স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ : কতোটা শক্তিশালী? কতোটা আপগ্রেড উপযোগী?

প্রতি বছর স্মার্টফোনগুলো আগের থেকে দ্রুতগতির এবং শক্তিশালি হয়ে উঠছে। ২০১৬ সালে মানে ২ বছর আগের স্মার্টফোনগুলো বর্তমানের মানে ২০১৮ সালের স্মার্টফোনের কাছে তুলনা করলে বেশ পার্থক্য আপনি পেয়ে যাবেন। মানে বর্তমান যুগে কোনো স্মার্টফোন কিনলে সেটা সবোর্চ্চ বছরখানেক আপনি চালাতে পারবেন, বছরখানেকের মধ্যেই আপনি দেখবেন যে এর থেকেও আরো উন্নত এবং আপগ্রেডেড স্মার্টফোন বাজারে চলে এসেছে। কম্পিউটারের মতোই একটি স্মার্টফোনের মূল পারফরমেন্স নির্ভর করে তার প্রোসেসরের উপর। আজকে স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ নিয়ে কথা বলবো।

আর স্মার্টফোনে সবথেকে বেশি ব্যবহৃত প্রোসেসর ব্র্যান্ড টি হচ্ছে স্ন্যাপড্রাগন (snapdragon) । আজকের পোষ্টে আমি কথা বলবো Qualcomm Snapdragon প্রোসেসর ফ্যামিলির সবর্শেষ আপগ্রেড স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ কে নিয়ে। গত বছর মানে ২০১৭ সালে স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ তে কিন্তু পাওয়ারের থেকে ব্যাটারি লাইফের দিকে বেশি নজর দিয়েছিলো কোম্পানি। তাই লক্ষ্য করলে দেখবেন যে স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপযুক্ত স্মার্টফোনগুলোতে অনান্যদের থেকে একটু বেশি ব্যাটারি লাইফ রয়েছে। তবে আজ আমি স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ নিয়ে কথা বলতে আসিনি, আজ এসেছি ৮৪৫ কে নিয়ে কথা বলতে।

নতুন স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ কতটা ফাস্ট?

সাধারণত কম্পিউটারে বা স্মার্টফোনে যেখানেই আপনি যান না কেন নতুন প্রোসেসর আসলে আমাদের মতো আমজনতা প্রথমেই যেটা দেখে সেটা হলো প্রোসেসরে গতি (speed) কত। স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রোসেসরেও এটা কোনো ব্যতিক্রম হয় নি। স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রোসেসরে রয়েছে ৮ কোর বিশিষ্ট Kryo 385 সিপিইউ যার সর্বোচ্চ স্পিড 2.8GHz পর্যন্ত উঠতে পারে; এবং চিপটির গ্রাফিক্স প্রোসেসর হিসেবে রয়েছে Adreno 630 ।

চিপটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালকম (Qualcomm) এর ভাষ্যমতে নতুন এই ৮৪৫ চিপটি সিরিজের আগের চিপটির থেকে (৮৩৫) ২৫% বেশি ফাস্ট হবে। তার মানে হলো ৮৩৫ এর থেকে দ্রুতগতির অ্যাপ লাঞ্চ, স্মুথ পারফরমেন্স এবং গ্রাফিক্স এর আপগ্রেড আমরা পেয়ে যাবো ৮৪৫ চিপটিতে।

স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫

উপরের বেঞ্চমার্ক ছবিতে লক্ষ্য করুন। এখানে স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ যুক্ত samsung galaxy s9+ ডিভাইসটির স্কোর হচ্ছে ৮,২৯৫। যা Kirin 970 যুক্ত Huawei Mate 10 Pro এর থেকে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। কিন্তু এখানে অ্যাপলের আইফোন এক্স সবার থেকে এগিয়ে রয়েছে, কারণ আইফোন এক্স ডিভাইসে রয়েছে সুপার ফাস্ট A11 Bionic প্রোসেসর। তবে আজকের পোষ্টে অ্যাপলের তারিফ করতে আসি নি! যাই হোক!

ক্যামেরা প্রোসেসর?

স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপসেটে Spectra 820 ইমেজ সিগন্যাল প্রোসেসর দেওয়া রয়েছে। এটি প্রতি সেকেন্ডে ১৬ মেগাপিক্সেলের ৬০টি ছবি তুলতে পারে। প্রতি মিনিটে নয় প্রতি “সেকেন্ডে”! এছাড়াও এই প্রোসেসরটি 480 ফ্রেমস প্রতি সেকেন্ড রেটে হাই ডেফিনেশন Slow-motion ভিডিও ক্যাপচার করতে পারে।

এই ইমেজ সিগন্যাল প্রোসেসর Spectra 820 সম্পর্কে কোয়ালকম বলছে যে এটা সিরিজের আগের সকল ডিভাইসের থেকে 64x বেশি হাই-ডাইনামিক রেঞ্জ কালার ইনফরমেশন ক্যাপচার করতে পারবে। এই প্রোসেসরে দেওয়া হয়েছে multi-fram noise reduction ফিচার যেটা গুগল তাদের HDR+ মোডে ব্যবহার করে থাকে। এর মাধ্যমে কম আলোতে আরো উন্নত মানের ছবি তোলা যায়।

স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপের মোডেম

সিরিজের আগের চিপ ৮৩৫তে ব্যবহৃত হয়েছিলো X16 মোডেম। আর এবারের স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপে মোডেম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে X20 কে। এই মোবাইল মোডেমটি Gigabit LTE প্রযুক্তির 1000 Mbps পর্যন্ত স্পিড ডেলিভার দিতে পারবে। মানে যে সকল মোবাইল নেটওর্য়াক এই প্রযুক্তিটি সার্পোট করে সেখানে আপনি এই স্পিড পর্যন্ত পেতে পারেন। গত বছরের X16 মোডেমটি গ্যালাক্সি নোট ৮ ডিভাইসে Ookla স্পিডটেস্ট অ্যাপে 673 Mbps স্পিড পর্যন্ত নিয়ে যেতে পেরেছিলো।

স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপের ফিচার সমূহঃ

কোয়ালকম গত বছরের ডিসেম্বরে (২০১৭) এই নতুন স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপটি উন্মোচন করেছিলো। এবার আসুন এক নজরে দেখে নেই এই চিপের সকল ফিচারসমূহকে:

ক) উন্নত AI সার্পোট: বর্তমানে স্মার্টফোনে “smart assistants” ফিচারটি দিন দিন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। মানে স্মার্টফোনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভিক্তিক ফিচারগুলো দিন দিন স্মার্টফোনে দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর নতুন স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপটি এই AI টেকনোলজিকে আরো উন্নত এবং আপগ্রেড ভাবে সার্পোট করবে যা রিমোট সার্ভারের উপর চাপ অনেকাংশে কমিয়ে দেবে এবং on-device AI প্রসেসিংকে আরো দ্রুততর করে তুলবে।

খ) দ্রুততর স্পিড: স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপে রয়েছে Cortex-A75 এবং Cortex-A55 কোরযুক্ত Kryo 385 সিপিইউ। সেখানে আপনি সবোর্চ্চ ক্লক স্পিড পাবেন 2.8GHz । এই দুটি কোরের একটি আপনাকে শক্তিশালি পারফরমেন্স উপহার দিবে অন্যটি আপনাকে দেবে স্পিডের সঠিক ভারসাম্য। আর পারফরমেন্স ও গ্রাফিক্সের ব্যাকআপ দেবার জন্য এখানে রয়েছে Adreno 630 GPU ।

গ) উন্নত ছবি: আগেই বলেছি ৮৪৫ চিপটিতে রয়েছে একদমই নতুন সেকেন্ড জেনারেশনের Spectra 820 ইমেজ সিগন্যাল প্রোসেসর। এখানে রয়েছে উন্নত এবং আপগ্রেডেড multi-frame noise reduction ফিচার (যা Google Pixel 2 ডিভাইসের HDR+ মোডের মতোই) ।

ঘ) উন্নত VR/AR সার্পোট: স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপটি বর্তমান যুগের সবথেকে উন্নত VR/AR প্রযুক্তি সার্পোট করবে। এই চিপযুক্ত একটি স্মার্টফোনে আপনি VR হেডসেট দিয়ে সবোর্চ্চ 2K x 2K রেজুলেশনের 120FPS গতির মজা উপভোগ করতে পারবেন।

ঙ) দ্র্রুতগতির ডাউনলোড স্পিড: নতুন মোবাইল মোডেম ৮৪৫ চিপে ব্যবহার করায় এতে আপনি মোবাইল নেটওর্য়াকে সবোর্চ্চ 1.2Gbps গতির ডাউনলোড স্পিড পাবেন।

চ) আপগ্রেডেড সিকিউরিটি: স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপে ব্যবহার করা হয়েছে নতুন কোয়ালকম সিকিউর প্রসেসিং ইউনিট যেটা আপনার ব্যক্তিগত ডাটাগুলোকে ব্যাংকের ভল্টের মতো নিরাপত্তা প্রদান করতে সক্ষম। এছাড়াও এই চিপযুক্ত স্মার্টফোনগুলোতে বায়োমেট্রিক ডাটা জাতীয় সিকুরিটিকে আরো উন্নতভাবে ব্যবহার করার ব্যবস্থা রয়েছে।

স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপের উল্লেখযোগ্য স্মার্টফোনসমূহ:

এবার আসি আসল কথায়। স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপটি আপনি কোনো স্মার্টফোন ছাড়াই তো আর ব্যবহার করতে পারছেন না! স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপটির স্বাদ নিতে হলে আপনাকে এ বছরের টপ লিস্টের কিছু ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস সহ উচ্চতর বাজেটের স্মার্টফোনের দিকে যেতে হবে। মানে আপনার পকেটে ৫০০ থেকে ১০০০ মার্কিন ডলার বা কমপক্ষে ৪০ হাজার বাংলাদেশি টাকা থাকতে হবে যদি এই চিপযুক্ত স্মার্টফোনগুলো কিনতে চান । স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপের উল্লেখযোগ্য স্মার্টফোনগুলো হচ্ছে:

১) স্যামসং গ্যালাক্সি এস ৯ এবং এস ৯ +

এখানে কিছু কথা বলার রয়েছে। স্যামসং গ্যালাক্সি এস ৯ এবং এস ৯+ হচ্ছে রিলিজের সময় দিক থেকে প্রথম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ যুক্ত ডিভাইস। ডিভাইসগুলোর গ্লোবাল সংস্করণে আপনি স্যামসংয়ের নিজস্ব Exynos 9 Series 9810 চিপ পাবেন কিন্তু ডিভাইসগুলোর US সংস্করণে ব্যবহৃত হয়েছে Snapdragon 845 চিপটি।

২) সনি এক্সপেরিয়া XZ2, XZ2 Compact এবং XZ2 Premium

সনি এক্সপেরিয়া ব্র্যান্ডের XZ2 সিরিজে আপনি পাবেন স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপটিকে। আর এই সিরিজের ফোনগুলো আগেরগুলোর থেকে বেশ আলাদা। XZ2 এবং XZ2 Compact ডিভাইস দুটোই রয়েছে HD+ ডিসপ্লে। আর XZ2 Premium ডিভাইসে রয়েছে 4K রেজুলেশনের বড় ডিসপ্লে এবং বৃহৎ ব্যাটারী সার্পোট। XZ2 এবং XZ2 Compact ডিভাইসে আপনি পাবেন ১৯ মেগাপিক্সেলের রেয়ার ক্যামেরা এবং অন্যদিকে XZ2 Premium ডিভাইসের পাবেন দুটি রেয়ার ক্যামেরা!

৩) LG G7 ThinQ এবং V35 ThinQ

এলজি ব্র্যান্ডের স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ যুক্ত ফ্ল্যাগশীপ ডিভাইস G7 ThinQ তে আপনি পাবেন ৬.১ ইঞ্চির QHD+ (3120 x 1440) ডিসপ্লে। এখানে আইফোন এক্স এর মতো নাক যুক্ত ডিসপ্লে রয়েছে (notch কে আদর করে নাক বললাম!) । ThinQ কে কিন্তু Thin – Q হিসেবে উচ্চারণ করতে হয় (think এর মতো না) । আর আপনার যদি নাক (notch) পছন্দ না হয় তাহলে চলে আসতে পারেন V34 ThinQ ডিভাইসটিতে। এখানে আপনি পাবেন OLED স্ক্রিন। দুটি ডিভাইসের আপনি পাচ্ছেন স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রোসেসর চিপ।

৪) ওয়ানপ্লাস ৬

তুলনামূলক ভবে কম বাজেটে টপ কনফিগারেশনের স্মার্টফোন কেনার জন্য লোকজন মূলত ওয়ানপ্লাস ব্র্যান্ডের ডিভাইসগুলোর দিকে ইন্টাররেস্টেড থাকে। এবছরের ওয়ানপ্লাস ৬ ডিভাইসেও তার কোনো ব্যতিক্রম নেই। ডিভাইসে স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপ ছাড়াও আপনি পাবেন 2280 x 1080 AMOLED ডিসপ্লে, মডেল ভেদে ৬ থেকে ৮ গিগাবাইট র‌্যাম এবং ৬৪ থেকে ২৫৬ গিগাাবাইটের স্টোরেজ, ২০ এবং ১৬ মেগাপিক্সেলের পেছনের ক্যামেরা। আইফোন এক্সের মতোই ডিসপ্লের উপরে পাবেন নচ (মানে নাক আরকি!), ডিভাইসের সামনের দিকের ফ্রেমটি মেটাল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবং পেছনের অংশটি তৈরি করা হয়েছে গোরিলা গ্লাস দিয়ে।

৫) HTC U12+

HTC U12+ হচ্ছে আসলেই একটি ইউনিক ফোন। স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপ ছাড়াও ডিভাইসটিকে স্পেশাল ফিচার হিসেবে পাচ্ছেন “কোনো ফিজিক্যাল বাটন নাই!” !! মানে ডিভাইসটিতে চাপার মতো কোনো বাটন আপনি পাবেন না; বরং ডিভাইসতে ব্যবহার করা হয়েছে pressure-sensitive বাটন যা ট্যাকটিক্যাল ফিডব্যাক আপনাকে দেবে।

৬) অনান্য ডিভাইস:

উপরের ডিভাইসগুলো হলো স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপযুক্ত মেজর স্মার্টফোন। এগুলো ছাড়াও এ বছরের শেষের দিকে আরো বেশ কয়েকটি ৮৪৫ চিপওয়ালা ডিভাইস আসতে যাচ্ছে। যেমন গুগলের আসন্ন Pixel 3 ডিভাইসে ৮৪৫ চিপ থাকবে। শাওমি (xiaomi) ব্র্যান্ডের Mi Mix 2S ডিভাইসে আপনি পাবেন ৮৪৫ চিপ, Asus এর ZenFone 5Z ডিভাইসেও আপনি পাবেন ৮৪৫ চিপ। এছাড়াও ৮৪৫ চিপের সকল স্মার্টফোনকে জানতে হলে চলে যান অফিসিয়াল কোয়ালকম সাইটে: https://www.qualcomm.com/845-devices

আপনার কি স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপে আপগ্রেড করা উচিত?

পোষ্টের একদম শেষে চলে এলাম। আর শেষের দিকে এসে আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে আমার কি এই চিপের স্মার্টফোনগুলোতে আপগ্রেড করা উচিত? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর আমার কাছে নেই। কারণ এটা সম্পূর্ণ আপনার উপরই নির্ভর করে। এটি হচ্ছে আপনার ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল। তবে আপনার বর্তমান ডিভাইসটি যদি স্ন্যাপড্রাগন ৮৩৫ চিপের হয় তাহলে এখানে আমি বলতে পারি যে আপনার স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ এ আপগ্রেড করার প্রয়োজন পড়বে না। হ্যাঁ আপনার ৮৩৫ থেকে ৮৪৫ কিছুটা ফাস্ট হবে কিন্তু “অতটা” ফাস্ট হবে না।

আপনি যদি বেশ পুরোনো মডেলের স্মার্টফোন ব্যবহার করেন এবং বাজেটে যদি ৪০ হাজার টাকার বেশি পকেটে থাকে তাহলে আপনি চলে আসতে পারেন স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপের স্মার্টফোনের এরিয়াতে! স্ন্যাপড্রাগনের পরবর্তী আপকামিং চিপ ৮৫৫টি আগামী বছরের শেষে আসবে মানে এখন ৮৪৫ চিপের ফোন কিনে আপনি নিশ্চিন্তে দেড় / দুই বছর কোনো টেনশন ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন।


WiREBD এখন ইউটিউবে, নিয়মিত টেক/বিজ্ঞান/লাইফ স্টাইল বিষয়ক ভিডিও গুলো পেতে WiREBD ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুণ! জাস্ট, youtube.com/wirebd — এই লিংকে চলে যান এবং সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুণ!

Image Credit : Production Perig Via Shutterstock

ফাহাদ
যান্ত্রিক এই শহরে, ভিডিও গেমসের উপর নিজের সুখ খুঁজে পাই। যার কেউ নাই তার কম্পিউটার আছে! কম্পিউটারকে আমার মতো করে আপন করে নিন দেখবেন আপনার আর কারো সাহায্যের প্রয়োজন হবে না।