গেমিংটেক চিন্তা

পুরাতন গেম গুলো কেন মডার্ন পিসিতে রান করে না?

19
পুরাতন গেম গুলো কেন মডার্ন পিসিতে রান করে না?

ধরুন আপনি লাখ লাখ টাকা খরচ করে ফাইনালি আপনার ড্রিম গেমিং পিসি তৈরি করলেন। কোরআই ৯ এক্সট্রিম এডিশন, ১৬ জিবি র‍্যাম, ৫ টিবি হার্ডডিস্ক, জিটিএক্স ১০৮০ গ্রাফিক্স ইত্যাদি হাই এন্ড কম্পোনেন্ট ব্যবহার করে আপনার পাওয়ারফুল গেমিং পিসি তৈরি করলেন। এরপর এটা ভাবা স্বাভাবিক যে, আপনার পিসিতে যেহেতু হাই এন্ড গ্রাফিক্স ইনটেনসিভ গেম গুলো ভালোভাবেই রান করে, তাহলে এখন থেকে ১০-১৫ বছর আগের সাধারন লো এন্ড গেম গুলো আরও ভালোভাবে রান করবে। এই মনে করে আপনি একটু নস্টালজিয়ার বশে আপনার পিসিতে Road Rash গেমটি রান করার চেষ্টা করলেন যেই গেমটি আপনি শৈশবে উইন্ডোজ এক্সপিতে অনেক খেলেছেন। কিন্তু দেখলেন যে এই গেমটি আপনার নতুন পাওয়ারফুল গেমিং পিসিতে রানই করছেনা ! ভালোভাবে চলা তো দূরের কথা (উদাহরণস্বরূপ)। এ কেমন বিচার?


আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যে, কোন গেম আপনার পিসিতে রা করবে কিনা তা সম্পূর্ণ আপনার পিসি কতটা পাওয়ারফুল তার ওপরে নির্ভর করে। কিন্তু তা ঠিক নয়। কিছুটা নির্ভর করে ঠিকই, তবে কোন গেম আপনার পিসিতে রান করবে কিনা তা ছোট ছোট আরও অনেক বিষয়ের ওপরে নির্ভর করে। প্রথমত, অনেক আগের পুরাতন গেম গুলো আপনার মডার্ন পিসিতে রান না করার কারন হচ্ছে, পুরাতন গেম গুলোর অধিকাংশ গেমই ৩২ বিট সিস্টেমের জন্য তৈরি করা।

কিন্তু এখনকার যত মডার্ন পিসি এবং ল্যাপটপ আপনি দেখতে পাবেন, তার প্রায় সবগুলোই ৬৪ বিট সিপিইউ এবং ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে যা তাদেরকে ৩২ বিটের তুলনায় আরো বেশি র‍্যাম অ্যাক্সেস করার ক্ষমতা দেয় এবং একবারে আরো বেশি ইনফরমেশন প্রোসেস করার ক্ষমতা দেয়। তবে এখানে প্রধান সমস্যাটি হচ্ছে, আপনি যে প্রোগ্রামটিকে আপনার পিসিতে রান করছেন, সেটিকে ৩২ বিট সিস্টেমে রান করার জন্য এবং ৬৪ বিট সিস্টেমে রান করার জন্য আলাদা আলাদাভাবে তৈরি করতে হয়। এই কারনে আপনি কোন প্রোগ্রাম ডাউনলোড করতে চাইলে প্রোগ্রামটির ওয়েবসাইটে সেটির একটি ৩২ বিট ভার্সন এবং আরেকটি ৬৪ বিট ভার্সন আলাদা আলাদাভাবে দেখতে পারেন এবং ডাউনলোড করতে পারেন।

এখন এর মানে হচ্ছে, আপনার পিসি যদি ৬৪ বিট সিপিইউ এবং ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে, তাহলে আপনার পিসি ন্যাটিভলি কোন ৩২ বিট সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম রান করতে পারবেনা। আপনি যখন ৬৪ বিট সিস্টেমে কোন ৩২ বিট প্রোগ্রাম রান করবেন তখন আপনার সিস্টেম  মূলত ওই প্রোগ্রামটিকে ইমুলেট করবে। যেমন আমরা অনেকে পিসিতে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ইমুলেশনের মাধ্যমে রান করি, তেমনি ৩২ বিটের প্রোগ্রামগুলোও ৬৪ বিট সিস্টেম ইমুলেশনের মাধ্যমে রান করে। উইন্ডোজ যে ইমুলেটরের সাহায্যে ৬৪ বিট সিস্টেমে ৩২ বিটের প্রোগ্রাম রান করে, সেই বিল্ট ইন ইমুলেটরটির নাম WOW64।

এই যেসব ৩২ বিট প্রোগ্রাম ইমুলেশনের মাধ্যমে রান করা হয়, সেগুলোর মধ্যে এই পুরাতন গেম গুলোও পড়ে। অনেকসময় দেখা যায় অনেক গেম এই ইমুলেটরের সাহায্যে কোনরকম সমস্যা ছাড়াই স্মুথলি রান করে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অধিকাংশ গেমই এই ইমুলেশনের সাহায্যেও রান করবেনা। এর আরও কিছু কারন আছে। যেমন- অনেকসময় অনেক পুরাতন গেম এমন কোন কোড রান করতে চাইবে যেটি উইন্ডোজের আগের ভার্সনগুলোতে কম্পিটেবল ছিল তবে নতুন ভার্সন যেমন উইন্ডোজ ১০ এ কম্পিটেবল নয়। যেমন- DLL ফাইল যেগুলো গেমের ক্ষেত্রে অনেক বেশি দরকার হয়।

অনেকসময় দেখা যায়, ওই পুরাতন গেমটি এমন কোন DLL ফাইল চাইছে যেটি উইন্ডোজের নতুন ভার্সনে বিল্ট ইন নেই এবং এমনকি নতুন ভার্সনের সাথে কম্পিটেবলও নয়। অনেকসময় উইন্ডোজ আপডেট দেওয়ায় এই গেম রান না হওয়ার সমস্যাটি দেখা দিতে পারে। যেমন, অনেকসময় আপনি কোন উইন্ডোজ আপডেট দেওয়ার সময় আপডেটের ডিটেইলসে দেখবেন লেখা থাকে, After you install this update, some programs may not run (For example, some video games may not run) অর্থাৎ, আপনি ওই আপডেটটি ইন্সটল করার পরে কিছু কিছু ভিডিও গেমস আপনার পিসিতে আর রান নাও করতে পারে।

কিছু কিছু পুরাতন গেমস হয়তো আপনার পিসিতে কোনমতে রান করবে। যেমন উইন্ডোজ কম্পিটেবলিটি মোড ব্যবহার করে, ট্রাবলশুটার ব্যবহার করে, ম্যানুয়ালি DLL ফাইল ডাউনলোড করে ইত্যাদি। তবে কিছু কিছু পুরাতন গেমস হয়তো আপনার পিসিতে কখনোই কিছুতেই রান করবে না। কারন হতে পারে সেগুলো ৩২ বিটের চেয়েও পুরাতন কোন সিস্টেম যেমন হয়তো ১৬ বিট সিস্টেমগুলোর জন্য তৈরি করা। ৩২ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৬৪ বিট সিস্টেম ইমুলেট করতে পারলেও ১৬ বিটের প্রোগ্রামগুলো উইন্ডোজ একেবারেই ইমুলেট করতে পারেনা বা সহজ কথায় বলতে হলে, ৬৪ বিট সিস্টেম কোনভাবেই ১৬ বিটের কোন প্রোগ্রাম কখনো রান করতে পারবেনা।

এখানেই শেষ নয়। আপনি পুরাতন গেমস পিসিতে রান করার সময় আপনার মডার্ন পিসির হার্ডওয়্যার নিয়েও সমস্যায় পড়তে পারেন। এখনকার মডার্ন অপারেটিং সিস্টেমগুলো মূলত আপনার রান করা প্রোগ্রামটির ওয়ার্কলোড আপনার সিপিইউ এর একাধিক কোরের মধ্যে স্প্লিট করে দেবে। যেমন, আপনার সিপিইউ এর যদি চারটি কোর থাকে, তাহলে উইন্ডোজ মূলত আপনার রান করা প্রোগ্রামটির সম্পূর্ণ ওয়ার্কলোড একটি কোরের ওপরে না দিয়ে, ৪ টি কোরের মধ্যে স্প্লিট করে দেবে যাতে আপনি বেটার পারফরমেন্স পান। তবে এই অনেক পুরাতন গেমসগুলো এই ধরনের মাল্টিকোর সিপিইউ এর কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়না। কারন তখন উইন্ডোজ এমন করতোনা এবং মাল্টিকোর সিপিইউও ছিলনা। ঠিক এই কারনেও অনেক ওল্ড পিসি গেমস আপনার মডার্ন পিসিতে রান করবেনা বা রান করলেও হয়তো আপনি আশানুরূপ পারফরমেন্স পাবেন না।

তাহলে আপনার মডার্ন পিসিতে আগের যুগের পুরাতন গেমসগুলো রান করার কি কোনই উপায় নেই? এটা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে কিছু উপায় ঠিকই আছে। যেমন- প্রথমত মডার্ন অপারেটিং সিস্টেমগুলোর ৩২ বিট ভার্সন এখনও এভেইলেবল। আপনি একটু খুঁজলেই উইন্ডোজ ১০ এর ৩২ বিট ভার্সনও পেয়ে যাবেন। আপনার যদি পিসিতে সব পুরাতন গেমসগুলো রান করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে পিসিতে ৩২ বিট সিস্টেম ব্যবহার করাই আপনার জন্য ভালো হবে।

আর আপনি চাইলে আপনার পিসিতে একটি ৬৪ বিট অপারেটিং সিস্টেম এবং একটি ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেম ডুয়্যাল বুটে ইন্সটল করে রাখতে পারবেন। এবং পুরাতন গেমস রান করার জন্য যদি আপনার উইন্ডোজ এক্সপিরও দরকার হয়ে থাকে, আপনি সহজেই ভার্চুয়াল ম্যাশিনে উইন্ডোজ এক্সপি ইন্সটল করে নিতে পারবেন এবং আপনার বর্তমান সিস্টেমের ভেতরেই ভার্চুয়াল বক্সে উইন্ডোজ এক্সপি রান করতে পারবেন এবং সেখানে পুরাতন গেমসও রান করতে পারবেন।


আশা করি কিছুটা হলেও ধারনা দিতে পেরেছি যে ঠিক কি কি কারনে পুরাতন গেমসগুলো আমাদের মডার্ন পিসিতে রান করেনা। আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আশা করি আজকের আর্টিকেলটিও আপনাদের ভালো লেগেছে। কোন ধরনের প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।

সিয়াম একান্ত
অনেক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ ছিলো এবং হয়তো সেই আকর্ষণটা আরো সাধারন দশ জনের থেকে একটু বেশি। নোকিয়ার বাটন ফোন থেকে শুরু করে ইনফিনিটি ডিসপ্লের বেজেললেস স্মার্টফোন, সবই আমার প্রিয়। জীবনে টেকনোলজি আমাকে যতটা ইম্প্রেস করেছে ততোটা অন্যকিছু কখনো করতে পারেনি। আর এই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকেই লেখালেখির শুরু.....

সত্যিই কি আইপি অ্যাড্রেস লোকেশন (জিওলোকেশন) বের করা সম্ভব?

Previous article

ডার্ক ওয়েব এর কিছু ওয়েবসাইট; যা আপনি গুগলে কখনো খুঁজে পাবেন না!

Next article

You may also like

19 Comments

  1. Thanks brother.

    1. Welcome. 🙂

  2. Awesome Vai 🙂

    1. 🙂

  3. এতদিনে যা বুঝলাম, আপনি একজন প্রো এক্সপ্লেইনার ????

    1. হাহা। ধন্যবাদ ভাইয়া। 🙂

  4. Winodws er latest version gulote dekhi kono softare ba game windows 7, windows 8, windows xp, vista ittadi mode kore calano jay. Sevabe ki old game play kora jabe na?

    1. হ্যাঁ ভাইয়া। এটাকেই মুলত উইন্ডোজ কম্পিটেবলিটি মোড বলা হয়। আপনার কাঙ্খিত প্রোগ্রামটি যদি পূর্ববর্তী কোন উইন্ডোজ ভার্সনের জন্য কম্পিটেবল হয়ে থাকে, তবে নতুন উইন্ডোজের জন্য কম্পিটেবল না হয়, তখন আপনি ওই প্রোগ্রামটি উইন্ডোজ কম্পিটেবলিটি মোডে রান করার ট্রাই করতে পারেন। এটা অনেক ওল্ড গেমসের ক্ষেত্রে কাজ করবে এবং অনেকগুলোর ক্ষেত্রে কাজ করবে না। নিশ্চয়তা নেই কোন।

  5. ????????????????????????

    1. 🙂

  6. This link will tell u how to Play Old PC Games on a Modern Computer!!!
    https://lifehacker.com/how-can-i-play-my-old-pc-games-on-a-modern-computer-509239183

    1. Thanks. 🙂

  7. lol i have an 8 year old pc

    1. ????

  8. Thanks vai. you are my fav blogger.

    1. Welcome. 🙂

  9. আসসালামুয়াইলাইকুম ভাই। আমি আপনাদের ব্লগের নিয়মিত পাঠক। ভাইয়া আপনারা তো অনেক সাকসেসফুল ব্লগ চালাচ্ছেন। আল্লার রহমতে আপনাদের লেখার মান অনেক উরধে সাথে অনেক ভিজিটর পাচ্ছেন সাইটে। ভাইয়া তাওলে আমার মতে ব্লগিং টিপিস নিয়ে আর অনলাইন আরনিং নিয়ে কিছু আর্টিকেল পাবলিশ করতে পারেন। এতে আমরাও আপনাদের মতো কাজ শুরু করতে পারবো কিছু উপার্জন করে পরিবারকে সাপোর্ট করতে পারবো।

    আমি অনলাইন ইনকাম নিয়ে অনেক ব্লগ আর ওয়েবসাইট ভিজিট করেছি কিন্তু সকলের টাইটেল অনেক লোভনীয় হলেও ভেতরে কিছুই নেই। আর আমি ব্যাক্তিগত ভাবে কিছু কাজ ট্রায় করে বুঝাল্ম এগুলো কাজ করে কোনই তৃপ্তি বা সন্মান নেই।

    আপনাদের ব্লগ পরছি ২ মাস হলো কিন্তু আপনাদের প্রযুক্তির প্ততি ভালোবাসা আমাকে অনেক মুগ্ধ করেছে। সাথে আপনারা জেকরম ভালোবাসা পাচ্ছেন সেটা আমাকে লুভিয়েছে। এখন আমি সম্পূর্ণ নতুন তাই ব্লগ নিয়ে কোন ধারণা নেই। কিন্তু এই কাজকে পেশা হিসেবে নিতে চাচ্ছি, এই ক্ষেত্রে আপনার/আপনাদের মতামত কামনা করছি ভাইয়া। আপনারা অনেক মহৎ এবং সন্মানের কাজ করছেন। আমিও কিছু লিখে কিছু জিনিষ সকলের মাঝে শেয়ার ক্রতে চাই।

    কিন্তু কিভাবে করবো বুঝতে পারছি না। সাথে জানতে চাই এ থেকে কেরিয়ার কেমন করা যেতে পারে? অনলাইন আলাদা কাজের তুলনার ব্লগিং অনেক হাই কোয়ালিটি জব এটা আমার বুঝতে দেরি নাই। অনুগরহ করে যদি কিছু গাইড লাইন প্রদান করতেন অনেক উপক্রিত হতাম,। আমার মনে হয় শুধু আম্ই নয় অনেক ভায়েরা উপক্রিত হবে।

    অনেক সাইট, ইউটিউব চ্যানেল ভিজিট করার পরে একটি জিনিষ অনুধাবন করলাম সেটা হচ্ছে টেকহাবসকে অন্তর থেকে বিশ্বাস করা সম্ভব। আপনাদের ১ টা পোস্ট ১ টা তথ্য ফেক পাই নি। যেখানে সবাই ফেক কাজ করে।

    অনেক কথা বলে ফেললাম ভাই। এই কমেন্ট পড়তে অনেক সময় নষ্ট হলো আপনার, আমি এতে দুঃখিত। কিন্তু দয়া করে যদি কোন ব্লগিং আর উপার্জন করার সিরিজ শুরু করতেন কৃতজ্ঞ থক্তাম আপনাদের কাছে।

    ভালো থাকবেন ভাই, আল্লাহ হাফিয।

    1. আমাদেরকে এভাবে সবসময় সাপোর্ট করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনি হয়তো জানেন, ব্লগ সাইট তৈরি করার জন্য আমাদের “ওয়ার্ডপ্রেস গীক” নামের একটি চলমান সিরিজ আছে যেখানে প্রত্যেকটি পর্বে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ কিভাবে তৈরি করতে হবে এবং তৈরি করার পরে কি কি ভাবে নিজের মনের মতো করে সাজাতে হবে সেই সবকিছু বর্ণনা করা হয় সহজ ভাষায়। আপনি ওই সিরিজটি যদি মনোযোগ দিয়ে নিয়মিত ফলো করেন, তাহলে আশা করি ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে আর তেমন কোন প্রশ্ন থাকবেনা। আর কন্টেন্ট লেখার সময় কি কি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, কিভাবে লিখতে হবে এবং কিভাবে আপনার কন্টেন্টটিকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করবেন, কিভাবে এসইও করবেন, গুগল অ্যাডসেন্স আপ্রুভাল পাওয়ার জন্য কিভাবে কি করবেন এইসবকিছু নিয়ে যদি ডেডিকেটেড সিরিজ আর্টিকেল বা এমন কোন গাইডলাইন চান, তাহলে আমরা সেগুলোও করার চেষ্টা করবো খুব দ্রুত। আমাদের গাইডলাইনে যদি আপনি এবং আরও অনেকের সত্যিই কোন উপকার হয় তাহলে আমাদেরও ভালো লাগবে।

      ~ধন্যবাদ~

  10. হুম বুজলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া।

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *