বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ । সেরা মজার সব বুদ্ধির ধাঁধা

বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ । সেরা মজার সব বুদ্ধির ধাঁধা

বাংলা ধাঁধার সঙ্গে কমবেশি সকলেই পরিচিত। ধাঁধা পছন্দ করেন নাই এমন মানুষ খুজে পাওয়া যাবে না। ধাঁধাঁ মানেই বুদ্ধির খেলা। ধাঁধা মানুষের বিনোদনের এক উল্লেখযোগ্য শাখা। এই ধাঁধা অনেক রকমের হয়ে থাকে যেমন, মজার জোকস বা চুটকির ধাঁধা, গণিতের ধাঁধা ইত্যাদি।

প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানের ভান্ডার হলো এই ধাঁধা। যার মূল উপকরণ দৈনন্দিন জীবনের ও সমাজের নানা উপাদান। আজকের আর্টিকেলে আপনাদের জন্য নিচে বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ তুলে ধরা হলো। তো আসুন দেখে নেই, ধাঁধা উত্তর সহ।

বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ

বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ

ধাঁধা মস্তিষ্কের অন্যতম একটি ব্যায়াম। হঠাৎ কোনো প্রস্তুতি ছাড়া যেকোনো বিষয়ে যুক্তির ক্ষমতা এবং উপস্থিত বুদ্ধি প্রকাশ পায় ধাধার সঠিক উত্তর বলার মাধ্যমে। সময়ে অসময়ে সুযোগ পেলেই আমরা মেতে উঠি ধাঁধাঁ এর মজা নিয়ে। আজকের ধাঁধা গুলি আপনাকে এবং আপনার মস্তিষ্ককে পরিষ্কার করবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ।

ব্রেকফাস্ট করার সময় আপনি কি কি খেতে পারবেন না?
উত্তরঃ লাঞ্চ/ডিনার।

পড়াশোনায় দিচ্ছো না তো ফাঁকি , বলতো আড়াইশো থেকে পাঁচ পঞ্চাশ গেলে কত থাকে বাকি?
উত্তরঃ কিছুইনা/শুন্য।

সবার কাছেই রয়েছে, কারোর খুব ছোট কারোর অনেক বড় – বলো তা কি?
উত্তরঃ মন।

কোন প্রশ্নের উত্তরে কখনো হ্যাঁ বলা যায় না?
উত্তরঃ ঘুমিয়ে আছেন?

কোন কার চলে না?
উত্তরঃ কুকার।

কোন রুমের দরজা নেই?
উত্তরঃ মাশরুম।

বাবার নাম কারেন্ট, মায়ের নাম বিজলি, ছেলের নাম বিদ্যুৎ, মেয়ের নাম মিটার, তাহলে মেয়ের শাশুরি নাম কি হবে?
উত্তরঃ লোডশেডিং।

কাকে দুই বার ডাকলে সে মেয়ে থেকে ছেলে হয়ে যায়। সে কে?
উত্তরঃ মামা।

কোন বিদেশি ভাষা? নাম চার অক্ষরে, দ্বিতীয় কেটে দেখ জলে বাস করে।
উত্তরঃ ইংলিশ।

কোন প্রশ্ন যার উত্তর সব সময় পরিবর্তিত হতে থাকে?
উত্তরঃ কয়টা বাজে!

দাদু ছাতা না নিয়ে বৃষ্টিতে বেড়াতে গেলেন কিন্তু চুল ভিজেনি। এটা কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃ কারণ দাদুর মাথায় চুল নেই।

কোথায় পড়া অনেক সহজ কিন্তু সেখান থেকে বেরিয়ে আসা অনেক কঠিন?
উত্তরঃ ঝামেলায়/প্রেমে।

কোন রাজধানী পাট ছাড়া?
উত্তরঃ পাটনা।

তিনটি অক্ষরের জন্যে সকলের মন ছটখট করে প্রথম অক্ষর কেটে দাও, কুমারীদের মন কেমন করে।
উত্তরঃ খবর।

তিন অক্ষরের নাম তার, জলে বাস করে মাঝের অক্ষর কেটে দিলে, নারী অঙ্গে পরে।
উত্তরঃ হাঙ্গর।

তিন অক্ষরে নাম মোর সবাই পূজা দেয় মাঝের অক্ষর ছেড়ে দিলে, সর্বলোকে খায়।
উত্তরঃ কমলা।

তিন অক্ষরের শব্দে ভয় প্রতিটি বৌয়ের দ্বিতীয় অক্ষর বাদে নাম হয় যমুনের।
উত্তরঃ ননদের।

তিন অক্ষরের একটি নাম গুড়ুম আওয়াজ তোরে মাঝের অক্ষর বাদ দিলে খেয়ো জ্বর হলে।
উত্তরঃ পিস্তল।

তিন অক্ষরের নামের ওপর হয় যে লেখাপড়া মাঝের অক্ষর বাদ দিয়ে চাকরি-ব্যবসা করা।
উত্তরঃ কাগজ।

কোন ডিম দেখা যায় না?
উত্তরঃ ঘোড়ার ডিম।

কোন বরের গায়ে গন্ধ?
উত্তরঃ গোবর।

মায়ের দুধ খায় না। মায়ের পাছ ছাড়ে না।
উত্তরঃ মুরগির ছানা।

পিটার সারা দিন খাটে, তবুও উন্নতি করতে পারে না কেন?
উত্তরঃ খাটে বলতে বিছানায় বোঝানো হয়েছে

তিন অক্ষরে নাম তার খেলার মাঠে পাবে, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে কোন দেশের নাম হবে।
উত্তরঃ শচিন।

কি সে বস্তু যার মধ্যে অনেক ছিদ্র থাকা সত্ত্বেও সে জল কে ধরে রাখে।
উত্তরঃ স্পঞ্জ।

কোন জিনিস কাঁচা খায়, পাকা খায়, খাওয়া শেষে ফেলে দেয়, কিন্তু সে জিনিস আবার কুড়িয়ে খায়।
উত্তরঃ তাল।

তিন বর্ণে নাম কার ফুলে ফলে ভরা, মাথা কাটলে গান শুনি প্রাণ আকুল করা, পেট কাটলে বন্যা হয় দেশ ভাসায়ে দেয়, বলো দেখি ভাইবোনেরা কিবা তাকে কয়?
উত্তরঃ বাগান।

তিন মাথা দশ পাও, এই কথায় দিস পাও।
উত্তরঃ হাল।

কার চোখ থাকে কিন্তু সেই চোখের পাতা থাকে না?
উত্তরঃ মাছ।

মানুষ কখন নিজের গালে নিজেই চড় মারে?
উত্তরঃ যখন গালে মশা বসে।

কোন জিনিস আমরা ১ ঘণ্টা ধরে চিবিয়ে চিবিয়ে খাই তবুও পেট ভরেনা?
উত্তরঃ চুইংগাম।

কী যা শহরের মধ্যে দিয়ে যায়, পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে যায়, জঙ্গলের মধ্যে দিয়েও যায়, কিন্তু নড়তে পারে না?
উত্তরঃ রাস্তা।

কঠিন ধাঁধা উত্তর সহ

কঠিন বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ

ধাঁধার মধ্যে একটা সাদাসিধে ভঙ্গি থাকে এবং অপ্রত্যাশিত কোনো কিছুর তুলনা এর মধ্যে রূপকাশ্রিত হয়ে প্রকাশিত হয়। ধাঁধার মাধ্যমে মূল বক্তব্যকে প্রচ্ছন্ন ভঙ্গিতে প্রকাশ করা যায়। নিচে কয়েকটি কঠিন বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ দেওয়া হলোঃ

কোন জিনিস মেয়েরা স্বামীর সামনে দেয়না, কিন্তু সবার সামনে দেয়।
উত্তরঃ মাথার ঘোমটা।

কোন জিনিস দিলে বেড়ে যায়?
উত্তরঃ বিদ্যা বা জ্ঞান।

কি এমন জিনিস যা মানুষ না চাইলেও পায়?
উত্তরঃ মৃত্যু।

তুমি আমি একই জন, একই রং রুপ, আমি কথা বলি, তুমি থাক চুপ।
উত্তরঃ নিজের ছবি।

আমরা জানি, ভূত চতুর্দশীর পর আমাবস্যার কালীপূজা হয়, মন্ডল পাড়ার কালীপূজার রাতে ভরা চাঁদের জোছনায় পুকুরে পূজোর ঘাটে জল ভরতে গেল । এটা দেখেও দুলাল মুখার্জি অবাক হলেন না কেন?
উত্তরঃ ঐদিন কালীপূজা হচ্ছিল না, অন্য পূজা হচ্ছিল। আর কালী একজনের নাম।

একলা তাকে যায় না দেখা, সঙ্গী পেলে বাচে, আধার দেখে ভয়ে পালায়। আলোয় ফিরে আসে।
উত্তরঃ নিজের ছায়া।

কোন জিনিসটা অন্যকে শুকনা করতে নিজেই ভিজে যায়।
উত্তরঃ তোয়ালে

স্ত্রী তার শ্বামীকে সব কিছুই দিতে পারে, কিন্তু একটা জিনিস দিতে পারে না। সেটা কি?
উত্তরঃ পদবি

কোন স্কুলে কোন ছাত্র পড়ে না?
উত্তরঃ গার্লস স্কুলে

কোন জিনিস ছেলেরা লুকিয়ে এবং মেয়েরা দেখিয়ে চলে।
উত্তরঃ পার্স বা মানি ব্যাগ

এমন কোন জিনিস যা সবার কাছে থাকে। কারো ছোট হয়, আবার কারো বড় হয়।
উত্তরঃ মন

কোন জিনিস আমরা খাই, কিন্তু দেখতে পাই না।
উত্তরঃ দিব্যি

শুকনা দিয়া জাহাজ যায়, চার ঠ্যাং দিয়া দাঁড় বায়।
উত্তরঃ উট।

হাত পা সকলি আছে, নাই লেজ মুড়া, সকলেরে কোলে করে কিবা ছেলে বুড়া।
উত্তরঃ চেয়ার।

কোন জিনিস আমরা শুধু রাতেই করতে পারি কিন্তু দিনে করতে পারি না।
উত্তরঃ ডিনার (রাতের খাবার)।

অতি ছোট প্রাণীটি, লাল রক্ত খায়। বড়ে বড়ো গাছের সঙ্গে, যুদ্ধ করতে যায় ।
উত্তরঃ উঁই।

জঙ্গল দিয়া উইড়া চলে, পিছ দিয়া আগুন জ্বলে।
উত্তরঃ জোনাকি।

ছেলে মেয়েকে দেয়, ছেলে ছেলেকে দেয়, কিন্তু মেয়ে ছেলেকে দেয় না ।
উত্তরঃ যানাজা।

কোন মাসে মানুষ সব চাইতে কম ঘুমায়।
উত্তরঃ ফেব্রুয়ারি (কারণ ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনে)।

আমি তুমি একই রুপ, দেখিতেও একই রুপ, আমি কথা কই, তুমি কেন থাকো চুপ?
উত্তরঃ ছবি (ফটোগ্রাফ)।

মামার বাড়ি গেলাম, চুলাতে পইড়া মইরা রইলাম।
উত্তরঃ জ্বালানি কাঠ।

কোন জিনিস কাঁচা খায়, পাকা খায়, খাওয়া শেষে ফেলে দেয়, কিন্তু সে জিনিস আবার কুড়িয়ে খায়।
উত্তরঃ তাল।

ছোটদের মজার ধাঁধা উত্তর সহ

ছোটদের মজার ধাঁধা উত্তর সহ

ধাঁধা শব্দ টার নাম শুনলেই অতীতের কথা মনে পড়ে যায়। ধাঁধা জ্ঞান বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং সেই সাথে এটি রসিকতাও একটি আবেশ সৃষ্টি করে থাকে। অর্থাৎ জ্ঞান ও রসের মিশ্রণ হলো ধাঁধা। নিচে বেশ কয়েকটি ছোটদের মজার বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ দেওয়া হলোঃ

তুমি থাকো ডালে আমি থাকি খালে তোমার আমার দেখা হবে মরণের কালে।
উত্তরঃ মরিচ গাছ।

মাটির হাড়ি কাঠের গাই, বছর বছর দোয়াই খাই।
উত্তরঃ খেজুর গাছ।

একটু খানিপুকুরটায় ইচায় গাড়া ভরা একটা ইচা টিপ দিলে সব ইচা মরা।
উত্তরঃ ভাত।

একটুখানি পুকুরটায় কৈ-এর ভগ ভগ করে এমন ব্যাটার সাহস নাই লাফ দিয়া ধরে।
উত্তরঃ ফুটন্ত ভাত।

একটি গাছে ত্রিশটি পাতা সাতটি হলো ফুল পাঁচটি হলো পাখি, বলুন তো এটা কি?
উত্তরঃ এক বৎসর, ৩০ দিন, এক সপ্তাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ।

দুই মায়ের এক সন্তান বলেন দেখি তার কি নাম ।
উত্তরঃ দরজার খিল।

চিলি চিলি পাতা মোটা মোটা ডাল ফলটি পাকা বিচিটি লাল ।
উত্তরঃ তেঁতুল।

শূন্য ভিটা চিমটি মাটি ফুল ধরেছে পরিপাটি আলাহর এমন করুণা সকাল হয়ে থাকি ।
উত্তরঃ তারা।

একটু খানি গাছে লাল বৌটি নাচে।
উত্তরঃ মরিচ।

আচ্ছা বলত কোন জিনিস সিলেট থেকে চলে গেছে চিটাগাং? নড়ে চড়ে নাই একটুও।
উত্তরঃ রেল লাইন।

খোসা আছে বোটা নাই, বলত কি জিনিস ভাই।
উত্তরঃ ডিম।

সবুজ বুড়ি হাটে যায়, হাটে যাইয়া চিমটি খায়।
উত্তরঃ লাউ।

ছোট এক পুকুরে পানি টলমল করে সর্বনাশ হয় যদি কিছু তাতে পড়ে।
উত্তরঃ চোখ।

ছোট ছোট ছেলেগুলি ভাঙ্গা নায়ে থাকে আগুনের তাপ পেলে লাফাইয় নাছে।
উত্তরঃ খই।

চলে কিন্তু হাটে না কি জিনিস তা বল না?
উত্তরঃ টাকা ও পয়সা।

আগায় খস খস গোড়ায় মৌ যে বলতে না পারবে সে পবন ঠাকুরের বউ।
উত্তরঃ আখ বা গেন্ডারী।

হাত আছে পা নাই মাথা তার কাটা আস্তা মানুষ গিলে খায় বুক তার ফাটা।
উত্তরঃ শার্ট।

চার পায়ে বসি আমি আট পায়ে চলি বাঘ নয় কুমির নয় আস্তা মানুষ গিলি
উত্তরঃ পালকী।

মা রইলো নানীর পেটে আমি গেলাম বাবুর হাটে।
উত্তরঃ কলা।

দিনের বেলায় ঘুমিয়ে থাকে রাতের বেলায় জাগে ঘর নেই বাড়ী নেই পরের ভিক্ষা মাগে।
উত্তরঃ চাঁদ।

সাগরে যার জন্ম নগরে তার বাস মায়া ছুলে হয় পুত্রের সর্বনাশ
উত্তরঃ লবন।

চারদিকে বেত কাঁটা মধ্যে বসে সাপ বেটা।
উত্তরঃ আনারস।

ঘর আছে দুয়ার নাই মানুষ আছে কথা নাই।
উত্তরঃ কবর।

অল্প দিলে হয়না বন্ধু বেশী দিলে বিষ কালিদাস পান্ডিতে বইলা গেছে আন্দাজ মতো দিস।
উত্তরঃ লবন।

গাছটা গজারী পাতাটা ইলশা, ধরে কামরাঙ্গা, পরে কালিজিরা।
উত্তরঃ তিল।

তিন অক্ষরের নাম যার জলে বাস করে মাঝের অক্ষর বাদ দিলে আকাশেতে উড়ে।
উত্তরঃ চিতল।

এক ঘরে এক থাম । বল কি তার নাম।
উত্তরঃ ছাতা।

অন্ধকার ঘরে, বাঁদর নাচে না না করলে, আরও নাচে।
উত্তরঃ জিহ্বা।

আছে কল, আছে জল, মাটি, পাতা রস অনল, পবন, ধুম্র সবার পরশ। মুখে মুখে কহে কথা, এক বোল বলে না চুমিলে রহে চুপ, হাতে মুখে চলে।
উত্তরঃ সাজানো হুক্কা।

আগে পিছে পতি নিয়ে থাকে অবিরাম মানুষ সে নয় কিন্তু সুস্বাদু ফল।
উত্তরঃ নাশপতি।

আশ্চর্য এক কথা, শুনলে হাসি পায়। নিজে সে দেখে না, অপরকে দেখায়।
উত্তরঃ চশমা।

আম নয়, জাম নয়, গাছে নাহি ফলে, তবুও সবাই কিন্তু ফল তারে বলে ।
উত্তরঃ পরীক্ষার ফল।

আমার নই কো আমি, এঁকে বেঁকে চলি। পথে পথে প্রাণী খাই, উপরে আভার ফেলি।
উত্তরঃ রেলগাড়ি।

আমার ভাইঝীর বড় বড় লোকের সঙ্গে বসে খায় ক্ষীর।

উত্তরঃ মাছি।

আমার মামার, ভগ্নি জামাই। তোমার কি হয় বলোতো এবার ভাই।
উত্তরঃ খালু/বাবা।

আলাহর তৈরি রাস্তা, তৈরি মানুষের সাধ্য নেই। হরেক রকম নাম তার বলোতো কি জিনিস তা?
উত্তরঃ রংধনু।

আলাহর কি কুদরত, ঢিলের ভূঁইয়ে শরবত।
উত্তরঃ তরমুজ।

আঘাত নয়, দেশের নাম, বলতে পারলে সম্মান।
উত্তরঃ ঘানা।

আমি হাসাই, আমি কাদাই, নহি আমি প্রাণী। দেখতে এসে সবাই ভোগে, বেদনা তাইতো জানি।
উত্তরঃ নাটক।

আজকালের মধ্যে নয়, দু’পাশেতে পশু হয় । অস্ত্ররূপে পরিচয়।
উত্তরঃ পরশু।

আট পায়ে চলি আমি, চার পায়ে বসি। কুমির নই, বাঘ তো নই আস্ত মানুষ কিন্তু গিলি।
উত্তরঃ পালকি।

হাড়গোড় নাই তার মাংস শুধু আছে রং-টা তার কালো, জলা জায়গায় আছে।
উত্তরঃ জোক।

অঙ্গুর ফাঙ্গুর ঝাঙ্গুর, বাপ থাকতে বেটা কেন লেঙ্গুর?
উত্তরঃ ব্যাঙাচি।

অক্ষর মাত্র তিনটা সবার ঘরে রয়, মধ্যের অক্ষর বাদ দিলেই সুন্দর বাদ্য হয়।
উত্তরঃ বিছানা।

অনেকেই খায় না, কিছু লোকে খায় । বন্ধুদের না খাওয়ালে, মানহানি হয়।
উত্তরঃ সিগারেট।

হাত নেই পা বহু, চলে পরের জোরে ঘন কৃষ্ণ বনে গিয়ে শিকার ধরে আনে।
উত্তরঃ চিরুনি।

আকাশে উড়ি আমি, পাখির আকারে। মাছ ধরে যাই আমি দৈত্যের রূপ ধরে।
উত্তরঃ বক।

আকাশ হতে পড়ল কল, তার মধ্যে রক্ত। বলতে হবে, কি নাম তার?
উত্তরঃ কালোজাম।

আসবে তারা যাদের স্বভাব, ভাত ছড়ালে হবে না অভাব ।
উত্তরঃ কাক।

সেরা মজার সব বুদ্ধির ধাঁধা

সেরা মজার সব বুদ্ধির ধাঁধা

ধাঁধা হল একটি খেলা, সমস্যা বা খেলনা যা একজন ব্যক্তির জ্ঞান পরীক্ষা করে। এটি মূলত একটি বুদ্ধি গ্রাহ্য বিষয় যা রূপকের সাহায্যে জিজ্ঞাসার আকারে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। ধাঁধার কেতাবি অধ্যয়নকে বলা হয় রহস্যবিদ্যা। নিচে বেশ কতকগুলো সেরা মজার সব বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ দেওয়া হলোঃ

রাস্তায় টাকা পড়ে থাকলে কী করা উচিত?
উত্তরঃ তুলে নিয়ে দ্রুত খরচ করে ফেলা উচিত।

বলুন তো, কী লিখে অল্প সময়ের মধ্যে অনেক টাকা পাওয়া সম্ভব?
উত্তরঃ ব্যাংকের চেক লিখে।

দুই বিয়ের অসুবিধে কোথায়?
উত্তরঃ একসঙ্গে দুজন মালিকের হুকুম তামিল করা কি সম্ভব?

ঘুম পেলে আমরা বিছানায় যাই কেন?
উত্তরঃ বিছানা আমাদের কাছে আসে না তাই।

আগে মেয়েরা লম্বা চুল রাখত, এখন ছোট রাখে কেন?
উত্তরঃ শ্যাম্পু খরচ বাঁচাতে।

রবীন্দ্রনাথ কি কখনও ফুটবল খেলেছিলেন?
উত্তরঃ হ্যাঁ, কারণ তাঁর একটি গান আছে ‘বল দাও মোরে বল দাও’।

আত্মভোলা লোকের উদারণ কী?
উত্তরঃ যিনি বাসায় ফিরে বিছানায় ছাতা রেখে নিজে দরজার কোনায় দাঁড়িয়ে থাকেন।

মুরগি ছাড়া ডিম কি সম্ভব?
উত্তরঃ অবশ্যই সম্ভব। তবে হাঁস হতে হবে।

খুশকির হাত থেকে বাঁচার সবচেয়ে সহজ উপায় কোনটি?
উত্তরঃ টেকো হওয়া।

চামড়ার কাজ কী?
উত্তরঃ দেহের হাড্ডি এবং মাংসগুলোকে ঢেকে রাখা।

দুয়ে সঙ্গ, তিনে বিশৃঙ্খলা, চার ও পাঁচ-এ কী?
উত্তরঃ নয়।

ত্রিশকে ছয় দিয়ে কতবার বিয়োগ করা যাবে?
উত্তরঃ একবার। কারণ প্রথমবার বিয়োগের পর ত্রিশ আর থাকবে না।

পৃথিবীর সবচেয়ে অলস পর্বত কোনটি?
উত্তরঃ মাউন্ট এভারেস্ট (এভার-রেস্ট)।

কোন সংখ্যাকে অর্ধেক করলে শূন্য পাওয়া যায়?
উত্তরঃ ৪। কারণ দুটি শূন্য দিয়ে এটি তৈরি।

কালিদাস পণ্ডিতে কয় বাল্যকালের কথা, নয় হাজার তেঁতুল গাছে কয় হাজার পাতা?
উত্তরঃ আঠার হাজার পাতা।

পোলা কালে বস্ত্রধারী যৌবনে উলঙ্গ, বৃদ্বকালে জটাধারী, মাঝখানে সুড়ঙ্গ।
উত্তরঃ বাঁশ।

কোথায় নদী আছে, জল নেই, পাহাড় আছে, পাথর নেই, শহর আছে, মানুষ নেই?
উত্তরঃ মানচিত্রে।

বাঘের মত লাফ দেয়, কুকুরের মত বসে, হাঁসের মত ভাসে।
উত্তরঃ ব্যাঙ।

কোন দেশে মাটি নেই?
উত্তরঃ স্বন্দেশ।

ফস করে রেগে যাই জ্বলি দপ করে, বাক্স এ সারি সারি ঘুমে থাকি পড়ে?
উত্তরঃ দেশলাই।

কোন ফলের ফুল ফোটে কি ফোটে না, সকালে-বিকালে কেউ তো দেখে না।
উত্তরঃ ডুমুর।

শোন ভাই কালিদাসের হেয়ালীর ছন্দ, দরজা আছে হাজারটা তবু কেন বন্ধ।
উত্তরঃ মশারী।

কোন বিলে জল নেই?
উত্তরঃ টেবিল।

কোন মাসে শনিবার নেই?
উত্তরঃ সমাস।

রাজুর বাবার চার ছেলে – রাম, শ্যাম, যদু, আর চতুর্থজন কে?
উত্তরঃ রাজু।

কোন গান গাওয়া যায় না?
উত্তরঃ বাগান।

আশি টাকার খাসি, নব্বই টাকার পোস্ত। এক পিঠ দেখা যায়, আর পিঠ কই দোস্ত?
উত্তরঃ আকাশ।

কথা ও ছবি হাওয়ায় ভাসে দেখে যে সবাই ঘরে বসে।
উত্তরঃ টেলিভিশন।

কায়স্ত অস্ত্র ছাড়া, পাঁঠা ছাড়ল পা। লবঙ্গে বঙ্গ ছাড়া, এনে দেব তা।’
উত্তর: কাঁঠাল।

বাঘের মত লাফ দেয়, কুকুরের মত বসে, হাঁসের মত ভাসে।
উত্তরঃ ব্যাঙ।

কারো সঙ্গে এলে যায় না ফেলে রাখা, একলা দেখে তাকে তুচ্ছ মনে রাখা।
উত্তরঃ শূন্য।

আশ্চর্য বাদ্যযন্ত্র জুড়ি মেলা ভার সে যদি বাজ খায় থাকে তার ‘তার’। তার যদি কেটে যায় তবু নিঃসন্দেহে, অর্ধেকের বেশি ছাড়াও বিদ্যমান সে।
উত্তরঃ সেতার।

কান নাই মাথা নাই, পেট ভরে খায়, কাম নাই কাজ নাই, মাথা নিয়ে ঘুমায়।
উত্তরঃ বালিশ।

এতটুকু ঘরখানি চুনকাম করা কোনো মিস্ত্রির সাধ্য নাই ভাইঙ্গা আবার গড়া।
উত্তরঃ ঝিনুক।

একটি শিক্ষকে আছে, পণ্ডিতে নেই। আবার কাননে আছে, বাগানে নেই।
উত্তরঃ ক।

তিন অক্ষরে নাম তার চোখের প্রদর্শনী, প্রথম অক্ষর কেটে দিলে তৃষ্ণা পায় বুঝি। মাঝের অক্ষর কেটে দিলে রং হয় জানি, শেষের অক্ষর কেটে দিলে কঠোর পরিশ্রমী।
উত্তরঃ কাজল (জল, কালো, কাজ)।

কোন হাস ডিম পারে না?
উত্তরঃ ইতিহাস।

কার নাম বললেই তা ভেঙে যায়?
উত্তরঃ নিস্তব্ধতা।

কাটলে বেড়ে যাবে, সব শেষে জল পাবে।
উত্তরঃ পুকুর।

কালো মুখো পুত যার, বুকে আঘাত করে, কিন্তু মার অভিশাপে, জ্বলে-পুড়ে মরে।
উত্তরঃ দিয়াশলাই।

ফুটোর মাঝে ডুকিয়ে নাড়াচাড়া করে, কখনো বোজে, কখনো খুলে থাকে ঘরে ।
উত্তরঃ তালাচাবি।

বিয়ের সময় দাদা দেয় একবার, সারাজীবন বৌদি দেয় দেয় বারবার ।
উত্তরঃ সিঁদুর।

ঘসা দিলে মিটে আশা, নইলে পড়ে সব নিরাশা।
উত্তরঃ ম্যাচ।

নয়নে নয়নে থাকে, নয়নের কেউ নয়।
উত্তরঃ কাজল।

কী শুধু ওপরে যায় কিন্তু নিচে নামে না?
উত্তরঃ তোমার বয়স।

কি নামতে পারে, কিন্তু উঠতে পারে না?
উত্তরঃ বৃষ্টি।

শীত কালে যার নেইকো মান গ্রীষ্ম কালে পায় সু-সম্মান।
উত্তরঃ পাখা।

কোন ফুলের নামটি উল্টালে একটি পাখির নাম হয়?
উত্তরঃ জবা। (উল্টালে বাজপাখি হয়)।

কোন দুটি সংখ্যা একসাথে থাকলে বড্ডো বেশি চিন্তা করে?
উত্তরঃ সাত-সতেরো।

কোন ডিম একেবারেই পুষ্টিকর নয়?
উত্তরঃ ঘোড়ার ডিম।

উপরে তিতা ভিতরে মিঠা, লেবুর দলে বাস। এই কথাটি বলতে গেলে লাগে তিন মাস।
উত্তরঃ জাম্বুরা।

একটা ছোট ঘরে, অনেক মাথা ধরে।
উত্তরঃ দেশলাই।

আকাশ থেকে পড়ল ফল, ফলের মধ্যে শুধুই জল।
উত্তরঃ শিলা।

লাল দেখতে জিনিসটি, ‘ল’ কাটলে ফলটি।
উত্তরঃ আলতা।

কাঁচাতে মানিক ফল সর্বলোকে খায়, পাকিলে মানিক ফল কিন্তু গড়াগড়ি যায়।
উত্তরঃ ডুমুর।

দিন-রাত পড়ে থাকি লাথি মারলে চলে, গ্রামের মধ্যে থাকে সে কথা নাহি বলে।
উত্তরঃ ঢেঁকি।

চার কলসি দুধে ভরা, ঢাকনা ছাড়া উপুড় করা।
উত্তরঃ গাভি।

প্রিয় পাঠক আজকে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ ও সেরা মজার সব বুদ্ধির ধাঁধা শেয়ার করেছি। যা আপনাদের অনেক ভালো লাগবে এবং আপনারা এসব আপনাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে পারবেন। আশা করি আর্টিকেলটি আপনাদের ভালো লেগেছে।

Author

More Reading

Post navigation

Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রোমান্টিক ধাঁধা উত্তর সহ | সেরা সব রোমান্টিক ধাঁধা ২০২৪

নোংরা ধাঁধা উত্তর সহ । ১০০+ সেরা নোংরা ধাঁধা উত্তর সহ