বর্তমান তারিখ:19 October, 2019

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট | ডিশ এন্টেনা থেকে ইন্টারনেট?

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে

আকাশ থেকে সর্বদা এক অক্লান্ত চোখে আমাদের প্রত্যেকটি কর্মকাণ্ডের উপর নজর রাখা, এমন এক কম্পাস সুবিধা যাতে পৃথিবীর যেকোনো স্থান খুঁজে পাওয়া, যেকোনো রেডিও সিগন্যাল প্রতিফলিত করে আবার পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেওয়া—এই তিনটি প্রধান কাজ স্যাটেলাইট আমাদের জন্য করে থাকে। খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে এই শতশত স্যাটেলাইট গুলোকে হয়তো খালি চোখে দেখতে পাবেন না, কিন্তু টিভি ব্রডকাস্ট থেকে শুরু করে আন্তর্মহাদেশীয় টেলিফোন কল, আবহাওয়া বার্তা এবং স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিচালনা করতে স্যাটেলাইট গুলো দিনরাত কাজ করেই চলছে। আজকের পোস্টে স্যাটেলাইটের অন্যান্য কাজ গুলো নিয়ে আলোচনা করবো না, আজ জানবো স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সম্পর্কে—এটি কীভাবে কাজ করে, এটি কতটা উপযোগী, এর সুবিধা অসুবিধা ইত্যাদি সম্পর্কে।

স্যাটেলাইট কি?

স্যাটেলাইট মানেই যে কোন রকেট হবে আর তাতে এক গাঁদা যন্ত্রপাতি বসানো থাকবে, এমনটা কিন্তু নয়। স্যাটেলাইটের সাধারন অর্থ এর চেয়েও সাধারন—একটি ছোট স্পেস অবজেক্ট যদি কোন বড় অবজেক্টকে কেন্দ্রকে লাগাতার কোন কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করে তবে সেটিকে স্যাটেলাইট বলা হয়। যেমন চাঁদ হলো পৃথিবীর প্রকৃত স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ, কারন পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি একে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে বাধ্য করে রেখেছে। আকাশে রকেটে করে ছেঁড়ে দেওয়া স্যাটেলাইট, যেগুলোকে আমরা প্রকৃত স্যাটেলাইট হিসেবে চিনি, সেগুলো আসলে আর্টিফিশিয়াল (মানুষের তৈরি) স্যাটেলাইট বা কৃত্তিম উপগ্রহ, এবং এগুলো একটি গননা করা পথে অবিরত প্রদক্ষিন করে। এটি বৃত্তাকার বা উপবৃত্তাকার পথে এবং পৃথিবী থেকে বিভিন্ন দূরত্বে প্রদক্ষিন করতে পারে। সাধারনত এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরে অবস্থিত থাকে।

স্যাটেলাইট কিমহাকাশে আমাদের স্যাটেলাইট ছেঁড়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য হলো, পৃথিবীর বিভিন্ন ভৌগলিক সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জানা—এটি আমাদের এই পৃথিবীর উপর থেকে পৃথিবীর দিকে নজর রাখতে সাহায্য করেছে, এর ফলে আমরা জীবনের বৃত্তান্ত সম্পর্কে জেনেছি। মহাকাশে বিভিন্ন প্রকারের স্যাটেলাইট ছেঁড়ে দেওয়া রয়েছে। এদের কোন কোন গুলো আবহাওয়া তথ্য সরবরাহ করে, কোন গুলো ন্যাভিগেশন যেমন জিপিএস ডাটা সরবরাহ করে আবার কোন গুলো কমুনিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। স্যাটেলাইট ফোন কল বা স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, কমুনিকেশন স্যাটেলাইটের বদৌলতে সম্ভব হয়ে থাকে। কমুনিকেশন স্যাটেলাইট অনেকটা আয়না বা দর্পণের মতো কাজ করে—এটি পৃথিবী থেকে আসা সিগন্যালকে প্রতিফলিত করে আবার পৃথিবীতেই পাঠিয়ে দেয়। মনেকরুন আপনি গভীর জঙ্গল বা পাহাড়ি এলাকা থেকে ফোন করতে চান, সেখানে অবশ্যই সাধারন ফোন কাজ করবে না, কেনোনা সেলফোন টাওয়ার সিগন্যাল পাওয়া যাবে না—আপনি স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করে কল করতে পারেন। এতে আপনার ফোন থেকে একটি সিগন্যাল কমুনিকেশন স্যাটেলাইটের কাছে যাবে এবং সেই সিগন্যাল প্রতিফলিত হয়ে এর গন্তব্যে মানে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট

কমুনিকেশন স্যাটেলাইট ব্যবহার করে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে রেডিও সিগন্যালকে পাঠানো হয়। আর স্যাটেলাইট ইন্টারনেট অনেকটা এভাবেই কাজ করে। পৃথিবীর কোন এক প্রান্ত থেকে কোন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার ইন্টারনেট ডিজিটাল রেডিও সিগন্যালকে স্যাটেলাইটের দিকে ছুড়ে মারে (স্যাটেলাইট ডিশ এন্টেনা থেকে), সেই সিগন্যালকে স্যাটেলাইট গ্রহন করে এবং সিগন্যালকে আরো শক্তিশালি বানিয়ে আবার পৃথিবীর দিকে ছুড়ে মারে, এবার দ্বিতীয় ডিশ এন্টেনা সেই সিগন্যাল গ্রহন করে এবং আপনি ইন্টারনেট উপভোগ করতে পারেন। স্যাটেলাইট রেডিও সিগন্যালে প্রায় যেকোনো ধরনের তথ্য আদান প্রদান করানো সম্ভব, যেমন ইন্টারনেট সিগন্যাল, সেলফোন কল, টিভি ব্রডকাস্ট সিগন্যাল, রেডিও ব্রডকাস্ট সিগন্যাল ইত্যাদি।

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট

চিত্র– স্যাটেলাইট ইন্টারনেট যেভাবে কাজ করে, ক্রেডিটInternetanywhere

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট এবং ল্যান্ডলাইন ইন্টারনেট বা মোবাইল ইন্টারনেটের মধ্যে খুব একটা বেশি পার্থক্য নেই। ল্যান্ডলাইন ইন্টারনেট বা ব্রডব্যান্ড কানেকশনে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারের কাছ থেকে একটি তার এসে সরাসরি আপনার রাউটার বা কম্পিউটারে সংযুক্ত হয়। এই তারটি সাধারনত পুরাতন কপার বা অপটিক্যাল ফাইবারের হয়ে থাকে—যা সচরাচর আপনার ইন্টারনেট ডাটা বা ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করে থাকে। আবার মোবাইল ব্রডব্যান্ডে ইন্টারনেট সিগন্যালকে সেলফোন টাওয়ারের মাধ্যমে আপনার ফোনে বা মডেমে পৌছিয়ে দেওয়া হয়, এবং প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে ইন্টারনেট ডাটা সরবরাহ করানো হয়।

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট এর ক্ষেত্রেও কোন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার থাকার প্রয়োজন পড়ে, তারা ইন্টারনেট সিগন্যালকে ডিশ এন্টেনা বা স্যাটেলাইট এন্টেনার সাহায্যে স্যাটেলাইটে পৌছিয়ে দেয় এবং সেই সিগন্যাল স্যাটেলাইট থেকে প্রতিফলিত হয়ে আপনার বাড়িতে লাগানো ডিশ এন্টেনাতে রিসিভ হয় এবং এই সম্পূর্ণ প্রসেসটি আলোর গতিতে সম্পূর্ণ হয়।

এখানে একটি জিনিষ মাথায় রাখা প্রয়োজনীয় যে, অনেকে মনে করেন স্যাটেলাইট টিভি সিগন্যাল থেকে ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব এবং এতে কোন বাড়তি খরচের প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ, টেকনিক্যালি এটি সম্ভব, তবে এতে প্রপার হার্ডওয়্যার এবং ডিভাইজের প্রয়োজন, তাছাড়া আপনার ডিশ প্রভাইডার যেকোনো সময় আপনাকে ব্যান করতে পারে। তবে প্রপারলি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আপনাকে অবশ্যই কোন স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রভাইডারের কাছ থেকে সেবা নিতে হবে, কারন এই ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য পরিপূর্ণ সিস্টেম সেটআপ থাকা প্রয়োজনীয়। স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সম্পূর্ণ করতে ৩টি স্যাটেলাইট ডিশ এন্টেনার প্রয়োজন পড়ে—একটিকে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার ব্যবহার করে সিগন্যাল পাঠায় (এটিকে প্রভাইডার হাব বলা হয়), আরেকটি স্পেসে থাকে এবং সর্বশেষটি আপনার বাড়িতে লাগানো থাকে যা সিগন্যাল রিসিভ করে।

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে?

স্যাটেলাইট ইন্টারনেটআগেই বলেছি, ইন্টারনেট ডাটা সহ টিভি, কল ইত্যাদি যেকোনো রেডিও সিগন্যালকে স্যাটেলাইট ব্যবহার করে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে পৌঁছানো সম্ভব। স্যাটেলাইট ব্যবহার করে আপনি যেকোনো রেডিও সিগন্যাল পাঠাতে চান না কেন, এতে তিনটি স্টেপ সম্পূর্ণ করার প্রয়োজন হয়। প্রথমত কাজ করে আপলিঙ্ক, এটি পৃথিবীতে অবস্থিত সার্ভিস প্রভাইডারের ডিশ এন্টেনা থেকে ইন্টারনেট সিগন্যাল স্যাটেলাইটের দিকে ছুড়ে মারে, পরবর্তীতে এই সিগন্যালকে স্যাটেলাইট রিসিভ করে এবং রেডিও রিসিভার, এমপ্লিফায়ার, এবং ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে প্রসেসিং করে। এই প্রসেসিং এর মাধ্যমে সিগন্যালটির শক্তি বৃদ্ধি করানো হয় এবং এর ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন করে দেওয়া হয়—যাতে স্যাটেলাইটে রিসিভ হওয়া সিগন্যাল এবং স্যাটেলাইট থেকে পাঠানো সিগন্যালের মধ্যে গণ্ডগোল না পাকিয়ে যায়। একটি স্যাটেলাইটে অনেক রেডিও রিসিভার, এমপ্লিফায়ার, এবং ট্রান্সমিটার লাগানো থাকে, যাতে এটি একসাথে অনেক সার্ভিস প্রভাইডার থেকে সিগন্যাল রিসিভ করতে পারে এবং তা একই সময়ে অনেক সিগন্যাল পৃথিবীতে ফেরত পাঠাতে পারে।

এবং পরিশেষে থাকে ডাউনলিঙ্ক, যা পৃথিবীর বুকে অবস্থিত আরেকটি স্যাটেলাইট ডিশ এন্টেনা, সাধারনত আপনার বাড়িতে লাগানো থাকে। একটি আপলিঙ্কের পেছনে মিলিয়ন ডাউনলিঙ্ক থাকতে পারে। যেমন— একটি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারের যদি ১ মিলিয়ন গ্রাহক থাকে তবে এখানে একটি আপলিঙ্ক থেকে ১ মিলিয়ন ডাউনলিঙ্ক থাকবে। স্যাটেলাইট মূলত আপলিঙ্ক থেকে ডাউনলিঙ্কে লাগাতার ডাটা সরবরাহ করেই চলে। আপনার স্যাটেলাইট ডিশের সাথে কিছু ক্যাবল, রাউটার বা মোডেম লাগিয়ে রিসিভ হওয়া সিগন্যাল থেকে প্রপার ইন্টারনেট পাওয়া সম্ভব হয়।

কেন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন?

স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করার একমাত্র কারন হতে পারে, যদি আপনি এমন কোন স্থানে বাস করেন যেখানে ক্যাবল বা ডিএসএল নির্ভর ব্রডব্যান্ড বা মোবাইল ব্রডব্যান্ড লভ্য নয়। যদি আপনার গ্রাম থেকে ২জি ইন্টারনেট চালাতে হয়, তবে আপনার জন্য স্যাটেলাইট ইন্টারনেট আদর্শ হতে পারে, কারন এটি অনেক দ্রুতগতির হয়ে থাকে।

আসলে এটুকুতেই স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারন সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে না, চলুন এটি ব্যাবহারের সুবিধা এবং অসুবিধা সমূহ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক…

সুবিধা—

  • স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ডায়ালআপ কানেকশন থেকে অনেকবেশি ফাস্ট, যদি এটি নির্ভর করে আপনি কোন স্পীড প্যাকেজটি কিনেছেন, তারপরেও এই ইন্টারনেট থেকে আপনি ১০ থেকে ৩৫ গুন বেশি স্পীড পাবেন ডায়ালআপ কানেকশনের তুলনায়।
  • স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট হাই ব্যান্ডউইথ নিয়ন্ত্রন করতে পারে, ফলে একত্রে অনেক ব্যবহারকারী একসাথে ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও ইন্টারনেট স্পীড নিয়ে সমস্যা হবে না।
  • এই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে কোন ফোন লাইনের প্রয়োজন নেই।

অসুবিধা—

  • খারাপ আবহাওয়ার জন্য ইন্টারনেট কানেকশন কোয়ালিটি খারাপ হয়ে যেতে পারে, এতে স্পীড কমে যেতে পারে।
  • স্যাটেলাইট ইন্টারনেটে লেটেন্সি বা পিং রেট অনেক বেশি হয়, পিং হলো আপনার কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট সার্ভার কানেক্ট হতে কতো সময় লাগে তার পরিমাপ। যেহেতু এখানে আপনার সকল ডাটা আইএসপি পর্যন্ত স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যায়—অর্থাৎ আপনি কিছু রিকোয়েস্ট করলে সেটি প্রথমে স্যাটেলাইটের কাছে যায় তারপর স্যাটেলাইট থেকে আপনার আইএসপি এর কাছে যায়, আবার আইএসপি থেকে একইভাবে ডাটা আপনার কাছে আসে, ফলে এতে কিছু সময় লেগে যায়। তাই স্যাটেলাইট ইন্টারনেটে পিং রেট অনেক বেশি হয়, ফলে এটি অনলাইন গেমিং বা দ্রুত রেসপন্সের জন্য আদর্শ নয়। তবে একবার সার্ভারের সাথে কানেক্ট হয়ে গেলে হাই রেটে ব্যান্ডউইথ ট্র্যান্সফার করতে পারে।
  • আপনার স্যাটেলাইট ডিশের সামনে সামান্য কোন বাঁধা সিগন্যাল কোয়ালিটি খারাপ করে দিতে পারে, আপনার বাড়ির পাশে যদি বড় বড় গাছ থাকে তবে সিগন্যাল খারাপ হতে পারে, তাছাড়া আপনার এন্টেনাকে সর্বদা দক্ষিণদিকে পয়েন্ট করে রাখার প্রয়োজন পড়বে।
  • স্যাটেলাইট ইন্টারনেটে ঠিকঠাক মতো ভিপিএন ব্যবহার করতে পারবেন না, ভিপিএন ব্যাবহারে কম পিং-রেট প্রয়োজন।
  • সবচাইতে বড় সমস্যা হলো, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট অনেক ব্যয়বহুল হয়ে থাকে, ১-২ এমবিপিএস কানেকশনের জন্য ৮,০০০ টাকা প্রতিমাস খরচ পড়ে যেতে পারে। আবার প্রতিমাসে বেশি ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করলে আপনার আইএসপি ফেয়ার ইউজ পলিসি চালু করে দেবে (ইন্টারনেট স্পীড কমিয়ে দেবে)। এই ব্রডব্যান্ডের খরচে কমপক্ষে ৩০ গুন বেশি গতি সম্পন্ন ল্যান্ডলাইন ব্রডব্যান্ড পাওয়া সম্ভব।

শেষ কথা

গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করলে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট আপনার জন্য সুবিধা জনক হতে পারে, কিন্তু এর সুবিধার চেয়ে অসুবিধায় বেশি। বিশেষকরে এর মূল্য একদম আকাশ ছোঁয়া। যাদের যে কোন স্থানে হাই ব্যান্ডউইথ এর প্রয়োজন পড়ে (যেমন টিভি রিপোর্টারদের) তারা স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে। আমার মতে এই ইন্টারনেট ঠিক তখনই ব্যবহার করা উচিৎ, যখন আপনার কাছে সত্যিই আর কোন অপশন থাকবে না।

আশা করছি আজকের পোস্টটি পড়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে অবগত হতে পেড়েছেন। তো আপনি কি কখনো স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন, বা ব্যবহার করতে ইচ্ছুক? নিচে কমেন্টে আপনার মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

এই ব্লগে এরকম আরো কিছু আর্টিকেল—

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

56 Comments

  1. তুলিন Reply

    গত দুইদিন ধরে নতুন পোস্টের আশায় টেকহাবস হোম পেজ রিলোড করতে করতে মাউস খয়ে গেছে ¯\_(ツ)_/¯
    ইমেইল নোটিফিকেশন পাওয়া মাত্রই এক নিঃশ্বাসে পোস্ট খতম করলাম ✌.ʕʘ‿ʘʔ.✌
    আজকের পোস্ট প্রচণ্ড সাজানো এবং গোছানো হয়েছে সাথে আপনার চমৎকার উপস্থাপনার প্রযুক্তি আরো ফুটিয়ে তুলেছে সম্পূর্ণ বিষয়টিকে (✿◠‿◠)

    পোস্টটির জন্য এক ঝাঁক বেলি ফুলের শুভেচ্ছা ভাই
    ♥‿♥ ♥‿♥ ♥‿♥ ♥‿♥

  2. মুরাদ তালুকদার Reply

    PDF আকারে SAVE করে রাখলাম. চমৎকার পোস্ট ভাইয়া

  3. অর্নব Reply

    @ তুলিন “গত দুইদিন ধরে নতুন পোস্টের আশায় টেকহাবস হোম পেজ রিলোড করতে করতে মাউস খয়ে গেছে”

    হা হা হা হা

    আমারো ফোনে টাচ করতে করতে আঙুল খয়ে গেছে :p

    @ তাহমিদ ভাই কিছু বলার মত খুজেই পেলাম না। [ হতবাক ]

      1. মোঃআনছারুল ইসলাম Reply

        এটির ব্যবহারের জন্য কোথাই যোগাযোগ করব?আর এটির ব্যবসায়ীক হওয়ার জন্য কি করনিয়।

  4. প্রদিপ মন্ডল Reply

    তাগরা ব্লগারের তাগরা পোস্ট। হি হি হি

  5. মহান Reply

    স্যাটালাইট থেকে আসা তরঙ্গ কত গিগাহার্জ হয়? আর আপনি বল্যেন টিভি ডিস থেকে ইন্টারনেট সম্ভব সেটা কিভাবে?

    1. তাহমিদ বোরহান Post author Reply

      আপলিঙ্ক (যে সিগন্যাল পৃথিবী থেকে স্যাটেলাইটে পাঠানো হয়) এ সাধারনত ২৭.৫-৩১ গিগাহার্জ তরঙ্গ থাকে, ডাউনলিঙ্ক (যে সিগন্যাল স্যাটেলাইট থেকে আপনার ঘরের লাগানো ডিশে আসে) এ সাধারনত ১৮.৩-২০.২ গিগাহার্জ তরঙ্গ থাকে।

      মূল্যবান প্রশ্নটি করার জন্য ধন্যবাদ 🙂

  6. Saif najim Reply

    ami suncelam satellite tv dish thake 10/MBps speed net cole. Signal valo pele naki aro valo speed ase. Ei bapare ki apni kicu janen vai? ar apnar deoya wifi hack mathod ta kaje lagce. 15 hours time khaice vai. ar linux install korte giya hdd format kore felaici. ekta valo recovery soft den vai.
    thanks

    1. তাহমিদ বোরহান Post author Reply

      ভাই স্যাটেলাইট টিভি ডিশ থেকে কিভাবে ইন্টারনেট পাওয়া যেতে পারে এব্যাপারে আমি তেমন কিছু জানিনা, শুধু থিউরি জানি।
      আর আমি ভার্চুয়াল মেশিন থেকে লিনাক্স ইন্সটল করতে বলেছিলাম, অথবা লাইভ ইউএসবি ড্রাইভ থেকে করতে বলেছিলাম, যাই হোক, ফরম্যাট যখন হয়েই গেছে তখন আর কি করার!

      active file recovery pro ব্যবহার করতে পারেন, ভালো সফটওয়্যার 🙂
      ডাউনলোড লিঙ্ক মেইল চেক করে নিন 🙂

  7. Ahsan Reply

    হুম, ভাই বুঝলাম। সুন্দর ভাবে বুঝলাম… 🙂
    ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর একটা পোস্ট করার জন্য…

  8. সাদ্দাম হোসেন Reply

    ভাল হয়েছে
    চালিয়ে যান। সর্বদায় পাশে পাবেন

  9. Mejbah Reply

    আপনার পোস্ট গুলো অনেক সুন্দর সাজানো গোছানো । পারলে পয়েন্ট টু পয়েন্ট কানেকশন নিয়ে একটা পোস্ট লিখেন এবং কিভাবে অনেক দূর পজন্ত নেট ছড়াতে পারি মোবাইল টাওয়ারের মত ।

    1. তাহমিদ বোরহান Post author Reply

      আপনার কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ভাই 🙂 P2P নিয়ে পোস্ট করার চেষ্টা করবো, আর অনেক দূর পর্যন্ত নেট ছড়াতে চাইলে আপনার প্রয়োজন পড়বে এক বিশাল ট্র্যান্সমিটারের। অ্যান্টেনা আর ট্র্যান্সমিটার দেখতে মূলত একই রকমের হয়ে থাকে, কিন্তু কেউ সিগন্যাল রিসিভ এবং কেউ সিগন্যাল সেন্ড করার কাজ করে। আমি এন্টেনা এবং ট্র্যান্সমিটার নিয়ে অবশ্যই একটি বিস্তারিত পোস্ট লিখব।

      ধন্যবাদ 🙂

    1. তাহমিদ বোরহান Post author Reply

      গ্রাফিক্স এডিটিং এর জন্য একটি ভালো মানের ট্র্যু কালার মনিটর প্রয়োজন। ভিডিও এডিট এবং ফটো এডিট করার জন্য সত্যিই আপনার মনিটরের কালার একদম আসল হওয়া প্রয়োজনীয়।
      কিছু কিছু প্রফেশনাল ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার যেমন- অ্যাডোব প্রিমিয়ার সর্বনিম্ন ৭২০পি রেজুলেসন মনিটর রেকমেন্ড করে। তবে আপনার সর্বনিম্ন ১০৮০পি মনিটরের প্রয়োজন পড়বে, তাছাড়া ভিডিও টাইম লাইন এ খুববেশি লেয়ার নিয়ে মজা করে কাজ করতে পারবেন না।
      ভিডিও এডিট করার জন্য ডুয়াল মনিটর সর্বউত্তম হয়, তবে আপনি আলট্রা ওয়াইড মনিটর দিয়েও প্রফেশনালি কাজ করতে পারবেন। সর্বনিম্ন ৮ বিট কালার প্রয়োজনীয়, ১০ বিট হলে আরো ভালো হয়, এবং অবশ্যই খেয়াল রাখবেন আপনার মনিটরটি যেন আইপিএস প্যানেলের হয়। একটি আইপিএস প্যানেলের ৮-১০ বিট মনিটর আপনাকে ১.৭ বিলিয়ন পর্যন্ত কালার দিতে সক্ষম হবে।

      আর হ্যাঁ মনিটর কেনার ক্ষেত্রে পিক্সেল রেসপন্স টাইমের দিকেও আপনার খেয়াল রাখা উচিৎ, আমার মতে ৭ এমএস পিক্সেল রেসপন্স টাইমের মনিটর কিনবেন। এর চেয়ে কম রেসপন্স টাইম মানুষের চোখ বুঝতেই পারবে না।

      আর পারলে ৪কে রেজুলেসন নিয়ে নিলে তো আর কোথায় নেই।

      আপনার যদি আরো পরামর্শের প্রয়োজন পড়ে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন,

      ধন্যবাদ 🙂

  10. অর্নব Reply

    আজ ছুটির দিনে নতুন উপহার দিতেই হবে আপনাকে!!!! এটা আমাদের আজকের দাবি।

      1. তাহমিদ বোরহান Post author Reply

        দুঃখিত ভাই, আসলে এই ব্লগ নিয়ে আরো নতুন কিছু প্লানিং করছি কয়েকদিন ধরে, ভাবছি সবকিছুকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাবো, আর এই ব্যস্ততার কারণে নতুন পোস্ট নিয়ে আসা সম্ভব হয়ে উঠেনি, সামনের সপ্তাহ খানেক এমন কিছু সমস্যায় কাটবে আমার, হয়ত নিয়মিত পোস্ট করতে পারবো না, তবে এর মধ্যেও কিছু সুন্দর পোস্ট নিয়ে আসার চেষ্টা করবো।

        তবে আমি কথা দিচ্ছি, আমি সকল সিস্টেম পরিবর্তন করবো এবং প্রত্যেকদিন আপনাদের সামনে ফ্রেস কনটেন্ট নিয়ে আসবো, ব্লগে আরো নতুন শাখা সমৃদ্ধ করবো এবং আরো বেশি বড় করার চেষ্টা করবো আমাদের এই পরিবারকে।

        আশা করি আপনারা হতাস হবেন না, দয়াকরে একটু সাথেই থাকবেন, আপনারা না থাকলে কিছুই সম্ভব হবে না 🙂

        ধন্যবাদ ভাই 🙂

  11. Shoaib Reply

    আমি সেটেলাইট সংযোগ নিতে চাই।। কার সাথে যোগাযোগ করব।।
    ধন্যবাদ।।

    1. তাহমিদ বোরহান Post author Reply

      অনেক ইন্টারন্যাশনাল প্রভাইডার রয়েছে, তাদের গুগল করে খুঁজে বেড় করতে পারেন এবং তাদের ওয়েবসাইট থেকে অনেক তথ্য পেয়ে যেতে পারেন।
      ধন্যবাদ 🙂

  12. ছাব্বির Reply

    কোন বাংলা সাইটে এইটা আমার প্রথম কমেন্ট। এতটা অসাধারণ আগে কোন সাইট পাইনি।

  13. Zakir Reply

    কিভাবে এই কানেকশন নিব তা সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে বললে খুসি হতাম!

  14. Rasel Reply

    ভাই আমি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে চাই। যদি একটু help করতেন । Plz apner phn number ta diben.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *