প্রযুক্তিটেক চিন্তা

লিথিয়াম আয়ন বনাম লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি | বিস্তারিত

19
লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি

বন্ধুরা লিথিয়াম আয়ন Li-ion এবং লিথিয়াম পলিমার Li-Po ব্যাটারি প্রযুক্তি মানুষের মনে প্রায়ই দ্বিধার সৃষ্টি করে দেয় যে, কোনটি ভালো এবং কোনটি ভালো নয় তা আমরা বুঝতে পারি না। যদি আপনার মনেও এমনিই কোন সন্দেহ থেকে থাকে তবে দয়া করে এই পোস্টটি পড়তে থাকুন এবং আমি আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে চলেছি।

ফোনের ব্যাটারি ও চার্জার সম্পর্কিত আরো পোস্ট

লিথিয়াম পলিমার ও লিথিয়াম আয়নের মধ্যে পার্থক্য

লিথিয়াম পলিমার ও লিথিয়াম আয়নের মধ্যে পার্থক্য

বন্ধুরা এটি অনেক কমন একটি দ্বিধার ব্যাপার। যখনই আপনি নতুন একটি মোবাইল ফোন বা পাওয়ার ব্যাংক কিনতে যান বা কেনার কথা ভাবেন তখন ব্যাটারির ক্ষেত্রে দেখা যায় যে কোন ফোনে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে আবার কোন ফোনে লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তো এই অবস্থায় এই প্রশ্নটি মনে আশা খুবই স্বাভাবিক যে কোন ব্যাটারি প্রযুক্তি সবচাইতে ভালো? কার ক্যাপাসিটি সবচেয়ে ভালো ইত্যাদি। তো এসব চিন্তা করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই কনফিউজ হয়ে পরি এবং বলতে শুরু করি, “এই ফোন তো ভালো, কিন্তু ব্যাটারি ভালো না। বা ব্যাটারি ভালো কিন্তু ব্যাটারি প্রযুক্তি বা প্রস্তুতকারী কোম্পানি ভালো না”।

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির কথা বলতে গিয়ে বলতে হয় যে এটি অনেক পুরাতন ব্যাটারি প্রযুক্তি এবং সে তুলনায় লিথিয়াম পলিমার নতুন ব্যাটারি প্রযুক্তি। কিন্তু যখন কথা আসে যে কোন প্রযুক্তি সবচেয়ে ভালো বা আপনি কোনটা কিনবেন। তবে প্রথম কথা হলো এটা যে একজন ইউজার বা একজন কাস্টমার হিসেবে আপনার কখনোই ব্যাটারি প্রযুক্তি নিয়ে ভাবার কোন দরকার নেই। আপনার ফোনের বা আপনার পাওয়ার ব্যাঙ্কের ব্যাটারি কোন প্রযুক্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে তার উপর নির্ভর করে আপনার কোন যায় বা আসবে না। আপনি শুধু মনে করুন যে ব্যাস ওইটা একটা ব্যাটারি। আর দেখুন যে ব্যাটারিটি ভালো ব্যাকআপ দিচ্ছে কিনা এবং সেটা কত এমএএইচ। আপনার প্রযুক্তি নিয়ে একদমই ভাববার কোন প্রয়োজন নেই।

কারন দেখুন কনফিউশনের সৃষ্টি তখনই হয় যখন আমরা কোন বিষয়ে অর্ধেকটা জানি এবং অর্ধেকের সম্পর্কে অজ্ঞাত থাকি। আর এর জন্যই নানান প্রকারের ভুল ধারণা মনের মধ্যে সৃষ্টি হয়ে যায়। আমাদের এসব ভুল ধারণা থেকে বাহিরে আসা উচিৎ। যাই হোক, একজন ইউজার বাদ দিয়ে যখন আমরা টেকনিক্যাল বিষয়ের দিকে লখ্যপাত করবো তখন লিথিয়াম আয়ন এবং লিথিয়াম পলিমার প্রযুক্তিতে কিছু পার্থক্য দেখতে পাওয়া যায়। তো চলুন আরো আলোচনা করা যাক।

আগেই বললাম যে লিথিয়াম আয়ন একটু আগের প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি ব্যাবহারে ব্যাটারি তৈরি করা হলে ব্যাটারির একটি নির্দিষ্ট আকার প্রদানের প্রয়োজন পড়ে। ব্যাটারি বানাতে যে বিষয় বস্তু গুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা একটু আলাদা হয়ে থাকে। ব্যাটারি দেখতে একটু মোটা হতে পারে। এবং এ প্রযুক্তিতে শুধু চারকোনা ব্যাটারি বানানোর অপশন থাকে। কিন্তু লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারিতে আমরা পলিমার ব্যবহার করে থাকি এবং ভেতরের ইলেক্ট্রলাইট হিসেবে জেল ব্যবহার করা হয় ফলে ব্যাটারি অনেক ফ্লেক্সিবল বানানো সম্ভব হয়ে থাকে। এবং যেমনটা ইচ্ছা তেমন আকারের ব্যাটারি বানানো সম্ভব লি-পো প্রযুক্তি ব্যবহার করে। উদাহরণ স্বরূপ আপনি একটি ক্রেডিট কার্ড এর সমতুল্য পাতলা ব্যাটারি বানাতে পারবেন লি-পো প্রযুক্তি ব্যবহার করে। লি-পো প্রযুক্তির ব্যাটারি ইচ্ছা মতো আকার প্রদান করে বানানো সম্ভব। চ্যাপ্টা ব্যাটারি তৈরি করুন, চারকোনা ব্যাটারি তৈরি করুন, আর তিনকোনা, আপনার যা ইচ্ছা। আজকাল পরিধান যোগ্য প্রযুক্তি এবং মোবাইল ফোনে লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি ব্যবহার করতে দেখা যায়। এখনকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ অনেক বেড়ে গেছে ফলে ব্যাটারির জন্য আলাদা করে বড় জায়গা রাখা খুব মুশকিল তাই লি-পো প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকে প্রস্তুতকারী কোম্পানিগন।

যদি ওজনের কথা বলি তো লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি একটি ভারি হয়ে থাকে এবং লি-পো ব্যাটারি ওজনে একটু পাতলা হয়ে থাকে। এনার্জি ঘনত্বের কথা যদি বলি তো লি-আয়ন ব্যাটারির এনার্জি ঘনত্ব বেশি হয় এবং লি-পো ব্যাটারির এনার্জি ঘনত্ব কম হয়ে থাকে। লি-আয়ন ব্যাটারির আউটপুট একটু কম হয়ে থাকে। কম মানে আমি কিন্তু ব্যাকআপের কথা বলছিনা, আউটপুটের কথা বলছি। লি-পো ব্যাটারির আউটপুট অনেক হাই এনার্জির দেওয়া সম্ভব। এবং আমি আপনাদের বলছি যে আলদা আলদা অ্যাপ্লিকেশনে কখন কোন প্রযুক্তির প্রয়োজন পড়ে।

এবার কথা বলি ওভার চার্জিং নিয়ে। দেখুন লি-আয়ন ব্যাটারিতে ওভার চার্জিং হওয়ার ভয় থাকে। এজন্য মোবাইল ফোন বা যেকোনো ডিভাইজে যদি লি-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় তবে ওভার চার্জিং প্রোটেকশনের জন্য একটি আলাদা সার্কিট লাগানোর প্রয়োজন পড়ে। অথবা ব্যাটারিতে একটি ইনবিল্ড সার্কিট লাগানো থাকে। কিন্তু লি-পো ব্যাটারিতে ওভার চার্জিং এর কোন ভয় থাকে না, ফলে আলদা সার্কিটের কোন প্রয়োজন নেই এবং নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন।

এখন কথা বলি দাম নিয়ে। দেখুন লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি অনেক আগের প্রযুক্তি এবং বানানো অনেক সহজ তাই এর দামও অনেক কম পড়ে। কিন্তু যদি কথা বলি লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি নিয়ে তবে বিষয়টি একটু আলাদা। কেনোনা এখানে ব্যাটারি কাস্টমাইজ বানানোর প্রয়োজন পড়ে। এই প্রযুক্তি এবং প্রস্তুতকারী বিষয়বস্তু অনেক অ্যাডভান্সড প্রকিতির হয়ে থাকে। তাই লি-পো ব্যাটারি বানাতে একটু বেশি খরচ পড়ে যায়।

এখন মনে করুন আপনার ফোনে একটি ৩,০০০ এমএএইচ ৩.৭ ভোল্ট ব্যাটারি লাগানো আছে। এখানে আপনার ব্যাটারি লি-আয়ন প্রযুক্তির হোক আর লি-পো প্রযুক্তির হোক এতে আপনার কোন অসুবিধা হবে না। আপনার কাজ ঠিকঠাক মতোই চলতে থাকবে। তো এই বিষয়ে যদি কোন কনফিউশন মনে থেকে থাকে তো তা মস্তিস্ক থেকে বের করে দিন।

লিথিয়াম পলিমার ও লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ব্যবহার

লিথিয়াম পলিমার ও লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ব্যবহার

এখন চলুন কথা বলি এই প্রযুক্তির ব্যাটারি সমূহ কোথায় কোথায় ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা নিয়ে। তো চলুন সবার আগে কথা বলি মোবাইল ফোন নিয়ে। কেনোনা আজকের দিনে মোবাইল ফোনই হলো এমন একটি ডিভাইজ যেখানে সবচাইতে বেশি ব্যাটারি ব্যবহার করে থাকি আমরা। মোবাইল ফোনে আপনি দুই প্রযুক্তির ব্যাটারি ব্যবহার করতেই দেখবেন। কোন মোবাইল ফোনে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় এবং কোন ফোনে লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। আলদা আলদা প্রযুক্তির ব্যাটারি মোবাইল ফোনে থাকার পেছনে কিছু কারনও রয়েছে। অনেক সময় কোম্পানি বাজেট ফোন তৈরি করে তো সেখানে খরচ বাঁচাতে এবং আপনাকে সস্তায় ফোনটি দেওয়ার জন্য কোম্পানি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করে থাকে। দামী ফোন গুলোতে সাধারনত লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি দেখতে পাওয়া যায়। তাছাড়া ফোনের আকার কি রকম, ফোন কতটা পাতলা, ফোনে ব্যাটারির জন্য কতটা জায়গা রাখা হয়েছিলো ইত্যাদি বিষয়ের উপর খেয়াল রেখে মোবাইল প্রস্তুতকারী কোম্পানিরা লি-আয়ন অথবা লি-পো ব্যাটারি ব্যবহার করে থাকে। তো কোন প্রযুক্তির ব্যাটারি ব্যবহার করে ফোন তৈরি করবে এটা সম্পূর্ণ মোবাইল প্রস্তুতকারী কোম্পানির চিন্তা। তাদের ফোনে কোন ব্যাটারি বেশি ভালো হবে তারা খুব ভালো করে জানে। আপনার চিন্তার কিছু নাই। আপনি জাস্ট আপনার ফোনটি চার্জ করুন আর ব্যবহার করতে থাকুন।

এবার কথা বলি বিভিন্ন প্রকারের খেলনা নিয়ে, বিশেষ করে রিমোট কন্ট্রোল খেলনা। যেমন রিমোট কন্ট্রোল কারস, রিমোট কন্ট্রোল হেলিকপ্টারস, রিমোট কন্ট্রোল ড্রোনস ইত্যাদি। তো এসকল খেলনাতে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা হলো লথিয়াম পলিমার। কারন এই প্রযুক্তির ব্যাটারি হালকা হয়ে থাকে ওজনে এবং আউটপুট হিসেবে হাই পাওয়ার প্রদান করতে পারে। খেলনা গুলোতে হাই আউটপুট পাওয়ার হওয়াটা অনেক জরুরী, কেনোনা সেখানে অনেক সময় মোটর থাকে। কোন কোন খেলনাতে তো একাধিক মোটর থাকে। তো এসকল মোটর চালাতে অনেক হাই পাওয়ার প্রয়োজন।

তাছাড়া টর্চ লাইট বা বাড়ির কাজে ব্যবহৃত ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রে সাধারনত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া লিথিয়াম আয়নের সেলসও পাওয়া যায়। যেটা সাধারনত ল্যাপটপ ব্যাটারির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এমনিতে তো ল্যাপটপ ব্যাটারির উপরে প্ল্যাস্টিক লাগানো থাকে কিন্তু আপনি যদি ভেতরে ভেঙ্গে দেখেন তবে দেখতে পাবেন লিথিয়াম আয়ন সেলস লাগানো আছে।

ব্যাটারি

এবার কথা বলি পাওয়ার ব্যাংক নিয়ে। দেখুন সাওমি বা ওয়ান প্লাসের ১০,০০০ এমএএইচ এর মধ্যে যে পাওয়ার ব্যাংক পাওয়া যায় এতে সাওমি ব্যবহার করে লিথিয়াম আয়ন প্রযুক্তি এবং ওয়ান প্লাস ব্যবহার করে লিথিয়াম পলিমার প্রযুক্তি। এজন্য দেখবেন ওয়ান প্লাসের পাওয়ার ব্যাংক গুলো ওজনে হালকা হয়ে থাকে। এবং বিভিন্ন সেপে পাওয়া যায়। এলজি জি২ ফোনের ব্যাক সাইটটি কার্ভ ছিল তাই তারা ফোনে লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি ব্যবহার করেছিলো যাতে ব্যাটারিও কার্ভ হয় এবং শেষ কোনা পর্যন্ত ব্যাটারি পৌঁছে।

শেষ কথা

বন্ধুরা আশা করছি এতক্ষণে ব্যাটারি প্রযুক্তি সম্পর্কে আপনি অনেক কিছু জেনে গেছেন এবং মনের সকল কনফিউশনও চলে গেছে নিশ্চয়। একটি কথা মাথায় রাখুন, ব্যাটারি তো একটি ব্যাটারি। আপনার ফোনে বা যেকোনো ডিভাইজে কোন ব্যাটারি আছে তা কোন ব্যাপার নয়। আপনি জাস্ট চার্জ করুন আবার ডিসচার্জ করুন এভাবেই ব্যাস ব্যবহার করতে থাকুন। প্রস্তুতকারী কোম্পানি অবশ্যই ব্যাটারি ভেবে চিনতে তারপরই লাগিয়েছে, এবং অবশ্যই উচিৎ কাজটিই করেছে। সাধারন ব্যবহার করুন কোন সমস্যা হবে না, বিশ্বাস করুন। যাই হোক, পোস্টটি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন। এবং আপনার যেকোনো প্রশ্নে অবশ্যই কমেন্ট করুন।

ফিচার ইমেজ ক্রেডিটসিনেট

তাহমিদ বোরহান
প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

সত্যিই কি ১ ক্লিকে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের র‍্যাম বাড়ানো সম্ভব?

Previous article

অনলাইন নিরাপত্তা | আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্ট কতটুকু নিরাপদ?

Next article

You may also like

19 Comments

  1. Khub bhalo post. Battery niye sob chinta chole gelo. Post ta Li-Pol battery er moto charged. Many many thanks bhai.

    1. আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই 😀

  2. ভাই আমি প্রচন্ড ভাবে প্রজুক্তির ত্রিস্নায় ত্রিস্না গ্রস্থ থাকি। কিন্তু বরাবরই সেই ত্রিস্না Techubs মিটিয়ে দেয়। অস্মভব সুন্দর সব পোস্ট।

    1. আপনাদের অসম্ভব সুন্দর সব কমেন্ট আমারও তৃষ্ণা মিটিয়ে দেয় ভাই। সত্য কথা বলতে আপনাদের সুন্দর কমেন্ট পাওয়ার জন্যই সবকিছু করার চেষ্টা। ধন্যবাদ ভাই। এভাবেই পাশে থাকুন Techubs এর।

      1. আমার ওয়ালটন প্রিমো জি এইচ ফাইভ মিনি।এটার চার্জিং আউটপুট ৫.১
        অন্য ক্যাবল বা অন্য চার্জার দিয়ে চার্জ হয়না।প্রায় তিনগুন সময় লাগে।কি করবো?

        1. তো বাজারে সেইম ভোল্ট এবং অ্যাম্পিয়ারের চার্জার খুঁজে দেখুন!

  3. Awesome post hosece. Onek janlam. Ar sathe moner sokol vul dharona o gayeb.

    1. তাহলেই আমার লেখাটাও সার্থক 🙂

  4. বরাবরের মতই অনেক তথ্য বহুল পোস্ট…
    অনেক গুছিয়ে লেখা।

  5. Nice Post Bro

    1. থ্যাংকস ব্রো 🙂

  6. ভাই,ব্যাটারির এই ব্যাখ্যাটা খুবই ভাল লেগেছে।আপনাকে ধন্যবাদ।

  7. ভাই, স্মার্ট ফোনের সাথে স্থায়ী ব্যাটারী থাকলে ব্যাটারীর কার্যকারীতা শেষ হয়ে গেলে ফোনটি কি বাতিল হয়ে যাবে? ধন্যবাদ সুন্দর ভাবে তথ্য উপস্থাপনের জন্য।শুভ কামনা রইলো- রুস্তম পাহলোয়ান।

    1. জী না, ভাই। ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে কেয়ার থেকে আরামে পরিবর্তন করিয়ে নিতে পারবেন।
      এই আর্টিকেলটি দেখুন, সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন;

      http://wirebd.com/নন-রিমুভেবল-ব্যাটারি/

  8. salam vai
    onek phone taratari charge sesh hoye jai kno??
    ar redmi 4x ta ki neya amar uchit?

  9. vai

    j3 2016, huwaei y6ii,redmi 4x…

    konta valo hobe?

    ami bortomane j2 samsung use kori..
    amar ti super amoled screen.

    akon chinta korchi redmi 4x otoba others mobile Kmn hobe?

  10. আমার ফোনে মাঝেমধ্যে 40%-50% থাকতেই আবার চার্জ করি। এতে কি কোন সমস্যা হবে।

    1. No Brother!

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *