বর্তমান তারিখ:23 July, 2019

উইন্ডোজের জন্য সেরা ১০ টি অডিও প্লেয়ার! [২০১৮ এডিশন]

মিউজিক শুনতে কে-না ভালোবাসে? বর্তমানে আমরা মিউজিক আমাদের স্মার্টফোনেই শুনে থাকি। কিন্তু যখন আপনি পিসিতে বা ল্যাপটপে মিউজিক শুনতে যাবেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই বেস্ট কোয়ালিটির মিউজিক এক্সপেরিয়েন্স আশা করে থাকেন। কম্পিউটারে অবশ্যই স্মার্টফোনের থেকে তুলনামূলক ভালো অডিও এক্সপেরিয়েন্স দেওয়া থাকে কিন্তু আপনাকে সেই এক্সপেরিয়েন্সটা পাবার জন্য ব্যবহার করতে হবে ভালো মানের একটি অডিও প্লেয়ার। অডিও প্লেয়ারে আপনি ফ্রি এবং পেইড দুটো অপশনই পাবেন ।

তবে অডিও প্লেয়ারে তেমন কেউই পেইড বা প্রিমিয়াম প্লেয়ার ব্যবহার করে থাকে না। কারণ উইন্ডোজে এবং ম্যাকে ফ্রিতেই দারুণ সব অডিও প্লেয়ার পাওয়া যায়। উইন্ডোজে এখনো আপনি নিজস্ব উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার ফ্রিতেই পাবেন এছাড়া Winamp এর মতো দারুণ সব ফ্রি অডিও প্লেয়ার তো আছেই। পিসিতে অডিও প্লেয়ার কোনটা ব্যবহার করবেন সেটা নিয়ে যদি কনফিউশনে থাকেন তাহলে আজকের পোষ্টটি আপনারই জন্য। আজকের পোষ্টে আমি ১০টি বেস্ট অডিও প্লেয়ার নিয়ে আলোচনা করবো। আশা করবো আজকের পোষ্টটি আপনাদের কাজে আসবে। তো চলুন ভূমিকায় আর কথা না বাড়িয়ে দেখে নেই কি কি প্লেয়ার থাকছে আমাদের আজকের লিস্টে।

Dopamine

Dopamine অডিও প্লেয়ারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করার পর চালু করলেই আপনি প্লেয়ারটির প্রিমিয়াম ভাবটি দেখতে পারবেন।  আমাদের আজকের টপ ১০ অডিও প্লেয়ার লিস্টের প্রথমেই রয়েছে Dopamine প্লেয়ারটি। উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের বিকল্প হিসেবে অনেকেই Dopamine কে চয়েজ করে থাকেন। এটি একটি ওপেন সোর্স প্লেয়ার আর এটি মাইক্রোসফটের দ্বারাই তৈরিকৃত একটি UMP অ্যাপ। তবে মাইক্রোসফটের দ্বারা তৈরি হলেও আপনি একে স্টোরে ডাউনলোডের জন্য পাবেন না।

অনান্য অডিও প্লেয়ারের মতোই Dopamine য়েও আপনি পাবেন সহজ সরল এবং সুন্দর নেভিগেশন ইন্টারফেস। প্লেয়ারটির সকল সেটিংসকে আপনি সহজেই জায়গা মতো পেয়ে যাবেন; কস্ট করে খুঁজতে হবে না। এছাড়া Dopamine য়ে রয়েছে কাস্টমাইজেশনের সুবিধা। Dopamine প্লেয়ারটি mp4, wma, ogg, flac, m4a, aac, wav, ape, opus সহ অনেক প্রকারের অডিও ফরম্যাট সার্পোট করে তাই অডিও প্লেব্যাক নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। অটোমেটিক মেটা ট্যাগিং, রিয়েল টাইম লিরিক্স ডিসপ্লে সহ ইত্যাদি বেশ কয়েকটি ফিচার রয়েছে এতে। তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে প্লেয়ারটিকে আপনি শুধুমাত্র উইন্ডোজেই চালাতে পারবেন। সফটওয়্যারটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট লিংক। 

MusicBee

অডিও প্লেয়ারের ক্ষেত্রে আরেকটি সুপরিচিত এবং জনপ্রিয় প্লেয়ারের নাম হচ্ছে MusicBee। এই প্লেয়ারটির বয়স প্রায় এক যুগের মতো এবং এটাকে আপনি উইন্ডোজ ৭ থেকে নতুন উইন্ডোজ ভার্সন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন। প্লেয়ারটি প্রথম থেকেই ব্যবহার করা শুরু করলে এটার চমৎকার কালার কম্বিনেশনটি আপনি উপভোগ করা শুরু করতে পারবেন। MusicBee প্লেয়ারটি কিন্তু একটি ফ্রি অডিও প্লেয়ার এবং এখানে আপনি সহজেই iTunes এবং অনান্য মিউজিক লাইব্রেরি ইম্পোর্ট করতে পারবেন। প্লেয়ারটিতে mp3, aac, wma, wav, m4a, flac, ogg, ape, tak সহ বিভিন্ন অডিও ফরম্যাটের সার্পোট পাবেন তাই অডিও ফাইল চালানো নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকছে না এই প্লেয়ারটিতে।

অন্যদিকে সকল প্রকার অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এবং কিছু কিছু আইওএস ডিভাইস, ইউএসবি ড্রাইভ এবং অনান্য পোর্টেবল মিউজিক প্লেয়ারের সাথে আপনি এই MusicBee কে Sync করিয়ে নিতে পারবেন। আর আপনার পিসির হার্ডডিক্সে নতুন কোনো মিউজিক ফাইলস এড করলে প্লেয়ারটি অটোমেটিক সেটাকে প্লেয়ারে যোগ করিয়ে নিতে পারবে। এছাড়াও আপনি MusicBee কে অনেক প্রকারের স্ক্রিণ এবং প্লাগইনস দিয়ে কাস্টমাইজেশন করে নিতে পারবেন, উল্লেখ্য যে প্লেয়ারটি Winamp এর বেশ কিছু plugins ও সার্পোট করে। এছাড়াও প্লেয়ারটিতে পাবেন 15-band equalizer, DSP ইফেক্ট, CD রিপিং, অটোমেটিক মেটাডাটা ইম্পোর্ট সহ অনান্য ফিচার। আর প্লেয়ারটির একটি পোর্টেবল ও UWP ভার্সনও আপনি পেয়ে যাবেন। প্লেয়ারটির ওয়েবসাইটের লিংক।

Clementine

আমাদের আজকের অডিও প্লেয়ার লিস্টের ৩য় স্থানে রয়েছে Clementine, আর এটাই লিস্টের প্রথম অডিও প্লেয়ার যেটাকে আপনি উইন্ডোজ, ম্যাকওএস এবং লিনাক্সে ব্যবহার করতে পারবেন। এটি একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার। যারা অফলাইনের থেকে অনলাইন অডিও প্লেয়ার খুঁজছেন তাদের জন্য Clementine সেরা চয়েজ হবে। তবে এর ডিজাইন MusicBee এর মতো আকর্ষণীয় না হলেও Clementine য়ে পাবেন সিরিয়াস লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট। Clementine এ রয়েছে বিল্ট ইন ফাইল ম্যানেজার যেটার মাধ্যমে শত শত মিউজিক ফাইলস থেকে আপনার দরকারি মিউজিকটি খুঁজে পেতে সাহায্য পাবেন।

এছাড়াও ফাইল ম্যানেজারটি বিভিন্ন অনলাইন সার্ভিস যেমন SoundCloud, RockRadio, RadioTunes থেকেও অডিও কনটেন্ট খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। এছাড়াও আপনার Dropbox, Google Drive, OneDrive, Amazon Cloud Drive ইত্যাদি একাউন্টের সাথেও Sync করিয়ে নিতে পারবেন। Clementine য়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের অডিও ফরম্যাট সার্পোট সহ বিভিন্ন বেসিক অডিও প্লেয়ারের ফিচার। আর আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে Clementine রিমোট কনট্রোল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন। Clementine এর অফিসিয়াল সাইটের লিংক

Foobar2000

আমাদের আজকের লিস্টের চতুর্থ স্থানে রয়েছে foobar2000। ২০০২ সাল থেকে এই অডিও প্লেয়ারটি অনেকেই ব্যবহার করে আসছেন। একদমই সিম্পল ডিজাইনের অডিও প্লেয়ার যারা খুঁজছেন তাদের জন্য foobar2000 প্লেয়ারটি বেস্ট হবে। কারণ এতে রয়েছে একদমই সিম্পল মানের ডিজাইন। foobar2000 এর ডেক্সটপ অ্যাপটি আপনি উইন্ডোজ এক্সপি থেকে উইন্ডোজ ৮.১ পর্যন্ত পাবেন। উইন্ডোজ ১০ এর জন্য প্লেয়ারটির UWP সংস্করণও থাকছে। আর রেগুলারের পাশাপাশি সফটওয়্যারটির পোর্টেবল সংষ্করণও থাকছে।

আবার এই সিম্পল ডিজাইনের জন্য অনেকের কাছেই প্লেয়ারটিকে ভালো নাও লাগতে পারে। কারণ ২০১৮ সালের শেষ হয়ে গেল আর আপনার পিসিতে চলছে উইন্ডোজ ৯৮ স্টাইলের অডিও প্লেয়ার! foobar2000 প্লেয়ারটি আপনাকে বিভিন্ন প্রকারের অডিও ফরম্যাট প্লে করতে পারবে, এদের মধ্যে রয়েছে mp3, aac, wma, ogg, flac, wav, Opus, speex ইত্যাদি। এছাড়াও প্লেয়ারটি Zip, Gzip, 7z ইত্যাদি কমপ্রেসড আকার্ইভের একসেস করতে পারে! প্লেয়ারটির সাইটের লিংক। 

AIMP

অডিও প্লেয়ার AIMP এর নাম শুনে অনেকেরই GIMP নামের ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যারের কথা মনে পড়ে যেতে পারে। তবে AIMP এর সাথে GIMP এর কোনো যোগসুত্রই নেই। বরং AIMP এর মানে হচ্ছে Artem Izmaylov, এটা ২০০৬ সালে যে ব্যক্তি সফটওয়্যারটি প্রথমবার রিলিজ করেছিলো তার নামে নামকরণ করা হয়েছে। যারা যারা অডিও প্লেয়ারের ভিজুয়্যাল সৌন্দর্য্য নিয়ে মাথা ঘামান তাদের জন্য AIMP অন্যতম চয়েজ হতে পারে। আর এই প্লেয়ারটি শুধুমাত্র আপনার পিসির অডিও গান বাজানো ছাড়াও আরো অনেক কাজ করতে পারবে।

AIMP প্লেয়ারে রয়েছে গুড লুকিং ইন্টারফেস যেখানে আপনি আপনার গানের লাইব্রেরিকে অরগানাইজ করতে পারবেন, নিজস্ব স্মার্ট প্লে-লিস্ট তৈরি করতে পারবেন, সিডি/ডিভিডি রিপ করতে পারবেন, মেটা ট্যাগ ম্যানেজ করা সহ প্লেয়ারের স্ক্রিণও আপনি কাস্টমাইজ করতে পারবেন। এছাড়াও যারা যারা equalizer সহ অডিও প্লেয়ার খুঁজছেন তাদের জন্যেও AIMP বেস্ট একটি চয়েজ হবে। AIMP প্লেয়ারে রয়েছে ১৮ ব্যান্ড বিশিষ্ট equalizer এবং বিভিন্ন রকমে সাউন্ড ইফেক্ট। বিভিন্ন প্রকার অডিও ফরম্যাট সার্পোট ছাড়াও AIMP তে রয়েছে বিল্ট-ইন অডিও কনভার্টার, স্লিপ টাইমার এবং পিসিকে sleep mode থেকে বের করে আনার জন্য রয়েছে alarm clock ফিচার। AIMP প্লেয়ারটি ডাউনলোড করতে চলে যান তাদের অফিসিয়াল সাইটে।

MediaMonkey

প্লেয়ারটি চালু করলে প্রথমেই আপনার মনে যে কথাটি আসবে তা হলো এটাকে অনেকটা WMP এর মতোই লাগে। কিন্তু অনেকেই এই MediaMonkey কে আইটিউনসের বিকল্প সফটওয়্যারও বলে থাকি। নিশ্চয় বুঝতে পারছেন কেন, হ্যাঁ MediaMonkey দিয়ে আপনি iTunes এর মতোই অ্যাপল স্মার্টফোনগুলোতে আপনার পিসিকে অডিও/ভিডিও/মিডিয়া ফাইলস কপি করতে পারবেন। বিভিন্ন প্রকার অডিও ফরম্যাটের সার্পোট ছাড়াই MediaMonkey প্লেয়ার আপনার অডিও ফাইলসগুলোর ট্যাগিংকে অটোমেটিক ভাবে করে নিতে পারবে, বিভিন্ন ডিভাইসের সাথে আপনার ফাইলসগুলোকে Sync করে নিতে পারবে, আপনার নেটওর্য়াকের উপরে অডিও ফাইলসগুলোকে স্ট্রিম করতে পারবেন, সিডিকে রিপ করতে পারবে, ডিভিডিতে মিউজিক বার্ন করতে পারবে, অডিও ফরম্যাট কনর্ভাট করতে পারবে, অটো ভলিউম কনট্রোল করতে পারা সহ আরো অনেক কাজই আপনি MediaMonkey দিয়ে করতে পারবেন। MediaMonkey মূলত একটি উইন্ডোজ অ্যাপ, তবে আন্ড্রয়েড এবং আইওএস প্লাটফর্মেও MediaMonkey পাবেন তবে সেটা ওয়ারলেস রিমোট কন্ট্রোল হিসেবে কাজ করবে। ফ্রি সংষ্করণ ছাড়াও MediaMonkey এর একটি প্রিমিয়াম পেইড সংষ্করণ রয়েছে MediaMonkey Gold সেখানে আপনি বেশ কিছু এক্সট্রা ফিচার পেয়ে যাবেন। MediaMonkey এর অফিসিয়াল সাইট লিংক। 

VLC

VLC প্লেয়ার নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। সাধারণ ভিডিও প্লেয়ারের লিস্টের একদম প্রথমে থাকলেও অডিও প্লেয়ারের ক্ষেত্রে VLC কে আমি রেকোমেন্ড করতে পারছি না। তবে এই ওপেন সোর্স সফটওয়্যারটি আপনার অডিও প্লেয়ারের চাহিদা মেটাতে সক্ষম তবে ব্যবহার করবেন কিনা সেটা আপনার ব্যক্তিগত ইচ্ছের উপর নির্ভর করবে। VLC দিয়ে আপনি অডিও ফাইলের প্লেলিস্ট তৈরি করতে পারবেন এবং একই সাথে আপনার নেটওর্য়াকের উপর অডিওগুলোকে স্ট্রিম করতে পারবেন। এছাড়াও VLC প্লেয়ারে ইন্টারনেট ভিক্তিক কয়েকটি অনলাইন রেডিও সার্ভিসও আপনি উপভোগ করতে পারবেন। আর প্লেয়ারে রয়েছে নিজস্ব Built-in equalizer তাই অডিও ফাইলের শোনার এক্সপেরিয়েন্স আপনার আরো বেড়ে যাবে। ভিডিও ফাইলের মতোই VLC দিয়ে আপনি বিশ্বের প্রায় সকল প্রকার অডিও ফাইল চালাতে পারবেন। প্লেয়ারটির সাইটের লিংক।

iTunes

আইটিউনস সম্পর্কেও নতুন করে কিছু বলার নেই। শুধুমাত্র পিসি এবং আইওএস ডিভাইসের মধ্যে সেতুবন্ধন করা ছাড়াও আইটিউনসে আপনি অডিও এবং ভিডিও প্লেয়ার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন। আর উইন্ডোজ পিসিতে ম্যাক স্টাইলের অডিও প্লেয়ার স্বাদ নিতে চাইলে iTunes এর থেকে সেরা কোনো রেকোমেন্ডশন থাকবে না। আইটিউনস দিয়ে আপনার পিসির লোকাল অডিও মিউজিক প্লে করা সহ আইটিউনস মিউজিক স্টোর থেকে আপনার ক্রয়কৃত সকল মিউজিকগুলোকেও প্লে করতে পারবেন।

আর আপনি যদি অ্যাপল মিউজিকের সাবক্রিপ্টশন থাকে তাহলে iTunes দিয়ে উইন্ডোজে আপনি অনলাইন মিউজিক স্ট্রিমিং করতে পারবেন সহজেই। আর Mp3, wav, aiff, apple lossless, aac সহ যাবতীয় জনপ্রিয় অডিও ফরম্যাটকে আইটিউনস চালাতে পারবেন। আইটিউনসের যে জিনিস আমার সবথেকে ভালো লেগেছে তা হলো এর লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট। আপনার পিসির সকল মিডিয়া ফাইলসকে বেশ সুন্দর করেই সাজাবে আইটিউনস। আর অ্যাপল ব্রান্ডের ছোঁয়া এবং নিয়মিত আপডেট তো পাবেনই! iTunes ডাউনলোডের লিংক।

Winamp

আজ থেকে প্রায় ২১ বছর আগে ১৯৯৭ সালে winamp প্লেয়ারটি মুক্তি দেওয়া হয়েছিল! ক্ল্যাসিক এই অডিও প্লেয়ারটি আপনি চাইলে এখনো ব্যবহার করতে পারেন। ১৯৯৯ সালে মুক্তির মাত্র ২ বছরের মাথায় AOL কোম্পানি এই প্লেয়ারটিকে ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে কিনে নেয়। তবে পরবর্তীতে ২০১৪ সালে একে Radionomy কিনে নেয়। প্লেয়ারটিতে রয়েছে অনেক ধরণের প্লাগ-ইন, স্কিন ব্যবহার করার সুযোগ, রয়েছে মিউজিক ভিজুয়ালাইজেশন, প্লেলিস্ট বানানোর সুযোগ, রয়েছে মিডিয়া লাইব্রেরি ফিচার।

আর বড়সড় অনলাইন কমিউনিটির সার্পোট তো পাবেনই! বিভিন্ন প্রকার অডিও ফরম্যাট সার্পোট ছাড়াও winamp য়ে আপনি কিছু প্রকার ভিডিও ফাইলসও চালাতে পারবেন, তবে ভিডিওর থেকে অডিও প্লেয়ার হিসেবেই প্লেয়ারটিকে আপনার কাছে বেশি ভালো লাগবে। বর্তমানে উইন্ডোজ ১০ উপযোগী Winamp ভার্সন 5.8 পাওয়া যাচ্ছে, চাইলে ডাউনলোড করে নিতে পারেন তাদের অফিসিয়াল সাইট থেকে।

Windows Media Player

আমাদের আজকের লিস্টের একদম শেষ স্থানে রয়েছে মাইক্রোসফটের নিজস্ব Windows Media Player! আর দুঃখের বিষয় হচ্ছে ৯/১০ হাজার টাকায় উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম কিনবেন আপনি আর সাথে পাবেন এই Windows Media Player কে, এই Windows Media Player কে মাইক্রোসফট চাইলেই আরো আপগ্রেড করতে পারে, অন্তত আইটিউনসের মতোও করতে পারে। তবে Windows Media Player টি যে একেবারেই খারাপ তা কিন্তু নয়।

Windows Media Player এর স্কিন আপনার পছন্দ না হলে মাইক্রোসফটের সাইটে গিয়ে মিডিয়া প্লেয়ারের বিভিন্ন অফিসিয়াল থীম পাবেন এছাড়াও ইন্টারনেট সার্চ দিলে মিডিয়া প্লেয়ার অনেক কাস্টম স্কিনও পেয়ে যাবেন। Windows Media Player দিয়ে প্রায় সকল প্রকার অডিও ফাইল চালাতে পারলেও কিছু কিছু ভিডিও ফাইলস এতে আলাদা কোডেক এর সাহায্য ছাড়া চালানো যায় না। এছাড়া প্লেলিস্ট বানানো, লাইব্রেরি ম্যানেজ করা, সিডিডে মিউজিক বার্ন করা, বিল্ট ইন equalizer, SRS WOW ইফেক্ট তো রয়েছেই!


এই ছিলো সেরা ১০টি ফ্রি অডিও প্লেয়ার। এগুলো ছাড়াও Freemake music box, Groove music player জাতীয় আরো ফ্রি মিউজিক প্লেয়ার রয়েছে তবে সেগুলোতে Equalizer এবং প্লেলিস্ট তৈরি করার ফিচার নেই দেখে আজকের লিস্টে এগুলোকে যোগ করা হয় নি। আজকের লিস্টের কোন অডিও প্লেয়ারটি আপনি ব্যবহার করছেন আর লিস্টের বাইরে কোনো অডিও প্লেয়ার যদি আপনি ব্যবহার করে থাকেন এবং আপনার কাছে যদি ভালো লাগে তাহলে কমেন্টে প্লেয়ারটির নাম আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

Image Credit : syda productions Via Shutterstock

যান্ত্রিক এই শহরে, ভিডিও গেমসের উপর নিজের সুখ খুঁজে পাই। যার কেউ নাই তার কম্পিউটার আছে! কম্পিউটারকে আমার মতো করে আপন করে নিন দেখবেন আপনার আর কারো সাহায্যের প্রয়োজন হবে না।

4 Comments

  1. Shovon Ahmed Reply

    MueicBee অসাধারণ!! পোস্ট টা দারুন হয়েছে অনেক সুন্দর!!??

  2. Rakib Hasan Reply

    There has no perfect music player for Windows.
    Whatever any media player can play music as well. And almost every media player has built-in Equalizer and some audio features like Virtual Surround etc. etc
    And there has no good player that can play music with lyrics floating on as like Android’s Musixmatch.
    So, still it’s better to stick with default media player like PotPlayer, KMPlayer, VLC Media Player.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *