বর্তমান তারিখ:22 September, 2019

ভিওআইপি | স্কাইপ কীভাবে কাজ করে? ইন্টারনেট থেকে ফোন কল?

ভিওআইপি | ইন্টারনেট থেকে কল? স্কাইপ কীভাবে কাজ করে?

আমরা অনেক আগেই টেলিফোন কল আবিষ্কার করে নিয়েছি—এমনকি ১৯৬০ সালের দিক থেকেই ভিডিও কল করাও শুরু করে দিয়েছি, যদিও তখন এটি পাবলিক্যালি এতো সস্তা ছিল না। তবে আজকের দিনে, প্রতি মিনিটের বিনিময়ে বিল পরিশোধ করে ফোন কল করার কোন যুক্তিই নেই, যেখানে আরো চমৎকার কোন বিকল্প রয়েছে। আর এই চমৎকার বিকল্পটি খুলে দিতে সাহায্য করেছে ইন্টারনেট, যেখানে এটি সহজেই টেক্সট, ইমেজ, ভিডিও ক্লিপ ইত্যাদি বহন করতে পারে সেখানে এটি ফোন কলও আরামে বহন করতে পারবে। আর এই চিন্তাকে পেছনে রেখেই ভিওআইপি (VoIP) (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল) এর জন্ম, যা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফোন কল করতে এবং রিসিভ করতে সাহায্য করে। বহুত ভিওআইপি সার্ভিসের মধ্যে স্কাইপ তেমনি একটি সার্ভিস যা আমাদের সচরাচর যোগাযোগ করার মাধ্যমকে বদলে দিয়েছে এবং আমাদের ভালোবাসার মানুষ গুলোকে আমাদের সাথে বেঁধে রেখেছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এটি কীভাবে কাজ করে?

ইন্টারনেট কি?

ইন্টারনেট

আজকের আলোচনার মূল বিষয়ে প্রবেশ করতে হলে আপনাদের অবশ্যই জানতে হবে, ইন্টারনেট কি এবং এটি কীভাবে কাজ করে তার সম্পর্কে। ইন্টারনেটের কাজ করার পদ্ধতি আলোচনা করে আমার একটি বিস্তর আর্টিকেল রয়েছে, সেটি আগে পড়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করবো। যাইহোক, আমরা ইন্টারনেট বলতে সাধারনত ইমেইল পাঠানো, ফেসবুক ম্যাসেজ চেক করা, ইউটিউব ভিডিও দেখা কিংবা কোন অনলাইন শপিং সাইট থেকে কিছু কেনাকাটা করাকে বুঝি—কিন্তু এই জিনিষ গুলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর অন্তর্ভুক্ত। ইন্টারনেট হলো একটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড নেটওয়ার্ক যা বিশ্বের সকল কম্পিউটার গুলোকে একত্র করে তৈরি। ইন্টারনেটকে সম্পূর্ণ করার জন্য বিভিন্ন টেলিফোন লাইন, স্যাটেলাইট, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, এবং পুরাতন কপার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।

ইন্টারনেট দিয়ে বহুত জিনিষ করা সম্ভব আর ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (যেকোনো ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি) হলো এর মধ্যে একটি জিনিষ। ইন্টারনেটকে মূলত এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে এটি যেকোনো ধরনের তথ্য আদান প্রদান করতে পারে এবং এটি বিভিন্নভাবে এর সাথে সংযুক্ত থাকা কম্পিউটার গুলোর মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করাতে পারে। আর এই জন্যই ১৯৯০ সালের মাঝামঝি দিকে কিছু টেকনিক্যাল মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে কীভাবে ভয়েস কল করা যায় তা খুঁজে বের করে ফেলেন। এভাবেই ভিওআইপি এর জন্ম হয়।

ভিওআইপি কি?

ভিওআইপি VoIP

ইন্টারনেটে আপনি মিউজিক উপভোগ করুন, ইউটিউব ভিডিও দেখুন, ইমেইল পাঠান আর ফেসবুক চ্যাটিং করুন বা যাই করুন না কেন—এই প্রত্যেকটি কাজ সম্পূর্ণ করতে প্যাকেট সুইচিং নামক এক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। আপনার কাছে কোন বহু পৃষ্ঠার ইমেইল আসলো মানে কিন্তু এই নয় যে, সম্পূর্ণ পেজ গুলো একত্রে আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ করলো। বরং এটি আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ করার আগে অনেক গুলো খণ্ড আকারে বিভক্তিত হয়ে, এবং সম্পূর্ণ আলাদা পথে ভ্রমন করে তবেই আপনার কম্পিউটারের কাছে এসে পৌঁছায়। আর এই প্রত্যেকটি খণ্ডকেই এক একটি প্যাকেট বলা হয়। আপনার কম্পিউটারে প্যাকেট গুলো পৌঁছানোর পরে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে একত্রিত হয়ে আসল ডাটার রুপ ধারণ করে।

ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকা প্রত্যেকটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে কিংবা কোন প্যাকেটটি কার কাছে পৌঁছাতে হবে সেটি নির্ধারণ করতে কম্পিউটার গুলো একটি সিস্টেমকে অনুসরন করে, আর সেটি হলো ইন্টারনেট প্রটোকল বা আইপি। প্রত্যেকটি মোবাইলের যেমন একটি ইউনিক নাম্বার থাকে বা প্রত্যেকটি বাড়ির যেমন একটি ইউনিক অ্যাড্রেস থাকে ঠিক তেমনি ইন্টারনেটে অবস্থিত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি ইউনিক অ্যাড্রেস থাকে, আর একে আইপি অ্যাড্রেস বলা হয়।

সত্যি বলতে বলতে, ইন্টারনেট শুধু একটি কাজই করতে পারে, আর সেটি হলো, প্যাকেট গুলোকে লাগাতার এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে আদান প্রদান করানো। কম্পিউটার, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, বা ইন্টারনেটে থাকা যেকোনো সিস্টেম কখনোই জানেন না যে কেন এই প্যাকেট গুলো আদান প্রদান করানো হচ্ছে, এরা শুধু নির্দিষ্ট স্থানে কোন প্যাকেটকে পৌঁছাতে সাহায্য করে ব্যাস। কোন ডাটাকে প্যাকেটে পরিণত করে কোন নির্দিষ্ট আইপি টার্গেট করে, ইন্টারনেটে যেকোনো ডাটা যেকোনো স্থানে পাঠানো সম্ভব এবং এ ধারণা দ্বারা সম্পূর্ণ করানো সম্ভব অগুনতি কাজ।

ভিওআইপি কীভাবে কাজ করে?

ভিওআইপি কীভাবে কাজ করে

ইন্টারনেট ব্যবহার করে কল করার আগে আপনাকে তিনটি বিষয়ের সাথে সরাসরি মুকাবেলা করতে হবে। প্রথমত আপনি যাকে কল করতে চান তাকে আলার্ট করতে হবে যে, আপনার কল আসছে। দ্বিতীয়ত আপনার ভয়েসকে ডিজিটাল ফরম্যাটে পরিণত করাতে হবে যাতে ইন্টারনেট সেগুলোকে প্যাকেট আকারে আদান প্রদান করাতে পারে এবং তৃতীয়ত আপনি যদি ইন্টারনেট থেকে টেলিফোনে কিংবা মোবাইল বা সেলফোনে কল করতে চান তবে সেলফোন নেটওয়ার্কের সাথে আপনাকে সংযুক্ত থাকতে হবে। আর এই তিনটি কাজ কীভাবে করানো হয় তা নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো;

কল সিগনালিং

সাধারন ফোন কল করার আগে আপনাকে কি করতে হয়—কাওকে কল করতে চাইলে আপনার টেলিফোন থেকে তার টেলিফোনের ইউনিক নাম্বারটি প্রবেশ করাতে হয়। আপনি যখন টেলিফোন করার জন্য ডায়াল হ্যান্ডেলটি চেড়ে ধরেন তখন আপনার টেলিফোন এবং টেলিফোন এক্সচেঞ্জের মধ্যে একটি ইলেকট্রিক সার্কিট ওপেন হয়। যখন আপনি নাম্বার প্রবেশ করিয়ে কাওকে কল করেন তখন টেলিফোন এক্সচেঞ্জ এবং রিসিভার ফোনের মধ্যে দ্বিতীয় আরেকটি সার্কিট ওপেন হয়, ফলে রিসিভার টেলিফোনটি রিং করতে আরম্ভ করে। আপনার বন্ধু আপনার কলটি রিসিভ করলে আপনার এবং রিসিভার ফোনটির মধ্যে সার্কিট সম্পূর্ণ হয় এবং আপনারা কথা বলতে সক্ষম হন।

তবে ভিওআইপিতে কল করার বিষয়টি একটু আলাদা ভাবে হয়ে থাকে। ভিওআইপি কল বা ইন্টারনেট থেকে কল অনেকটা সেলফোন কলের মতো কাজ করে। ভিওআইপি বা স্কাইপ কল করার জন্য প্রথমত ইন্টারনেটে রিসিভারকে খুঁজে বের করার প্রয়োজন পড়ে, এবং খুঁজে পাওয়ার পরে সেই কম্পিউটারে কল রিসিভ করার জন্য সিগনালিং করানোর প্রয়োজন পড়ে। একবার এই কাজ গুলো হয়ে গেলে দুইটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে আলোচনা করে যে তারা কীভাবে ডাটা গুলোকে পরস্পরের প্রতি আদান প্রদান করবে। এক্ষেত্রে এমন কোন পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে যা ইন্টারনেটে প্রত্যেকটি কম্পিউটার করে থাকে—আর এই কারনেই ভিওআইপি ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা প্রোটোকলকে খুব সতর্কতার সাথে অনুসরন করে কাজ করে।

ভিওআইপি অ্যাপ্লিকেশন গুলো এসআইপি (সেশন ইনিসিয়েশন প্রোটোকল) ব্যবহার করে কাজ করে, এই পদ্ধতিতে একই নেটওয়ার্কের মধ্যে ডাটা প্যাকেট তৈরি করে আদান প্রদান করানো হয়ে থাকে, যেমনটা ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে বা সাধারন ওয়েব ব্রাউজিং করার ক্ষেত্রে ঘটে থাকে। এক কথায় বলতে, এই প্রোটোকল দুটি আইপি অ্যাড্রেসের মধ্যে ডাটা আদান প্রদান করানোর জন্য একটি পথ খুলে দেয়।

কল ট্রান্সমিশন

ইন্টারনেটে আপনার কলকে সম্প্রচারিত করানোর জন্য আপনার মাইক্রোফোন থেকে রেকর্ড হওয়া অ্যানালগ ভয়েস স্যাম্পলকে ডিজিটালে কনভার্ট করানোর প্রয়োজন পড়বে। আপনার ভয়েস স্যাম্পলটি ডিজিটালে কনভার্ট করার পরে একে কম্প্রেস করে সাইজ কমানো হয়, যাতে স্লো ইন্টারনেট কানেকশনেও এটিকে ট্রান্সমিট করানো যায়। যাইহোক, এই সম্পূর্ণ পদ্ধতিটিকে অ্যানালগ টু ডিজিটাল কনভার্সন বলা হয় (আরো জানার জন্য অ্যানালগ এবং ডিজিটাল নিয়ে লেখা পৃথক আর্টিকেলটি পড়ুন)।

যে সফটওয়্যারটি আপনার অডিও সাউন্ডকে ডিজিটাল ফরম্যাটে পরিণত করে একে কোডেক (কোডার-ডিকোডার) বলা হয়। একবার আপনার ভয়েসকে ডিজিটাল বা নাম্বারে পরিণত করানোর পরে একে সহজেই প্যাকেট তৈরি করা সম্ভব এবং এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে পাঠানো সম্ভব। এই প্যাকেট গুলো পাঠানোর জন্য আবার দুটি কম্পিউটারকে একই প্রোটোকল ব্যবহার করতে হয়, আর এই প্রোটকলের নাম আরটিপি (RTP) (রিয়াল টাইম প্রোটোকল)। এই একই প্রোটোকল ব্যবহার করে লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং করানো হয়।

টেলিফোন নেটওয়ার্কের সাথে লিঙ্কিং

ভিওআইপি ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে কল করা খুব একটা মুশকিল প্রযুক্তি নয়, এটা অনেকটা ইমেইল পাঠানো বা কারো সাথে সরাসরি চ্যাটিং করার মতোই—এতে এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটার লাগাতার ডাটা প্যাকেট আদান প্রদান করতে থাকে। কিন্তু ইন্টারনেট থেকে বা ভিওআইপি থেকে টেলিফোন লাইনে বা সেলফোনে কল করা সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার এবং সত্যিই মুশকিল ব্যাপার। কারন টেলিফোন কিন্তু এসআইপি প্রোটোকলে কাজ করে না এরা পিএসটিএন (পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওয়ার্ক) প্রযুক্তিতে কাজ করে। তাই এক্ষেত্রে সিগনালিং করানোটা বেশ মুশকিল হয়ে পড়ে, কেনোনা আপনি ইন্টারনেট থেকে পিএসটিএন এ কল করছেন যা টেলিফোন নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত নয়।

আর তাছাড়া একবার সংযুক্ত হয়ে গেলেও লাগাতার কথা আদান প্রদান করানও অনেক মুশকিল ব্যাপার হবে। ইন্টারনেট থেকে ইন্টারনেটে কল করলে উভয় কম্পিউটারের কাছেই কল গুলোকে ডিজিটাল করে ট্র্যান্সমিট করানোর পদ্ধতি রয়েছে। কিন্তু টেলিফোনে কল করলে সেটি ইন্টারনেট থেকে আসা ডিজিটাল ভয়েসকে ডিকোড করতে পারবেনা এবং টেলিফোনেও কোন সেটআপ নেই যা ভয়েসকে ডিজিটাল কনভার্টকে ইন্টারনেটে ট্র্যান্সমিট করাবে।

এই সমস্যার সমাধান করাতে একটি আলাদা উপকরণের প্রয়োজন পড়ে যার নাম, গেটওয়ে। এটি অনেকটা অনুবাদকের মতো কাজ করে। গেটওয়ে ভিওআইপি কলকে পিএসটিএন এর কাছে এমনভাবে প্রকাশ করে যাতে টেলিফোন তা বুঝতে পারে এবং টেলিফোন ভয়েসকে ডিজিটালে কনভার্ট করে ইন্টারনেটে পাঠিয়ে দেয়, যাতে আপনার কম্পিউটার তা বুঝতে পারে।

সুবিধা, অসুবিধা

আপনার বাসস্থানে যদি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এবং ভালো ইলেক্ট্রিসিটি থাকে তবে ভিওআইপি কল আপনার জন্য সর্বউত্তম উপায় হতে পারে, কেনোনা এটি একদম ফ্রী। তাছাড়া অতি সামান্য অর্থ খরচের মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেট থেকে টেলিফোন বা সেলফোনেও কল করতে পারবেন। তাছাড়া এই কল যেহেতু ডিজিটাল ডাটা আদান প্রদান বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়ে থাকে তাই ভিওআইপি অ্যাপ্লিকেশন যেমন স্কাইপ ব্যবহার করে চ্যাট, পিকচার পাঠানো, ভিডিও কল ইত্যাদিও করা সম্ভব। তবে এতে কল কোয়ালিটি একটু দুর্বল প্রকৃতির হতে পারে, যদিও তা নির্ভর করে অ্যাপ্লিকেশনের কোডেকের উপরে। আর ভিওআইপিতে সবচাইতে বড় সমস্যা যেটা আমার মনে হয়, সেটা হচ্ছে কল লেটেন্সি। ইন্টারনেটের মধ্যে লাগাতার ডাটা সেন্ড করা, আপনার অ্যানালগ ভয়েস স্যাম্পল থেকে লাগাতার ডিজিটালে এনকোড করা এবং সেগুলোকে ডিকোড করা ইত্যাদির ফলে কিছু সময় লেগে যায়, আর যার জন্য আপনার কলটি ইনস্ট্যান্টলি শোনা যায় না।

শেষ কথা

তবে সামান্য কিছু অসুবিধার বদলে হলেও প্রতি সেকেন্ড টাকা খরচ করে কল করার চাইতে ভিওআইপি কিন্তু বেশি স্মার্ট এবং সবচাইতে দক্ষ বিকল্প। তাছাড়া অনেক ভিওআইপি সার্ভিস প্রভাইডার রয়েছে, যারা সত্যিই অসাধারণ জব করছে। তো আপনার পছন্দের অ্যাপ্লিকেশনের নাম কমেন্টে আমাদের জানাতে ভুলবেন না কিন্তু।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

এই ব্লগে এরকম আরো কিছু আর্টিকেল—

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

14 Comments

    1. তাহমিদ বোরহান Post author Reply

      বাংলাদেশে এই বিজনেস করা মুশকিল রে ভাই 🙂 লাইসেন্স করতে জীবন শেষ হয়ে যাবে,

      তবে ভালো কোন প্রভাইডারের কাছ থেকে রিসেলার নিয়ে বিজনেস করতে পারেন।

  1. জোবায়ের Reply

    এই হালকা শীতের রাতে এরকম এক মন মুগ্ধকর পোস্ট একেবারে নরম কম্বলের মতো কাজ করলো। পড়ে খুব তৃপ্তি পেলাম। অসাধারণ!!

  2. সিজার Reply

    অনেক কিছু জানলাম
    কিভাবে নিজের সিস্টেম সেট করা জেতে পারে And voip বৈধ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *