কারবালার ইতিহাস ও কারবালা কোথায় অবস্থিত

ঐতিহাসিক কারবালার ইতিহাস ও কারবালা কোথায় অবস্থিত

আপনারা যারা কারবালার ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত ও সঠিক তথ্য জানার জন্য অনলাইনে গিয়ে খুঁজে থাকেন, কিন্তু সঠিক তথ্য খুঁজে পান না অথবা খুঁজে পেলেও খুবই কষ্ট করতে হয়! তাদের জন্যই আমি আজকের এই কারবালার ইতিহাস সম্পর্কিত আর্টিকেলটি সাজিয়েছি। আশা করি কারবালার ইতিহাস আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের জানাবো কারবালা কি, কারবালার ইতিহাস, কারবালা কোথায় অবস্থিত, কারবালা যুদ্ধের পটভূমি এবং কারবালার ইতিহাস থেকে শিক্ষা ইত্যাদি। চলুন তাহলে শুরু করা যাক-

কারবালা কি

কারবালা কি

কারবালা মূলত একটি ঐতিহাসিক প্রাচীন শহর। কারবালাকে “আল-মুকাদ্দাসা” বলেও উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এই শহর বা কারবালা মূলত ঐতিহাসিক কারবালার যুদ্ধের কারণে বেশি পরিচিত। মহানবী হযরত মুহাম্মাদ ( সা.) দৌহিত্র ও আলীর পুত্র হোসাইন ইবনে আলী এই শহরে শাহাদাতবরণ করেন। মক্কা, মদিনা ও জেরুজালেমের পর শিয়া মুসলমানেরা কারবালাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।

কারবালা কোথায় অবস্থিত

কারবালা কোথায় অবস্থিত

কারবালা (আরবি: كربلاء; কারবালা আল-মুকাদ্দাসা বলেও উল্লেখ করা হয়) ইরাকের অন্তর্গত একটি শহর। এটি বাগদাদের ১০০ কিমি (৬২ মাইল) দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। শহরটি কারবালা প্রদেশের রাজধানী। ২০০৩ সালের হিসাব অনুযায়ী এখানকার জনসংখ্যা ৫,৭২,৩০০ জন। কারবালা ময়দানটি বিশেষ করে সবার কাছে ঐতিহাসিক কারবালা যুদ্ধের কারণে বেশিরভাগ সময় পরিচিত। মহানবী হযরত মুহাম্মদ(স.) এর দৌহিত্র এবং হযরত আলী(র.) পুত্র হুসাইন ইবনে আলী(র.) এই শহরে শাহাদাত বরণ করেছিলেন।

কারবালার ইতিহাস

কারবালার ইতিহাস

কারবালার যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম হৃদয়বিদারক ঘটনা। কারবালার ইতিহাস আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নাতি হুসাইন ইবনে আলী (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের শাহাদাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কারবালার এই ঘটনাটি  ১০ ই মহররম ৬১ হিজরিতে সংঘঠিত হয়। আপনাদের জন্য নিচে কারবালার ইতিহাস বা কারবালা যুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কিত সকল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হলো। আসুন জেনে নেই-

কারবালা যুদ্ধের পটভূমি

ইসলামের ৪র্থ খলিফা হযরত আলী ইবনে আবু তালিব (রা.)-এর শাহাদাতের পর, কুফা (ইরাকের) জনগণ পরবর্তী খলিফা হিসেবে তার বড় ছেলে হাসান ইবনে আলী (রা.)-এর কাছে আনুগত্যের অঙ্গীকার করে। কিন্তু মুয়াবিয়া (রাঃ) ও হাসান (রাঃ) এর মধ্যে মতের কিছু পার্থক্য ছিল। মত পার্থক্যের একপর্যায়ে হাসান (রা.) শান্তি চুক্তির মাধ্যমে মুয়াবিয়া (রা.)-এর কাছে খিলাফত হস্তান্তর করেন। ওই চুক্তিতে বেশ কিছু ধারা রয়েছে। কারবালার যুদ্ধের পটভূমির সাথে সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো

  • মুয়াবিয়া (রা) পরবর্তী খলিফা মনোনীত করতে পারেননি।
  • শুরা কমিটি পরবর্তী নির্বাচন করবে।
  • হযরত হাসান (রাঃ) বেঁচে থাকলে এবং মুয়াবিয়া (রাঃ) মারা গেলে পরবর্তিতে হাসান (রাঃ) খলিফা হিসেবে নির্বাচিত হবেন।

কিন্তু মুয়াবিয়া (রা.) তার পুত্র ইয়াজিদকে পরবর্তী উমাইয়া খিলাফত হিসেবে নিযুক্ত করার মতলব করেন, এবং এরই প্রেক্ষিতে হযরত হাসান (রা.) কে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেন। হযরত হাসান (রা.) কে হত্যার পর ইয়াজিদকে পরবর্তী উমাইয়া খিলাফত হিসেবে নিযুক্ত করা হলে,  হুসাইন (রাঃ) সহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সর্বাধিক বিশিষ্ট সাহাবীগণ ইয়াজিদের উত্তরাধিকারী ক্ষমতাকে সমর্থন করেন নি। তাই ইয়াজিদের ক্ষমতার শুরু থেকেই হোসাইন (রা.) ও ইয়াজিদের মধ্যে কিছু মতভেদ ছিল।

কুফা অভিমুখে যাত্রা

কুফা অভিমুখে যাত্রা

ইয়াজিদ উমাইয়া খিলাফতের দায়িত্ব নেওয়ার পর, মদিনার গভর্নর হুসাইন ইবনে আলী (রা.) কে তার আনুগত্যের অঙ্গীকার নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করলে, হুসাইন ইবনে আলী (রা.) তা প্রত্যাখান করেন। ইয়াজিদ এ কথা শোনার পর হুসাইন ইবনে আলী (রা.) কে শাস্তি হিসেবে কারাগারে নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেয়। মদিনার গর্ভনর বিপদে পড়েছিলেন, তাই তিনি হুসাইন (রা.)-কে মক্কা ছেড়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। হোসাইন ইবনে আলী (রা) তার পরিবার নিয়ে অনিচ্ছায় সত্ত্বেও মক্কায় হিজরত করেন।

হুসাইন ইবনে আলী (রা.) যখন মক্কায়, তখন তিনি কুফা (ইরাকের) লোকদের কাছ থেকে অনেক চিঠি পেয়েছিলেন। তারা লিখেছিল যে তারা ইয়াজিদের কার্যকলাপে বিরক্ত ও অসন্তুষ্ট ছিল, যার কারনে তারা হুসাইন (রাঃ)-এর প্রতি আনুগত্য করতে চেয়েছিল। হুসাইন ইবনে আলী (রা.) তার চাচাতো ভাই মুসলিম ইবনে আকিল (রা.)-কে কুফার বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে কুফায় পাঠান। মুসলিম ইবনে আকিল (রহঃ) দেখলেন যে, কুফাবাসী আন্তরিকভাবে হুসাইন (রাঃ)- আনুগত্যের চুক্তি করতে চায়। তাই, মুসলিম ইবনে আকিল (রহঃ) হুসাইন (রাঃ) কে কুফার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে চিঠি লিখেছিলেন।

হোসাইন (রা.) মুসলিম ইবনে আকিল (রহঃ) এর চিঠি পাওয়ার পর কুফায় যাওয়ার ইচ্ছা পোষন করেন। এর পর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করলেন কিন্তু তাদের অধিকাংশ সাহাবী তাকে সেখানে যেতে বারন করেন। কিন্তু হুসাইন ইবনে আলী (রা.) কুফায় যাওয়ার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন কারণ কুফাবাসীরা হোসাইন (রা.)-এর প্রতি আনুগত্য করতে প্রস্তুত ছিল।

ইয়াজিদ যখন শুনলেন কুফায় মুসলিম বিন আকিল (রহ.)-এর উপস্থিতির কথা, তখন তিনি বর্তমান গভর্নর নুমান ইবনে বশীরকে পরিবর্তন করে নতুন গভর্নর ওবায়দুল্লাহ ইবনে যিয়াদকে নিয়োগ করেন। তিনি ইবনে যিয়াদকে মুসলিম ইবনে আকিল (রা.) ও হোসাইন (রা.)-কে প্রতিহত করার নির্দেশ দেন। তারপর ইবনে যিয়াদ কুফার নেতাদের এবং তারপর মুসলিম ইবনে আকিল (রহ.)-কে গ্রেফতার করে।

এই অবস্থায় কুফাবাসীরা মুসলিম বিন আকিল (রহঃ) এর পক্ষ ছেড়ে ইয়াজিদের পক্ষে চলে যায়। এরপর ইবনে যিয়াদ মুসলিম (রা) কে নির্মমভাবে হত্যা করে। নিহত হওয়ার আগে, মুসলিম বিন আকিল (রা.) হোসাইন (রা.)-এর কাছে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে লিখেছিলেন এবং কুফাবাসীরা তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করায় তাকে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু হুসাইন ইতিমধ্যেই কুফার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন এবং তিনি তা জানতেন না।

৮ ই জিলহজ্জ ৬০ হিজরিতে হোসাইন ইবনে আলী (রা.) তার পরিবারের সদস্যদের সাথে কুফার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন, যেখানে তাদের অধিকাংশই ছিলেন আহলুল বাইত (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিবারের সদস্য) এবং ষাট জন সহযোগী। বেশ কিছু দিন ভ্রমণের পর হুসাইন (রা.) মুসলিম বিন আকিল (রা.)-এর শাহাদাতের সংবাদ পান। হুসেইন ইবনে আলী (রা) বুঝতে পেরেছিলেন যে সামগ্রিক পরিস্থিতি ভাল যাচ্ছে না। কিন্তু তিনি কুফায় যাত্রা চালিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন।

কারবালায় কি ঘটেছিল

কারবালায় কি ঘটেছিল

২রা মহররমের ৬১ হিজরী সালে হোসাইন (রা.) ও তার সঙ্গীরা কারবালায় পৌঁছান। পোঁছানোর পর তাদের কে উমর ইবনে সাদের নেতৃত্বে ইয়াজিদের ৪০০০ বাহিনী তাদের বাধা দেয়। হোসাইন ইবনে আলী (রা) এবং তার সাথীরা দীর্ঘ সময় ধরে ভ্রমণ করার কারণে তারা ক্লান্ত ও তৃষ্ণার্ত ছিলেন। কারবালার প্রান্তর ফোরাত নদীর কাছে অবস্থিত হওয়াই ইয়াজিদের বাহিনী এ নদীটিকেও ঘিরে রাখে যাতে আহলে বাইত তৃষ্ণা নিবারন করার জন্য ফোরাত নদীর পানি পান করতে না পারে। এ নদী থেকে এক ফোঁটা পানি সংগ্রহ করতে গেলে ফুলের মতো নিষ্পাপ দুগ্ধপোষ্য শিশু আলী আসগর সীমার বাহিনীর তিরের আঘাতে শহীদ হয়।

কারবালা যুদ্ধ সংগঠিত হওয়ার আগের রাতে হযরত হোসাইন (রা.) ঘোষণা করেন যে, তার সঙ্গীদের মধ্যে কেও যদি মক্কায় ফিরে যেতে চায় তাহলে যেতে পারে। কিন্তু সাথে থাকা সকল সঙ্গীই তাদের মৃত্যু না হওয়া অব্দি হোসাইন (রা.) পাশে থাকার জন্য প্রস্তুত ছিলেন। মহররমের ৩ তারিখে ইবনে সাদ হোসাইন (রা.) কে ইয়াজিদের কাছে আত্মসমর্পন করতে বললে তখন তিনি পূর্বের মত তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন ইয়াজিদের আনুগত্যের চেয়ে মৃত্যু আমার কাছে উত্তম। মহররমের ৭ তারিখ থেকে ইয়াজিদের বাহিনী পানির উৎস সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ করে। এভাবে পানির অভাবে হোসাইনের (রাঃ) শিবিরে ভয়ানক কষ্ট হয়। তবে, তারা তাদের পথ ছাড়েননি।

কারবালার যুদ্ধের দিন ফজর নামাজ পর হোসাইন (রা.) বললেন, আমি তো যুদ্ধ করতে আসিনি। তোমরা আমাকে ডেকেছ বলে আমি এসেছি। এখন তোমরা কুফাবাসীরাই তোমাদের বাইয়াত পরিত্যাগ করছ। তাহলে আমাদের যেতে দাও, আমরা মদিনায় ফিরে যাই অথবা সীমান্তে কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি। অন্যথায় ইয়াজিদের কাছে গিয়ে তার সঙ্গে বোঝাপড়া করি। কিন্তু হযরত হোসাইন (রা.) কে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে আদেশ দেয় ইবনে জিয়াদ। ঘৃণা ভরে এ আদেশ প্রত্যাখ্যান করেন ইমাম হোসাইন (রা.)

মহররমের ১০ তারিখ সকাল থেকে ইবনে জিয়াদের নেতৃত্বে প্রায় ৪ হাজার ইয়াজিদ বাহিনী হোসাইন (রা.)-এর ওপর আক্রমণ চালাতে থাকে। হোসাইন (রা.) সাথীদের নিয়ে বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করতে থাকেন। এই যুদ্ধে একমাত্র ছেলে হজরত জায়নুল আবেদিন (রহ.) ছাড়া পরিবারের শিশু, কিশোর ও নারীসহ সবাই একে একে শাহাদাতের বরণ করেন।

মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ইমাম হোসাইন একাই লড়াই চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত অত্যন্ত নির্মম ও নির্দয়ভাবে ইমাম হোসাইনকে শহীদ করা হয়। শিমার বিন যুল জাওশান নামক এক পাপিষ্ঠ তার মস্তক দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। শাহাদাতের পর ইমাম হোসাইন (রা.)-এর ছিন্ন মস্তক বর্শা ফলকে বিদ্ধ করে এবং তাঁর পরিবারের জীবিত সদস্যদের দামেস্কে ইয়াজিদের কাছে প্রেরণ করা হয়।

কারবালার যুদ্ধের পরবর্তি ঘটনা

কারবালার যুদ্ধের পরবর্তি ঘটনা

ইমাম হোসাইন (রা.) খণ্ডিত মস্তক দেখে ইয়াজিদ ভীত ও শঙ্কিত হয়ে পরে। মাত্র চার বছরের মধ্যে ইয়াজিদের মৃত্যু হয়। এর কয়েকদিনের মধ্যে মৃত্যু হয় ইয়াজিদ পুত্রের। কারবালার এই মর্মান্তিক হত্যায় জড়িত প্রতিটি ব্যক্তি কয়েক বছরের মধ্যেই মুখতার সাকাফির বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে নিহত হয়। এরপর ইয়াজিদের বংশের কেউ শাসন ক্ষমতা লাভ করেনি।

কারবালার ইতিহাস থেকে শিক্ষা

কারবালার ইতিহাস থেকে শিক্ষা

সত্য ও ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত কারবালার প্রান্তরে প্রতারিত নির্মম নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হোসাইনি কাফেলা চিরস্মরণীয় ও বরণীয়। প্রতিটি মহররম ও প্রতিটি আশুরা আমাদের সত্য ও ন্যায়ের ওপর দৃঢ়পদ থাকার মাহাত্ম্য স্মরণ করিয়ে দেয়। জীবনের ব্রত, ত্যাগের শিক্ষা, আত্মমর্যাদাবোধ জাগ্রত করে; ভয়কে জয় করে, নিজের জীবন উৎসর্গ করে, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সহজ পথ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ করাই কারবালার শিক্ষা।

শেষ কথা

সুপ্রিয়া পাঠক আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে কারবালা কোথায় অবস্থিত, কারবালার ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত সকল তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। আশা করছি আজকের এই কারবালার ইতিহাস সম্পর্কিত আর্টিকেলটি আপনাদের খুবই ভালো লেগেছে এবং কারবালা সম্পর্কে তথ্য আপনারা সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন। কারবালার ইতিহাস সম্পর্কে আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে তাহলে আমাদের কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। ইনশাআল্লাহ্‌ আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। এই রকম আরও ইসলামিক ইতিহাস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন

Author

More Reading

Post navigation

Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মহরম কেন পালন করা হয়? – মহরম এর ইতিহাস