ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এবং অগমেনটেড রিয়্যালিটি কি? বিস্তারিত জানুন

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি ও অগমেনটেড রিয়্যালিটি, কি জিনিস ভাই এটা? খায় না মাথায় দেয়? কয়েক বছর ধরে আমরা ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এবং অগমেনটেড রিয়্যালিটি এর নাম শুনে আসছি। অনেকে তো আবার এই এক্ষনি শুনলেন। এই প্রযুক্তি গুলো কি? এগুলো কীভাবে কাজ করে এবং এদের ভেতর কি পার্থক্য আছে তা আমি এই পোস্ট এ আলোচনা করবো। ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি কে সংক্ষিপ্ত ভাষায় “ভি আর” (VR) এবং অগমেনটেড রিয়্যালিটি কে সংক্ষিপ্ত ভাষায় “এ আর” (AR) বলা হয়। তো চলুন আর কথা না বাড়িয়ে সরাসরি আজকের বিষয়ে ঝুঁকে পরি।

আরো ভালো লাগার মতো কিছু পোস্টঃ

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি
ছবিঃ oculus.com

চলুন ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির শাব্দিক অর্থ বোঝার চেষ্টা করি। “রিয়্যালিটি” শব্দের অর্থ যেটা আসল এবং “ভার্চুয়াল” শব্দের অর্থ যেটা আসলে নেই। আরে, এ কি অর্থ হয়ে গেলো? যেটা আসল সেটা আবার আসলে নেই কেনো? যেটা আসলেই নেই তো আসল কেমনে হয়? আমি আসল, না আমিও আসলে নেই? উফফ… প্লীজ এবার ভাবা বন্ধ করুন। আমি তো এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্যই এসেছি না কি? 😀 😛 ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এমন একটি ধারনা, যেটি একটি হেডসেট ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি এমন এক দুনিয়ায় চলে যাবেন সেখানে আপনি নেই, কিন্তু আপনার মনে হবে যে আপনি সেখানে আছেন। কিন্তু বাস্তবে আপনি যেখানে বসে ছিলেন সেখানেই আছেন। ঠিক আছে আর পেচিয়ে বলবো না। একটা উদাহরন এর মাধ্যমে বিষয়টিকে পরিষ্কার করার চেষ্টা করছি। ভি আর ব্যবহার করার জন্য আপনার একটি ভি আর হেডসেট এর প্রয়োজন হবে। এখন আপনাকে এই ভি আর হেডসেটটি চোখে পড়তে হবে। ভি আর হেডসেটটি আপনার ফোন অথবা কম্পিউটার দিয়ে চলে। এখন এটির মধ্যে ভিডিও চালানো হয়। ভিডিওটি ৩৬০ ডিগ্রি অথবা থ্রি ডি হয়। এখন আপনি যখন সেই ভিডিও টিকে ভি আর হেডসেট দিয়ে দেখেন তখন মনে হবে যে আপনি ঐ ভিডিও টিতে চলে গেছেন। এবং ঐ ভিডিও টির আপনিও একজন অংশ। কিন্তু বাস্তবে আপনিতো আপনার ঘরেই বসে আছেন। তো বন্ধুরা, এই হলো ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি প্রযুক্তির কাজ।

মনে করুন আপনি এখন একটি ভি আর হেডসেট পড়ে নিয়েছেন। এবং আপনার ভি আর হেডসেটটিতে হাতির ঝিল এর ভিডিও লোড করে দেওয়া হলো, তবে আপনি ঘরে বসে বসেই মনে করবেন যে আপনি হাতির ঝিল এ চলে গেছেন। আপনার চারিদিকে হাতির ঝিল, অনেক লোকজন আর লাইট এবং আপনি সেখানেই ঘুরছেন এবং সব কিছু নিজেই দেখতে পাচ্ছেন। আপনার ভিডিও টি যদি ৩৬০ ডিগ্রি হয়ে থাকে তবে আপনার মাথা মুভ করার সাথে সাথে ভিডিও টিরও সিন মুভ করবে। এবং আপনাকে এক বাস্তব অনুভূতি দেবে। যেটা কিনা আসলে নেই।

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি
ছবিঃ oculus.com

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি প্রযুক্তির উদাহরন হিসেবে দেখা যায় গুগল কার্ডবোর্ড। গুগল কার্ডবোর্ড এমন একটি ভি আর হেডসেট যেখানে আপনার মোবাইল ফোনটি লাগাতে হয়। এর সামনের দিকে দুইটি ছোট ছোট লেন্স থাকে। যার ফলে আপনার মোবাইল ফোন এর ডিসপ্লেটি দুইটি অংশে দেখতে পাবেন। একটি ডান এবং আরেকটি বাম। এর ভেতর যে ভিডিওটি প্লে করা হবে সেটির ফুটেজ ডান এবং বাম এ হালকা বাঁকানো থাকে। তো আপনি যখন গুগল কার্ডবোর্ড আপনার চোখে লাগাবেন এবং কোনো ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও প্লে করবেন এবং আপনি যে যে দিকে আপনার মাথাকে ঘুরাবেন ভিডিও টিও সেই সেই দিকে মুভ করবে।

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এমন একটি প্রুজুক্তি যেখানে আপনি এক জায়গাতে আছেন, কোথাও যাননি আপনি এবং ভি আর হেডসেটটিতে মনে হবে আপনি অন্য কোথাও আছেন এবং সেখানকার একজন অংশ আপনি।

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এর উদাহরন

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি
ছবিঃ গুগল কার্ডবোর্ড

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এর উদাহরন দিতে গিয়ে আগেই বলেছি গুগল কার্ডবোর্ড কথা। গুগল কার্ডবোর্ড একটি ভি আর ডিভাইজ। যদি উচ্চমান সম্পূর্ণ ভি আর এর কথা বলি তাহলে বলতে হয় “অকিউলাস রিফ্ট” এর কথা। অকিউলাস অনেক বড় একটি কোম্পানি, এবং গত অনেক বছর ধরে এরা ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এর উপর কাজ করছে। অকিউলাস ছাড়াও যদি আমি আপনাকে উদাহরন দেই তবে বলতে পারি “স্যামসাং গিয়ার ভি আর” এর কথা। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ রিভিউ লিখতে গিয়ে আমি স্যামসাং গিয়ার ভি আর এর কথা বলেছি। এটিও একটি ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি ডিভাইজ যেটি কিনা স্যামসাং দ্বারা নির্মিত। তাছাড়াও রয়েছে সনির “প্রোজেক্ট মরফেস” এবং এইচ টি সি এর “ভাইভ”।

এই সবকিছুই হলো একটি ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি হেডসেট। যেটা চোখে পড়তে হবে। এবার আপনি যে ঘরে বসে আছেন, কিংবা শুয়ে আছেন কিংবা দাঁড়িয়ে আছেন তার সাথে আপনার সম্পর্ক শেষ এবং আপনি পুরাপুরি এক নতুন দুনিয়াতে চলে যাবেন।

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এর সুবিধা

আপনাদের আগেই বললাম যে ভি আর দিয়ে আপনি থ্রি ডি ভিডিও দেখতে পারেন। তাছাড়াও ভি আর হেডসেট দিয়ে আপনি ইউটিউব এ ৩৬০ ডিগ্রি ভিডিও দেখতে পারেন। আপনি থ্রি ডি গেমস খেলতে পারেন। ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি প্রযুক্তিটি খুব সস্তা, এটি উপভোগ করতে আপনাকে বেশি টাকা খরচ করতে হবে না। অনেক সময় ভি আর এর সব কাজ আপনার ফোনটি করে দেয়। যেমন গুগল কার্ডবোর্ড এ আপনার ফোনটি লাগানো থাকে। এবং অ্যাপস এর মাধ্যমে আপনার ফোন এর স্ক্রীন দুইভাগে দেখতে পাওয়া যায়। এবং এর লেন্স এর মাধ্যমে দেখার জন্য আপনার কাছে সব কিছু বড় বড় এবং আসল মনে হয়।

কিন্তু, ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি ব্যবহার করার জন্য আপনার ফোনটিতে জরসকোপ থাকা খুব জরুরী হয়ে পরে। তবে আপনার ফোন এ যদি জরসকোপ না থাকে তবে এমনটা নয় যে আপনি ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি ব্যবহার করতে বা উপভোগ করতে পারবেন না। কিন্তু আপনি যখন একটি ভি আর হেডসেট লাগাবেন তখন শুধু মাত্র ভিডিও টিকে একটি বড় পর্দায় দেখতে পাবেন। আপনার মনে হতে পারে যে আপনি একটি সিনেমা হল এ বসে থেকে ভিডিও টি দেখছেন। এছাড়া আপনি আর কিছু করতে পারবেন না।

আপনার ফোন এ যদি জরসকোপ থাকে তবে আপনি ভি আর এর পুরাপুরি মজা নিতে পারবেন। জরসকোপ হলো আপানার ফোনটিতে থাকা একটি হার্ডওয়্যার যেটি আপনার ফোন এর সফটওয়্যার কে বলে দেবে আপনার মাথার অ্যাঙ্গেল। অর্থাৎ যখন যখন আপনি আপনার মাথাটি মুভ করবেন তখন তখন আপনার ভিডিওটিও মুভ হবে। এবং আপনি একটি বাস্তব অনুভূতি অনুভব করতে পারবেন। মনে করুন আপনি একটি ভিডিও দেখছেন যেখানে আপনি আইফেল টাওয়ার দেখছেন। এখন আপনি যদি সজা দাঁড়িয়ে থাকেন তবে আপনাকে সোজা আইফেল টাওয়ার দেখানো হবে, যদি আপনি মাথা উঁচু করেন তবে আইফেল টাওয়ারটি হেলে যাবে এবং আপনি আইফেল টাওয়ারটির মাথা দেখতে পাবেন। আশা করি আপনি জরসকোপ থাকার সুবিধা এবং অসুবিধা সম্পর্কে বুঝে গেছেন।

অগমেনটেড রিয়্যালিটি

বন্ধুরা চলুন এবার কথা বলি অগমেনটেড রিয়্যালিটি নিয়ে। অগমেনটেড রিয়্যালিটি, ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এর একটি অত্যাধিক উন্নত সংস্করণ। মনে আছে, ভার্চুয়াল রিয়্যালিটিতে কি হয়? আপনি থাকেন ঘরে বসে কিন্তু মনে হয় আপনি ঘরে নেই এবং চলে গেছেন আরেকটি জগতে। কিন্তু অগমেনটেড রিয়্যালিটি তে আপনি ঘরে বসে থাকলে আপনার মনে হবে আপনি ঘরেই বসে আছেন, আপনি কোথাও যাননি। কিন্তু এখানে আপনি যে ফুটেজ দেখতে পাবেন তা মনে হবে আপনার ঘরের ভেতরই ঘটছে। মনে করুন আপনি ডাইনোসর এর ভিডিও দেখছেন এ আর এর মাধ্যমে, এখন আপনার মনে হবে যে ডাইনোসর আপনার ঘরের ভেতরই বসে আছে। হয়তো আপনার ঘরের দেওয়াল ফেটে ডাইনোসর প্রবেশ করলো। অগমেনটেড রিয়্যালিটি তে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির মতো আপনার মনে হবে না যে আপনি ডাইনোসর এর দুনিয়াই চলে গেছেন, বরং আপনার মনে হবে যে আপনার এই দুনিয়াই অর্থাৎ আপনার ঘরেই ডাইনোসর চলে এসেছে। তো বন্ধুরা চমৎকার জিনিস না? হাঁ অবশ্যই অসাধারন এক প্রযুক্তি। এবং সামনের দিনে এই প্রযুক্তি পুরো দুনিয়াকে হেলিয়ে রেখে দেবে। অগমেনটেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এর কথা ভাবতে গেলে মনে হয় যে আমরা সত্যিই ২০১৬ সাল এ বসবাস করছি।

অগমেনটেড রিয়্যালিটি এর উদাহরণ ও ব্যবহার

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি
ছবিঃ ইউটিউব

অগমেনটেড রিয়্যালিটি এর উদাহরণ দিতে গিয়ে বলতে হয় গুগল গ্লাস এর কথা। এটি একটি চশমার মতো। গুগল গ্লাস যখন আপনি পড়ে নেবেন তখন আপনার মনে হবে না যে আপনি অন্য কোথাও চলে গেছেন। আপনি বাস্তব দুনিয়াতেই থাকবেন কিন্তু আপনার বাস্তব দুনিয়ার এক পাশে ছোট একটি স্ক্রীন বের হবে। যেখানে আপনি ভিডিও বা কোনো কাজ দেখতে পাবেন।

মনে করুন আপনি বাইক চালাতে চালাতে গুগল গ্লাস পড়ে আছেন। তবে আপনি আপনার বাইক এবং রাস্তাই দেখতে পাবেন, কিন্তু এক কোনায় ছোট করে একটি ম্যাপ উঠে থাকবে যেখানে আপনার বাইক কোথাই যাচ্ছে এবং আপনার অবস্থান এর বর্ণনা থাকবে।

যদি অত্যাধিক উন্নত অগমেনটেড রিয়্যালিটি ডিভাইজ এর কথা বলতে বলেন তবে বলতে হয় “মাইক্রোসফট হলো লেন্স” এর কথা। এটি একটি অসাধারন অগমেনটেড রিয়্যালিটি ডিভাইজ। এখানে আপনি আপানার দুনিয়াতেই অনেক কিছু ভার্চুয়াল বস্তু তৈরি করতে পারবেন। মনে করুন আপনি একটি ড্রেসিং টেবিল কেনার কথা ভাবলেন। এখন এই ড্রেসিং টেবিল আপনার ঘরে কেমন মানাবে বা কি রঙ বা ডিজাইন সর্বউত্তম হবে তা শুধু জানা সম্ভব ড্রেসিং টেবিলটি কিনে আপনার ঘরে বসানোর পরে। কিন্তু আপনি যদি মাইক্রোসফট হলো লেন্স পড়ে থাকেন এবং আপনার ট্যাবলেট বা মোবাইল এ ড্রেসিং টেবিল এর গঠনটি প্লে করেন তবে আপনার ঘরে একটি ভার্চুয়াল ড্রেসিং টেবিল দেখতে পাবেন। আপনি সেই ভার্চুয়াল ড্রেসিং টেবিলটি সব দিক থেকে দেখতে পাবেন, আপনার কাছে একদম আসল মনে হবে। আপনি চাইলে এই রঙ, ডিজাইন সব পরিবর্তন করে দেখতে পারেন। আপনার কাছে সবই একদম জিবন্ত মনে হবে। আপনার এই রকম মনে হবে না যে চোখের এক কোনায় কোনো স্ক্রীন আছে বা আপনি সম্পূর্ণই নতুন জগতে চলে গেছেন। আপনার বাস্তব জীবনেই সব ভার্চুয়াল বস্তু বাস্তব হিসেবে দেখতে পাবেন। তো এখানে আমার একটা প্রশ্ন, আচ্ছা ভুত এর মুভি অগমেনটেড রিয়্যালিটি তে দেখতে কেমন লাগবে? অহ মাই গড, ভাবতেই ভয় লাগছে!

ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এবং অগমেনটেড রিয়্যালিটি এর মধ্যে পার্থক্য

উপরের প্যারাগ্রাফ গুলো পড়ে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এবং অগমেনটেড রিয়্যালিটি এর মধ্যে পার্থক্য এতোক্ষণে বুঝে গেছেন নিশ্চয়। তবুও একবার ঝালায় করে নেওয়া যাক, যেন আপনি যখন আপনার বন্ধুকে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এবং অগমেনটেড রিয়্যালিটি সম্পর্কে বলবেন তখন আপনার ক্যাসেট যেন খারাপ সিডির মতো ক্যাক-ক্যোক না করে :P।

[table id=3 /]

শেষ কথাঃ


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

বন্ধুরা আশা করছি আজকের এই পোস্টটি ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি এবং অগমেনটেড রিয়্যালিটি নিয়ে সকল প্রশ্নের পর্দা ফাঁস করতে সক্ষম হয়েছে। আশা করি আপনি খুব ভালো ভাবে সবকিছু বুঝে গেছেন যে এই প্রযুক্তি দুইটি কি, এবং এদের কাজ। তাই অবশ্যই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। আর তাছাড়া এই সাইটি নিয়মিত ভিসিট করুন। কেনোনা আমি প্রতিদিনই নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করি, তাই ভিসিট করলে আপনার সময় বৃথা যাবে না। তাছাড়াও এই ব্লগ এ অনেক মজাদার মজাদার প্রযুক্তি পোস্ট আছে, যা আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে। আপনি চাইলে সেগুলো পড়ে দেখতে পারেন। কোনো প্রশ্ন বা আপনার মতামত জানাতে অবশ্যই নিচে কমেন্ট করুন। আমি সত্যিই অনেক আগ্রহে থাকি আপনাদের মতামত জানার জন্য।

তাহমিদ বোরহান
প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।