বর্তমান তারিখ:13 October, 2019

ব্যাড সেক্টর কি? কেন ব্যাড সেক্টর তৈরি হয়? কিভাবে ফিক্স করবেন?

ব্যাড সেক্টর

ধরুন আপনি কম্পিউটারের সামনে বসে রয়েছেন, আর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ফলে আপনার কম্পিউটার ধপ করে অফ হয়ে গেলো। আপনি অনেকবার হয়তো লক্ষ্য করেছেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরে কম্পিউটার নতুন করে অন করলে উইন্ডোজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিস্কচেক করতে আরম্ভ করে দেয়। এভাবেই ধরুন একদিন ডিস্কচেক করতে গিয়ে আপনার কাছে ম্যাসেজ আসলো, “ব্যাড সেক্টর খুঁজে পাওয়া গেছে!” —এই ব্যাড সেক্টর কি জিনিষ? হার্ড ড্রাইভের এই সমস্যা সম্পর্কে জানার আগে, অবশ্যই আপনার হার্ড ড্রাইভ কিভাবে কাজ করে সেটা জানা প্রয়োজনীয় (আগে আর্টিকেলটি পড়ে নিন)। ব্যাড সেক্টর মূলত হার্ড ডিস্কের সেই ক্ষুদ্রতর অংশ যেটা ত্রুটিপূর্ণ হয়ে আছে এবং ঐ সেক্টর গুলো ডাটা রীড রাইট করার রিকোয়েস্টে কোন রেসপন্স করে না। তবে শুধু হার্ড ড্রাইভেই নয়, এসএসডি‘তেও ব্যাড সেক্টর তৈরি হতে পারে। এই আর্টিকেল থেকে ব্যাড-সেক্টর তৈরি হওয়ার কারণ, এর প্রকারভেদ, এবং এটা কিভাবে ফিক্স করা যায়—সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো…

ব্যাড সেক্টর

আগেই বলেছি, হার্ড ড্রাইভে ব্যাড সেক্টর বলতে সে অংশকে নির্দেশ করা হয়, যেটি ডাটা রীড রাইট করার রিকয়েস্টে কোন রেসপন্স দেয় না। বিভিন্ন কারণে হার্ড ড্রাইভে ব্যাড-সেক্টর তৈরি হতে পারে। হতে পারে হার্ড ড্রাইভটি পড়ে গিয়ে এতে ফিজিক্যাল ড্যামেজ হয়েছে, প্রস্তুতকারী কোম্পানির অপূর্ণতার জন্য, হার্ড ড্রাইভকে বিশাল শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রের আবেশে নিয়ে গেলে, হার্ড ড্রাইভের ভেতর থাকা ডিস্কটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে গেলে, আবার ফ্ল্যাশ মেমোরি সেলে সমস্যা হওয়ার কারণে এসএসডি’তেও ব্যাড-সেক্টর তৈরি হতে পারে।

যাই কিছুই হোক না কেন, ব্যাড সেক্টর প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে—ফিজিক্যাল ব্যাড সেক্টর এবং লজিক্যাল ব্যাড সেক্টর; যেগুলকে আবার “হার্ড” এবং “সফট” ব্যাড সেক্টরও বলা হয়।

ফিজিক্যাল  বা হার্ড ব্যাড সেক্টর—নামটি শুনেই নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, হার্ড ড্রাইভ ফিজিক্যাল ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার ফলে এটি ঘটে থাকে। হার্ড ড্রাইভটি হয়তো পড়ে গিয়ে বিশেষ আঘাত পেয়েছে কিংবা ধুলা প্রবেশ করে সেক্টর গুলোকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। আবার অনেক সময় হার্ড ডিস্কের ভেতর টেকনিক্যাল প্রবলেম থাকার ফলেও ফিজিক্যালি সেক্টর ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে। আবার এসএসডি’র ফ্ল্যাশ মেমোরিতে গণ্ডগোল হয়ে যাওয়ার ফলে সেক্টর ড্যামেজ হয়ে যেতে পারে। যাই হোক, সাধারণত ফিজিক্যাল ড্যামেজ হয়ে যাওয়া সেক্টর গুলোকে রিপেয়ার করা সম্ভব হয় না।

লজিক্যাল বা সফট ব্যাড সেক্টর—যেগুলোকে হার্ড ড্রাইভ নিজে থেকে মনে করে, এটি ঠিকঠাক কাজ করছে না। হয়তো অপারেটিং সিস্টেম হার্ড ড্রাইভকে ঐ সেক্টর থেকে ডাটা রীড রাইট করার কম্যান্ড দেয় এবং ডাটা রীড রাইট করার সময় সফট ড্যামেজ সেক্টর থেকে এরর ম্যাসেজ আসে, ফলে সিস্টেম বুঝতে পারে সেখানে নিশ্চয় কোন সমস্যা রয়েছে, আর ঐ সেক্টর গুলোকে ড্যামেজ সেক্টর হিসেবে চিহ্নিত করে রাখা হয়। এই সেক্টর গুলোকে লো লেভেল ফরম্যাট করে অথবা সেক্টর গুলোকে জিরো দ্বারা ওভার-রাইট করে, এধরনের প্রবলেম সল্ভ করা সম্ভব। উইন্ডোজ ডিস্কচেক টুল আরামে এই সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম।

কিভাবে ব্যাড সেক্টর চিহ্নিত করা হয়?

ডাটা লস থেকে বাঁচার জন্য হার্ড ড্রাইভ নিজে থেকেই অনেক বিষয় চেক করতে থাকে, যেগুলো সম্পর্কে অপারেটিং সিস্টেম কিছুই বুঝতে পারে না। যখন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কারণে কম্পিউটার ধপ করে বন্ধ হয়ে যায় বিশেষ করে সেই সময় সেক্টর বেশি ড্যামেজ হয়। কেনোনা হার্ড ড্রাইভ সব সময়ই কোন না কোন অপারেশন মানে রীড রাইট সম্পূর্ণ করতেই থাকে। কোন সেক্টর রাইট হওয়ার মাঝ পর্যায়ে বিদ্যুৎ আচানক চলে গেলে ঐ সেক্টরে রাইট হওয়া অর্ধেক ডাটা হার্ড ড্রাইভ এরর কারেকশন কোডের সাথে আর ম্যাচ করে না ফলে হার্ড ড্রাইভ ঐ সেক্টরকে ব্যাড সেক্টর বা ড্যামেজ সেক্টর হিসেবে চিহ্নিত করে রাখে।

ড্যামেজ সেক্টর গুলো ততোক্ষণ পর্যন্ত আবার কাজে ফিরে আসতে পারে না, যতক্ষণ না কোন আলাদা অপারেশন যেমন ডাটা রিকভারি বা উইন্ডোজ ডিস্কচেক প্রসেস চালানো হয়। যখন ড্যামেজ সেক্টরটিতে আবার রাইট অপারেশন চালানো হয়, হার্ড ড্রাইভ সেই সেক্টরকে আবার কাজে ফিরিয়ে নিয়ে আসে এবং ড্যামেজ সেক্টরের নাম থেকে বাতিল করে দেয়।

হার্ড ড্রাইভ ফেইল

সত্যি বলতে হার্ড ড্রাইভের কোনই ভরসা নেই, এটি চলতে চলতেও ফেইল হতে পারে আবার না চালিয়ে সিন্দুকে ঢুকিয়ে রাখলেও ফেইল হতে পারে। ব্যাড সেক্টর থাকার পরেও হয়তো আপনার হার্ড ড্রাইভ ঠিকঠাক কাজ করবে, কিন্তু হতে পারে ড্যামেজ সেক্টর গুলো থাকার ফলে আপনার কোন কোন ফাইল করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে। যদি এই ড্যামেজ ফিজিক্যাল হয়ে থাকে তবে রিপেয়ার করা সম্ভব হবে না, যদি ড্যামেজ লজিক্যাল হয়, তবে ডাটা রিকভার করার মাধ্যমে ফাইল ফেরত পেতে পারেন, সাথে ডিস্কচেক রান করানোর ফলে সফট ড্যামেজ সেক্টর রিপেয়ার করানোও সম্ভব হবে। যেহেতু হার্ড ড্রাইভে ডাটা রেখে ভরসা করতে পারবেন না, তাই অবশ্যই আপনার প্রয়োজনীয় ডাটা গুলোকে নিয়মিত ব্যাকআপ করে রাখুন, এবং যদি সম্ভব হয় একসাথে অনেক গুলো ব্যাকআপ কপি বানিয়ে রাখুন। হিউজ ডাটার জন্য এলটিও ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারেন, এতে ডাটা আরো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেইল হওয়া ছাড়া সংরক্ষন করতে পারবেন।

যখন আপনার কম্পিউটার কোন ব্যাড সেক্টর খুঁজে পায়, সেটাকে মার্ক করে রাখে এবং ঐ সেক্টরকে আর ভবিষ্যতে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকে। আপনাকে ঐ ড্যামেজ সেক্টর পুনরায় বরাদ্দ করার প্রয়োজন পড়বে, না হলে এই সেক্টরের ডাটা হার্ড ড্রাইভ অন্যত্র স্টোর করবে। কিছু কিছু ড্যামেজ সেক্টর হার্ড ড্রাইভ ডিটেক্ট করতে পারে না, ফলে হার্ড ড্রাইভ ফেইল হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়। যদি আপনি দেখেন, আপনার হার্ড ড্রাইভ প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ড্যামেজ সেক্টর ডিটেক্ট করছে, তো বুঝে নেবেন হার্ড ড্রাইভটি সম্পূর্ণ ফেইল হওয়ার অবস্থায় চলে এসেছে।

কিভাবে ড্যামেজ সেক্টর চেক এবং রিপেয়ার করবো?

আপনি যদি উইন্ডোজ কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন, সেখানে বিল্ডইন ভাবে ডিস্কচেক অপশন রয়েছে, যেটা “chkdsk” নামে পরিচিত—এটি সহজেই ড্যামেজ সেক্টর গুলোকে খুঁজে বেড় করতে পারে, সফট ড্যামেজ সেক্টর গুলোকে রিপেয়ার করতে পারে এবং এগুলকে আবার ব্যবহার করার উপযোগী করে তুলতে পারে। যদি আপনার উইন্ডোজ মনে করে, আপনার হার্ড ড্রাইভে কোন সমস্যা দেখা দিয়েছে, তো উইন্ডোজ স্টার্ট হওয়ার সময় এই টুলটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রান করিয়ে দেয়। আলাদা অপারেটিং সিস্টেম যেমন লিনাক্স ডিস্ট্র, ম্যাক ওএস ইত্যাদিতে এদের নিজস্ব ডিস্ক চেক টুল রয়েছে। আমার মতে এই ব্লগে উইন্ডোজ ইউজারই বেশি, যদি কেউ ম্যাক বা লিনাক্স ব্যবহার করে ডিস্কচেক না করতে পারেন, আমাকে নিচে কমেন্ট করুন, আমি পদ্ধতি গুলো সেখানে শিখিয়ে দেবো।

হার্ড ডিস্কচেক



WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

শুধু উইন্ডোজের ডিফল্ট টুল নয়, সাথে আরো অনেক তৃতীয় পক্ষ সফটওয়্যার SpinRite, অনেক ভালো কাজ করে। ড্যামেজ সেক্টর হার্ড ডিস্কের এক জন্মগত সমস্যা, এটা ঘটবেই। তাই অবশ্যই আপনার সকল ডাটা গুলোকে ব্যাকআপ করে রাখা প্রয়োজনীয়। আর আমি আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করে থাকলাম আপনাদের কমেন্ট গুলো পড়ার জন্য, আমি সত্যিই জানতে চাই আপনাদের কারো ড্যামেজ সেক্টর প্রবলেম ঘটেছে কিনা! আপনি কিভাবে সেটাকে চেক করেছিলেন এবং ফিক্স করেছিলেন! —নিচে আমাদের কমেন্ট করে সবকিছু জানান।

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

9 Comments

  1. tipu Reply

    অনেক ভাল লাগল!!!
    আমার একটি সমস্যা হল

    আমার একটা এক টি. বি
    হার্ড ডিস্ক নতুন করে
    দুইটা ড্রাইভে পার্টিশন
    করে ভাগ করলাম। প্রথম
    ড্রাইভে অর্ধেক ডাটা
    কপি করে পুর্ন করলে
    পিসি স্লো হয়ে যায়।
    আমি chkdsk :কমান্ড
    প্রয়োগ করলে বেড সেক্টরের ফাইল গুলু
    রিমুভ হয় কিন্তু ডিস্কের
    ওই সেক্টরে কপি করলে
    আবার স্লো হয়ে যায়।
    যেহেতু ফিজিক্যাল
    বেডসেক্টর ঠিক হয়না,
    তাই আমি চাচ্ছি যতটুকু
    জায়গায় বেডসেক্টর
    পরেছে ঠিক এতটুকু ব্লক
    বা বাদদিয়ে বাকি টুকু
    ব্যবহারের উপযোগী
    করতে।। এখন আমি কি করতে পারি জানাবেন কি?
    ধন্যবাদ আপনাকে।।।।।

    1. তাহমিদ বোরহান Post author Reply

      আপনি ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট অপারেশন রান করিয়ে দেখুন, এতে ব্যাড সেক্টর গুলোকে বাতিল রেখে কাজ করা সম্ভব হবে।
      ~ধন্যবাদ 🙂

  2. ইনাম হক Reply

    আস্সালামু আলাইকুম, তাহমিদ ভাই!

    আপনার টিউনগুলো যে অনেক উপকারী, তা আর দ্বিতীয়বার বলা লাগবে নাহ্।
    যুগযুগ বাঁচুন, এই কামনাই করি। যাইহোক, আমি একটি সমস্যায় পড়েছি। বিশ্বাস যে, উপযুক্ত সমাধান পাবো।

    :: আমি তোশিবা’র 1টিবি হার্ডডিস্ক ব্যাবহার করি।
    ইদানিং খেয়াল করেছি মাঝে মাঝে মাউস কমান্ড রেসপন্স কিছুটা কম হয়ে যায়।
    কিছু মনে করিনি।

    :: কিন্তু কয়েকদিন আগে খেয়াল করলাম যে, পিসি সাটডাউন কমান্ড দিলে হার্ডডিস্ক থেকে একটি খট্ করে শব্দ হয়ে বন্ধ হয়, সে রকম শব্দ পিসি চলাকালীন বারবার হচ্ছে এবং মনে হচ্ছে হার্ডডিস্কের সিডি টা বন্ধ হয়ে আবার বারবার চালু হচ্ছে। (যেহেতু সিডিটা ঘোরার কারণে একটি শোঁশোঁ শব্দ হয়।) এবং পিসি রেসপন্স কম দিচ্ছে। তাই আমি কেচিং খুলে পাওয়ার এবং এম বোর্ডের কানেকশন চেক করে লাগালাম। একদিন ভালো ছিলো।

    :: কিন্তু আজকে আবার একই রকম ডিস্ক রিস্টার্ট এর শব্দ হওয়ায় সম্পূর্ণ পিসির কানেকশন খুলে ব্রাশ দিয়ে ওয়াশ করে, মুছে আবার কানেশন দিয়ে পিসি চালু করি এবং ডিস্ক চেক টুল থেকে এনালাইজ করি এবং সি ড্রাইভে 11% fragmented মেসেজ পাই। ফলে সি ড্রাইভ অপটিমাইজ করি। কোন ডিস্ক এরোর পাইনি। কিন্তু 1 পারসেন্ট এখনোও ফ্রাগমেন্টেড দেখাচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ডিস্ক রিস্টার্স নেয়নি।

    :: এক বড়ভাইয়ের সাথে ফোনে কথা বললাম, তিনি প্রয়োজনীয় ফাইল ব্যাকআপ নিতে বললেন, কারণ হার্ডড্রাইভ নাকি যেকোন সময় ক্রাশ হতে পারে। আমার ধারণা এটি পাওয়ার সাপ্লাইয়ের কারণে হতে পারে (নরমাল পাওয়ার সাপ্লাই)।

    :: আর হ্যাঁ, আরেকটা সমস্যা হলো- ডিসপ্লে মাঝে মাঝে কেঁপে উঠছে (অনেকটা আগে এন্টেনা দিয়ে টিভি চলাকালীন আকাশে বিদ্যুৎ চমকালে টিভির পর্দা যেমন কেঁপে উঠতো, সে রকম।) এটাকি পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সমস্যা নাকি আমার বাসার ওয়ারিং প্রোবলেম হতে পারে?
    .
    জানালে কৃতার্থ হতাম।

    ধন্যবাদ ভাই!!!
    (বি:দ্র: আমার বিবরণ যদি বুঝতে অসুবিধা হয় এবং আপনার যদি কোন আপত্তি না থাকে তাহলে আমাকে ইমেইলে আপনার নাম্বারটা ইনবক্স করবেন)

  3. Farhad Hossain Saju Reply

    ধন্যবাদ ভাই,
    অনেক মূল্যবান বিষয় উপস্থাপন করেছেন। আমার হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে প্রবলেম হয়েছিল, আমি থার্ড পার্টি সফ্‌ট দিয়ে এর সমাধান করেছিলাম। সফ্‌ট এর নাম mini tool

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *