ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে কি করবেন? [কমপ্লিট গাইড]

এই প্রশ্নটা মূলত প্রায় সব ফেসবুক ইউজারদেরই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন যেটার উত্তর বা সল্যুশন এখনো অধিকাংশ ফেসবুক ইউজার ভালোভাবে জানেন না। আপনি হয়তো অনেক বন্ধুবান্ধবকে আপনার কাছে ছুটে আসতে দেখেছেন এই বলে যে, আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে! এখন কি করবো আমি!। এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের অধিকাংশ ফেসবুক ইউজার জানেনা যে কিভাবে তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টের ১০০% সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হয় এবং হ্যাক হলে কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করতে হয়। যারা অন্যদের টেকনোলজি এবং ইন্টারনেটের দিক থেকে বেশ কিছুটা অ্যাডভান্সড, তাদের কাছে আজকের টপিকটি খুবই হাস্যকর এবং অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। তবে আপনি যদি সঠিকভাবে না জেনে থাকেন যে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে এরপর ঠিক আপনাকে কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে তাহলে আপনি আজকের লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন। আজকে আমরা এই বিষয়েই আলোচনা করবো।


ফান ফ্যাক্ট : অধিকাংশ সময় কিন্তু কারো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আক্ষরিক অর্থেই হ্যাক হয়না। ধরুন আপনার ব্রাউজারে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড সেভ করা আছে। কেউ কোনভাবে আপনার ডিভাইস ব্যবহার করে আপনার ব্রাউজার থেকেই আপনার সেভ করা পাসওয়ার্ড এক্সট্রাক্ট করে নিলো (যেভাবেই করুক)। কিন্তু এটা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ড চুরি করাই হলো। আক্ষরিক অর্থেই ফেসবুক আইডি হ্যাক করা হলো না। অথবা আপনার পিসিতে একটি কিলগার ঢুকিয়ে দিয়ে পাসওয়ার্ড নিয়ে নিলেও সেটা চুরি করাই হলো। এছাড়া আপনাকে একটি ফিশিং পেজে নিয়ে গিয়ে লগিন করানো হলেও সেটাও একধরনের চুরি করাই হলো। বাট এভাবে চিন্তা করলে হ্যাকিং এর অনেক কিছুই চুরির ক্যাটাগরিতেই পড়ে যদিও। ????


নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে

প্রথমত, আপনার অ্যাকাউন্টটিকে সিকিওর রাখতে হলে আগে আপনাকে এটা নিশ্চিতভাবে জানতে হবে যে আপনার অ্যাকাউন্টটি আসলেই হ্যাক হয়েছে কিনা। প্রবাদে আছে, মানুষ আপনাকে যদি বলে যে চিলে আপনার কান নিয়ে গেছে, তাহলে আপনি আগে চিলের পেছনে ছুটবেন নাকি কান আছে কিনা দেখবেন? ব্যাপারটি অনেকটা এমনই। তাই প্রথমেই জানতে হবে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে কিনা। জানার জন্য অবশ্যই Friends my ID maybe hacked এমন কোন স্ট্যাটাস দেবেন না ফেসবুকে। প্লিজ, এমন করবেন না, মানবতার স্বার্থে ????। যাইহোক, আপনার যদি কখনো সন্দেহ হয় যে আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে কিনা, আপনি প্রথমেই আপনার ফেসবুকের অ্যাক্টিভিটি লগ চেক করুন। অ্যাক্টিভিটি লগ হচ্ছে ফেসবুকের একটি ফিচার যেখানে আপনি আপনার অ্যাকাউন্টের বিগত যতরকম অ্যাক্টিভিটি আছে সবগুলোর লিস্ট পাবেন। অ্যাক্টিভিটি লগ দেখতে চলে যান আপনার ফেসবুক অ্যাপে, এরপর আপনার প্রোফাইলে ঢুকে আপনার প্রোফাইল পিকচারের নিচে বামদিকের সবার প্রথমেই পাবেন Activity Log। এখানে ক্লিক করে ঢুকলেই দেখতে পাবেন যে আপনার অ্যাকাউন্টে কি কি অ্যাক্টিভিটি রয়েছে। সেখানে দেখানো হবে ততক্ষন পর্যন্ত আপনি ফেসবুকে কি কি করেছেন। সেখানে দেখুন কোন সন্দেহজনক অ্যাক্টিভিটি আছে কিনা। চেক করুন যে এমন কিছু আছে কিনা যা আপনি করেননি।

ফেসবুক হ্যাক

এরপর চেক করুন আপনার টাইমলাইন। দেখুন যে এমন কোন পোস্ট বা শেয়ার করা পোস্ট আছে কিনা যেগুলো আপনি নিজেই কখনোই করেননি। এরপর এটাও চেক করুন যে আপনার আইডি থেকে অন্য কারো কাছে এমন কোন টেক্সট সেন্ড হয়েছে কিনা যেগুলো আপনি নিজে করেননি। এরপর আপনার ফেসবুক অ্যাপের সেটিংস অপশন থেকে আপনার Account Settings অপশনে চলে যান। এখানে আপনি অনেকগুলো সাবক্যাটাগরি দেখতে পাবেন। এখান থেকে Security and Login অপশনে চলে যান। এখানে স্ক্রিনের মাঝখানের দিকে আপনাকে দেখানো হবে যে আপনি কোন কোন ডিভাইসে আপনার আইডি লগিন করেছেন। সেখানে যদি এমন কোন ডিভাইস দেখতে পান যেটা ব্যবহার করে আপনি কখনোই লগিন করেননি বা এই ধরনের কোন সন্দেহজনক ডিভাইস দেখতে পান, তাহলেি আপনি ধরে নিতে পারেন আপনার আইডিটি হ্যাক হয়েছে।

কি করবেন আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে?

এক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকটি স্টেপে কাজ করতে হবে-

১. আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছে এই ব্যাপারে নিশ্চিত হলে প্রথমেই আপনাকে যা চেক করতে হবে তা হচ্ছে আপনার অ্যাকাউন্টের অ্যাক্টিভ সেশনস (Active Sessions)। এই অপশনটিতে দেখানো হয় যে আপনার ফেসবুক আইডিটি ঐ মুহূর্তে আর কোন কোন ডিভাইসে লগিন করা আছে। আপনার ফেসবুক অ্যাপের সেটিংস অপশন থেকে আপনার Account Settings অপশনে চলে যান। এখানে আপনি অনেকগুলো সাবক্যাটাগরি দেখতে পাবেন। এখান থেকে Security and Login অপশনে চলে যান। এখানে স্ক্রিনের মাঝখানের দিকে আপনাকে দেখানো হবে যে আপনি কোন কোন ডিভাইসে আপনার আইডি লগিন করেছেন। শুধুমাত্র কোন কোন ডিভাইস না, আপনি কথায় কতবার লগিন করেছেন, অর্থাৎ কথায় কয়টি সেশন তৈরি হয়েছে সেটাও দেখানো হবে। এখানে কোন সন্দেহজনক ডিভাইস দেখলেই রিমুভ করে দিন। দরকার হলে আপনার কারেন্ট ডিভাইসটি লগিন রেখে বাকি সবগুলোই রিমুভ করে দিন।

ফেসবুক হ্যাক

২. এরপর আপনি আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকেই Apps অপশনটিতে চলে যান। এখানে সবার প্রথমে আপনি দেখতে পাবেন একটি অপশন যেটার নাম Logged in with Facebook। এই অপশনটিতে ক্লিক করলে আপনাকে সেই সকল অ্যাপসগুলোর লিস্ট দেখানো হবে যেগুলোকে আপনি পারমিশন দিয়েছেন আপনার আইডির কিছু কিছু ডেটা অ্যাক্সেস করার জন্য। এখানে অধিকাংশ অ্যাপই সেফ হতে পারে। তবে আমরা বাংলাদেশিরা অধিকাংশ সময়ই কোন অ্যাপকে ফেসবুকের অ্যাক্সেস দেওয়ার সময় এটা লক্ষ্য করিনা যে অ্যাপটি কি কি ডেটা অ্যাক্সেস করতে চাচ্ছে। এটা কখনোই করা উচিত না। যাইহোক, সেখানে দেখুন কোন সন্দেহজনক অ্যাপ আছে কিনা। যদি এমন কোন সন্দেহজনক অ্যাপ পান, তাহলে সেটিকে রিমুভ করে দিন বা ডিলিট করে দিন। সন্দেহজনক কিভাবে বুঝবেন? প্রথমত অ্যাপটির নাম দেখে এবং অ্যাপটিতে ক্লিক করে অ্যাপটি কি কি পারমিশন নিয়েছে সেগুলো দেখলেই বুঝবেন। এখানে আপনার কমন সেন্স ব্যবহার করুন।

ফেসবুক হ্যাক

৩. এরপর সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে আপনার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দিন। পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার সম্য অবশ্যই একটি স্ট্রং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। আপারকেস, লোয়ারকেস লেটার এবং সিম্বলস ব্যবহার করে আপনার পাসওয়ার্ড তৈরি করুন। অবশ্যই কমপক্ষে ১০-১২ ক্যারেক্টার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। এবগ পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার পরে অবশ্যই Log me out from all other Devices অপশনে টিকমার্ক দিয়ে রাখবেন। আশা করি পাসওয়ার্ড কিভাবে চেঞ্জ করতে হবে এটা সবাই ভালোভাবেই জানেন। এরপর হয়তো আপনাকে প্রাইভেসি চেকআপ অফার করতে পারে ফেসবুক। যদি প্রাইভেসি চেকআপ অফার করে তাহলে অবশ্যই অবশ্যই অ্যাক্সেপ্ট করুন। দরকার হলে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার পরে আপনার অ্যাকাউন্টে যে প্রাইমারি ইমেইল অ্যাড্রেস আছে অর্থাৎ যেটি ব্যবহার করে আপনি লগিন করেন ফেসবুকে, সেউই প্রাইমারি ইমেইল অ্যাড্রেসটি চেঞ্জ করে দিন।

৪. আপনার ফেসবুক আইডিতে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অ্যাক্টিভ করে নিন। যদিও এটা সবার আগেই করা উচিত। কারণ, টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন আপনাকে প্রথমেই আপনার আইডি হ্যাক হওয়ার থেকে প্রায় ৯৫% পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে। যদি না জেনে থাকেন যে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কি, তাহলে শুনুন, এটা অন করে রাখলে যতবারই আপনার অ্যাকাউন্টটি কোন অচেনা ডিভাইস থেকে লগিন করার চেষ্টা করা হবে, ততবার আপনার সিলেক্ট করা মোবাইল ফোনে একটি সিক্রেট কোড সেন্ড করবে ফেসবুক যেই কোডটি ওই ডিভাইসে ইন্টার না করা পর্যন্ত আপনার আইডিতে লগিন করা সম্ভব হবেনা। তাহলে বুঝতেই পারছেন এটা অন করা থাকলে কারোর জন্য কতটা কঠিন হয়ে পড়বে আপনার আইডিতে লগিন করা। যদি আগে থেকেই এটা অন না করে থাকেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অন করে নিবেন ফেসবুকের সেটিংস  পেজ থেকে।

ফেসবুক হ্যাক

আইডিতে লগিন করতে না পারলে কি করবেন?

অনেকসময় আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে আপনি ফেসবুকেই লগিন করতে পারবেন না। হয়তো লগিন করার সময় দেখবেন যে বলা হচ্ছে আপনার পাসওয়ার্ড ইনকারেক্ট। এক্ষেত্রে ফেসবুকের নিজেরই একটি পাসওয়ার্ড রিকভার করার অপশন আছে এবং সেটি ফেসবুকের লগিন পেজেই পাবেন। পাসওয়ার্ড লেখার ফিল্ডের নিচে বা পাশেই Forgot your password? নামের একটি অপশন পাবেন। এখানে আপনাকে মূলত আপনার আইডেন্টিটি প্রুভ করতে হবে। এখানে আপনার ফেসবুক আইডির সাথে লিংক করা ফোন নাম্বার অথবা ইমেল অ্যাড্রেসটি ইন্টার করতে হবে। এরপর সেটি যদি কারেক্ট হয়, তাহলে ফেসবুক আপনাকে সেখানে একটি কোড পাঠাবে এবং সেটি ইন্টার করে বা সেখানে যে লিংকটি দেওয়া হবে সেটি ফলো করে আপনি আপনার আইডির পাসওয়ার্ড রিকভার করতে পারবেন। ইমেইল অ্যাড্রেসটি কাজ না করলে আপনি নিজের ইউজারনেম ইন্টার করেও পাসওয়ার্ড রিকভার করার অপশন পেতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনি যদি আইডির ওনার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি অবশ্যই নিজের আইডেন্টিটি প্রুভ করার একটা না একটা অপশন পাবেনই। পাসওয়ার্ড সফলভাবে রিকভার করতে পারলে এরপরেই আপনি ওপরে লেখা ৪ টি স্টেপ ফলো করবেন।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

ফেসবুক হ্যাক

এই কয়েকটি পয়েন্ট সবসময় মনে রাখবেন-

  • ফেসবুক আইডি ক্রিয়েট করার সময় সবসময় পারসোনাল ইমেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করবেন। ফোন নাম্বার দিয়ে আইডি ক্রিয়েট করবেন না।
  • সম্ভব হলে ফেসবুক এমন ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে ক্রিয়েট করবেন যেটা আপনি নিজে ছাড়া আর কেউ জানেনা। এই ইমেইলটি কারো সাথে শেয়ার করবেন না।
  • ফেসবুক আইডিতে অবশ্যই অবশ্যই টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন একটিভ রাখবেন। (মোস্ট ইম্পরট্যান্ট)
  • ইমেইল অ্যাকাউন্টটিতেও সবসময় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন অ্যাক্টিভ রাখবেন।
  • ফেসবুক আইডিতে লিংক করা ফোন নাম্বারটিও সম্ভব হলে গোপন রাখুন।
  • কখনোই নিজের জন্মতারিখ বা ফোন নাম্বারকে ফেসবুক আইডির পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না। (মোস্ট ইম্পরট্যান্ট)
  • সবসময় ফেসবুক আইডিতে স্ট্রং এবং ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। দরকার হলে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করবেন।
  • প্রতিদিনই ফেসবুকে একবার করে নিজের অ্যাক্টিভিটি লগ চেক করবেন।
  • ফেসবুকে কোন অ্যাপ অ্যাড করার আগে অবশ্যই চেক করবেন সেটি কি কি পারমিশন চাচ্ছে।
  • ফেসবুকে কারো সেন্ড করা কোন সন্দেহজনক লিংকে না দেখে-শুনে ক্লিক করবেন না।
  • আপনাকে যদি ফেসবুক কর্পোরেশন থেকেও কোন ইমেইল করে আপনার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে ওদের বলা কোন পাসওয়ার্ড রাখতে বলা হয়, করবেন না। কারণ, এই ইমেইলগুলো স্পুফ করা ইমেইল। মনে রাখবেন, ফেসবুক নিজে আপনাকে কখনোই বলবে না যে আপনার আইডির পাসওয়ার্ড কি রাখতে হবে। তাই এই ফাঁদে পা দেবেন না।

তো আশা করি এসব স্টেপ ফলো করলে এবং এসব সতর্কতা অবলম্বন করলে আপনি আপনার ফেসবুক আইডিটি হ্যাক হলেও ফিরিয়ে আনতে পারবেন এবং হ্যাক যাতে না হয় তা অনেকটা নিশ্চিত করতে পারবেন। আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আশা করি আজকের আর্টিকেলটিও আপনাদের ভালো লেগেছে। কোন ধরনের প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন। Happy Facebooking !

সিয়াম
অনেক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ ছিলো এবং হয়তো সেই আকর্ষণটা আরো সাধারন দশ জনের থেকে একটু বেশি। নোকিয়ার বাটন ফোন থেকে শুরু করে ইনফিনিটি ডিসপ্লের বেজেললেস স্মার্টফোন, সবই আমার প্রিয়। জীবনে টেকনোলজি আমাকে যতটা ইম্প্রেস করেছে ততোটা অন্যকিছু কখনো করতে পারেনি। আর এই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকেই লেখালেখির শুরু.....