গুগল প্রোজেক্ট ফাই | গুগল হবে আপনার সেলফোন নেটওয়ার্ক?

গুগল প্রোজেক্ট ফাই

আজকের দিনে সেলফোন নেটওয়ার্ক কোম্পানি গুলো আমাদের সত্যিই অনেক নিরাশ করছে। যেখানে প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটছে দিনের পর দিন সেখানে সেলফোন নেটওয়ার্ক অপারেটররা মনে হয় পেছনেই চলে যাচ্ছে। আমি অন্য দেশ গুলোর কথা বলবো না, আমাদের বাংলাদেশে মোবাইল অপারেটরদের যা অবস্থা তা সত্যিই হতসা জনক। মোবাইল অপারেটরের সবচাইতে বড় সমস্যা হলো এরা কোন আনলিমিটেড প্ল্যান প্রদান করে না। কলরেট তো দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে, অন্য অপারেটর তো দূরের কথা এরা নিজের অপারেটরের কলরেটই কমাতে পারেনা। টিভিতে বড় বড় অ্যাড দেখায় কিন্তু প্রত্যেক অফারের সাথে সর্ত প্রযোজ্য থাকে। বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করলে মাত্র কয়েক জিবির পরেই ফেয়ার ইউজ পলিসি (ব্যান্ডউইথ স্পীড কমে ১২৮ কিলোবিট/সেকেন্ড হয়ে যায়) যুক্ত করে। এই অবস্থায় আমাদের সত্যিই কিছু করার নেই, আমরা শুধু চোখ মুখ বন্ধ করে জুলুম সহ্য করে চলেছি। আর সেই অপারেটরকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি যাদের বেশি নেটওয়ার্ক কভারেজ রয়েছে। কিন্তু আপনি জানেন কি, গুগলকে বর্তমানে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর হিসেবে ব্যবহার করা যায়? যদিও এই সেবা এখনো পর্যন্ত শুধু মাত্র ইউএস এর জন্য, তবে এতে সত্যিই এমন কিছু ইউনিক ফিচার রয়েছে যা আমাদের জানা প্রয়োজন। হতে পারে গুগল এই প্রজেক্টে সফল হওয়ার পরে আমাদের দেশেও চলে আসবে, আর যদি তা হয় তবে সব অপারেটরের ছুট্টি হয়ে যাবে। তো চলুন গুগলের নিজস্ব সেল সার্ভিস গুগল প্রোজেক্ট ফাই সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসি। আপনি যদি এই প্রোজেক্ট সম্পর্কে আগেই জেনে থাকেন, আমি বলবো তারপরেও এই আর্টিকেলটি পড়ুন, হতে পারে আপনাকে চমৎকার কিছু তথ্য সরবরাহ করতে পারবো।

গুগল প্রোজেক্ট ফাই

গুগল প্রোজেক্ট ফাই তে কিছু এমন ইউনিক ফিচার রয়েছে যা সত্যিই আপনাকে আকর্ষিত করতে পারে। আর্টিকেলের সামনে এগোনোর পূর্বে বলে রাখি এই প্রোজেক্ট হতে পারে সকলের জন্য পারফেক্ট নয়, তবে এর ফ্যাক্ট গুলো সম্পর্কে জানার অবশ্যই মূল্য রয়েছে। প্রোজেক্ট ফাই একনজরে দেখতে গেলে একটি সেলফোন নেটওয়ার্ক সার্ভিস, কিন্তু সত্যিকার অর্থে এটি একত্রে অনেক গুলো সেলফোনের নেটওয়ার্ক কালেকশন। প্রোজেক্ট ফাই বর্তমানে একসাথে তিনটি নেটওয়ার্ক কোম্পানির সাথে চুক্তি বদ্ধ হয়ে এবং ওয়াইফাই হটস্পট ব্যবহার করে এদের সেল সার্ভিস নিশ্চিত করছে। আপনি যে এরিয়াতে সেলফোন ব্যবহার করবেন সেই এরিয়া অনুসারে আপনার সেলফোন সিগন্যাল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেস্ট নেটওয়ার্কে সুইচ করবে।

চলুন ব্যাপারটি একটি সহজ করে বুঝিয়ে বলি। দেখুন সাধারন সেলফোন নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে কি ঘটে-আপনি যে সার্ভিস প্রভাইডারকে ব্যবহার করেন বা যার থেকে সেবা গ্রহন করেন আপনার সেলফোন আপনার অবস্থান থেকে সর্বদা ঐ সার্ভিস প্রভাইডারের নেটওয়ার্কের সাথেই যুক্ত হয়ে কাজ করে। ধরুন আপনি সেল অপারেটর হিসেবে গ্রামীনফোন ব্যবহার করছেন, তাহলে আপনি শুধু গ্রামীনফোনের নেটওয়ার্ক বা সেল টাওয়ার থেকে সিগন্যাল নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এখন হতে পারে আপনি এমন কোন জায়গায় এসে পড়েছেন যেখানে গ্রামীনফোনের সেল সিগন্যাল অনেক লো বা একদমই নেই কিন্ত রবির সিগন্যাল রয়েছে। এখন আপনি যদি গুগল প্রোজেক্ট ফাই এর সাবস্ক্রাইবার হয়ে থাকেন তবে সেই স্থানে গ্রামীনফোন নেটওয়ার্ক থেকে সুইচ করে রবির সেল সিগন্যাল ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে নিতে পারবেন। ফলে আপনার নেটওয়ার্ক সিগন্যাল সংক্রান্ত সমস্যা কখনোই ঘটবে না।

গুগল বর্তমানে ইউএস এর তিনটি মোবাইল অপারেটরের সাথে যুক্ত হয়েছে- স্প্রিন্ট, টি-মোবাইল, এবং ইউএস সেল্যুলার। তো যেকোনো সময় যেখানে আপনার ফোন যে অপারেটরের সেল সিগন্যালকে শক্তিশালী হিসেবে ধরবে সেটাতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুইচ করবে। শুধু নেটওয়ার্ক নয়, এটি স্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে আপনাকে হাই স্পীড ইন্টারনেট সর্বদা প্রদান করার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত হবে। তবে এখানে চিন্তা করার কিছু নেই, গুগল আপনাকে যেমন তেমন ওয়াইফাই হটস্পট নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্ট করবে না। আপনি শুধু ট্রাস্টেড ওয়াইফাই এর সাথে কানেক্ট হবেন এবং আপনার কানেকশনটি ইনক্রিপশন করা থাকবে, যাতে আপনার ডাটা গুলো কেউ রীড করতে না পারে। তাছাড়া আপনার প্রত্যেকটি ইন্টারনেট ট্র্যাফিক ভিপিএন (ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) দ্বারা এন্ড টু এন্ড ইনক্রিপশন করানো থাকবে। তাই পার্সোনাল বা যেকোনো ডাটাকে কেউ ক্যাপচার করতে পারবে না।

ট্র্যারিফ প্ল্যান

গুগল প্রোজেক্ট ফাইগুগল প্রোজেক্ট ফাই এর আরেকটি চমৎকার ব্যাপার হলো এর আকর্ষণীয় ট্র্যারিফ প্ল্যান। ২০ ডলার প্রতি মাসের বিলের বিনিময়ে আপনি পাবেন সম্পূর্ণ আনলিমিটেড নিজের দেশে কল এবং টেক্সট, আনলিমিটেড যেকোনো দেশে টেক্সট, নিজের ফোন থেকে যেকোনো ওয়াইফাই হটস্পটে কানেক্ট হওয়ার সুবিধা, এবং অবশ্যই প্রয়োজনে পার্টনার নেটওয়ার্কের সাথে কানেক্ট হওয়ার সুবিধা। কিন্তু ডাটারেটকে গুগল অনেক বেশি রেখেছে, যেটা কখনোই আপনার পছন্দ হবে না, আর এটা সত্যিই গুগলের জন্য লজ্জার ব্যাপার। প্রতি ১জিবি ডাটার দাম রাখা রয়েছে ১০ ডলার করে এবং ১০জিবি ডাটার দাম হবে ১০০ ডলার। নিশ্চিত ভাবে অন্যান্য নেটওয়ার্ক আপনাকে এর চেয়ে অনেক বেশি ডাটা অফার করবে অনেক কম টাকা খরচ করে। জানিনা গুগল কেন এই অদ্ভুদ ডাটা প্ল্যান তৈরি করেছে, “কি ব্যাপার গুগল? এইটা কোন প্ল্যান হলো? তোমরা এর চেয়ে অনেক ভালো কিছু করতে পারতে!”।

যাই হোক, এখানে কিছু ভালো সংবাদও রয়েছে। যেমন ধরুন আনলিমিটেড কল এবং টেক্সট প্ল্যান আর সাথে আপনি ঠিক যতটুকু খরচ করবেন ঠিক ততোটুকুর জন্যই বিল পরিশোধ করবেন। ধরুন আপনি ১০ ডলার দিয়ে ১ জিবি কিনলেন কিন্তু এই মাসে মাত্র ৫০০ এম্বি ব্যবহার করেছেন এবং ৫০০ এম্বি পরে রয়েছে তাহলে গুগল আপনাকে ৫ ডলার ফেরত দেবে সামনের মাসের ক্রেডিট হিসেবে আর এটা সত্যিই খুব ভালো কথা। আমাদের দেশের সেল নেটওয়ার্ক গুলো তো পড়ে থাকা ডাটা গুলো সময় শেষ হওয়ার সাথে সাথেই হজম করে নেই, আবার অনেক অপারেটর ডাটা মেয়াদ বাড়ানোরও সুবিধা দেয় না।

কীভাবে ব্যবহার করবো?

গুগল প্রোজেক্ট ফাই যেহেতু একটি সেল নেটওয়ার্ক ভিত্তিক সার্ভিস তাই এটিকে ব্যবহার করার জন্য অবশ্যই আপনার একটি প্রোজেক্ট ফাই সিম কার্ডের প্রয়োজন পড়বে। কিন্তু দুর্ভাগ্য বসত শুধু নির্দিষ্ট কিছু মডেলের সেলফোনেই এই সিম সমর্থনের কথা উল্লেখ্য করেছে গুগল-নেক্সাস ৬, নেক্সাস ৬পি, এবং গুগল পিক্সেল ফোন অন্য ভাবে বলতে পারেন এই সার্ভিসটি শুধু সেই ফোন গুলোর জন্য যেগুলোকে গুগল তৈরি করেছে। তো এই ডিভাইজ গুলো থাকার পরে আপনি যদি প্রোজেক্ট ফাই এ সাইন আপ করেন তবে গুগল আপনাকে একটি স্পেশাল সিম কার্ড পাঠিয়ে দেবে। সিমকার্ডটিকে আপনাকে ফোনে প্রবেশ করান, অন্য সিমের মতো একে একটিভ করেন আর আপনার সার্ভিস গুলো উপভোগ করতে থাকুন।

কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এই সার্ভিসটি যেহেতু সিমকার্ড ব্যবহার করে দেওয়া হচ্ছে তাহলে ঐ সিম কেন আপনার ভিন্ন মডেলের ফোনের সাথে সমর্থন করবে না? টেকনিক্যালি বলতে, হ্যাঁ, আপনি প্রোজেক্ট ফাই সিমকার্ড ব্যাবহার করে অন্য মডেলের ফোনেও এই সেবা গ্রহন করতে পারবেন। যদিও প্রোজেক্ট ফাই ওয়েবসাইটে এই সম্পর্কে কোন তথ্য দেওয়া নেই। তবে আমি অনলাইন থেকে দেখেছি এবং ইউটিউবে অনেকে প্রমানিত করেছে, প্রোজেক্ট ফাই সিম যেকোনো ফোনে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে এতে কিছু কন্ডিশন রয়েছে।

প্রথমে সিমকার্ডটি পাওয়ার পরে কোন গুগল পিক্সেল বা নেক্সাস ডিভাইজে একে প্রবেশ করিয়ে তারপরে একটিভ করতে হবে। সুতরাং আপনার একটি সাপোর্টেড ডিভাইজ প্রয়োজন পড়বে যেটা আপনার বন্ধু বা কারো কাছ থেকে ১ মিনিটের জন্য ধার নিতে হবে। তাছাড়া আরেকটি ব্যাপার আছে, অনেক সেলফোনে নেটওয়ার্ক লক লাগানো থাকে, আপনার ফোনটি যদি আনলক ভার্সন হয়ে থাকে তবে কোন সমস্যা নেই। আর যদি লক ভার্সন হয়ে থাকে তবে অবশ্যই আগে আনলক করে নিতে হবে আর এতে কিছু এক্সট্রা টাকাও খরচ হতে পারে। ঠিক আছে, আপনি সিমকার্ড একটিভ করলেন আপনার আনলক ফোনে প্রবেশ করালেন এবং গুগল প্রোজেক্ট ফাই সার্ভিস ব্যবহার করতে শুরু করলেন, তাই না! হ্যাঁ, টেকনিক্যালি তাই তবে এখানেও কিছু ব্যাপার রয়েছে। আপনি যদি প্রোজেক্ট ফাই সার্ভিস অসমর্থন কোন ফোনে ব্যবহার করেন তবে আপনি শুধু টি-মোবাইল সার্ভিস থেকে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল পাবেন, আলাদা তিনটি নেটওয়ার্ক থেকে সিগন্যাল আপনার ফোনে সুইচ হবে না। সুতরাং আপনি প্রোজেক্ট ফাই এর আসল ফিচার উপভোগ করতে ব্যর্থ হবেন।

পয়েন্ট?

যেহেতু এই সেবাটি বাংলাদেশ থেকে নেওয়া যাবে না এবং সেবাটি সম্পূর্ণভাবে উপভোগ করতে গুগলের তৈরি ফোন প্রয়োজন, তাহলে এই বিষয়ে এতো আলোচনা করার কি রয়েছে? ঠিক আছে, কিছু পয়েন্ট তো অবশ্যই রয়েছে। দেখুন একবার ভেবে দেখুন, প্রোজেক্ট ফাই অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠলো তাহলে অবশ্যই এটি আরো দেশ এড করবে সার্ভিস প্রদান করার জন্য, হতে পারে এশিয়াতে শুরু করতে পারে, হতে পারে বাংলাদেশে বা ইন্ডিয়াতে চলে আসতে পারে। এবার ভেবে দেখুন আপনি সেলফোনে প্রতিমাসে কতো টাকা খরচ করেন? আপনি যদি একজন বিজনেস ম্যান হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই আপনাকে অনেক কল জয়েন করতে হয় এবং সম্ভবত আপনার বিল অনেক বেশি। আবার আপনি যদি ইউং পার্সন হন তবে সম্ভত আপনি স্পেশাল নাম্বারে কথা বলেন এবং প্রতিমাসে আপনারও অনেক টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু এতো টাকা ব্যয় করেও কিন্তু আপনি আনলিমিটেড প্ল্যান উপভোগ করতে পারেন না। অনেকে রয়েছেন যারা মাসে ১,৫০০-২,০০০ টাকা অনায়াসে শেষ করে ফেলেন, তাদের জন্য অবশ্যই গুগল প্রোজেক্ট ফাই উপকারী হতে পারে। তাছাড়া আনলিমিটেড টেক্সট থাকার কারণে এবার আপনি মন খুলে টেক্সট চ্যাট করতে পারবেন, ইন্টারনেট বা ফেসবুকের প্রয়োজন হবে না।

আবার ভেবে দেখুন প্রোজেক্ট ফাই দ্বারা গ্রামের সেলফোন ব্যবহারকারীদের জন্য কতটা উপকারী ব্যাপার হতে পারে। গ্রামে প্রধানত নেটওয়ার্কের অনেক অসুবিধা থাকে, সেখানে আপনি সব সময় বেস্ট পসিবল সিগন্যাল থেকে সিগন্যাল গ্রহন করে কাজ চালাতে পারবেন, ফলে গ্রামে এই প্রজেক্টের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে। এই প্রোজেক্ট সফল হলে অবশ্যই সব ফোনের জন্য এই সার্ভিসকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। কারণ প্রয়োজনের কাছে কোন বাঁধা মানে না।

আবার ভেবে দেখুন, প্রোজেক্ট ফাইএর ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ আনলিমিটেড হয়ে যাওয়ার পরে আপনাকে আর পুরাতন তারের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে না। আপনি ওয়্যারলেসভাবে হাই স্পীড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। আর যেখানে কথা আসে ভবিষ্যতের বা স্মার্ট হোমের বা ইন্টারনেট অফ থিংগস এর সেখানে ওয়্যারলেস ইন্টারনেটই হতে পারে ভবিষ্যৎ বান্ধব। আশা করি আমার পয়েন্ট গুলো বোঝাতে পেড়েছি।

শেষ কথা


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

হতে পারে আপনার মোবাইল অপারেটর থেকে সেবা নিয়ে আপনি সন্তুষ্ট। তবে বেশিরভাই ইউজারই তাদের অপারেটরের প্রতি সন্তুষ্ট নয়। এতো টাকা খরচ করার পরেও আপনাকে লিমিটেড প্ল্যান ব্যবহার করতে হয়, আর যেটা সত্যিই নিরাশজনক ব্যাপার। গুগল প্রোজেক্ট ফাই হয়তো এসব কিছুর পরিবর্তন আনতে পারে হতে পারে নেটওয়ার্ক গুলো ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতাই নেমে আরো ভালো সার্ভিস আমাদের সামনে নিয়ে আসবে। তো এই প্রোজেক্ট নিয়ে আপনার মতামত কি? আমাকে নিচে সবকিছু লিখে জানান। তাছাড়া এই আর্টিকেলটি যতো ইচ্ছা শেয়ার করুন।

তাহমিদ বোরহান
প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।