে রাইট ক্লিক করে Propeties অপশনে ক্লিক করুন-

ডিএনএস

এখন একটি ছোট উইন্ডো ওপেন হওয়ার পরে সেখান থেকে Internet Protocol Version 4 (TCP/IPv4) অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং মাউস কার্সর দিয়ে সিলেক্ট করে নিচে থাকা Properties অপশনে ক্লিক করুন-

ডিএনএস

Properties অপশনটিতে ক্লিক করার পরে আরেকটি ছোট উইন্ডো ওপেন হতে দেখবেন। সেখানে নিচে দুটি অপশন পাবেন। সেখান থেকে Use the following DNS server addresses অপশনটি সিলেক্ট করে দিন। এরপরে এর নিচে দুটি টেক্সট বক্স পাবেন। এখানেই মুলত আমরা আমাদের কাস্টম ডিএনএস বসাবো। এখানে প্রথম বক্সটিতে আমাদের Primary DNS বসাতে হবে এবং দ্বিতীয় বক্সটিতে বসাতে হবে Alternate DNS। আপনি যদি গুগলের ডিএনএস ব্যবহার করতে চান, তাহলে Primary DNS বক্সে বসাবেন 8.8.8.8 এবং Alternate DNS বক্সে বসাবেন 8.8.4.4।

আর যদি ক্লাউডফ্লেয়ারের ডিএনএস ব্যবহার করতে চান, তাহলে Primary DNS হবে 1.1.1.1 এবং Alternate DNS হবে 1.0.0.1। ডিএনএসগুলো বসানোর পরে জাস্ট নিচ থেকে OK প্রেস করবেন এবং সব উইন্ডো ক্লোজ করে দেবেন। আমি এখানে গুগলের ডিএনএস ব্যবহার করেছি, তবে আমি পার্সোনালি সাজেস্ট করবো ক্লাউডফ্লেয়ার ডিএনএস ব্যবহার করার জন্য। কারন, আমার জানামতে এখনও পর্যন্ত ক্লাউডফ্লেয়ারের ডিএনএস সবথেকে ফাস্ট।

ডিএনএস

নিচের চার্টটি লক্ষ্য করুন-

Provider Primary DNS Alternate DNS
Google Public DNS 8.8.8.8 8.8.4.4
CloudFlare DNS 1.1.1.1 1.0.0.1

আর ডিএনএস চেঞ্জ করার পরে আপনার পিসির কমান্ড প্রম্পট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর মোডে ওপেন করে ipconfig/flushdns কমান্ড দিয়ে আপনার ডিএনএস ক্যাশ ক্লিয়ার করে নেবেন।

আর হ্যা, ডিএনএস চেঞ্জ করার পড়ে কোনরকম সমস্যা যদি হয়, তাহলে আবার ওই পূর্বের জায়গায় ফিরে গিয়ে Use the following DNS অপশন থেকে টিক মার্ক সরিয়ে, অর্থাৎ সেটি ডিজেবল করে তার ওপরের অপশন অর্থাৎ, Obtain DNS server address automatically অপশনটি এনাবল করে দেবেন। তাহলেই ঠিক হয়ে যাবে।

অ্যান্ড্রয়েড

অ্যান্ড্রয়েডে ডিএনএস চেঞ্জ করার জন্য জাস্ট আপনার ওয়াইফাই সেটিংসে চলে যান এবং আপনার কানেক্ট করা ওয়াইফাই নেটওয়ার্কটির ওপরে লং প্রেস করুন (যদি আপনি স্টক অ্যান্ড্রয়েড ইউজার হন)। এরপর Modify Network ক্লিক করে Advanced Setings অপশন এক্সপ্যান্ড করুন। এরপর IP Settings থেকে Static IP সিলেক্ট করার পরে নিচে কাস্টম আইপি অ্যাড্রেস বসানোর অপশনের নিচেই ডিএনএস বসানোর অপশনও পেয়ে যাবেন। সেখানে DNS1 এর টেক্সট ফিল্ডে Primary DNS এবং DNS2 এর টেক্সট ফিল্ডে Alternate DNS  বসাবেন এবং সেটিংস অ্যাপ্লাই করে দেবেন। এরপর ওয়াইফাই রিকানেক্ট করলেই আপনার ডিএনএস সেটিংস চেঞ্জ হয়ে যাবে।

তবে সব অ্যান্ড্রয়েডে সব সেটিংস একরকম হয়না। যেমন- আপনি স্যামসাং এর ইউআই ব্যাবহার করলে একরকম হবে, MIUI ব্যাবহার করলে একরকম, আবার EMUI ব্যাবহার করলে আরেকরকম হবে। তবে সবক্ষেত্রেই আপনি জাস্ট আপনার ওয়াইফাই সেটিংস এর অ্যাডভান্সড সেটিংসে ঢুকলেই এই কাস্টম ডিএনএস সেট করার অপশন পেয়ে যাবেন। আপনি আপনার ফোনের ওয়াইফাই সেটিংস নিয়ে কিছুক্ষন ঘাটাঘাটি করলেই এই অপশনগুলো পেয়ে যাবেন।

রাউটার

ডিএনএস চেঞ্জ করার সবথেকে নির্ভরযোগ্য সল্যুশন হচ্ছে আপনার ওয়াইফাই রাউটার থেকেই ডিফল্ট ডিএনএস চেঞ্জ করে ফেলা। এর ফলে আপনার রাউটারের সাথে যতগুলো ডিভাইস কানেক্টেড আছে, সবগুলোর ডিএনএস এমনিতেই চেঞ্জ হয়ে যাবে। প্রত্যেকটি ডিভাইসে আলাদা আলাদাভাবে চেঞ্জ করার দরকার হবেনা। অর্থাৎ রাউটার থেকে চেঞ্জ করলে ওপরের কোন স্টেপই আপনাকে আর ফলো কর‍তে হবেনা। তাই আমি সাজেস্ট করবো ডিএনএস আপনার রাউটার থেকেই চেঞ্জ করতে।

রাউটারের ডিএনএস চেঞ্জ করতে হলে আপনাকে রাউটারের কনট্রোল প্যানেলে ঢুকতে হবে। অধিকাংশ রাউটারের কনট্রোল প্যানেল অ্যাড্রেস সাধারনত 192.168.0.1 অথবা 192.168.1.1 অ্যাড্রেসে হয়ে থাকে। আপনার রাউটার যদি TP Link এর হয়ে থাকে, তাহলে আপনি রাউটারে কানেক্টেড থাকা অবস্থায় 192.168.0.1 এই আইপিতে ঢুকলেই পাবেন। যদি ঢুকতে না পারেন, তাহলে আপনার রাউটারের নাম এবং এর পাশে IP লিখে গুগলে সার্চ করলেই আপনার রাউটারের কনট্রোল প্যানেলের আইপি পেয়ে যাবেন। যেমন- Netis Router IP। সেখানে কনট্রোল পানেলে লগিন করার ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ডও পেয়ে যাবেন।

সেগুলো দিয়ে কনট্রোল প্যানেলে লগিন করুন (যদি আপনি ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড চেঞ্জ না করে থাকেন)। রাউটারের কনট্রোল প্যানেলে ঢুকে একটু ঘাটাঘাটি করলে কোথাও না কোথাও DNS সেটিংসের অপশন পেয়ে যাবেন। কিছু না বুঝে অন্য কোন অপশনে কিছু চেঞ্জ করবেন না। DNS সেট করার অপশন খুঁজে পেলে তারপরেই সেখানে ঢুকে DNS1 এর ঘরে Primary DNS এবং DNS2 এর ঘরে Alternate DNS বসিয়ে সেটিংস অ্যাপ্লাই করে দিন। এরপর জাস্ট আপনার রাউটার রিবুট করুন। আর হ্যা, এসব কিছু করার আগে আপনার রাউটারের ডিফল্ট সেটিংসের একটি ব্যাকআপ নিয়ে রাখা ভালো।

আর হ্যা, রাউটারের সেটিংসগুলো সম্পর্কে যদি আপনার ভালো আইডিয়া না থাকে, তাহলে রাউটারের কনট্রোল প্যানেলে ঢোকার কোন দরকার নেই। ভালো আইডিয়া না থাকলে কিছু একটা ভুল হয়ে গেলে আপনি সহজে ঠিক করতে পারবেন না। তাই রাউটার সেটিংস সম্পর্কে ভালো জ্ঞান না থাকলে শুধুমাত্র উইন্ডোজ পিসি এবং অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ম্যানুয়ালি আপনার ডিএনএস চেঞ্জ করুন যেভাবে ওপরে দেখিয়েছি।


আশা করি কিভাবে ডিএনএস চেঞ্জ করবেন তা বুঝতে খুব বেশি সমস্যা হয়নি। আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আশা করি আজকের আর্টিকেলটিও আপনাদের ভালো লেগেছে। কোন ধরনের প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।

ইমেজ ক্রেডিটঃ By Piotr Adamowicz Via Shutterstock

সিয়াম একান্ত

অনেক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ এবং প্রযুক্তিকে ভালোবাসি। জীবনে টেকনোলজি আমাকে যতটা ইম্প্রেস করেছে ততোটা অন্যকিছু কখনো করতে পারেনি। তাই পড়াশুনার পাশাপাশি প্রায় অধিকাংশ সময়ই প্রযুক্তি নিয়ে সময় কাটাই। আশা করি এখানে আপনাদেরকে প্রযুক্তি বিষয়ক ভালো কিছু আর্টিকেল উপহার দিতে পারব।

33 comments

  • ভাইয়া আমি ওপেন ডিএনএস ব্বাওহার করি, কোন সমস্যা?

    • না ভাইয়া। কোন সমস্যা নেই। তবে আমি সাজেস্ট করবো ওপেনডিএনএস এর পরিবর্তে ক্লাউডফ্লেয়ার ডিএনএস ব্যবহার করতে। ক্লাউডফ্লেয়ারের 1.1.1.1 ডিএনএস এখনও পর্যন্ত সবথেকে ফাস্ট এবং রিলায়েবল।
      এই লিংকটি দেখুন- https://www.dnsperf.com/#!dns-resolvers

      • বুঝলাম ভাইয়া। কিন্তু তাহমিদ ভাইয়া বলেছিল ওপেন ডিএনএস এ কিছু অ্যাডিশন্যাল সিকিউরিটি ফিচার রয়েছে – যেমন এনক্রিপশন… ক্লাউড ফ্লেয়ারে কি আছে এগুলো?

        • জী ভাইয়া। ক্লাউডফ্লয়ার ডিএনএস অন্যান্য পাবলিক ডিএনএস এর থেকে অনেক বেশি সিকিওর। ক্লাউডফ্লেয়ার নিজেই বলেছে তাদের এই নতুন 1.1.1.1 ডিএনএস ফাস্ট এবং একইসাথে প্রাইভেসি-ফোকাসড ডিএনএস। সিকিউরিটির দিক থেকে ক্লাউডফ্লেয়ারের যেকোনো প্রোডাক্টের ওপরেই আস্থা রাখতে পারেন। আমরা টেকহাবসেও ক্লাঊডফ্লেয়ারের সিডিএন ব্যবহার করি।

  • ইয়েস ওয়রক করতেছে ব্রো। আমি টেস্ট করলাম। স্পীড টেস্ট করলেও পিং কমে গেছে। ইয়েস আপনি বস!!!!!!!!!!!! কাজের জিনিষ!!! সবাই ট্র্যায় করে দেখুন।

    একটা প্রশ্ন বস!!! – আচ্ছা এইটা ইউজ করলে ব্লক সাইট কি আনব্লক হবে? আর আইপি ও চেঞ্জ হবে? অ্যান্ড আইএসপি কি ট্র্যাক করতে পারবে?

    • না ভাইয়া। এটা ব্যবহার করলে ব্লকড সাইট আনব্লক হবেনা। আপনার আইপিও চেঞ্জ হবেনা। শুধুমাত্র আপনার ডিএনএস সার্ভার চেঞ্জ হবে। যার ফলে আপনার ইন্টারনেট আরেকটু বেশি স্ন্যাপি, ফাস্ট এবং আপনার লেটেন্সি কিছুটা কমতে পারে। আর যেহেতু আপনার ডিএন স্পুফিং বা পয়জনিং এর শিকার হওয়ার চান্স অনেকটা কমে যাবে। তবে আপনার আইএসপি চাইলে এখনও আপনাকে ট্রাক করতে পারবে যতক্ষন না পর্যন্ত আপনি ভিপিএন ব্যবহার করছেন।

  • সিয়াম একান্ত ভাইয়া। খুব ভালো লেগেছে আর্টিকেলটি। অসংখ ধন্যবাদ ভাইয়া ক্রিটিকাল নাইচ টিপস এন্ড ট্রিকস শেয়ার করার জন্য।

  • অনেক আগে থেকেই OpenDNS ইউজ করি ভাই। অকে ক্লাউডফেয়ার ইউজ করে দেখব। অহ হ্যাঁ…… টিউটোরিয়ালটা জবর ছিল।

  • যখন ভিপিএন ব্যবহার করবো তখন কি এই ডিএনএস সিস্টেম কাজ করবে? কেননা ভিপিএন ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার গুলা আলাদা নেটওয়ার্ক অ্যাডাপটার তৈরি করে। সাথে ভিপিএন ইউজ করলে আলাদা ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক ম্যাক অ্যাড্রেস তৈরি হয়।

    আগাম ধন্যবাদ স্যার।

    • স্যার বলবেন না প্লিজ। হ্যা। যখন ভিপিএন ব্যাবহার করবেন তখনও ডিএনএস কাজ করবে। তখন আপনি যে ভিপিএন সার্ভারে কানেক্ট করেছেন সেটার ডিএনএস সার্ভারের পরিবর্তে আপনি যে ডিএনএস সেট করেছেন সেই ডিএনএস ব্যাবহার করা হবে।

    • আমার জানামতে, আপনি ওয়াইফাই ব্যাবহার না করলে ডিএনএস চেঞ্জ করার কোনো ওয়ে নেই। আমি যতদুর জানি, মোবাইল ডেটাতে ডিএনএস চেঞ্জ করার ওয়ে নেই। যদিও আমি নিশ্চিত না এ ব্যাপারে।

    • ওপেন ডিএনএস ভালো। তবে আমার মনে হয় এখন অন্য যেকোনো ডিএনএস বাদ দিয়ে ক্লাউডফ্লেয়ারে সুইচ করাই বেটার। 🙂

  • আমার রাউটার অনেক পুরাতন ভাই। আমি কোথায় এই সেটিং পেতে পারবো? পিসি থেকে করলে মানে আপনার দেখানো স্কিনশট দিয়ে করলে কি কাজ করবে না? তাছাড়া আমার ইন্টারনেট লাইন ১ এমবিপিএস। সেখানে আমার স্পীড কতো বেড়ে যেতে পারবে?

    • আপনার রাউটার যত পুরনোই হোক, রাউটারের অ্যাডমিন প্যানেলের মধ্যেই পাওয়ার কথা। তবে যদি একেবারেই না খুঁজে পান, তাহলে স্ক্রিনশটে দেখানো স্টেপগুলো ফলো করলেই চলবে। কোন সমস্যা নেই। আর আপনার ইন্টারনেট স্পিড বেড়ে যাবে না। মানে আপনি যদি ১ এমবিপিএস এর ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাহলে তা বেড়ে ১.২ এমবিপিএস বা ২ এমবিপিএস হয়ে যাবেনা। জাস্ট ভালো ডিএনএ ব্যবহার করলে আপনার ব্রাউজারের পেজগুলো আগের তুলনায় একটু দ্রুত লোড হতে পারে এবং আপনি আরও কম লেটেন্সি পেতে পারেন।

  • আর ডিএনএস চেঞ্জ করার পরে আপনার পিসির কমান্ড প্রম্পট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর মোডে ওপেন করে ipconfig/flushdns কমান্ড দিয়ে আপনার ডিএনএস ক্যাশ ক্লিয়ার করে নেবেন। এই কাজটি কিভাবে করব বুঝলাম না ভাই।

  • onek din thekeplan korchi vaiya apnader moto blog toiri korbo. but apnader erokom osadharon article gulo dekhe utsaho hariye jay. apnara joto sundor korelekhen re vaiya. amar lekha article ke porbe.. tai ar blog lekha hoye uthe na. but kono afsos nai. ami apnader content theke onek kichu sikhte parchi ete kritoggo vai.

    • উৎসাহ হারালে তো চলবে না ভাইয়া। আমরা ভালো লিখতে পারলে আপনি কেনো পারবেন না? আপনি চাইলে আমাদের থেকেও ভালো লিখতে পারবেন। নিজের ওপরে আস্থা রাখুন। কোনোকিছু শুরু না করে আগে থেকেই হার মেনে নিলে কিভাবে চলে? আপনি চেষ্টা করুন। ১ বার না হলে ১০ বার চেষ্টা করুন। চেষ্টা করলেই পারবেন। 🙂

সোশ্যাল মিডিয়া

লজ্জা পাবেন না, সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে টেকহাবসের সাথে যুক্ত হয়ে সকল আপডেট গুলো সবার আগে পান!