WireBD
কেন একা ভিপিএন কখনোই প্রাইভেসির জন্য বেস্ট নয়!

কেন শুধুমাত্র ভিপিএন কখনোই প্রাইভেসির জন্য যথেষ্ট নয়?

অনলাইনে থাকতে হলে, অনলাইনে কাজ করতে হলে অনলাইন প্রাইভেসি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখতে হবে, নিজেকে অনলাইন প্রাইভেসির উপর শিক্ষিত করে তুলতে হবে। অনলাইনে আজকের দিনে শুধু হ্যাকার’রায় নয়, আরো অনেক ব্যাপার রয়েছে যেগুলো আপনার চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে। মনে রাখবেন সিকিউরিটি রক্ষা করা, বিশেষ করে অনলাইন সিকিউরিটি, এটা কোন প্লাগ অ্যান্ড প্লে জিনিষ নয় যে আপনি একবার কিছু স্টেপ নিলেন আর কাজ হয়ে গেলো।

অনলাইনে প্রাইভেসি আর সিকিউরিটির কথা উঠতেই অনেকে বলবে, এটি ভালো ভিপিএন ব্যবহার করলেই কাজ শেষ, কিন্তু আমি এই আর্টিকেলে আলোচনা করবো, কেন একা ভিপিএন কখনোই প্রাইভেসির জন্য বেস্ট নয়! তো যারা ভিপিএনকে একমাত্র প্রাইভেসি গড মনে করে চলেন তাদের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়া প্রয়োজনীয়!

কেন ভিপিএন যথেষ্ট নয়

ওয়েল, এটা একেবারেই আশ্চর্য হওয়ার মতো কোন ব্যাপার নয় যে এখনো অনেকে ভিপিএন কি জিনিষ এটাই বোঝেন নাই, সমস্যা নেই এই আর্টিকেলটি থেকে প্রথমে ভিপিএন সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করে নিন। এখন কাজের কথায় আসা যাক, ভিপিএন আসলে করেটা কি, যদি এক কথায় বলি, তো আপনার আসল আইপি অ্যাড্রেস পরিবর্তন করে দেয় এবং আপনার আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার) আর আপনাকে ট্র্যাক করতে পারে না। কিন্তু তাতে কি হয়েছে, আপনাকে বিভিন্ন ওয়েবসাইট গুলো এখনো ট্র্যাক করার ক্ষমতা রাখে, ওয়েবসাইট গুলো এখনো আপনার হিস্ট্রি ট্র্যাক করতে পারবে, আপনার ব্রাউজিং হ্যাবিট সম্পর্কে জানবে, আপনার কুকিজ এবং ক্যাশ ট্র্যাক করতে পারবে।

অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলোতে আপনি আপনার রিয়াল আইডেন্টিটি এন্ট্রি করিয়ে রেখেছেন, যেমন- গুগল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্টে — তারা সহজেই আপনার সবকিছু ট্র্যাক করার ক্ষমতা রাখে। আইপি অ্যাড্রেস পরিবর্তন করার জন্য শুধু তাদের কাছে একটি নতুন প্রোফাইল তৈরি হবে আপনার সম্পর্কে, কিন্তু তারা এখনো আপনার সবকিছুই ট্র্যাক করার ক্ষমতা রাখে।

তো বেসিকভাবে আপনি শুধু আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডারের চোখে ধুলো দিতে পারবেন যদি একটি ভালমানের প্রোপার ভিপিএন ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এখানেও প্রশ্ন রয়েছে, আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে ভিপিএন কিভাবে কাজ করে এবং ওয়েবসাইট গুলো আপনার ডাটা কিভাবে ট্র্যাক করতে পারে। নানান ভিপিএন সার্ভিস প্রভাইডার নানান প্রোটকল এবং নানান সিস্টেম ব্যবহার করে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক তৈরি করে থাকে। তারপরে আপনার পাবলিক ট্র্যাফিক’কে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কের মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, এতে আপনার ডাটা গুলো সার্ভার পর্যন্ত পাবলিক রাস্তা ব্যবহার করার বদলে প্রাইভেট রাস্তা ব্যবহার করে গমন করে, ফলে আপনার ইন্টারনেট অ্যাক্টিভিটি অনেকটা গোপন থাকে।

এখন প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ইউজ করলেই আপনার ডাটা নিরাপদ হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। এজন্য ভিপিএন এ ডাটা প্রটেক্ট করার জন্য এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আপনার অসুরক্ষিত ডাটা প্যাকেট গুলোর উপরে ভিপিএন নিজস্ব খোলস লাগিয়ে দেয়, তারপরে সেটাকে নেটওয়ার্কে ট্র্যান্সমিট করে, হয়তো হ্যাকার চাইলে ডাটা গুলোকে ক্যাপচার করতে পারবে কিন্তু সেগুলোর আসল ফরম্যাট ফিরে পাবে না।

কিন্তু এনক্রিপশন মানেই কিন্তু প্রাইভেসি নয়, আপনার সকল ডাটা গুলো ডি-ক্রিপ্ট করার ক্ষমতা আপনার ভিপিএন প্রোভাইডারের কাছে রয়েছে, এখন ভিপিএন প্রোভাইডারের হেড-কোয়াটারে অনেক কম্পিউটার কানেক্টেড থাকে যেগুলো পাবলিক ইন্টারনেটের সাথে কানেক্টেড, কিন্তু তাদের কম্পিউটার হয়েই আপনার ডাটা গুলো ডিক্রিপ্ট হয় এবং আসল সার্ভারের কাছে গিয়ে পৌঁছায়। তো বুঝতেই পাড়ছেন এই লেভেলেও সিকিউরিটি এবং প্রাইভেসি সমস্যা তৈরি হতে পারে।

আপনার কম্পিউটারে ভিপিএন ক্লায়েন্ট ইন্সটল করা থাকে যেটা আপনার সেন্ড করা ডাটা গুলোকে এনক্রিপ্টেড করিয়ে ভিপিএন সার্ভারে পৌছিয়ে দেয়, ভিপিএন সার্ভার আপনার ডাটা গুলো ডিক্রিপ্ট করে এবং আসল বা রিকয়েস্টেড সার্ভারের কাছে প্যাকেট গুলোকে পাঠিয়ে দেয়। এখন সার্ভার থেকে যদি আপনাকে ব্যাকট্র্যাক করা হয় সেক্ষেত্রে আপনাকে খুঁজে পাওয়া যাবে না, কেননা সার্ভার রিকোয়েস্ট গুলো ভিপিএন সার্ভার থেকে গ্রহণ করে। কিন্তু ভিপিএন আপনার সকল ডাটা প্রটেক্ট করতে সক্ষম নয়। কিছু না কিছু ট্রেস থেকেই যায় যেগুলো আপনার আইডি লিক করে দিতে পারে।

আপনি যদি কোন ওয়েবসাইটে ম্যানুয়ালভাবে কোন ডাটা প্রবেশ করান, যেমন- আপনার নাম, ঠিকানা, ইমেইল অ্যাড্রেস বা ফোন নাম্বার, তো ভিপিএন এক্ষেত্রে কিছুই করতে পারবে না, আপনার প্রাইভেসি অক্ষত থাকবে না। আবার কোন ওয়েবসাইটে কেনাকাটার সময় আপনার পেমেন্ট প্রসেস করার সময়ও আপনার আইডি লিক হয়ে যেতে পারে। এখন এই আইডি সংক্রান্ত তথ্য গুলোকে স্টোর করা বলতে লগ রাখা বুঝানো হয়। অনেক ভিপিএন সার্ভিস প্রোভাইডার দাবি করে তারা কোন লগ রাখে না, কিন্তু সেটা কতোটা বিশ্বাসযোগ্য ব্যাপার? তারা সত্যি নাকি মিথ্যা বলছে আপনি কিভাবে বুঝবেন?

তাহলে নিশ্চয় বলবেন কোন না কোন ভিপিএন তো অবশ্যই সত্য বলে আর তাদের ইউজ করায় যেতে পারে। ওকে, আপনার মানসিক প্রশান্তির জন্য বলে রাখি, এমন কোন ভিপিএন তৈরি করা টেকনিক্যালভাবে অসম্ভব যেটা ইউজারদের পারফেক্ট প্রাইভেসি প্রদান করতে সক্ষম, যে টেকই ব্যবহার করা হোক না কেন অবশ্যই কোন না কোন ত্রুটি থাকে আর প্রাইভেসি ভঙ্গ হতে পারে। তবে ভিপিএন আপনাকে বেসিক প্রোটেকশন অবশ্যই প্রদান করতে পারে। আপনার আইএসপি আপনার ব্রাউজিং ডাটা বা যেকোনো ইন্টারনেট অ্যাক্টিভিটি যেকোনো কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দিতে পারে, এতে আপনাকে টার্গেটেড অ্যাড দেখাতে সুবিধা হয় কোম্পানি গুলোর, তবে এভাবে ডাটা বিক্রি করা শুধু প্রাইভেসি রিস্ক নয় বরং অনেক বড় সিকিউরিটি রিস্কও বটে। তারা আপনার তথ্য গুলো ইন্টারনেটে বিক্রি করে, আর যেহেতু এগুলো ডিজিটাল ডাটা তাই সহজেই কপি করা সম্ভব, মানে হ্যাকার ও অন্য দেশের সরকারের কাছে আপনার প্রাইভেট লাইফের অ্যাক্টিভিটি স্টোরড থাকবে আর আপনি জানতেও পারবেন না।

বিশ্বাস হয় না, তো এক্ষুনি ডার্ক ওয়েবে ভিজিট করে দেখুন মিলিয়ন ইউজার ডাটা কিনতে পাবেন সেখানে আবার অনেক ডাটা তো ফ্রিতেই পাওয়া যায়। আপনি হয়তো কখনোই জানবেন না, আপনার ডাটা কথায় কথায় স্টোরড হয়ে রয়েছে যতোক্ষণ পর্যন্ত না আপনি সাইবার ক্রাইমের শিকার হবেন।

বেস্ট সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি প্র্যাকটিস

ইন্টারনেট যেভাবে কাজ করে, অন্তত সে অনুসারে আপনাকে কারো না কারো উপর অবশ্যই ভরসা রাখতে হবে। আপনাকে ট্র্যাস্টেড ভিপিএন খুঁজে বের করতে হবে যেটা আপনার ব্রাউজিং হ্যাবিট এবং ইন্টারনেট ডাটা গুলোকে আইএসপি থেকে রক্ষা করবে। এখন বেস্ট ভিপিএন খুঁজে পাবেন কিভাবে? ওয়েল, সৎভাবে জানিয়ে রাখি, যদি আমি এই ব্লগেও কখনো কোন ভিপিএন এর বিশাল গুণগান করি তো সেটা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করবেন না। মানে কোন সিঙ্গেল সোর্সের উপর বিশ্বাস করা যাবে না। অমুক ভিপিএন কে পিসি ম্যাগ ডট কম ফাইভ স্টার রেটিং দিয়েছে আর আপনি ব্যবহার করা শুরু করলেন, এতে কাজ হবে  না। আপনাকে নিজে থেকে রিসার্স করতে হবে, অনেক ওয়েব আর্টিকেল পড়তে হবে, প্রয়োজনে ইউজার কমেন্ট গুলো দেখতে হবে, ইউজার রিভিউ কালেক্ট করতে হবে প্রয়োজনে রেডিট পড়তে হবে সেখানে অনেক ইউজার রিভিউ পাবেন, তারপরে নিজের বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে আপনার জন্য একটি অলমোস্ট পারফেক্ট ভিপিএন খুঁজে বের করতে হবে।

বাইরে অনেক হ্যাকার রয়েছে, অনেক অ্যাডভার্টাইজার রয়েছে, অনেক দেশের সরকার রয়েছে যারা আপানার ডাটা গুলো মাইন করতে চায়, কিন্তু তাদের কখনোই বিশ্বাস করা যাবে না। আর সবচাইতে বড় কথা আপনাকে নিজেকে সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে, আমি এই আর্টিকেলে যতোই খোলামেলা বিশ্লেষণ করি না কেন, আপনার নিজে থেকে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে, নিজে থেকে কেস স্ট্যাডি করতে হবে।

প্রাইভেসির জন্য সবচাইতে বড় প্রশ্ন হচ্ছে আপনার নিজের প্রয়োজন সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা। আসলে আপনার কোনটি দরকার, আপনার আইএসপি থেকে প্রোটেক্টেড থাকতে চান, আপনার সকল প্রকারের আইডি হাইড রাখতে চান, দেশের সরকার বা হ্যাকারদের থেকে গোপন থাকতে চান, নাকি শুধু সিকিউরিটির দিকে ফোকাস করতে চান। এই উত্তর গুলো অনুসারে আপনার জন্য আলাদা আলাদা সলিউশন রয়েছে।

যদি আইএসপি থেকে বাঁচা আপনার প্রধান লক্ষ্য হয়ে থাকে বা কফি শপে ফ্রি পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করার সময় আপনার প্রাইভেসি এবং সিকিউরিটি বজায় রাখতে চান সেক্ষেত্রে ভিপিএন আপনার জন্য ভালো সলিউশন হতে পারে। কিন্তু যদি কমপ্লিট প্রাইভেসি চান, বা এমন চান যে দেশের সরকারও আপনাকে ট্র্যাক করতে পারবে না, সেক্ষেত্রে আপনার শুধু ভিপিএন দিয়ে কাজ হবে না, আপনার টর নেটওয়ার্ক প্রয়োজন পড়বে। যদি টর ব্যবহার করতে চান সেক্ষেত্রে টর সম্পর্কেও অনেক ভালো জ্ঞান রাখতে হবে, কেননা টর ও কোন প্লাগ অ্যান্ড প্লে জাতীয় জিনিষ না।

শুধু তাই নয়, যদি প্রাইভেসির কথা চিন্তা করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে ব্রাউজারও দেখে শুনে পছন্দ করতে হবে, কেননা বেশিরভাগ ইউজার গুগল ক্রোম ব্যবহার করে থাকেন, আর গুগল ক্রোম কোনদিনই প্রাইভেসি ফোকাসড ব্রাউজার নয়। আপনি ভিপিএন ব্যবহার করছেন, অনেক টাইপের ক্রিপ্ট ব্লকার, অ্যাড ব্লকার, লোকেশন ব্লকার, ট্রাকিং কুকি ব্লকার এক্সটেনশন ব্যবহার করছেন, কিন্তু তারপরেও আপনার ডাটা লিক হয়ে যাবে যদি আপনি গুগল ক্রোমকে আপনার ডেইলি ইন্টারনেট ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করেন। গুগল ক্রোমে যেকোনো কিছু ভিজিট করার পরে সেটা আপনার গুগল অ্যাকান্টের সাথে সিঙ্ক হয়ে যায়, আর পৃথিবীর সবচাইতে বড় ডাটা লিকার কোম্পানিই হচ্ছে এই গুগল! গুগল আপনার প্রত্যেকটি ডাটা প্রত্যেকটি পার্টনার ওয়েবসাইটের সাথে শেয়ার করে, তো বুঝতেই পারছেন আপনার প্রাইভেসি কতোটা সন্দেহের মধ্যে রয়েছে।

বেস্ট হয়, আলাদা আলাদা কাজের জন্য আলাদা আলাদা ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করা, সাথে ক্রিপ্ট ব্লকার, অ্যাড ব্লকার, লোকেশন ব্লকার, ট্রাকিং কুকি ব্লকার এক্সটেনশন গুলো ব্যবহার করা, এতে করে আপনাকে ট্র্যাক করা খানিকটা মুশকিল হয়ে যাবে। অনেক প্রাইভেসি ফোকাস দেওয়া ওয়েব ব্রাউজার রয়েছে যেগুলোকে ব্যবহার করার মাধ্যমেও আমি ওয়েব সাইট এবং মার্কেটারদের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারবেন।

ভুল করেও ফ্রি ভিপিএন ব্যবহার করবেন না, হ্যাঁ ভিপিএন এখন অনেক সস্তা হয়ে গেছে, কিন্তু এর মানে এটা নয় ভিপিএন সার্ভিস ফ্রিতে দেওয়া সম্ভব। যখন কোন কোম্পানি আপনাকে ফ্রি ভিপিএন অফার করে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যা থাকে। হয়তো তারা আপনার ডাটা কাজে লাগায়, যেভাবে আপনার আইএসপি বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট লাগিয়ে থাকে বা আরো খারাপ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তবে ভালো ভিপিএন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আপনি কতো টাকা মাসিক খরচ করার ক্ষমতা রাখেন এটাও ভেবে দেখার ব্যাপার।

আপনি উপরের সকল স্টেপ অনুসরণ করার পরেও প্রাইভেসি রক্ষার্থে ফেইল হতে পারেন যদি নিজের ডাটা নিজেই কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করিয়ে থাকেন। আপনাকে প্রাইভেসি ফোকাস করে ব্রাউজার কনফিগ করতে হবে, ভিপিএন বা টর ইউজ করতে হবে, সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট, ইমেইল, সাধারণ ইন্টারনেট ব্রাউজিং ইত্যাদির জন্য আলাদা আলাদা ব্রাউজার সেটআপ করতে হবে, এবং অনলাইন প্রাইভেসি সম্পর্কে নিজে থেকে জ্ঞান রাখতে হবে তবেই আপনি অনলাইনে নিজের প্রাইভেসি প্রোটেক্ট করতে পারবেন।

অনলাইন প্রাইভেসির উপর ভালো জ্ঞান রাখা, বেস্ট সিকিউরিটি এবং প্রাইভেসি প্র্যাকটিস গুলো বজায় রাখার পরে আপনি যদি একটি ভালো এবং প্রাইভেসি ফোকাস ভিপিএন ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে তখন আপনার প্রোটেকশনের কাজে লাগবে! না হলে আমি উপরে প্রমাণিত করে দিয়েছি কেন একা ভিপিএন কখনোই প্রাইভেসির জন্য বেস্ট নয়!


Feature Img: By Rawpixel.com/Shutterstock

তাহমিদ বোরহান

প্রযুক্তির জটিল টার্মগুলো কি আপনাকে বিভ্রান্ত করছে? কিছুতেই কি আপনার মস্তিষ্কে পাল্লা পড়ছে না? তাহলে বন্ধু, আপনি এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন—কেনোনা এখানে আমি প্রযুক্তির সকল জটিল বিষয় গুলো ভাঙ্গিয়ে সহজ পানির মতো উপস্থাপন করার চেষ্টা করি, যাতে সকলে সহজেই সকল টেক টার্ম গুলো বুঝতে পারে।

2 comments

  • অসাধারণ জনাব, অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ গুলো পানির মতো সহজ করেছেন। আর্টিকেলটি অনেক উপভোগ জগ্য ছিল। অনেক জানলাম। ধন্যবাদ।

সোশ্যাল মিডিয়া

লজ্জা পাবেন না, সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে টেকহাবসের সাথে যুক্ত হয়ে সকল আপডেট গুলো সবার আগে পান!