হেডফোন ভালো সাউন্ড না দেওয়ার পেছনে আপনার স্মার্টফোন দায়ী নয়তো?

হেডফোন ভালো সাউন্ড না দেওয়ার পেছনে আপনার স্মার্টফোন দায়ী নয়তো?

আমাদের অভ্যাস মিউজিক, আমাদের ভালোলাগা মিউজিক, আমাদের ভালোবাসা মিউজিক। অনেক মানুষ রয়েছে যারা মিউজিক ছাড়া একদিনও থাকতে পারে না। যদি আমার নিজের কথা বলি, এমন কোন দিন যায়না যেদিন মিউজিক ছাড়া দিন কাটে। অ্যাপেল আইপড আসার পর থেকে মিউজিক উপভোগ করার টেকনোলজিই পরিবর্তন হয়ে গেছে, যদিও তখন আমার আইপড ছিল না, কিন্তু ওয়াকম্যান ক্যাসেট প্লেয়ারে মিউজিক উপভোগ করতাম। যাই হোক, সময়ের সাথে সাথে ইলেকট্রনিক ডিভাইজ গুলো জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি আকারে অনেক ছোট হয়ে গিয়েছে। সেই সময় টাকার অভাবে মানুষ আইপড কিনতে না পারলেও বাজারে অনেক পোর্টেবল ডিজিটাল মিউজিক প্লেয়ার ছিল যার দাম ৫০০ টাকা থেকে শুরু ছিল।

কিন্তু আজকের দিনের কথায় আলাদা, কেনোনা সময়ের সাথে সাথে আমাদের ডিম্যান্ড আরো বেড়ে গেছে। আমরা পোর্টেবল ডিভাইজ গুলো থেকে হাই কোয়ালিটি মিউজিক উপভোগ করতে পছন্দ করি। আমরা চাই, আমাদের স্মার্টফোন এবং হেডফোন হাই কোয়ালিটি মিউজিক জেনারেট করুক আর আমরা সেটা উপভোগ করি। কিন্তু হাই কোয়ালিটি মিউজিক অনেক গুলো টার্মের উপর নির্ভরশীল। অবশ্যই আপনি যে ডিভাইজ থেকে মিউজিক প্লে করছেন, তার ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তাছাড়া মিউজিক ফাইল কোয়ালিটি, কমপ্রেশন, অডিও কানেকশন, হেডফোন জ্যাক, ব্লুটুথ, এবং হেডফোন নিজে থেকেই কতোটা ভালো—এসকল বিষয়ের উপর নির্ভর করে তবেই হাই কোয়ালিটি মিউজিক উপভোগ করা সম্ভব। এই আর্টিকেলে হাই কোয়ালিটি মিউজিকের সকল টার্ম গুলো নিয়ে আলোচনা করবো এবং তদন্ত করে দেখবো আপনার হেডফোনের হাই কোয়ালিটি মিউজিক জেনারেট না করতে পাড়ার পেছনে আপনার স্মার্টফোনই দায়ী কিনা! সাথে অবশ্যই হাই কোয়ালিটি মিউজিক উপভোগ করার টিপস গুলোও শেয়ার করবো।

ডিজিটাল অডিও

ডিজিটাল অডিও

যখন ১৯৮০ সালের দিকে সিডি বাজারে আসে তখন  সিডি’র প্রধান কাজ ছিল ডিজিটাল অডিও ধারণ করে রাখা। অ্যানালগ মিউজিক আলাদা ব্যাপার, সেখানে ভয়েসের অ্যানালগ ফরম্যাট একই গ্রাফ আকারে সেভ করা থাকে, কিন্তু ডিজিটাল অডিও’র ক্ষেত্রে ওয়েভ গ্রাফ যাই হোক না কেন, সেটা গ্রাফ আকারেই সেভ না থেকে জিরো বা ওয়ান আকারে ডিজিটালি সেভ করা থাকে। অ্যানালগ এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি নিয়ে লেখা আর্টিকেল থেকে আরো স্পষ্ট ধারণা পাবেন এই ব্যাপার গুলো সম্পর্কে, যাই হোক; ডিজিটাল অডিও’তে অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় প্রযুক্তিই সম্পৃক্ত থাকে। যখন অডিও রেকর্ড করা হয়, অর্থাৎ শিল্পীর গলা থেকে ওয়েভ সরাসরি মাইকে প্রবেশ করে, সেটা অ্যানালগ সিস্টেমে মাইকে ভয়েজ প্রবেশ করে, কিন্তু সেই অ্যানালগ সাউন্ড থেকে যখন স্যাম্পলিং করার মাধ্যমে অডিও’কে জিরো বা ওয়ানে পরিবর্তিত করে দেওয়া হয়, সেটা ডিজিটাল ফরম্যাটে চলে যায়। এখন এখানে কিছু বিষয় চলে আসে, যেমন অডিও যখন অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে কনভার্ট করা হয়, তখন বিটরেটের একটি বিষয় চলে আসে। স্বাভাবিকভাবে যতোবেশি বিটরেট হয় ততোবেশি কোয়ালিটি অডিও ডিজিটাল ভাবে স্টোর করা যায়। কিন্তু বিটরেট বেশি হয়ে গেলে ফাইল সাইজও বেড়ে যায়।

ফাইল সাইজ কমানোর জন্য কমপ্রেশন ম্যাথড ব্যবহৃত হয়, যদি কমপ্রেশন লসি ফরম্যাটে করা হয় সেক্ষেত্রে অডিও কোয়ালিটি কিছুটা খারাপ হয়ে যায়। আপনি ইন্টারনেট থেকে যে অডিও ডাউনলোড করেন এমপি৩ ফরম্যাটে সেটা বেশিরভাগ সময়ই লসি কমপ্রেশন করা থাকে। হাই কোয়ালিটি মিউজিকের জন্য ৩২০ কিলোবিট/সেকেন্ড বিটরেট থাকা আবশ্যক, তবে স্টুডিও কোয়ালিটি অডিওতে আরো বিটরেট থাকে। তবে আমাদের কান ৩২০ কিলোবিট/সেকেন্ড বিটরেটের উপর কোয়ালিটি আর ডিটেক্ট করতে পারে না।

এখন এখানে আরেকটি ব্যাপার থাকে, সেটা হচ্ছে অডিও যেমন রেকর্ড করার সময় অ্যানালগ টু ডিজিটাল কনভার্ট করতে হয়, ঠিক তেমনি স্পীকারে বা হেডফোনে অডিও প্লে করার সময়ও কনভার্ট করা প্রয়োজনীয় হয়ে উঠে। এই সময় ডিজিটাল টু অ্যানালগ কনভার্ট করার প্রয়োজন পড়ে। আপনার ফোনে কোন মিউজিক ফাইল হয়তো ডিজিটাল ভাবে সেভড থাকে, কিন্তু স্পীকারে সে অডিও প্লে করার জন্য অ্যানালগ ফরম্যাট প্রয়োজনীয় হয়। স্পীকার অ্যানালগ ইলেকট্রিক সিগন্যালের উপর কাজ করে, সিগন্যাল থেকে উঠানামা গ্রাফ ক্যাচ করে এবং সে অনুসারে অডিও প্লে করে। যাই হোক, মিউজিক’কে ডিজিটাল ফরম্যাট থেকে অ্যানালগ ফরম্যাটে কনভার্ট করার জন্য আপনার ফোনে একটি বিশেষ পার্টস বিল্ডইনভাবে থাকে, যেটাকে ড্যাক (DAC) বা ডিজিটাল টু অ্যানালগ কনভার্টার বলা হয়। এখন আপনার স্মার্টফোনের ড্যাক যদি হাই কোয়ালিটি অ্যানালগ সিগন্যাল কনভার্ট না করতে পারে, তো আপনার হেডফোন যতোই ভালো হোক না কেন আপনি হাই কোয়ালিটি মিউজিক উপভোগ করতে পারবেন না। আপনার ইয়ারফোনটি যদি একটি ডিজিটাল ইয়ারফোন হয়ে থাকে, মানে সেটা যদি ইউএসবি টাইপ-সি’র উপর কাজ করে তো ইয়ারফোনেই একটি ড্যাক লাগানো থাকে, যেটা ফোন থেকে ডিজিটাল মিউজিক ডাটা গ্রহন করে ইয়ারফোনের মধ্যে অ্যানালগে কনভার্ট করে স্পীকারে প্লে হয়। এক্ষেত্রে অবশ্যই ইয়ারফোনের ড্যাক উন্নত হতে হবে।

হেডফোন আপগ্রেড

হেডফোন আপগ্রেড

হয়তো আপনি অনেক দামী স্মার্টফোন কিনেছেন, কিন্তু ভালো কোয়ালিটির মিউজিক উপভোগ করতে পাড়ছেন না, সেই অবস্থায় কি করবেন? অবশ্যই সবাই প্রথমে হেডফোন আপগ্রেড করার চিন্তাই মাথাউ নিয়ে আসেন। সবসময়ই কিন্তু ভালো মিউজিক প্রদান করতে না পাড়ার জন্য হেডফোনই একমাত্র দায়ী হয় না। উপরের প্যারাগ্রাফ গুলো থেকে নিশ্চয় জানতে পেড়েছেন, অবশ্যই মিউজিক ফাইলটি নিজে থেকেই হাই বিটরেটের হতে হবে, সাথে অবশ্যই আপনার ফোনের ড্যাকের হাই কোয়ালিটি অডিও কনভার্ট করার ক্ষমতা থাকতে হবে। না হলে হেডফোন যতোই ভালো আর দামীতে আপগ্রেড করুণ না কেন, আপনি কখনোই হাই কোয়ালিটি মিউজিক উপভোগ করতে পারবেন না।

আপনি হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন, এক ফোনে কোন হেডফোন অনেক ভালো সাউন্ড প্রদান করে কিন্তু আরেক ফোনে সেই একই হেডফোন একেবারে বেকার কোয়ালিটির অডিও আউটপুট প্রদান করছে, তো এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার হেডফোনের কোন সমস্যা নেই। অবশ্যই বেকার সাউন্ড প্রদান করার সময় ঐ ফোনেরই ড্যাক উন্নত নয়। যদি কথা বলি ব্লুটুথ ইয়ারফোনের কথা, তো এক্ষেত্রে ফোনের ড্যাকের কোন সমস্যা নেই, কেনোনা ব্লুটুথ ইয়ারফোন ফোন থেকে অ্যানালগ সিগন্যালে নয়, ডিজিটাল সিগন্যাল গ্রহন করে এবং ইয়ারফোনের মধ্যে থাকা ড্যাক সেই সিগন্যালকে অ্যানালগে পরিনত করে স্পীকারে প্লে করে। অর্থাৎ যদি কোন ব্লুটুথ হেডফোন হাই বিটরেট অডিও ফাইল থাকা শর্তেও ভালো কোয়ালিটি অডিও প্রদান না করে সেক্ষেত্রে হেডফোনটিরই সমস্যা। কিন্তু ৩.৫ এমএম জ্যাকের ক্ষেত্রে ফোনেরও সমস্যা থাকতে পারে।

পোর্টেবল ড্যাক অ্যাম্প

পোর্টেবল ড্যাক অ্যাম্প

আগেই আলোচনা করেছি, আপনার স্মার্টফোন বা যেকোনো ডিজিটাল প্লেয়ারে বিল্ডইন ড্যাক সার্কিট লাগানো থাকে, যেটা ডিজিটাল অডিওকে অ্যানালগ অডিওতে কনভার্ট করে স্পীকার/হেডফোনে পাঠিয়ে দেয়। আপনার স্মার্টফোন থেকে শুরু করে ডিভিডি প্লেয়ার, স্মার্ট টিভি, ল্যাপটপ, পোর্টেবল ব্লুটুথ স্পীকার, স্মার্ট স্পীকার —হ্যাঁ, সবকিছুতেই ড্যাক লাগানো রয়েছে। যদি কথা বলা হয় হোম থিয়েটার রিসিভারের তো সেখানে ড্যাক তো রয়েছেই সাথে অ্যামপ্লিফায়ার (সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফাই করে আরোবেশি ভলিউম পাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়) বা অ্যাম্প ও লাগানো থাকে। স্ট্যান্ডার্ড স্পীকার এবং হেডফোন গুলোতে কোন ড্যাক থাকে না, এগুলো স্মার্টফোন বা রিসিভার ড্যাক থেকে সিগন্যাল গ্রহন করে কাজ করে।

আপনার ফোনের বা যেকোনো ডিজিটাল প্লেয়ারের ড্যাক যদি উন্নত না হয় আর সে কারণে যদি আপনি হাই কোয়ালিটি অডিও উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন তো পোর্টেবল ড্যাক অ্যাম্প ডিভাইজ আপনার এই সমস্যাকে দূর করতে পারে। পোর্টেবল ড্যাক অ্যাম্প স্ট্যান্ডার্ড রিসিভার ড্যাক অ্যাম্প থেকে অনেক ছোট আকারের হয়ে থাকে, যেটার সাইজ পেনড্রাইভ কিংবা স্মার্টফোনের সমান হতে পারে। এটি ইউএসবি’র সাহায্যে চলে এবং অসাধারণ কোয়ালিটি অডিও প্রদান করতে সক্ষম। একটিই সমস্যা, সেটা হচ্ছে আপনার স্মার্টফোনের পাশাপাশি আরেকটি আলাদা ডিভাইজ পকেটে করে নিয়ে ঘুরতে হবে। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, এই পোর্টেবল ড্যাক’কে নিয়মিত চার্জ করার কথা মনে রাখা, কেনোনা পোর্টেবল ড্যাকের বিল্ডইন ব্যাটারি থাকে, আর সেটাকে চার্জ করা প্রয়োজনীয়।

যদি আপনি এক্সটার্নাল ড্যাক অ্যাম্প আপনার স্মার্টফোনের সাথে বা ট্যাবলেটের সাথে কানেক্ট করতে চান, সেক্ষেত্রে অডিও জ্যাকে ড্যাক’কে সেট করতে হবে। ড্যাক স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার ফোনের ড্যাক সার্কিট’কে বাইপাস করে নেবে এবং হাই কোয়ালিটি অডিও জেনারেট করবে। আমি হুয়াওয়ে ফোনের বেশ কিছু মডেলে দেখেছি অডিও কোয়ালিটি অনেক ভালো কিন্তু সাউন্ড অনেক লো, এই অবস্থায় পোর্টেবল ড্যাক অ্যাম্প সাউন্ড বাড়াতেও সাহায্য করবে।

আপনার স্মার্টফোন অনেক দাম দিয়ে কিনেছেন, এর মানেই কিন্তু এমনটা নয় যে, এতে হাই কোয়ালিটিরই ড্যাক লাগানো থাকবে। এখন স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানি’রা বিশেষ করে স্ক্রীন সাইজ, ফাস্ট প্রসেসর, বেশি মেমোরি আর স্টোরেজ, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর; ইত্যাদি বিষয়ের উপর বেশি নজর দিচ্ছে। আপনার ফোনটি হতে পারে অনেক পাওয়ারফুল, কিন্তু এতে কোনই নিশ্চয়তা নেই যে এর ড্যাকও অনেক পাওয়ারফুল হবে। এলজি এবং এইচটিসি’র কিছু মডেল স্মার্টফোনে হাই-কোয়ালিটি ড্যাক বিল্ডইন ব্যবহার করা হয়েছে, তো এই ডিভাইজ গুলো হেডফোনে মারাত্মক কোয়ালিটি অডিও দিতে সক্ষম। যদি আপনার ডিভাইজটি দামী হওয়ার পরেও ভালো অডিও কোয়ালিটি না দিতে পারে তো এক্সটার্নাল ড্যাক অপশন তো রয়েছেই। ড্যাক আর অ্যাম্প বেশি কোয়ালিটির অডিও জেনারেট করার জন্য বেশি ইলেকট্রিক পাওয়ারের প্রয়োজনীয়তা পড়ে। স্মার্টফোনের বিল্ডইন ড্যাক সে অনুসারে পাওয়ারফুল হয়না কেনোনা স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানি’রা ফোনে পাওয়ার সেভ করার জন্য বিশেষভাবে ফোনকে ডিজাইন করে। কিন্তু এক্সটার্নাল ড্যাকে আলাদা ব্যাটারি থাকে, বেশি পাওয়ার মানে বেশি সাউন্ড অ্যামপ্লিফাই করার ক্ষমতা!


এখানেও কিন্তু সেম রুল, আপনি যতোই পোর্টেবল ড্যাক অ্যাম্প ব্যবহার করুণ না কেন, অডিও চেইন কিন্তু ঠিক রাখতে হবে। অর্থাৎ অবশ্যই অডিও ফাইল কোয়ালিটি, ক্যাবল, হেডফোন, ড্যাক —সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরেই কেবল হাই কোয়ালিটি অডিও উপভোগ করতে পারবেন। ব্লুটুথ হেডফোনে এক্সটার্নাল ড্যাক কোন কাজের না, কেনোনা অ্যানালগ সিগন্যাল ব্লুটুথের মাধ্যমে সেন্ড করা সম্ভব নয়। তাই ব্লুটুথ স্পীকার বা হেডফোনের ক্ষেত্রে হাই বিটরেটের ফাইলে লো কোয়ালিটি অডিও প্রদান করলে, সেটা ব্লুটুথ হেডফোনেরই সমস্যা।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

ইমেজ ক্রেডিট; Shutterstock

তাহমিদ বোরহান
প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।