WireBD
জীবনের ৭টি মারাত্মক শিক্ষা, খুব দেরি হয়ে যাওয়ার পূর্বে জেনে নিন!

জীবনের ৭টি মারাত্মক শিক্ষা, খুব দেরি হয়ে যাওয়ার পূর্বে জেনে নিন!

সময় পরিবর্তনশীল, আর অবশ্যই সময়ের সাথে নিজের পরিবর্তন আবশ্যক না হলে জীবনে অনেক পিছিয়ে পড়তে পারেন। জানার বা শিক্ষার কোন শেষ নেই, জীবনের প্রত্যেকটি পর্যায় থেকে শিক্ষা লাভ করার চেষ্টা করা উচিৎ, আপনি কোন কিছু শেখার পেছনে সময় ব্যয় করলে সেটাকে কখনোই সময়ের অপচয় বলা যাবে না, জীবনের কোন না কোন মুহূর্তে হয়তো সেই শিক্ষা কাজে লেগে যেতেই পারে। মানুষ এই প্ল্যানেটে সব চাইতে স্মার্ট প্রাণী, কিন্তু পর্যাপ্ত শিক্ষা ছাড়া কিভাবে আপনি নিজেকে স্মার্ট বলবেন? ৮ বছর পূর্বে আমি হাই-স্কুল শেষ করেছি, আর তারপরে লাইফে অনেক কিছুর পরিবর্তন এসেছে, ৮ বছরের আগের আমিকে যখন কল্পনায় স্মরণ করি, সেই সময়ে সম্পূর্ণ এক আলাদা দৃষ্টিভঙ্গির ছিলাম আমি, আর আজ যে পর্যায়ে নিজের জীবনের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন এনেছি তার পেছনে অনেক শিক্ষা রয়েছে।

আমার বেশিরভাগ লাইফ লেসন অর্জন করেছি নিজের ভুল গুলো থেকে, আর তাছাড়া বিভিন্ন পুস্তক, ইন্টারনেট ওয়েবসাইট এবং মুভি থেকেও অনেক কিছু শিক্ষা লাভ করার চেষ্টা করেছি এবং এখনো করেই চলেছি। “কঠিন সময়” মানুষকে অনেক কিছু শিখিয়ে দেয়, আর আমার শিক্ষাটাও বিশেষ করে ঐভাবেই প্রাপ্য। তবে আমি যা কিছুই শিক্ষা অর্জন করেছি, আমার মতে এগুলো মানুষের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই আপনিও জেনে রাখুন—খুব বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার পূর্বে!

জীবনের ৭টি মারাত্মক শিক্ষা

প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন

এটাই সবচাইতে বড় সমস্যা, আমরা বিশাল বড় বড় স্কুল, কলেজ আর ইউনিভার্সিটিতে লেখা পড়া করি, কিন্তু বেশিরভাগ ছাত্রই লেখাপড়া করে সস্তা সার্টিফিকেট পাওয়ার লক্ষে, যাতে কলেজ থেকে বের হয়ে ভালো চাকুরি পাওয়া যায়, ব্যাংক প্লাটিনাম ক্রেডিট কার্ড দেয় বা ভালো বউ পাওয়া যায়। আসলে আমরা আজ শিক্ষার মানেই ভুলে গেছি, এটাকে নার্সারি স্কুল থেকে প্রতিযোগিতা হিসেবে গ্রহণ করেছি, যেখানে শিক্ষা এমন জিনিষ যেটা আমাদের জীবনের প্রত্যেকটি সেকেন্ডের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

শিক্ষাকে প্রতিযোগিতা নয়, জীবন চালনের জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করুণ, আমি প্রত্যেকদিনই নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করি, আগে আমিও শিক্ষার মর্ম বুঝতাম না জাস্ট আর দশ পাঁচ জনের মতোই সার্টিফিকেট হাসিল করার জন্য রাত জাগছিলাম কিন্তু আমার চোখ ফোটে আমি সাথে সাথে গোল ফিক্স করি। আমি অনেক দিন যাবত প্রযুক্তি এবং ব্লগিং এর সাথে জড়িত ছিলাম এবং রয়েছি অনেক কিছু এক্সপেরিয়েন্স করেছি। এখন অনেকেই আমাকে স্বাভাবিকভাবে জিজ্ঞেস করে, “ভাই টেক ফিল্ডে প্রো কিভাবে হতে পারি বা অমুক কাজে এক্সপার্ট কিভাবে হবো, কিভাবে অনলাইন থেকে ভালো টাকা উপার্জন করবো, ইত্যাদি!” — দেখুন এগুলোর কোন শর্টকাট নেই, প্রথমে আপনাকে গোল ফিক্স করতে হবে তারপরে আপনাকে জানার উদ্দেশ্যে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

আগেই বলেছি, আপনি যখন যে বিষয়ের উপরই জ্ঞান অর্জন করুণ না কেন, সেটা কাজে লাগবেই, জ্ঞান অর্জন কখনো বৃথা হতে পারে না। কোন কাজে এক্সপার্ট হওয়ার জন্য কোন সিঙ্গেল গাইড নেই, এক্সপার্ট তখনই হতে পারবেন যখন আপনার কাছে নানান শিক্ষা থাকবে এবং সকল জ্ঞান গুলোকে একত্রিত করে আপনি ধীরেধীরে এক্সপার্ট হয়ে উঠবেন। একেবারে বিশাল গোল নিয়ে একদিনে সেটাকে হাসিল করতে নেমে পড়বেন না, ছোট ছোট স্টেপ নিয়েই শেখাটা শুরু করুণ, আপনি যে প্রতিদিন নতুন কিছু শিখছেন এবং শেখার আগ্রহ রাখছেন এটাই বিরাট ব্যাপার। শুধু থেমে যাবেন না, প্রত্যেকদিন নিজের জ্ঞান ভান্ডারে কিছু না কিছু যুক্ত করার চেষ্টা চালিয়েই যান।

সাহসী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুণ

এটাই জীবনের শেষ নয়, আরো অনেক কিছু রয়েছে অর্জন করার, আর অনেক কিছু রয়েছে বাঁচার!

আমাদের দেশ বিশেষ করে মধ্যবিত্তদের দেশ, আর মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষদের অনেক সংগ্রাম করে বেঁচে থাকতে হয়। আপনি ঠেলা গাড়িও চালাতে পারবেন না আবার বড় ব্র্যান্ডের কারেও চড়তে পারবেন না। অভাব, কষ্ট, সংগ্রাম আর আরেক দিক থেকে বেঁচে থাকা, প্রত্যাশা, সোনালি দিনের স্বপ্ন আপনাকে স্যান্ডুইচ বানিয়ে দেবে। তো জীবনে দেরি হয়ে যাওয়ার পূর্বে আপনার সাহস আপনাকে খুঁজে নিতে হবে, আপনি যে গোলই ফিক্স করুণ না কেন সেটাতে দৃঢ় হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

আমি জীবনে দেখেছি, অনেক চিন্তা ভাবনা করে নতুন কিছু শুরু করতে আরম্ভ করি কিন্তু কিছু না কিছু একটা প্রভাবক এসে আমার লক্ষ্যকে ভ্রষ্ট করে দিয়ে চলে যায়। এরকম সকলের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। হয়তো টাকা, না হয় কোন সম্পর্ক বা আলাদা কিছু সবসময়ই আপনাকে লক্ষ্য থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে, আর সত্যি বলতে এগুলোকে হ্যান্ডেল করা অনেক কঠিন কাজ হয়ে যায়। তবে আপনাকে সাহসী হতেই হবে, যাই হয়ে যাক না কেন নিজের গোলে নিজেকে আঁটকে রাখতেই হবে। আজকের একটি সাহসী সিদ্ধান্ত কাল গর্বের কারন হতে পারে, আপনার লাইফ সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দিতে পারে।

দুনিয়া পরিবর্তনশীল, তাই সর্বদা প্রস্তুত থাকুন

জীবনের প্রত্যেকটি মুহূর্তকে উপভোগ করুণ, লাইফ একটি উপহার!

একবার কোন জিনিসে সুখ খুঁজে পেলে সময় মনে হয় অনেক দ্রুত এগিয়ে যায়, অনেক সময় আমরা চাই টাইম থেমে যাক আর যেটা যেরকম রয়েছে ঠিক সেরকমই থাকুক। কিন্তু বড় সত্য হচ্ছে লাইফ চলমান, তাই লাইফে প্রত্যেকটি জিনিষ পরিবর্তনশীল। অনেক সময় মনে হয় কিছু হয়তো অনেক দ্রুতই পরিবর্তন হয়ে গেলো আর সেখানে হয়তো বিরাট ধাক্কা খেয়ে যেতে পারেন। আমি বলবো নিজেকে সর্বদা প্রস্তুত রাখতে, যেকোনো সময় যেকোনো কিছু পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনার ফিলিংসকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখতে হবে যাতে পরিস্থিতি আপনার নিয়ন্ত্রনে চলে আসে। গায়ে তেল লাগিয়ে আরামে ঘুমালে চলবে না, সবসময় নতুন যুদ্ধের জন্য নিজের মনকে অন্তত প্রস্তুত রাখতে হবে।

চারপাশে নজর রাখুন, খেয়াল করুণ কি কি পরিবর্তন হচ্ছে, মানুষ কতোটা চেঞ্জ হচ্ছে আপানার চারপাশে, অনুধাবন করুণ আপনার কি করা উচিৎ, কিভাবে আগামীর মুকাবেলা করবেন, কি কি সুযোগ আসছে, সময়কে কাজে লাগান আর সকল পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিন। জীবন আসলে বেঁচে থাকার জন্য, সংগ্রাম করার জন্য অবশ্যই লুকিয়ে বা পিছিয়ে সরে যাওয়ার জন্য নয়।

নিজের ব্যাক্তিত্তের সাথে বোঝাপড়া করবেন না

বিজ্ঞানে আত্মার কোন ব্যাখ্যা নেই, কিন্তু আমরা আত্মা বলতে নিজের ব্যাক্তিত্তকে বুঝি আমাদের ভেতরের নিজেকে বুঝি। অনেক কিছু জিনিষ আপনার ভেতর থেকেই আপনার মধ্যে রয়েছে আর কোন কাজেই আপনার আত্মার সাথে  বোঝাপড়া করবেন না। যদি ভেতর থেকে পজিটিভ ফিল না হয় সে কাজে পা না বাড়ানোয় ভালো। আপনি দুনিয়ার কাছে লাখো অভিনয় করে চলুন না কেন, কখনোই নিজের সাথে অভিনয় করা সম্ভব নয়, আপনি ভালো করেই জানেন আপনার অন্তর আত্মা কি করতে চায়, কি বলতে চায় বা কেমন ফিল করে।

ঠিক আছে, আমার আইফোন নেই, বা আমার বিশাল বাড়ি নেই, ঠিক আছে আমার দামী কারও নেই — এগুলোর সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া যায়, কিন্তু যখনই নিজের ব্যাক্তিত্তের বিরুদ্ধে কিছু করতে চাইবেন সেখানেই নানান সমস্যার সৃষ্টি হবে। আত্মার বিরুদ্ধে কোন কাজ, কোন গোল ফিক্স বা কোন সম্পর্কে জরাবেন না, আপনার ভেতরের আপনাকে শুনুন, বুঝুন তারপরে এগোন!

আপনি অলরেডিই ক্রিয়েটিভ

ভয় পাবেন না, নিজের ভয়কে খুঁজে বের করুণ, আর হত্যা করুণ, এই হত্যায় পাপ নেই!

কয়েক বছর আগে আমি নিজেকে ভুলেও ক্রিয়েটিভ মনে করতাম না। আর দশ পাঁচ জনের মতো ভবিষ্যতে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। অনেক শিল্পী আর অভিনেতাদের অনুসরণ করতাম আর তাদের ক্রিয়েটিভিটি নিয়ে চিন্তা করতাম। নিজেকে সাধারণ মনে করতাম, কিন্তু আমি ভুল ছিলাম, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যেই ক্রিয়েটিভিটি রয়েছে। সেটাকে খুঁজে বের করবেন তারপরে কাজ শুরু করবেন এমনটা নয় কিন্তু। আপনার যা ভালো লাগে করতে আরম্ভ করুণ, জাস্ট এখন থেকেই শুরু করুণ আর ১ মিনিটও নষ্ট না করে, দেখবেন আপনি দিন দিন আরো বেটার পারফর্ম করবেন।

আজকের নজরে যখন আমার ছোটবেলাকে দেখি, তো বুঝতে পারি ছোট বেলা থেকেই অনেক ক্রিয়েটিভ কাজ করে এসেছি। স্কুলের ক্লাসে সকলকে হাঁসানোর জন্য ক্লাসের মেঝেতে শুয়েও পরেছি অনেক সময় কৌতুক করতে করতে, যদিও আমার কাপড়ে মেঝের ময়লা লেগে গেছে কিন্তু আমি সকলকে হাঁসাতে স্বার্থক হয়েছিলাম। মাত্র ৫-৬ বছর বয়সে ক্যাসেট প্লেয়ার থেকে মোটর বের করে পানির পাম্প তৈরি করেছি, আর কাল্পনিক ধানের ক্ষেত তৈরি করে পানি সেচ করেছি। আজ ১৫-২০ বছর পরে এসে দেখছি এগুলো মানুষ ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে আপলোড করছে, কিন্তু এগুলো ক্রিয়েটিভটি অনেক ছোট থেকেই নিজের মধ্যে ছিল, শুধু নিজেকে বোঝার ক্ষমতা ছিল না।

পূর্বে থেকেই জানতাম না, আমি কখনো লেখক হয়ে যাবো, ব্লগ লিখে আপনাদের লাখো জ্ঞান বিরতন করবো। আমি জাস্ট শুরু করেছিলাম, তারপরে পারফেক্টের দিকে নিজে থেকে চলে গেছি, নিজ থেকেই ক্রিয়েটিভিটি চলে এসেছে। তো আপনি যদি আঁকতে ভালোবাসেন, জাস্ট রঙ তুলি নিয়ে আঁকা শুরু করে দিন, আপনার ক্রিয়েটিভিটি বের হয়ে আসবে! জাস্ট দেরি না করে আপনাকে শুরু করতে হবে।

ধৈর্য ধারন করুণ

আপনি যতোই ডেডিকেটেড আর যতোই টালেন্টেড হোন না কেন একদিনেই সবকিছু জয় করতে পারবেন না। আকাশ ছোঁয়ার গোল রাখাটা অব্যাস্তব বা খারাপ কিছু না, কিন্তু আকাশ ছুঁতে আপনাকে সময় দিতে হবে, ধীরেধীরে আপনার লক্ষে এগোতে হবে, নিজেকে অটুট রাখতে হবে। আর এগুলোর জন্য প্রয়োজন ধৈর্য ধারন করা। হঠাৎ করে লাইফে কিছু পরিবর্তন আসলো আর আপনি পাগল হয়ে গেলেন, এরকমটা মোটেও করলে চলবে না, আপনাকে চেয়ারে বসে পড়তে হবে, কি ঘটছে আন্দাজ লাগাতে হবে, সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, প্রয়োজনে আরো দীর্ঘ রাস্তা বেঁছে নিতে হবে।

বিশ্বাস করুণ, আমার লাইফে কাজ, পড়াশুনা, সম্পর্ক এগুলো নিয়ে অনেক ঝড় এসেছে অনেক বার এসেছে, আমি অস্থিরও হয়েছি অনেক কিন্তু অবশেষে বুঝতে পারলাম সঠিক কাজ করে যাওয়া, আর সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ধৈর্য ধারন করায় বেস্ট পন্থা। আপনি ধৈর্য নিয়ে আপনার গোলের দিকে অগ্রসর হতে থাকুন, দেখবেন গেইম আপনার দিকেই ঘুরে আসবে।

অনেক সময় ব্যাস্তবতা হ্যান্ডেল করার মতো ক্ষমতা আমাদের থাকে না, অনেক সময় ধাক্কা এতো বেশি বড় হয়ে যায় যেটাতে ধৈর্য ধারন অসম্ভব মনে হতে পারে, সেক্ষেত্রে আপনার অন্যের পরামর্শ নিতে হবে। আপনার পরিবারের কেউ, বা আপনার বন্ধু বা এমন কারো শরণাপন্ন হোন যিনি আপনাকে চেনেন এবং আমি উনার উপর ভরসা রাখতে পারবেন, তারপরে আপনার কথা গুলো নিয়ে আলোচনা করুণ, দেখবেন অনেক কিছুর উত্তর খুঁজে পাবেন যেগুলো আপনি নিজে থেকে সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না। আপনি হয়তো এখন জানেন না আপনার কি করা উচিৎ, কিন্তু সঠিক সাহায্য পেলে আপনি হয়তো আপনার সঠিক পথ খুঁজে পেতে পারবেন।

নিজের লাইফের দায়িত্ব নিজেই নিন

আমরা ভুল করি, হ্যাঁ মানছি অনেক সময় আমাদের সাথে এমন কিছু হয়ে যায় যেটা হওয়া উচিৎ ছিল না। কিন্তু নিজের লাইফের জন্য অন্যকে দোষারোপ করার চেয়ে শ্রেয়, নিজের লাইফের দায়িত্ব এবং সকল কিছুর দ্বায়ভাঁড় নিজের কাঁধে তুলে নেওয়া। আপনার ভুল থেকে শিক্ষা লাভ করুণ, এক্সকিউজ দেওয়া বন্ধ করুণ, স্ট্রেইট ফরওয়ার্ড হতে শিখুন, আর ধীরেধীরে নিজেকে সেরকম করে বিল্ড করে নিন যেরকম আপনি নিজেকে ভবিষ্যতে দেখতে চান।

যখন আপনি নিজের সমস্ত কিছুর জন্য শুধু নিজেকেই দায়ী রাখবেন, বিশ্বাস করুণ আপনি আর থেমে থাকতে পারবেন না, আপনি নিজেকে চেঞ্জ করবেনই করবেন। যখন নিজের কিছুর জন্য অন্যকে দায়ী করবেন, আপনি জাস্ট থেমে যাবেন লাইফে! তবে সকল শিক্ষার আগে নিজেকে ব্যাক করে নিয়ে আসুন, আপনি আপনার মতোই হওয়ার চেষ্টা করুণ, আপনার বেস্ট চেষ্টা প্রদান করুণ! নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিন। এই আর্টিকেল আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সাহায্য করবে

বিশ্বাস করুণ, আমার লাইফে আমি মারাত্মক রকমের পেইন ফিল করেছি, প্রচণ্ড রাগ করেছি, অনেক ব্যাপার আমাকে সারাজীবন কনফিউজ করেছে। সম্পর্ক আমাকে বিধ্বস্ত করেছে, টাকার চিন্তা আমাকে বাকা করে ফেলেছে, বন্ধু বান্ধব আমার বিরুদ্ধে চলে গেছে — বহুবার আমার হৃদয় তছনছ হয়েছে, আসলে এরই নাম লাইফ, লাইফে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যাপার গুলো ঘটতেই থাকে। কিন্তু আমি জীবন থেকে শিক্ষা নিয়েছি – রাগ এবং ব্যাথা লাইফের সব সমটায় নিয়ে নেয়।

আমরা এই দুনিয়াতে রাগ আর ব্যাথায় জড়িত থেকে জীবনটাকে শেষ করতে আসিনি। লাইফ ১টায়, বেঁচে থাকা ও ১বারই, আর এই লাইফ নতুন কিছু শেখার জন্য, বেড়ে উঠার জন্য, নিজের আরো উন্নতি সাধিত করার জন্য!

তো এই ছিল, জীবনের ৭টি মারাত্মক শিক্ষা যেগুলো আমি মনে করি প্রত্যেকটি পারসনের জন্য জানা গুরুত্বপূর্ণ। তো আজকের কোন পয়েন্টটি আপনার জীবন পরিবর্তন করতে সাহায্য করলো? আমাদের কমেন্ট করে জানান। তাছাড়া আপনার ব্যাক্তিগত কোন অভিজ্ঞতা থাকলে আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এ বিষয়ের উপরে সামনে আরো আর্টিকেল লিখার চেষ্টা করবো!


ফিচার ইমেজ ক্রেডিটঃ By KieferPix Via Shutterstock

তাহমিদ বোরহান

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

3 comments

  • বিস্বাস হচ্ছে না এত অসারণ বাণী গুলো পড়ছি। জীবনে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবো। ইইউ আর দা বেস্ট ব্রো

  • Woooooooooooooooow!!!!!! Love U bhai! amaro mone hoy j amar dara kichu hobe na but apnar ei post peye khub upokar hocche. Accha bhai, tension dur kora jay kivabe bolte paren? kivabe stress management korbo jodi bolen… mainly family stress, money problem etc… Plz bhai amar…

সোশ্যাল মিডিয়া

লজ্জা পাবেন না, সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে টেকহাবসের সাথে যুক্ত হয়ে সকল আপডেট গুলো সবার আগে পান!