বর্তমান তারিখ:13 October, 2019

করাপ্টেড ফাইল কি? ফাইল কীভাবে করাপ্টেড হতে পারে? করাপ্টেড ফাইল কীভাবে ফিক্স করবেন?

করাপ্টেড ফাইল কি? ফাইল কীভাবে করাপ্টেড হতে পারে? করাপ্টেড ফাইল কীভাবে ফিক্স করবেন?

আজকের দিনে ফাইল করাপ্টেড হয়ে যাওয়ার সমস্যা খুব একটা দেখতে পাওয়া যায় না, কিন্তু যদি ভুলবশতও আপনার সাথে এমনটা ঘটে, সেটা নির্ঘাত দুঃস্বপ্নর চেয়ে কম কোন ব্যাপার হবে না। চিন্তা করে দেখুন, অনেক কষ্ট করে আর সময় ইনভেস্ট করে কোন ওয়ার্ড ডকুমেন্ট তৈরি করলেন বা যেকোনো অ্যাপে কাজ করছিলেন, কিন্তু ফাইল সেভ করার পরে দেখছেন আপনার ফাইলটি ওপেন হওয়ার বদলে “ড্যামেজড ফাইল” বলে ম্যাসেজ শো করছে, এবার আপনিই কল্পনা করুণ, ব্যাপারটি কতোটা ভয়াবহ হতে পারে! কিন্তু এভাবে কেন ফাইল করাপ্টেড হয়ে যায়? আর ফাইল করাপ্টেড হয়ে গেলে কি কয়া যেতে পারে? — এই আর্টিকেলে, এই বিষয় গুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

করাপ্টেড ফাইল

এক সময় ফাইল করাপ্টেড হয়ে যাওয়া অনেক কমন ইস্যু ছিল, কেনোনা আগের হার্ড ড্রাইভ গুলোর প্রযুক্তি ততোটা উন্নত ছিল না। আজকের দিনে এই প্রবলেম অনেকটা কমে গেলেও, এখনো অনেক কারণে আপনার কাজের ফাইলটি করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে। আর করাপ্টেড ফাইল ঠিক করতে আপনার বেশি কিছু করারও থাকবে না, কেনোনা যে ফাইলের আর সঠিক রুপই নেই, সেটা কীভাবে তৈরি করবেন? এই জন্যই সবচেয়ে বেস্ট পন্থা হচ্ছে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রাখা, মানে আপনার প্রয়োজনীয় ডাটা গুলোকে নিয়মিত ব্যাকআপ করে রাখা, বিশ্বাস করুণ, এতে আপনার অনেকটা মাথা ব্যাথা বেঁছে যাবে। একবার ফাইল করাপ্টেড হয়ে গেলে, সেটার নিশ্চয়তা থাকে না যে ঠিক হবেই, কিন্তু কিছু জিনিষ রয়েছে যেগুলো ট্র্যায় করে দেখতে পারেন, আপনার ফাইল ফিরলেও ফিরতে পারে। হ্যাঁ, কথাটি শুনতে হয়তো খুববেশি আশা জনক নয়, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষেত্রে একেবারেই ফিরে না আসার চেয়ে কিছুটা ফেরার আশা থাকা ভালো।

যাই হোক, এবার ফিরে আসি করাপ্টেড ফাইল কি বা কেন ফাইল করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে। সোজা বাংলায় বলতে, যে ফাইলটি কাজ করছিল, একেবারেই নর্মাল ফাইল ছিল, সেটা যদি হঠাৎ করে ওপেন হতে মানা করে দেয় আর অপারেটিং সিস্টেম যদি বলে “ড্যামেজ ফাইল” — সেটাকেই করাপ্টেড ফাইল বলা হয়। উপরেই বলেছি, অনেক কারণে ফাইল করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে। তবে সবচাইতে কমন কারণটি হচ্ছে, ফাইলটি যখন হার্ড ড্রাইভে রাইট হচ্ছিলো, সে সময় কোন একটা গণ্ডগোলের কারণে সঠিকভাবে রাইট হতে না পারা। এতে ফাইলের কিছু অংশ রাইট হয় আর কিছু অংশের তথ্য রাইট হতে পারে না, ফলে ফাইলটি পুরনাজ্ঞ ফাইল রুপে কাজ করতে পারে না।

এটা গেলো নতুন ফাইল কীভাবে করাপ্টেড হয়ে যায়! অবশ্যই আপনার পুরাতন ফাইল গুলোও করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে, আর এক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে কম্পিউটার শাটডাউন বিশেষ দায়ী হয়ে থাকে। আপনি কম্পিউটার চলা কালীন সময় যদি ধপ করে বন্ধ করে দেন, কিংবা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ফলে আপনার কম্পিউটার চলতে চলতে বন্ধ হয়ে গেলে ফাইল করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে। শুধু আপনার ফাইল নয়, আপনার অপারেটিং সিস্টেমও করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে। আবার ধরুন, আপনার ওয়াল সকেটের কানেকশন অনেক নড়বড়ে, সেক্ষেত্রেও কম্পিউটার অনাকাঙ্ক্ষিত শাটডাউন হয়ে আপনার ফাইল করাপ্টেড করে দিতে পারে।

আবার আরেকটি বিশেষ সমস্যা হচ্ছে আপনার হার্ড ড্রাইভের জীবনকাল ফুরিয়ে আসার সময়ও ফাইল করাপ্টেড হয়ে যাওয়ার সমস্যা প্রকট হয়ে উঠতে পারে। আপনার হার্ড ড্রাইভে ফিজিক্যাল ব্যাড সেক্টর তৈরি হতে পারে, আর যেটা আপনার ফাইল গুলোকে পার্মানেন্ট ড্যামেজ করে দিতে পারে। বৈদ্যুতিক সমস্যার কারণেও আপনার হার্ড ড্রাইভ ডেড বা ছোটখাটো সমস্যার কবলে পড়তে পারে। যদি আপনার হার্ড ড্রাইভ ডেড হওয়ার পথে চলে যায়, পূর্বে এই আর্টিকেলটি দেখুন; “আপনার হার্ড ড্রাইভ ফেল হওয়ার উপক্রম হলে কি করবেন?

করাপ্টেড ফাইল থেকে রক্ষার উপায়!

ফাইল হঠাৎ করেই করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে, উপরের বর্ণিত সমস্যা গুলোর মধ্যে যে একটি যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে। আর আপনি কখনোই চাইবেন না, আপনার কাজের ফাইলটি ব্যবহার করার অযোগ্য হয়ে যাক। যাই হোক, নিয়মিত ডাটা ব্যাকআপ রাখায় একমাত্র পন্থা, যেটা সকল প্রকারের ফাইল বা ডাটা লস প্রবলেম থেকে আপনাকে বাঁচিয়ে দিতে পারে। আপনি লোকালভাবে বা অনলাইনে, দুইভাবেই আপনার ডাটা গুলোকে নিরাপদে স্টোর করতে পাড়বেন। যদি আপনার ডাটার পরিমান বেশি হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে অনলাইন ব্যাকআপ করার জন্য পেইড প্ন্যান কিনতে হবে। যদি শুধু কাজের ডাটা গুলো, বা কয়েক জিবি ফাইল ব্যাকআপ নেওয়ার দরকার হয়, সেক্ষেত্রে আমাদের “বেস্ট ফ্রী অনলাইন ডাটা ব্যাকআপ সার্ভিস!” আর্টিকেল থেকে আপনার পছন্দের প্রভাইডার বেঁছে নিতে পারেন।

বন্ধুরা আপনার পিসির যেকোনো ফাইল করাপ্টেড হয়ে যাওয়ার জন্য আরেকটি বড় কারণ হতে পারে, ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার। তাই অবশ্যই পূর্বে নিশ্চিত করে নিন, আপনি একটি ভালো মানের অ্যান্টিভাইরাস এবং অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার প্রোগ্রাম ব্যবহার করছেন। অবশ্যই আপনার ফাইল গুলো প্রতিনিয়ত স্ক্যান করুণ বা অটো স্ক্যান চালু করে রাখুন, এতে নিশ্চিত হতে পাড়বেন আপনার কম্পিউটারে কোন ম্যালওয়্যার নেই। উইন্ডোজ কম্পিউটারে একটি ডিফল্ট অপশন থাকে, “ফাইল হিস্টরি” — এটি চালু করে রাখার ফলে আপনার একটি ফাইলের আলাদা আলাদা ভার্সন তৈরি করে রাখে, যখন কোন ফাইল করাপ্টেড হয়ে যাবে, আপনি পূর্বের ভার্সনে ফেরত যেয়ে করাপ্টেড হওয়া ফাইলটি উদ্ধার করতে পাড়বেন।

করাপ্টেড ফাইল সমস্যা থেকে বাঁচতে আরেকটি উপায় হচ্ছে, কিছু টাকা ইনভেস্ট করে একটি ইউপিএস বা ব্যাটারি ব্যাকআপ সিস্টেম ইন্সটল করা। যেতে বিদ্যুৎ চলে গেলেও আপনি কম্পিউটার নিরাপদে অফ করার মতো সময় পেয়ে যাবেন, এতে ধপ করে আপনার কম্পিউটার বন্ধ হবে না, ফলে ফাইল করাপ্টেড হয়ে যাওয়া থেকে বেঁছে যেতে পাড়বেন। একটি ভালো ইউপিএস শুধু হার্ড ড্রাইভ নয়, আরো অন্যান্য কম্পিউটার হার্ডওয়্যার গুলোকেও বিশেষ নিরাপত্তা প্রদান করতে পারে। ইউপিএস কেনার আগে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি দেখে নিন; “ইউপিএস | কতোটা প্রয়োজনীয়? সত্যিই এটি কম্পিউটারকে রক্ষা করে?

ফিক্সিং করাপ্টেড ফাইল

করাপ্টেড ফাইল যে ১০০% ফিরে আসবে সেটার কোনই নিশ্চয়তা নেই, তবে কতোটুকু ড্যামেজ হয়েছে সে অনুসারে হয়তো আপনি ফাইলটি অনেক অংশেই ফেরত পেতে পারেন। যদি কোন ডাউনলোড করা ফাইল করাপ্টেড হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আমি রেকমেন্ড করবো, ফাইলটি সোর্স থেকে আবার ডাউনলোড করে নিন। যদি কেউ আপনাকে ফাইলটি সেন্ড করে থাকে, এক্ষেত্রে তাকে আবার ফাইলটি সেন্ড করতে বলুন। যদি আপনার কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইল ড্যামেজ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে উইন্ডোজের ডিফল্ট “সিস্টেম ফাইল চেকার” অপশন থেকে সিস্টেম ফাইল স্ক্যান করে, করাপ্টেড ফাইল রিকভার করতে পাড়বেন। অথবা উইন্ডোজ ইন্সটলেশন ডিভিডি থেকেও উইন্ডোজ ফাইল রিপেয়ার করতে পাড়বেন। তবে আগেই বলেছি, ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য অবশ্যই প্রোটেকশন ব্যবহার করতে হবে, নতুবা ফাইল রিপেয়ার করার পরেও আবার ফাইলটি ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে।

ড্যামেজ ফাইল রিপেয়ার করার ক্ষেত্রে আমার কিছু পার্সোনাল টিপস শেয়ার করছি, যেমন- অনেক সময় আমি দেখেছি জাস্ট ফাইল এক্সটেনশন পরিবর্তন করলেই ড্যামেজ ফাইলটি থেকে অনেকখানি তথ্য উদ্ধার করা যায়। ধরুন কোন ইমেজ ফাইল .PNG ফরম্যাটে রয়েছে, সেটার এক্সটেনশন .JPEG করে দেখতে পারেন। এভাবে ভিডিও ফাইলের বা অডিও ফাইলের এক্সটেনশন পরিবর্তন করেও দেখতে পারেন। এটা ১০০% নিশ্চিত পদ্ধতি নয়, কিন্তু এভাবে কাজ করলেও করতে পারে। আবার আপনি ফাইলটি কনভার্ট করেও দেখতে পারেন। আমি একবার এক ড্যামেজ ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফাইলকে পিডিএফ ফাইলে কনভার্ট করে ফাইলটিকে ওপেন করতে সক্ষম হয়েছিলাম। এভাবে ভিডিও, অডিও, বা ইমেজ ফাইলকে এক ফরম্যাট থেকে আরেক ফরম্যাটে কনভার্ট করে দেখতে পারেন। সাথে হ্যাঁ, আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইলটি ওপেন করতে ভুলবেন না, আমি পট প্লেয়ারে অনেক ভিডিও ফাইল প্লে করার সময় ড্যামেজ ফাইল ম্যাসেজ পেয়েছি, কিন্তু সেটা ভিএলসি প্লেয়ারে আবার ঠিকই রান করে। যদি কোন ফাইল মাইক্রোসফট ওয়ার্ড দিয়ে ওপেন না হয়, আলাদা অফিস প্রগাম যেমন লিব্রাঅফিস বা গুগল ডকস দিয়ে ওপেন করার চেষ্টা করতে পারেন।

অনেক প্রোগ্রাম যেমন মাইক্রোসফট অফিস বা অ্যাডবি প্রিমিয়ার, আপনার প্রোজেক্ট ফাইলের অটো ব্যাকআপ সেভ করে। সেক্ষেত্রে আপনার মূল সেভ থাকা ফাইলটি করাপ্টেড হয়ে যাওয়ার পরেও অটো সেভ থেকে ফাইলটির কিছুটা পূর্বের ভার্সন খুঁজে পেতে পাড়বেন। আপনি যদি উইন্ডোজ কম্পিউটার চালিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে করাপ্টেড ফাইল অটো ফিক্স করার জন্য বা কোন সিস্টেম ফাইল যদি আপনার নির্দিষ্ট কোন ফাইল ওপেন করতে না দেয়, সেক্ষেত্রে SFC স্ক্যান আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারে। জাস্ট কম্যান্ড প্রমট থেকে টাইপ করুন; sfc /scannow এবং এন্টার হিট করুণ, আপনার স্ক্যান শুরু হয়ে যাবে।

যদি উইন্ডোজ কম্পিউটারে ব্যাড সেক্টরের কারণে ফাইল করাপ্টেড হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ডিফল্ট ডিস্ক চেক রান করাতে পারেন, এতে অনেক সফট ব্যাড সেক্টর রিমুভ হয়ে যায়। উইন্ডোজে ডিস্ক চেক রান করাতে কম্যান্ড প্রমট ওপেন করুণ এবং টাইপ করুণ; chkdsk তারপরেও এন্টার হিট করুণ। অনেক সময় অপারেটিং সিস্টেমের ব্যাড আপডেট বা বাগি আপডেট আপনার ফাইলের সাথে সমস্যা করতে পারে। সেক্ষেত্রে আপডেট রোলব্যাক করে নিয়ে সমস্যা দূর হতে পারে। তাছাড়া অনেক তৃতীয়পক্ষ সফটওয়্যার রয়েছে, যেগুলো ইউজ করে করাপ্টেড ফাইল রিপেয়ার করার কাজে লাগাতে পারেন। নিচের তাদের কিছু লিস্ট দিলাম, ট্র্যায় করতে পারেন।

  • File Repair :— মূলত এটি একটি ওয়েবসাইট, যেখানে অনেক করাপ্টেড ফাইল রিকভারি সফটওয়্যার লিস্ট পেয়ে যাবেন।
  • Repair Toolbox :— অল-ইন-ওয়ান ফাইল রিপেয়ার সলিউশন!
  • Hetman File Repair 1.1 :— করাপ্টেড ইমেজ রিপেয়ার করার বেস্ট টুল!
  • Digital Video Repair :— ডিজিটাল ভিডিও ফাইল রিপেয়ার করার ফ্রী টুল!
  • Zip Repair :— .ZIP এক্সটেনশন ফাইল রিপেয়ার করার ফ্রী টুল!
  • Office Fix :— মাইক্রোসফট অফিস ফাইল ফরম্যাট ফাইল ফিক্স টুল!
  • MP3 Repair Tool :— এম্পিথ্রি ফাইল রিপেয়ার করার ফ্রী টুল!

যদি আপনার ড্যামেজ হওয়া ফাইল কোনভাবে রিপেয়ার করতে পারেন, সেটা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার হবে। তবে যে ডাটা সেখানে নেই ই সেটা আর কীভাবে বা কতোটাই রিকভার করা যাবে? আর আপনি যদি আমার মতো ভাগ্যের হালে সব ছেড়ে নে দিয়ে নিয়মিত ডাটা ব্যাকআপ রাখেন, সেক্ষেত্রে করাপ্টেড ফাইল আপনার তেমন সমস্যা করতে পাড়বে না। তাছাড়া আরো অনেক ফ্রী এবং পেইড সফটওয়্যার রয়েছে, আমি তাদের মধ্যে অনেক গুলোই ব্যবহার করেছি, আর সত্যি কথা হচ্ছে এরা কেউই তেমন বেটার কাজ করতে পারেনি।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

ইমেজ ক্রেডিটঃ By REDPIXEL.PL Via Shutterstock | By fizkes Via Shutterstock

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

9 Comments

  1. shadiqul Islam Rupos Reply

    ভাইইয়া ব্যাড সেক্টর ঠিক করা নিয়ে লিনাক্স টিউটোরিয়াল দিতে চেয়েছিলেন একটা। সেটার প্র্যাক্টিকাল চাই। আপনার আর্টিকেল থেকে লিনাক্স ইন্সটল করেছি এখন পোস্ট দিতে হবে ভাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *