আপনার কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ ফেইল হয়ে গেছে? কি করবেন?

নিয়মিত ব্যাকআপ রাখায় একমাত্র বুদ্ধিমানের কাজ!

আপনার কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ ফেইল হয়ে গেছে? কি করবেন?

কম্পিউটার ব্যবহারের সময় হার্ড ড্রাইভ ফেইল বা হার্ড ড্রাইভ নস্ট হয়ে যাওয়া টা হচ্ছে অন্যতম একটি বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা! হার্ড ড্রাইভের ডাটা রিড (data read) করার ক্ষমতা হারিয়ে গেলে পুরো একটি কম্পিউটার ব্যবহারের অনুপযোক্ত হয়ে যেতে পারে। কোনো সময় পুরো হার্ড ড্রাইভ নস্ট হয়ে গেলে (dead) তো আপনি পিসি বুট আপই করতে পারবেন না এবং অনেক সময় দেখা যায় যে অপারেটিং সিস্টেম লোড হলেও হার্ড ড্রাইভের ড্রাইভগুলোকে প্রবেশ করা যায় না কিংবা স্টোর করা ডাটাগুলো ড্যামেজ হয়ে থাকে। হার্ড ড্রাইভ ফেইল বা নস্ট হয়ে গেলে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় আপনার ডাটাগুলো।

কোনো ব্যাকআপ না থাকলে এই ডাটাগুলো উদ্ধার করা অনেক সময়সাপেক্ষ এবং কস্টসাধ্য ব্যাপার এবং অনেক সময় ডাটাগুলো রিকোভারিও করা যায় না। ব্যাকআপ থাকলে নতুন হার্ড ড্রাইভে আপনি ডাটাগুলো ট্রান্সফার করে নিতে  পারবেন। আজকের পোষ্টে কি কি কারণে হার্ড ড্রাইভ ফেইল বা নস্ট হয়ে যায় সেগুলো নিয়ে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো।

হার্ড ড্রাইভ সম্পর্কে বেসিক তথ্যাবলি

হার্ড ড্রাইভ বা হার্ডড্রাইভের নস্ট হবার কারণগুলো জানার আগে আমাদের কে হার্ডড্রাইভ কিভাবে কাজ করে সেটা জানতে হবে। উল্লেখ্য যে আমরা আজকে হার্ড ড্রাইভ নিয়ে কথা বলছি; SSD বা সলিড স্টেট ড্রাইভ নিয়ে নয়। হার্ডডিস্ক বা হার্ড ড্রাইভ গুলো সাধারণত অনান্য স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর থেকে সাইজে তুলনামূলক ভাবে একটু বড় হয় এবং এগুলোতে ম্যাগনেটিক ধাঁচের স্টোরেজ মিডিয়া ব্যবহার করা হয়ে থাকে। Rigid Platter গুলোকে ম্যাগনেটিক স্টোরেজ মিডিয়া ব্যবহারের কারণে আমরা হার্ড ড্রাইভগুলোকে অনান্য স্টোরেজ মিডিয়ার থেকে অনেক বেশি ডাটা স্টোর করে রাখতে পারি।

একটি হার্ডড্রাইভে কয়েকটি মূল অংশ থাকে। এগুলো হচ্ছে কেইস, ড্রাইভ মোটর, প্ল্যাটার, ড্রাইভ হেডস এবং একটি লজি বোর্ড। পুরো হার্ডড্রাইভকে ধুলাবালি থেকে মুক্ত রাখার জন্য শক্তিশালি কেইস ব্যবহার করা হয়ে থাকে; এছাড়াও কোনো কারণে হার্ড ড্রাইভটি হাত থেকে পড়ে গেলেও শক্ত কেইসের কারণে হার্ড ড্রাইভের মূল কম্পোনেন্টগুলোতে তেমন কোনো ক্ষতি হয় না।

ড্রাইভ মোটরের কাজ হচ্ছে ড্রাইভকে চক্রাকারভাবে ঘুরানো যাতে প্ল্যাটার থেকে ডাটাগুলো হার্ড ড্রাইভ রিড করতে পারে। একটি হার্ড ড্রাইভের মোটর যত দ্রুতগতিতে ঘুরতে পারে; উক্ত হার্ড ড্রাইভের ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড ততটাই বেশি হয়ে থাকে। প্ল্যাটারের কাজ হচ্ছে ম্যাগনেটিক ডাটাগুলোকে সংষ্করণ করে রাখা, এই ম্যাগনেটিক ডাটাগুলোর ভিতরে আসল ডাটাগুলো থাকে। আর প্ল্যাটারে ডাটাগুলোকে রিড এবং রাইট (read & write) কাজটি ড্রাইভ হেড করে থাকে। এবং সবর্শেষে  লজিক বোর্ড এর কাজ হচ্ছে একটি ড্রাইভের ইন্টারফেসকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ড্রাইভের সাথে বাকি কম্পিউটার সিস্টেমের সংযোগ করিয়ে দেওয়া।

তাছাড়া আরো নিখুদ বিস্তারিত এক্সপ্লেনেশন চাইলে, এই আর্টিকেলটি পরতে পারেন; “হার্ডড্রাইভ কীভাবে কাজ করে?

হার্ড ড্রাইভের কমন ফেইলসমূহ

হার্ড ড্রাইভের সবথেকে কমন একটি ফেইল হচ্ছে “head crash” । হেড ক্রাশে একটি হার্ড ড্রাইভের ড্রাইভ হেড ডিস্কের প্ল্যাটারের সাথে লেগে যায়। মানে প্ল্যাটারের সাথে ড্রাইভ হেডের সংর্ঘষ হয়। আর সেটা হলে ডিক্সের ম্যাগনেটিভ মিডিয়াগুলো ড্রাইভ হেডের কারণে প্ল্যাটার থেকে মুছে যায় এবং এ কারণে একটি হার্ড ড্রাইভের ড্রাইভ হেড নস্ট হয়ে যায়। আর ড্রাইভ হেড নস্ট হয়ে গেলে বা এই “head crash” ফেইলের কোনো সহজ রিকোভারি সিস্টেম নেই। হেড ক্রাশযুক্ত হার্ড ড্রাইভ থেকে নস্ট হয়ে যাওয়া ডাটা উদ্ধার করা বেশ কষ্টসাধ্য একটি ব্যাপার।

আরেকটি কমন ফেইল হচ্ছে ব্যাড সেক্টর। একটি হার্ড ড্রাইভের ব্যাড সেক্টর এরিয়াতে কোনো ডাটা রাখা যায় না এবং ব্যাড সেক্টর হবার আগে সেখানে কোনো ডাটা থাকলে সেটা নস্ট হয়ে যায়। যেমন ২৫০ গিগাবাইট একটি হার্ড ড্রাইভ চালাতে চালাতে আপনি এক সময় হিসেব করে দেখলেন যে টোটাল ব্যবহারযোগ্য জায়গার পরিমাণ ২২০ গিগাবাইট। তাহলে বুঝবেন যে বাকি স্টোরেজগুলো ব্যাড সেক্টরের মধ্যে চলে গিয়েছে।

এই সমস্যাটি হার্ড ড্রাইভের ম্যাগনেটিড মিডিয়ার জন্য হয়ে থাকে। যখন একটি ডিক্সের ম্যাগনেটিক মিডিয়া থেকে ডাটাগুলো ডিক্সের নির্দিষ্ট সেক্টরে কম্পিউটার রিড/ রাইট করতে পারে না তখন ব্যাড সেক্টরের উৎপত্তি ঘটে। হার্ড ড্রাইভ ম্যানুফেকচার করার সময় থেকেই সেখানে ব্যাড সেক্টরের উপস্থিতি  থাকে। তাই একটি ২৫০ জিবি বা ৫০০ জিবি বা যেকোনো সাইজের হার্ড ড্রাইভের সম্পূর্ণ স্টোরেজ সাইজগুলো আমরা ব্যবহার করতে পারি না।

যেমন ২৫০ জিবি হার্ড ড্রাইভ পিসিতে লাগানোর পর আপনি হয়তো দেখবেন ২৪৫ বা ২৪৬ জিবি স্টোরেজ দেখাচ্ছে, ৫০০ জিবি হার্ড ড্রাইভ পিসিতে লাগানোর পর আপনি হয়তো দেখবেন ৪৮৮ জিবি বা ৪৯০ জিবি স্টোরেজ দেখাচ্ছে ইত্যাদি। সময়ের সাথে সাথে হার্ড ড্রাইভ ব্যবহারের জন্য এই ব্যাড সেক্টরের পরিমাণ খুবই নগন্য হারে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। যেমন এক হার্ড ড্রাইভ ১৪/১৫ বছর ব্যবহার করার পর আপনি দেখলেন যে ২৫০ জিবির স্টোরেজের স্থানে আপনি মাত্র ৮০/৭০ জিবি স্টোরেজ ব্যবহার করতে পারছেন!

যেসকল হার্ড ড্রাইভের প্ল্যাটারগুলো “glass” দিয়ে তৈরি করা হয় সেগুলোতে অতিরিক্ত বিদ্যুতিক হিটের কারণে এই প্ল্যাটারগুলো ভেঙ্গে যাবার সম্ভবনা থাকে। আর প্ল্যাটার ভেঙ্গে গেলে হার্ড ড্রাইভের ম্যাগনেটিক ডাটা রিড রাইট কার্যক্রম ব্যহত হয়ে যায় এবং ফলাফল স্বরুপ পুরো হার্ড ড্রাইভটি নস্ট হয়ে যায়। উন্নত বিশ্বে কম্পিউটারগুলো সাধারণত এসিযুক্ত রুমে থাকে এবং সেসকল দেশগুলো ঠান্ডাপ্রধান দেশ হওয়ায় গ্লাস দিয়ে প্ল্যাটার তৈরি করা হতো। তবে বর্তমানে হার্ড ড্রাইভ ম্যানুফেকচাররা অন্য মেটারিয়াল দিয়ে প্ল্যাটার বানাচ্ছেন।

অন্যদিকে আপনার হার্ড ড্রাইভের লজিক বোর্ডে যদি কোনো ইলেক্ট্রিক্যাল সমস্যা ঘটে তাহলে ড্রাইভের নির্দিষ্ট কিংবা সকল ডাটাগুলো unreadable বা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যেতে পারে। কম্পিউটার সিস্টেম এবং হার্ড ড্রাইভের মাঝে লজিক বোর্ড সঠিক ভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে না পারলে এই সমস্যাটি ঘটে থাকে।

হার্ড ড্রাইভের বর্তমান অবস্থা

অতীতে সকল হার্ড ড্রাইভে MTBF লেবেলের একটি সময়কাল দিয়ে রাখা হতো। MTBF এর মানে হচ্ছে Mean Time Between Failure; আর এই সময়কালের মধ্যে একটি হার্ড ড্রাইভের ফেইল হবার সম্ভাবনা ৫০% থাকে এবং সময়কালের পরবর্তীতে ৫০% থাকে। এই MTBF মাধ্যমে একটি হার্ড ড্রাইভ কতটুকু সময় টিকে থাকবে সে সম্পর্কে একজন ব্যবহারকারী ধারণা নিতে পারতেন। তবে বর্তমানে কনজিউমার লেভেলের হার্ড ড্রাইভগুলো থেকে এই MTBF স্ট্যার্ন্ডাডটি তুলে নেওয়া হয়ে তাই বর্তমানে MTBF স্ট্যার্ন্ডাডটি আপনি শুধুমাত্র এন্টারপ্রাইজ লেভেলের হার্ড ড্রাইভগুলোতে পাবেন।

অন্যদিকে হার্ড ড্রাইভের সাইজ গত কয়েক বছরে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হার্ড ড্রাইভের সাইজ বাড়ার সাথে সাথে ডিক্সের ব্যবহৃত প্ল্যাটারের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। হার্ড ড্রাইভের স্টোরেজ সাইজ বৃদ্ধি পেলেও একটি হার্ড ড্রাইভের বাস্তবিক ফিজিক্যাল কিন্তু বৃদ্ধি পায় নি বরং সেটা একই রয়েছে। একই সাইজের হার্ড ড্রাইভে অতীতে যেখানে ২ বা ৩টি প্ল্যাটার ব্যবহার করা হতো সেখানে অতিরিক্ত স্টোরেজ সুবিধা (৫০০ জিবি কে ১ টেরাবাইট ইত্যাদি) দেওয়া জন্য সেখানে ৪টি প্ল্যাটার ব্যবহার করা হচ্ছে। একই স্থানে বেশি পরিমাণ প্ল্যাটার ব্যবহারের কারণে এদের মধ্যে সংর্ঘষ হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

আর একটি জিনিস খেয়াল করলে দেখবেন যে ২০১০ বা ২০১১ সালের দিকে হার্ড ড্রাইভের স্টোরেজ সাইজ কম হলেও সেখানে নূন্যতম ৩ বছরের ওয়ারেন্টি পাওয়া যেত। আর বর্তমানে বাজারে নতুন হার্ড ড্রাইভ কিনতে গেলে আপনি দেখবেন যে ১ বছরের ওয়ারেন্টি দেওয়া থাকে।

হার্ড ড্রাইভ ফেইল হলে করণীয়

সবসময় মনে রাখতে হবে অনান্য কম্পিউটার যন্ত্রপাতির মতো হার্ড ড্রাইভও একটি ইলেক্ট্রিক্যাল জিনিস। আর একটি ইলেক্ট্রিক্যাল জিনিস ব্যবহার করুন বা না করুন যেকোনো সময়ই নস্ট হয়ে যেতে পারে। হার্ড ড্রাইভ ফেইল প্রতিরোধের ১০০% কোনো সঠিক সমাধান নেই। ইলেক্ট্রিক্যাল জিনিস নস্ট হবেই এটা গ্যারান্টিড। আমরা হার্ড ড্রাইভ ফেইল প্রতিরোধ করতে না পারলেও ডাটাগুলো যথাস্থানে ব্যাকআপ রেখে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে পারি।

হার্ড ড্রাইভ নস্ট হলে বা ফেইল হলে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় এর সংরক্ষিত ডাটাগুলো। হার্ড ড্রাইভে আপনার গুরুত্বপূর্ণ কোনো ডাটা থাকলে সেটা হার্ড ড্রাইভ নস্ট হবার সাথে সাথে সেগুলোও নস্ট হয়ে যায়। আর একটি নস্ট হার্ড ড্রাইভ থেকে ডাটা উদ্ধার করা বেশ খরচ সাপেক্ষ এবং সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। আবার অনেক সময় নস্ট হার্ড ড্রাইভ থেকে কোনো ভাবেই ১০০% সঠিক ডাটা উদ্ধার করা যায় না।

তাই আমাদের করণীয় হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ডাটাগুলোর কয়েকটি ব্যাকআপ করে রাখা। আর সম্ভব হলে আপনি ক্লাউড সিস্টেমে ডাটাগুলো ব্যাকআপ করে রাখুন, এতে হার্ড ড্রাইভ নস্ট হয়ে গেলেও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড থেকে পরবর্তীতে ডাটাগুলো আপনি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

আরেকটি প্রতিকার হচ্ছে একটু দাম বেশি নিলে পিসি আপগ্রেড করার সময় বা নতুন পিসি কেনার সময় উন্নত ব্রান্ডের উন্নত কোয়ালিটির হার্ড ড্রাইভ কিনুন। টেকনোলজি প্রতিনিয়তই আপগ্রেড হচ্ছে এবং আপগ্রেডেড জিনিসগুলো পুরোনো জিনিসের থেকে দামে একটু বেশিই হবে। সম্ভব হলে সরাসরি সলিড স্টেট ড্রাইভে পিসিকে আপগ্রেড করে ফেলুন।

আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে আপনি পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভ ব্যবহার করুন। একটি সাধারণ হার্ড ড্রাইভের থেকে পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভের ফেইল হবার চান্স অনেক কম থাকে। পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভগুলোতে উন্নত টেকনোলজি দেওয়া থাকে বিধায় এগুলো তুলনামূলকভাবে কম নস্ট হয়ে থাকে। এছাড়াও পেনড্রাইভের মতো একটি পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভে শুধুমাত্র ডাটা স্টোর করার সময় ব্যবহৃত হয় বিধায় বা তুলনামূলক কম ব্যবহার করা হয় বিধায় এগুলো বেশিদিন টেকসই হয়ে থাকে।


ইলেক্ট্রিক্যাল ফেইলের উপর আমাদের কোনো হাত নেই, তাই এগুলো প্রতিকারে আমরা কিছু না করতে পারলেও হার্ড ড্রাইভ সুস্থ রাখার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ আমরা নিতে পারি। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে হার্ড ড্রাইভকে অতিরিক্ত হিট হতে না দেওয়া। ব্যবহার করার সময় হার্ড ড্রাইভ যাতে গরম না হয় এর জন্য উন্নত মানের কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করুন এবং সম্ভব হলে এসিযুক্ত রূমে কম্পিউটার ব্যবহার করুন।

ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ হলে হার্ড ড্রাইভ ব্যবহারে একটু সর্তক হন; একই সাথে একাধিক কাজ করবেন না (যেমন বড় ফাইল কপি দিলেন আবার ব্যাকগ্রাউন্ডে অনান্য কাজ চালিয়ে গেলেন) এবং সম্ভব হলে ওয়ারেন্টি পিরিয়ড শেষ হলে নতুন হার্ড ড্রাইভ কিনে নিন!

ওয়ারেন্টি সময়কালের মধ্যেও হার্ড ড্রাইভ নস্ট হয়ে যেতে পারে তাই সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ডাটাগুলোর একাধিক ব্যাকআপ রাখুন আর ক্লাউড স্টোরেজে আপনার একসেস থাকলে অবশ্যই ক্লাউড স্টোরেজে ডাটাগুলোর নিয়মিত ব্যাকআপ রাখতে ভুলবেন না যেন!



WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

Image: Shutterstock

যান্ত্রিক এই শহরে, ভিডিও গেমসের উপর নিজের সুখ খুঁজে পাই। যার কেউ নাই তার কম্পিউটার আছে! কম্পিউটারকে আমার মতো করে আপন করে নিন দেখবেন আপনার আর কারো সাহায্যের প্রয়োজন হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *