বর্তমান তারিখ:18 August, 2019

উইন্ডোজ গড-মোড ফোল্ডার কি এবং কিভাবে এনাবল করবেন? [টিউটোরিয়াল]

উইন্ডোজ গড-মোড হচ্ছে উইন্ডোজের কিছু প্রয়োজনীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলসের একটি সেট বা একটি ফোল্ডার যেগুলো একটি উইন্ডো থেকেই অ্যাক্সেস করা সম্ভব হয়। উইন্ডোজ গড মোড এনাবল করে নিলে উইন্ডোজের কিছু ইম্পরট্যান্ট সেটিংস যেমন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস, ব্যাকআপ এবং রিস্টোর পয়েন্টস এবং অন্যান্য ম্যানেজমেন্ট টুলস খুব সহজেই অ্যাক্সেস করা সম্ভব হয়।

গড-মোড কি?

উইন্ডোজে গড-মোড বা এই ফোল্ডারটি এনাবল করে নিলে উইন্ডোজের কোন সিক্রেট ফিচার বা সিক্রেট কোন সেটিং আপনি অ্যাক্সেস করতে পারবেন এমনটা নয়। গড-মোড এমন কোন ফিচারও এনাবল করেনা যেটি আপনি উইন্ডোজের ডিফল্ট ইন্টারফেসে সাধারনভাবে খুঁজে পাবেন না বা অ্যাক্সেস করতে পারবেন না। বরং, উইন্ডোজ গড-মোড জিনিসটি হচ্ছে জাস্ট সিম্পল একটি স্পেশাল ফোল্ডার যার ভেতরে উইন্ডোজের যাবতীয় প্রায় সব ধরনের ইম্পরট্যান্ট সেটিংসের একটি স্ক্রলেবল লিস্ট থাকে যেগুলো আপনি সাধারনভাবে সহজে খুঁজে পাবেন না।

হ্যা, কনট্রোল প্যানেলে ঢুকে অনেক্ষন করে খোঁজাখুঁজি করে, হাজার হাজার অপশনস ডিগ ডাউন করেন অথবা উইন্ডোজ সার্চ ব্যাবহার করেন, তাহলে এই সব টুলসগুলো এমনিতেই খুঁজে বের করতে পারবেন। তবে, সার্চ করে খুঁজে বের করার জন্য এই প্রত্যেকটি সেটিংসের নাম আপনাকে জানতে হবে। তাই এই স্পেশাল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সেটিংসগুলো অ্যাক্সেস করার সবথেকে সহজ উপায় হচ্ছে উইন্ডোজ “গড-মোড” ফোল্ডার।

উইন্ডোজ গড-মোডে আপনি উইন্ডোজের যেসব স্পেশাল ক্যাটাগরির টুলস এবং সেটিংসগুলো খুঁজে পাবেন সেগুলো হচ্ছে-

  • Administrative Tools
  • AutoPlay
  • Backup and Restore
  • Color Management
  • Credential Manager
  • Date and Time
  • Devices and Printers
  • Ease of Access Center
  • File Explorer Options
  • File History
  • Fonts
  • Indexing Options
  • Infrared
  • Internet Options
  • Keyboard
  • Mouse
  • Network and Sharing Center
  • Pen and Touch
  • Phone and Modem
  • Power Options
  • Programs and Features
  • Region
  • RemoteApp and Desktop Connections
  • Security and Maintenance
  • Sound
  • Speech Recognition
  • Storage Spaces
  • Sync Center
  • System
  • Tablet PC Settings
  • Taskbar and Navigation
  • Troubleshooting
  • User Accounts
  • Windows Defender Firewall
  • Windows Mobility Center
  • Work Folders

তাছাড়া এই ক্যাটেগরিগুলোরও আবার অনেক সাব ক্যাটেগরি পাবেন যেখানে আপনার কাঙ্খিত টুলস এবং সেটিংসগুলো আরও সহজে খুঁজে বের করতে পারবেন, যেগুলো কনট্রোল প্যানেল থেকে খুঁজে বের করতে আপনার অনেক বেশি সময় লেগে যেত। তাই, এই ফোল্ডারটিতে মুলত আপনি উইন্ডোজের যে টুলই চান সবকিছুই খুঁজে পাবেন। আর এইজন্যই উইন্ডোজের জন্য এই স্পেশাল ফোল্ডারটি এত ইম্পরট্যান্ট।

যেভাবে এনাবল করবেন

এই ফোল্ডারটি এনাবল করার জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনাকে উইন্ডোজে এমন একটি ইউজার অ্যাকাউন্ট ব্যাবহার করতে হবে যেটিতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রিভিলেজ আছে বা সহজ কথায় অ্যাডমিন অ্যাকাউন্ট ব্যাবহার করতে হবে। এই ফোল্ডারটি এনাবল করার জন্য জাস্ট আপনার ডেস্কটপের একটি ফাঁকা জায়গায় মাউসে রাইট ক্লিক করে কন্টেক্স মেনু ওপেন করে একটি New Folder ক্রিয়েট করতে হবে।

তবে New Folder আইকনটি আসলে সেটিকে কোন রিনেম করবেন না। ফোল্ডারটির নাম দেবেন নিচের মতো-

GodMode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}

যদি ফোল্ডারটির নাম GodMode না রেখে অন্যকিছু রাখতে চান, তাহলে জাস্ট উপরের কোডের GodMode পার্টটির জায়গায় আপনার কাঙ্খিত নামটি বসিয়ে দেবেন। হ্যা, এই ফোল্ডারটির অফিসিয়াল নাম GodMode নয়। এটাকে জাস্ট উইন্ডোজ ইউজাররা গড-মোড নামে ডেকে থাকে। আপনি চাইলে এই ফোল্ডারটির নাম PotatoMode ও দিতে পারবেন। তবে যেকোনো একটি নাম দিতেই হবে। নাম না দিলে আপনি ফোল্ডারটি ক্রিয়েট করতে পারবেন না। আর খেয়াল রাখবেন যে নামটি যেন শুধুমত্র GodMode পার্টটিকেই রিপ্লেস করে। অন্য কোন জায়গায় কোন ক্যারেক্টার চেঞ্জ করতে গেলে ফোল্ডারটি ক্রিয়েট হবে না।

ফোল্ডারটি রিনেম করার পরেই আপনি দেখবেন যে New Folder আইকনটি চেঞ্জ হয়ে Control Panel আইকন হয়ে গেছে। এবার এই আইকনটি ডাবল ক্লিক করেই আপনি এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টুলসগুলোর লিস্টটি অ্যাক্সেস করতে পারবেন।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

 

এভাবেই মুলত এনাবল করতে পারবেন উইন্ডোজের গড-মোড ফোল্ডার। এই ফোল্ডারটির সবগুলো টুলস আপনার সবসময় দরকার হবে এমনটা নয়, তবে যদি কখনো কোন টুলসের দরকার পড়ে, তাহলে কনট্রোল প্যানেলে অনেক্ষন ধরে খোঁজাখুজি না করে এই ফোল্ডারটি ব্যাবহার কর‍তে পারেন।

অনেক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আকর্ষণ ছিলো এবং হয়তো সেই আকর্ষণটা আরো সাধারন দশ জনের থেকে একটু বেশি। নোকিয়ার বাটন ফোন থেকে শুরু করে ইনফিনিটি ডিসপ্লের বেজেললেস স্মার্টফোন, সবই আমার প্রিয়। জীবনে টেকনোলজি আমাকে যতটা ইম্প্রেস করেছে ততোটা অন্যকিছু কখনো করতে পারেনি। আর এই প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ থেকেই লেখালেখির শুরু.....

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *