ইন্টারনেটনিরাপত্তাব্রাউজার

টর নেটওয়ার্ক | অনলাইন গোপনীয়তা রক্ষা করবে পেঁয়াজ?

14
টর নেটওয়ার্ক টর ব্রাউজার

আপনি কি কখনো ভেবেছিলেন, অনলাইনে নিজেকে গোপন রাখার সবচাইতে উত্তম উপায় কোন পেঁয়াজের পেছনে লুকিয়ে পড়া? দ্যা অনিয়ন রাউটার (The Onion Router); পেঁয়াজের লোগো দ্বারা পরিচিত একটি প্রোজেক্ট —যা আপনাকে অনলাইনে লুকিয়ে রাখতে সাহায্য করে আর এটি টর নেটওয়ার্ক নামে বিশদভাবে পরিচিত। আপনারা সবাই পেঁয়াজের গঠন তো নিশ্চয় জানেন, একটি পেঁয়াজের অনেক গুলো কভার থাকে এবং একটি কভার খুললে আরেকটি কভার, আরেকটি খুললে আরেকটি, এভাবে আসতেই থাকে। টর অনেকটা এই ধারণা অনুসরন করেই অনলাইনে আপনার পরিচয় গোপন রাখতে সাহায্য করে। বিশ্ব জুড়ে বহু সাইবার ক্রিমিন্যাল, কম্পিউটার গুরু, এমনকি অনেক সাধারন ইউজার গভর্নমেন্ট, অনলাইন বিজ্ঞাপন, পার্সোনাল ডাটা গুলোর দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে টর ব্যবহার করে। তো এটি কীভাবে আপনাকে অনলাইনে গোপন রাখতে সাহায্য করে, আপনার জন্য কতটা উপযোগী —চলুন সবকিছুর সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক…

টর নেটওয়ার্ক

টর নেটওয়ার্ক

ডীপ ওয়েব এবং ডার্ক ওয়েব নিয়ে আলোচিত একটি আর্টিকেলে আমি টর (TOR) শব্দটি উচ্চারন করেছিলাম; এই বিষয়টিকে আরো গভীরভাবে আলোকপাত করার জন্যই আজকের এই আর্টিকেল। প্রাথমিকভাবে টর নেটওয়ার্ক একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক সার্ভার; যা ইউএস নেভি দ্বারা উন্নয়নকৃত এবং বিশ্বব্যাপি ইউজারদের অনলাইনে তাদের পরিচয়  লুকিয়ে রাখার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছিলো। টর প্রোজেক্ট মূলত একটি অলাভজনক সংগঠন; যারা অনলাইন গোপনীয়তা টুল তৈরি করাকে গবেষণার মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখে।

টর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার জন্য মূলত একটি ব্রাউজারের দরকার হয়, যার নাম টর ব্রাউজার। টর ব্রাউজার ফায়ারফক্স ব্রাউজারের উপর মডিফাই করা একটি ব্রাউজার, যেটা টর প্রজেক্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডাউনলোড করা সম্ভব। ব্রাউজারটি জাস্ট আপনার সিস্টেমে ইন্সটল করার মাধ্যমেই আপনি এই নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্টেড হয়ে পড়তে পারবেন, কোন আলাদা সেটিংস ঠিক করার প্রয়োজনীয়তা পড়বে না।

টর নেটওয়ার্কে আপনার অনলাইন পরিচয়কে ছদ্মবেশে বিভিন্ন টর সার্ভার দিয়ে এনক্রিপশন করিয়ে তারপরে সেই ট্র্যাফিককে নির্দিষ্ট স্থানে পাঠানো হয়; ফলে আপনার পরিচয় ট্র্যাক করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। আজকের যেকোনো সাধারন ব্রাউজারে ইনকগনিটো মুড বলে একটি ফিচার থাকে, আমরা মনে করি এটি ওপেন করে নেট সার্ফ করলে আমাদের পরিচয় গোপন থাকবে, আসলে এটি ঠিক না। এতে শুধু ব্রাউজারে আপনার ব্রাউজিং হিস্টরি সেভ হবে না, কিন্তু আপনার আইএসপি সবকিছু জানতে পারবে আপনি কোথায়, কখন এবং কি ভিজিট করছেন অনলাইনে।

টর কীভাবে কাজ করে?

টর ব্রাউজারসাধারনত আমরা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য কি করি; যেকোনো পছন্দের ব্রাউজার ওপেন করে অ্যাড্রেস লিখে ঢুকে পড়ি। এরপরে আপনার রিকোয়েস্টটি আপনার কম্পিউটার থেকে আপনার আইএসপির কম্পিউটারে গিয়ে পৌঁছায় এবং আপনার আইএসপি আপনার রিকোয়েস্ট করা ওয়েব সার্ভারের কাছে পেজ চেয়ে অনুরোধ করে; একবার পেজটি পাওয়া গেলে সেটাকে আপনার কম্পিউটার পর্যন্ত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এখানে কিছু ফ্যাক্ট লক্ষ্য করুন; আপনি কোন সাইট ভিজিট করতে চাচ্ছেন সেটা সর্বদা আপনার আইএসপি জানছে আবার আপনি যে সাইট ভিজিট করছেন সেই সাইটও আপনার কম্পিউটার এবং আপনার আইএসপি সম্পর্কে জেনে যাচ্ছে। কেনোনা আপনার ভিজিট করা সাইটের কাছে আপনার আইপি অ্যাড্রেস চলে যাচ্ছে। তো এভাবেই অনলাইনে আমাদের পরিচয় খোলাসা হয়ে যায়, এবং আমরা কি একটিভিটি দেখাচ্চি সেটাও লুকিয়ে থাকে না। শুধু এটুকুতেই কিন্তু শেষ নয়, আপনি যে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করছেন হতে পারে সে ওয়েবসাইটটি আপনার প্রত্যেকটি ইন্টারনেট কর্মকাণ্ড ট্র্যাক করার জন্য আপনার ব্রাউজারে কোন কুকিজ ছেঁড়ে দেয়।

কোন কোন সাইট আপনার সেবার মান উন্নয়ন করতে আমার কোন সাইট আপনাকে উপযুক্ত বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্যও কুকিজ প্ল্যান্ট করে থাকে; যেমন- গুগল বা ফেসবুক সবাই বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য কুকিজ বাবহা করে। কিন্তু কিছু সাইট আবার আপনার সকল ডাটা চুরি করার জন্য আপনার ব্রাউজারে কুকিজ বসিয়ে দিতে পারে। তো বুঝতেই পারছেন ইন্টারনেটে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য গুলো কতোটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে।

এই অসুবিধা গুলো থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং বিশেষ করে আপনাকে অনলাইন প্রাইভেসি প্রদান করার জন্য টর ব্রাউজার টর নেটওয়ার্ক এর সাহায্যে কাজ করে থাকে। যখন আপনি টর ব্রাউজারে কোন অ্যাড্রেস লিখেন সেখানে প্রবেশ করার জন্য; ব্রাউজার আপনার ট্র্যাফিককে তৎক্ষণাৎ এনক্রিপটেড করে দেয় এবং সেই ট্র্যাফিককে সরাসরি ওয়েব সার্ভারের কাছে না পৌছিয়ে বিভিন্ন টর সার্ভারের মধ্যদিয়ে নিয়ে যায়। ধরুন আপনি বাংলাদেশ থেকে টর ব্যবহার করে ওয়্যারবিডি ভিজিট করতে চাচ্ছেন, প্রথমে আপনার ট্র্যাফিককে এনক্রিপটেড করা হবে যাতে কেউ আপনার রিকোয়েস্ট পড়তে না পারে, তারপরে প্রথমে ধরুন অ্যামেরিকার সার্ভারে চলে যাবে সেখান থেকে ব্রাজিলের সার্ভারে যাবে, আবার ইন্ডিয়ান সার্ভার থেকে রাশিয়ান সার্ভার হয়ে তবেই নির্দিষ্ট ওয়েব সার্ভারের কাছে রিকোয়েস্টটি পৌঁছাবে। তো পদ্ধতিতে ঠিক কোন স্থান থেকে রিকোয়েস্টটি এসেছিলো সেটা ডিটেক্ট করা একেবারে অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

তবে এখানেও কিছু ফ্যাক্ট রয়েছে যেগুলো আপনার জানা প্রয়োজনীয়; সাধারন ইন্টারনেট ট্র্যাফিক এসএসএল সার্টিফিকেট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট এবং আপনার কম্পিউটারের মধ্যের ইন্টারনেট ট্র্যাফিককে এনক্রিপটেড করে রাখে। টর ব্রাউজারে প্রথমে আপনার ইন্টারনেট ট্র্যাফিককে এনক্রিপটেড করা হয় এবং সকল সার্ভারে এই ডাটাকে এনক্রিপ্ট করেই ট্র্যান্সমিট করানো হয়, কিন্তু ফাইনাল সার্ভার থেকে মানে যে সার্ভার থেকে ডাটাকে ফাইনালি টার্গেট ওয়েব সার্ভারের কাছে পাঠানো হয় সেখানে ডাটাকে ডিক্রিপ্ট করা হয় যদি ওয়েবসাইটটি এসএসএল ব্যবহার না করে (https)। আর ডিক্রিপ্টেড হওয়া নর্মাল ডাটা আপনার প্রাইভেসির জন্য ঝুঁকি পূর্ণ হতে পারে। তাই টর ব্যবহার করলেও আপনি যদি https সাইট ভিজিট করেন শুধু তবেই আপনার ডাটা এন্ড টু এন্ড এনক্রিপটেড থাকবে।

আবার আরেকটি বিষয়, টর কিন্তু আপনার সম্পূর্ণ কম্পিউটারের ইন্টারনেট ট্র্যাফিককে টর নেটওয়ার্ক এর আওতায় নিয়ে আসে না। কেবল সে ট্র্যাফিক গুলো লুকায়িত থাকতে পারে যেগুলো শুধু টর ব্রাউজার দিয়ে ভিজিট করা হয়। এখন ধরুন আপনার উইন্ডোজ ব্যাকগ্রাউন্ড আপডেট নিচ্ছে কিংবা আপনার ইন্সটল থাকা যেকোনো সফটওয়্যার তার সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করছে, এক্ষেত্রে টর কোন কাজে আসবে না আর এই ট্র্যাফিক গুলো আপনার আইএসপি রীড করতে পারবে। তবে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করে আপনার সম্পূর্ণ কম্পিউটার ট্র্যাফিককে প্রাইভেট সার্ভারের মাধ্যম দিয়ে পরিচালনা করতে পারেন এমনকি আপনার আইএসপির চোখে ধুলো দিয়ে।

টর কি আপনার জন্য?

যদি আপনি অনলাইনে লুকিয়ে থাকতে চান, মানে আপনার অনলাইন পরিচয়কে লুকিয়ে রাখতে চান তবে, হ্যাঁ, এটি করার জন্য টর নেটওয়ার্ক সবচাইতে সহজ এবং ভরসা যোগ্য ব্যবস্থা। ভিপিএন ব্যবহার করে এই কাজ করা গেলেও, ভিপিএন সাধারনত এই সার্ভিস দেওয়ার জন্য চার্জ করে থাকে কিন্তু টর ব্রাউজার সকলের জন্য ফ্রী। যদি আপনার প্রাইভেসি নিয়ে আপনি খুব সচেতন হোন কিংবা আপনার অনলাইন একটিভিটি সকলের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে চান তবে অবশ্যই টর আপনাকে অনেক সাহায্য করতে পারে। অনেক হ্যাকার রা গভর্নমেন্ট থেকে বাঁচার জন্য টর ব্রাউজার ব্যবহার করে।

এক কথায় বলতে এই ব্রাউজার সকলের জন্য; যারা অনলাইন অ্যাড, আইএসপি, ওয়েবসাইট থেকে নিজেকে ট্র্যাক করা থেকে বিরত রাখতে চান। হতে পারে আপনি একজন পুলিশ অফিসার এবং আপনি কিছু গবেষণা করছেন, সেক্ষেত্রে আপনার গবেষণাকে গোপন রাখার জন্য টর ব্যবহার করা যেতে পারে। আবার আপনার দেশে কোন ওয়েবসাইট ব্লক করা থাকলে সেটাকে আনব্লক করার জন্য টর ব্রাউজার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় টর ব্যবহার করে আপনার ডাটা গুলোকে নিরাপদ করতে পারেন।

টর নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুধু যে অনলাইনে নিজের পরিচয় লুকানো যায় সেটা কিন্তু নয়। এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সম্পূর্ণ লুকায়িতভাবে কোন ওয়েবসাইট হোস্ট করাও সম্ভব; আর এই সাইট গুলো শুধু টর ইউজাররাই ভিজিট করতে পারে, সাধারন ইন্টারনেট বা ইন্টারনেট ব্রাউজার থেকে এই সাইট গুলো অ্যাক্সেস করা সম্ভব নয়। আর এই সাইট গুলোতে সকল প্রকারের ক্রাইম সংঘটিত হয়ে থাকে, অবৈধ ড্র্যাগ কেনা বেচা, বিভিন্ন হাতিয়ার কেনা বেচা থেকে শুরু করে বিভিন্ন আতঙ্কবাদীর ওয়েবসাইট এই লুকায়িত ওয়েব সার্ফেসে পাওয়া যায়। আর আমি আপনাকে টর ব্যবহার করে কখনোই এই সকল সাইট অ্যাক্সেস করার রেকমেন্ড করি না, এতে আপনি বিপদে পড়তে পারেন। শুধু বিষয় গুলো জানানোর খ্যাতিরে এখানে শেয়ার করলাম।

কোন কাজের জন্য টর নয়?

টর নেটওয়ার্কটর নেটওয়ার্ক এবং টর ব্রাউজার ব্যবহার করা অনেক সহজ এবং সাধারন কাজের জন্য এটি অনেক উপকারী কিন্তু এটা মনে করবেন না আপনি টর ব্যবহার করছেন তো আপনি সম্পূর্ণ নিরাপদ। লুকিয়ে থাকা আর নিরাপদ থাকা এই দুইটি সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার। টর ব্যবহার করে আপনি যদি কোন ক্রাইম করার চিন্তা করেন অথবা আপনার পেছনে যদি গভর্নমেন্ট লেগে থাকে, তারা কিছু প্রপার ওয়ার্কের মাধ্যমে সহজেই আপনাকে খুঁজে বেড় করতে পারবে। টর নেটওয়ার্ক কে হ্যাক করার চাইতে আপনার ব্রাউজারকে হ্যাক করা বেশি সহজ কাজ। আপনি টার্গেটেড ইউজার হলে, গভর্নমেন্ট না এনএসএ আপনার ব্রাউজারকে হ্যাক করে নেবে, আর এর ফলে আপনার সমস্ত কিছুর উপর তারা অ্যাক্সেস নিতে পারবে। তাই অবৈধ কাজ করার আগে ১০০ বার ভাবুন। আবার ধরুন আপনি টর ব্যবহার করে কোন ওয়েবসাইট ফর্মে আপনার নাম ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য প্রবেশ করালেন, এক্ষেত্রে আপনার নিজের প্রাইভেসি আপনি নিজেই নষ্ট করলেন। কোন সাইটে আপনি নিজে কোন তথ্য প্রবেশ করালে আপনি নিরাপদ থাকতে পারবেন না, সে সাইট তো জেনেই গেলো আপনি কে, তাই না?

আবার আপনি যদি টর ব্যবহার করে কোন বড় ফাইল ডাউনলোড করার কথা চিন্তা করেন, ভুলে যান, টর আপনার ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ স্পীড অনেক স্ল্যো করে ফেলবে। এক্ষেত্রে ভিপিএন আপনার জন্য বেস্ট হবে।

শেষ কথা

একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা আপনার মাথায় রাখা উচিৎ; কোন সিস্টেমই আপনাকে ১০০% গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না, সেখানে আপনি টর নেটওয়ার্ক, ভিপিএন, প্রক্সি আর যাই ব্যবহার করুন না কেন। আপনি বেসিক কাজের জন্য যেকোনো একটি সিস্টেম ব্যবহার করুন এবং নিজের বুদ্ধি লাগিয়ে ভাবুন আপনার কি করা উচিৎ এবং কি নয়, এতে আপনার ৫০% নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়ে যাবে। আর বাকিটা সিস্টেম করে দেবে। ইন্টারনেটে কখনোই ক্রাইম করার চেষ্টা করবেন না।

তো আপনি কি কখনো টর ব্রাউজার ব্যবহার করেছেন? আপনার কোনটি পছন্দ, ভিপিএন নাকি টর? আমাদের সবকিছু নিচে কমেন্ট করে জানান।

তাহমিদ বোরহান
প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

বিভিন্ন কম্পিউটার মনিটর প্যানেল | টিএন, আইপিএস, ভিএ, ওলেড

Previous article

অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কি আপনার কম্পিউটার চালানো সম্ভব?

Next article

You may also like

14 Comments

  1. টর নিয়ে অসাধারণ একটি পোস্ট। অনেক কিছু জানলাম। ২০১৩ দিকে একবার ইউজ করার চেস্টা করেছিলাম কিন্তু কচ্ছপ গতির জন্য বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছি…

  2. Abar ekti osadharon post!! ❤❤❤❤❤❤❤❤

    Ami Firefox use kori….IE11 ta ki bhalo? & Windows 7 Ultimate e ki SP1 install korar dorkar ache? Aar Windows 7 Ultimate na Pro konta bhalo? Windows 8.1 Pro kemon? Windows 10 use korechi…sotti kotha bhalo lageni….OS create niye ekti post korben pls….❤❤❤❤❤❤❤❤❤❤

    1. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার একেবারেই বেকার জিনিষ! আর আপনার যদি উইন্ডোজ ১০ ভালো না লাগে তবে ৮.১ আরো ভালো লাগবে না। নিচের চার্টে উইন্ডোজ ৭ প্রো এবং অ্যাল্টিমেট ভার্সনের পার্থক্য দেখে নিন।

      windows 7

      ওএস তৈরি করা নিয়ে পোষ্ট লেখার চেষ্টা করবো 🙂

  3. ??????????????????????????????????????
    (ღ˘⌣˘ღ)

  4. অসাধারণ পোষ্ট!!!!! টর নেটওয়ার্ক সম্পর্কে অনেক কিছু জানানোর জন্য ধন্যবাদ । ভাই আপনি কোন OS ব্যাবহার করেন???

    1. ভাই আমি উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করি 🙂

  5. পরিষ্কার হওয়া গেলো………… আপনি কোন ফ্রী VPN রেকমেন্ড করবেন?

    1. কোন ফ্রী ভিপিএন ব্যবহার না করায় ভালো!

  6. অসাধারণ পোষ্ট বস
    অমর ২১শের শুভেচ্ছা
    টেকহাবসের সাথে বাংলায় প্রযুক্তি আরো এগিয়ে যাক এই শুভ কামনা
    বাংলায় প্রযুক্তিকে এত সহজ করে পেয়ে আমরা গর্বিত

    ধন্যবাদ ভাই। আপনার অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য আজ এত মূল্যবান একটি সাইট আমরা পেয়েছি। নিজের ভাষায় আপনার পোষ্ট গুলো না পেলে হয়তো এত কিছু কখনোয় জানা হত না।

    1. আপনাকেও ২১শের শুভেচ্ছা!!!

      আপনার মতামত প্রকাশের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ 🙂 এভাবেই আপনার ভালোবাসা টেকহাবসের প্রতি বজায় রাখুন, ধন্যবাদ 🙂

  7. TOR just best for access darkweb.

  8. অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। ভিপিএন নিয়ে একটি পোষ্ট লিখেন। সবকিছু নিয়েই পোষ্ট রয়েছে কিন্তু ভিপিএন নিয়ে লিখতে বাদ গেছে 😀

    1. লেখার চেষ্টা করবো ভাই 🙂

  9. ধন্যবাদ বসস, সুন্দর করে উপস্থপনা করার জন্য।

    জ্বী আমি গতকাল ও টর ব্রাউজার ব্যবহার করেছি, এবং কিছু ডার্ক ওয়েব ভিজিট করেছি।

    আমার দুটাই প্রছন্দ টর ব্রাউজার এবং ভিপিএন।

    আমি আমাকে অনলাইনে লুকিয়ে রাখতে সম্পন্ন ভাবে আলদা ১টা Android মোবাইল ব্যবহার করে থাকি! এবং সেখানা IMEI থেকে শুরু করে যাবতীয় তথ্য Random করে রেখেছি।

    আমি আমাকে আরো বেশি লুকিয়ে রাখতে যদি অন্য একটা Method ব্যবহার করি!
    দরুন আমার ২টা Android মোবাইল A এবং B,
    এখন ব্যপারটা হলো এমন, A মোবাইলে IMEI থেকে শুরু করে যাবতীয় তথ্য Random করে এবং Data Connection করে একটা ভিপিএন এর সাথে কানেক্ট হই, এবং B মোবাইলে WiFi সেয়ার করে যদি IMEI থেকে শুরু করে যাবতীয় তথ্য Random করে তারপর টর ব্রাউজার ব্যবহার করি, তাহলে কি আমি আরো বেশি লুকিয়ে থাকতে পারবো!??

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *