বর্তমান তারিখ:22 August, 2019

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস : ৫ টি বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ (পর্ব-১)

মিউজিক প্লেয়ার

পর্ব-১

আমাদের সবারই গান শুনতে ভালো লাগে। আমরা সবাই অবসর সময় কাটানোর জন্য বা শখ করেই গান শুনি। আর এখনকার যুগে তো আর গান শুনতে ডিভিডি প্লেয়ার বা ক্যাসেট প্লেয়ারের দরকার হয়না। এখন আমরা আমাদের ফোনেই হাজার হাজার গান স্টোর করে রেখে যখন ইচ্ছা হেডফোন কানে দিয়ে গান শুনতে পারি। আর জোরে গান শোনার জন্য তো সাউন্ড বক্স, স্পিকার ইত্যাদি দানবীয় যন্ত্র তো আছেই। কিন্তু বেশিরভাগ সময় আমরা আমাদের স্মার্টফোনেই গান শুনে থাকি। কারণ, এটাই সবথেকে সহজভাবে গান শোনার সবথেকে উপযোগী ডিভাইস।আর এই গান শোনার জন্যই দরকার হয় বিভিন্ন মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েডে সাধারনত যে ডিফল্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ প্রি ইন্সটল করা থাকে সেটা হয়তবা বোরিং হয় বা হয়ত অনেক বেশি ফিচারস থাকেনা বা অনেকের এমনিতেই ভালো লাগেনা। তাই আমরা সবাই প্রায় গান শোনার জন্য ভালো একটি থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ ইন্সটল করে রাখি এবং সেটাই সবসময় গান শোনার জন্য ব্যাবহার করি।

থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ারের কথা বলতে হলে প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ইউজারেরই গান শোনার জন্য পারসোনাল ফেভারিট একটি অ্যাপ থাকে যেটি সে সব স্মার্টফোনেই ইন্সটল করে। কিন্তু আপনার যদি আগে থেকেই পারসোনাল ফেভারিট মিউজিক প্লেয়ার না থাকে বা এখনও খুঁজে না পেয়ে থাকেন, তাহলে আজকের লেখাটি আপনার জন্য। আজকে আমার দেখা বেস্ট কয়েকটি থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ার নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলোর মধ্যে কোনো কোনোটি আপনারও ভালো লাগতে পারে। তো, আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করা যাক, আমাদের বেস্ট অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সিরিজের প্রথম পর্ব


Musixmatch

থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ার হিসেবে সম্ভবত এটি সবথেকে জনপ্রিয় অ্যাপ। কারণ, যারা থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ ব্যাবহার করেন, তাদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি মানুষের প্রথম পছন্দ এটি। কারণ, এই অ্যাপটিতে শুধুমাত্র গান শোনা ছাড়াও আরও অনেক ফিচারস রয়েছে যেগুলো আপনি অন্যান্য থার্ড পার্টি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপে পাবেন না। লিরিক্স-প্রেমীদের কাছে এই মিউজিক প্লেয়ারটি ফার্স্ট চয়েজ। যারা গান শুনতে শুনতে স্ক্রিনে গানের লিরিক্স দেখতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার এটি। আপনার স্টোরেজে থাকা গানগুলোর ট্যাগ ইনফরমেশন সঠিক হলে, আপনি গান প্লে করার সময় স্ক্রিনে গানটির লিরিক্স দেখতে পাবেন। এছাড়াও, অ্যাপটিকে পারমিশন দিলে অন্যান্য মিউজিক প্লেয়ারে গান প্লে করার সময়ও এটি চ্যাট হেডের মত একটি ফ্লোটিং উইন্ডোরে লিরিক্স দেখাবে। এছাড়া আপনি যেকোনো গানের লিরিক্স অনেকগুলো ভাষায় ট্রান্সলেট করেও দেখতে পারবেন। যেমন, আপনি একটি ইংরেজি গানের লিরিক্স চাইলে বাংলায়ও দেখতে পারবেন এই অ্যাপের সাহায্যে।

এখানেই শেষ নয়, আপনি চাইলে ইউটিউবে কোনও মিউজিক ভিডিও প্লে করার সময়ও ভিডিওর নিচে ফ্লোটিং উইন্ডোতে লিরিক্স দেখতে পারবেন। একটি নাম না জানা গান প্লে করলে এই অ্যাপটি আপনাকে নোটিফিকেশন বারের সাহায্যে জানিয়ে দেবে যে গানটির নাম কি এবং গানটি কার গাওয়া। এর থেকেও আরও ইন্টারেস্টিং ফিচার হচ্ছে, লিরিক্স কার্ড তৈরি করা। আপনি চাইলে কোনও গানের লিরিক্স এর সাহায্যে একটি আর্টওয়ার্ক তৈরি করতে পারবেন এবং সেটা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ারও করতে পারবেন। এছাড়া, গানের ট্যাগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এডিট করা, গানের কভার আর্ট চেঞ্জ করা এসব ফিচারতো থাকছেই। এবং এই অ্যাপটির ইউজার ইন্টারফেসও অনেক সুন্দর। কিন্তু এই মিউজিক প্লেয়ারটির একটি অসুবিধা হচ্ছে, অ্যাডস। কিন্তু অ্যাড ফ্রি ভার্শনও আছে। কিন্তু সেটি পেতে হলে আপনাকে গুনতে হবে প্রায় ১২০০ টাকা প্রতি বছর। কিন্তু অ্যাপটির ফিচারসগুলো কনসিডার করে কিছু পপআপ অ্যাডস মেনে নেওয়াই যায়।

ডাউনলোড লিংক : এখানে

[su_custom_gallery source=”media: 4878,4879,4877,4880″ link=”image” width=”180″ height=”320″ title=”never”]

Groove Music

আপনি যদি পিসিতে উইন্ডোজ ১০ ব্যাবহার করে থাকেন, তাহলে আপনি নিশ্চই এই নামটির সাথে পরিচিত। Groove Music হচ্ছে মাইক্রোসফট এর অফিশিয়াল মিউজিক প্লেয়ার। অর্থাৎ, এই মিউজিক প্লেয়ারটি মাইক্রোসফটের তৈরি। যদিও এই মিউজিক প্লেয়ারটির খুব বেশি ফিচারস নেই, কিন্তু আপনি যদি আপনার ডেস্কটপের মিউজিক প্লেয়ার এবং স্মার্টফোনের মিউজিক প্লেয়ারের মধ্যে মিল রাখতে চান, তাহলে  আপনার জন্য এই মিউজিক প্লেয়ারটিই বেস্ট হবে। কারণ, এই মিউজিক প্লেয়ারটিতে আপনি পাবেন আপনার পিসির মিউজিক প্লেয়ারের মত এক্স্যাক্ট সেম ইউজার ইন্টারফেস। অর্থাৎ, এই অ্যাপটিকে উইন্ডোজ ১০ এর ডিফল্ট মিউজিক প্লেয়ারের মোবাইল ভার্শন বলা যায়।

এই অ্যাপটি আমার কাছে ফেভারিট দুটি কারণে। প্রথমটি হচ্ছে এর এই ফ্যামিলিয়ার ইউজার ইন্টারফেস এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে এর ওয়ানড্রাইভ ইন্টারগ্রেটেশন। আপনার যদি একটি মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে অবশ্যই আপনার ওয়ানড্রাইভে ৫ জিবি স্পেস রয়েছে। আপনি যদি ওয়ানড্রাইভের এই ৫ জিবি স্পেসের মধ্যে কোনও মিউজিক আপলোড করে রাখেন, তাহলে আপনি Groove Music প্লেয়ারে গানগুলো যেকোনো সময় স্ট্রিম করে শুনতে পাবেন এবং সেটা শুনতে পাবেন আপনার যেকোনো ডিভাইসে যেটিতে Groove Music ইন্সটল করা আছে এবং আপনার মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট লগিন করা আছে। আপনাকে লোকাল স্টোরেজে সব গান রাখার দরকার হবেনা। তবে হ্যাঁ, স্ট্রিম করার জন্য আপনার ওয়াইফাই কানেকশন দরকার হবে। এই ফিচারটি আমার মতে Groove Music এর সবথেকে বড় অ্যাডভান্টেজ। আর হ্যাঁ, মাইক্রোসফট-এর অফিশিয়াল অ্যাপ হওয়ায় এটি সম্পূর্ণ ক্লিন এবং অ্যাডফ্রি একটি অ্যাপ।

কিন্তু, এই অ্যাপটি ১০০% ফ্রি হলেও আপনি প্লে স্টোরে এটি পাবেন না। কারণ, এই অ্যাপটি বাংলাদেশে এভেইলেবল নয়। তবে আপনাদের সুবিধার্থে আমি অ্যাপটির ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক দিয়ে দিলাম। আপনি এই লিংক থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে পারবেন।

[su_custom_gallery source=”media: 4885,4886,4887,4888″ link=”image” width=”180″ height=”320″ title=”never”]

Retro Music

এই মিউজিক প্লেয়ারটি মূলত ভালো লাগে এর অসাধারণ ইউজার ইন্টারফেসের জন্য। আপনি খেয়াল করলে দেখবেন যে এই অ্যাপটির ইউজার ইন্টারফেস বা ডিজাইন তৈরি করা হয়েছে অনেকটা গুগল প্লে মিউজিক এবং অ্যাপল মিউজিক প্লেয়ার ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ একসাথে মিশিয়ে। অর্থাৎ, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোনের ডিজাইন দুটি একসাথে করে এই মিউজিক প্লেয়ারটি তৈরি করা হয়েছে। যার ফলে, এই অ্যাপটির ইউজার ইন্টারফেস অন্যান্য মিউজিক প্লেয়ারের থেকে আলাদা এবং দেখতেও বেশ ভালোই লাগে অন্যান্য মিউজিক প্লেয়ারের তুলনায়। এর ডিজাইনটি কেমন, তা নিচের স্ক্রিনশটগুলা দেখলেই ধারণা পাবেন।

এছাড়া, এই অ্যাপটিতে কোনও মিউজিক প্লে করলে ওই গানটি এবং আর্টিস্টের সম্পর্কে ডিটেইলড ইনফরমেশন পাবেন গানের নামের নিচে। এছাড়া অ্যাডভান্সড ট্যাগ এডিট করার সুবিধাও থাকছে এই অ্যাপে। আপনি যেকোনো গানের এ্যালবাম নেম, আর্টিস্ট নেম, কভার আর্ট নিজের ইচ্ছামত চেঞ্জ করতে পারবেন। এই অ্যাপটি থার্ড পার্টি ডেভেলপারের তৈরি হলেও কোনও ধরনের বিরক্তিকর অ্যাডস নেই এই অ্যাপে। বিরক্তিকর অ্যাড নেই না বলে কোনও রকম অ্যাডই নেই বলা ভালো। কারণ এই অ্যাপটি সম্পূর্ণ অ্যাডফ্রি। এছাড়া এই অ্যাপে কিছু এক্সট্রা ইউআই কাস্টোমাইজেশন ফিচারসও রয়েছে যেগুলোর সাহায্যে আপনি অ্যাপটি একেবারে নিজের ইচ্ছামত সাজাতে পারবেন। অ্যাপের থিম, কালার এবং প্রায় সবকিছুই আপনি নিজে চেঞ্জ করতে পারবেন। এছাড়া অ্যাপটি বেশ লাইটওয়েট এবং ফাস্ট।

ডাউনলোড লিংক : এখানে

[su_custom_gallery source=”media: 4890,4891,4892,4893″ link=”image” width=”180″ height=”320″ title=”never”]

Phonograph

এই অ্যাপটিকে বলা যেতে পারে গুগল প্লে মিউজিকের একটি বেটার ভার্শন। কারণ, এই মিউজিক প্লেয়ারটির ডিজাইনের সাথে গুগল প্লে মিউজিকের অনেক মিল রয়েছে। কিন্তু, এই অ্যাপটিতে গুগল প্লে মিউজিকের থেকে বেশি ফিচারস রয়েছে এবং এটি গুগল প্লে এর মত এত হেভি এবং ল্যাগি অ্যাপ নয়। এই অ্যাপটির ইউজার ইন্টারফেসটিও যথেষ্ট সুন্দর। Retro Music এর মত এই অ্যাপটিও থার্ড পার্টি ডেভেলপারের তৈরি হলেও এতে একটিও অ্যাড নেই। এই অ্যাপটিও সম্পূর্ণ অ্যাডফ্রি। এই অ্যাপটির ডিজাইন এবং বিহেভিয়র অনেক সিম্পল এবং সহজ। এছাড়া, আগের অ্যাপটির মত এই অ্যাপটির সাহায্যেও যেকোনো গানের ট্যাগ এডিট করা যাবে এবং কভার আর্ট, আর্টিস্ট পিকচার ইত্যাদি চেঞ্জ করা যাবে। অনেক অ্যান্ড্রয়েড কাস্টম রমে এই অ্যাপটি ন্যাটিভ মিউজিক প্লেয়ার হিসেবেও ব্যাবহার করা হয়। এই অ্যাপটিতে তেমন খুব বেশি ইন্টারেস্টিং ফিচারস নেই, যেহেতু এই অ্যাপটির লক্ষ্যই হচ্ছে সিমপ্লিসিটি। তবুও এই অ্যাপটিতে অনেক ইউজার ইন্টারফেস কাস্টোমাইজ করার সুযোগ রয়েছে যার সাহায্যে আপনি এটিকে নিজের ইচ্ছামত করে কাস্টোমাইজ করে ব্যাবহার করতে পারবেন।

ডাউনলোড লিংক : এখানে

[su_custom_gallery source=”media: 4894,4895,4896,4897″ link=”image” width=”180″ height=”320″ title=”never”]

Listenit

নামটা সম্ভবত আপনার কাছে পরিচিত মনে হতে পারে। আমরা সবাই প্রায় ফোনে Shareit ব্যাবহার করি ফাইল শেয়ার করার কাজে। এই অ্যাপটি এই Shareit কর্পোরেশনের তৈরি। অর্থাৎ, যে ডেভেলপার Shareit অ্যাপটি ডেভেলপ করেছে, ওই একই ডেভেলপারের তৈরি মিউজিক প্লেয়ার এটি। এই অ্যাপটির ইউজার ইন্টারফেসও বেশ মিনিমাল এবং অ্যাপটিও বেশ লাইটওয়েট। এই অ্যাপটির সাহায্যে আপনি আপনার ফোনের স্টোরেজের গানগুলো নিশ্চিতভাবেই প্লে করতে পারবেন। তাছাড়া, এই অ্যাপটির একটি বড় অনলাইন মিউজিক লাইব্রেরিও আছে যেখান থেকে আপনি আপনার ইচ্ছামত গান স্ট্রিম করে শুনতে পারবেন। কিন্তু, তাই বলে এটা ভাববেন না যে এদের অনলাইন লাইব্রেরি Spotify বা Saavn এর মত এত বড়। ৫০% সময়ই আপনি অনলাইন লাইব্রেরিতে আপনি যে গানটি খুঁজছেন সেটি পাবেন না। কিন্তু মোটামুটি প্রায় সব জনপ্রিয় গানই পাবেন। এছাড়া সাপ্তাহিক ট্রেন্ডিং সংগুলোও স্ট্রিম করতে পারবেন। কিন্তু অনলাইন মিউজিক প্লেয়ার হিসেবে এটি আমার মতে খুব একটা ভালো নয়।। এছাড়া, বাকি ফিচারগুলোর কথা বলতে হলে, আপনি আগেরগুলোর মতই মিউজিক ট্যাগ এডিট করতে পারবেন, থিম এবং ইউজার ইন্টারফেস কাস্টোমাইজ করতে পারবেন নিজের ইচ্ছামত এবং এই অ্যাপে আপনি একটি বিল্ট ইন মিউজিক ইকুয়ালাইজারও পাবেন যার সাহায্যে আপনি মিউজিক নিজের ইচ্ছামত টিউন করতে পারবেন। আরও একটি ভালো ফিচার হচ্ছে, এই অ্যাপে আপনি গান থেকে রিংটোনও তৈরি করতে পারবেন। কিন্তু এই অ্যাপটির বড় একটি ডিসঅ্যাডভান্টেজ হচ্ছে, এটি অ্যাডফ্রি অ্যাপ নয়।

ডাউনলোড লিংক : এখানে

[su_custom_gallery source=”media: 4898,4899,4900,4901″ link=”image” width=”180″ height=”320″ title=”never”]

আমি বলছিনা যে এগুলোই অ্যান্ড্রয়েডের বেস্ট মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ। এই পাঁচটি হচ্ছে আমার দেখা কয়েকটি মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ যেগুলো আমার কাছে ভালো মনে হয়েছে। প্লে স্টোরে এর থেকেও আরও অনেক ভালো মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপ থাকতে পারে। আপনি এমন কোন মিউজিক প্লেয়ারের নাম জেনে থাকলে বা ব্যাবহার করে থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন।

আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তী পর্বে আরও কয়েকটি ভালো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করা যাবে। আশা করি, আজকের লেখাটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আর্টিকেল সম্পর্কে কোনও ধরনের প্রশ্ন বা মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট সেকশনে জানাবেন। ভালো থাকবেন।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

Image Credit : Alex Mihis Via Pexels

অনেক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ ছিলো এবং হয়তো সেই আকর্ষণটা আরো সাধারন দশ জনের থেকে একটু বেশি। নোকিয়ার বাটন ফোন থেকে শুরু করে ইনফিনিটি ডিসপ্লের বেজেললেস স্মার্টফোন, সবই আমার প্রিয়। জীবনে টেকনোলজি আমাকে যতটা ইম্প্রেস করেছে ততোটা অন্যকিছু কখনো করতে পারেনি। আর এই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকেই লেখালেখির শুরু.....

3 Comments

  1. Sakil Mahamud Reply

    যদি বেষ্ট মিউজিক কুয়ালিটির কথা বলা হয় তবে POWERAMP সাথে কার তুলনাই হয় না।DVC থাকার ফলে সাউন্ড কুয়ালটির রিয়েল কাষ্টোমাইজ করা যায়। আমি গত ৫ বছর-যাবত POWERAMP ইউজ করছি।এর প্রবলেম একটাই, মাত্র ১৪  দিন ফ্রি ইউজ করা যায়।
    পোষ্ট টা জোস ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *